প্রাণে প্রাণ মেলাবই.....
ব্লগপ্ল্যাটফরম

karigor.com

karigor.com

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষন

ইস্টিশনের যন্ত্রপাতি

ওয়েটিং রুম

এইমূহুর্তে 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

ভোটকেন্দ্র

এখন দেখার সুযোগ থাকলে কোন বাংলা সিনেমাটি দেখবেন?
কিস্তিমাত
25%
পিঁপড়াবিদ্যা
71%
হিটম্যান
3%
মোট ভোটের সংখ্যা: 122
 

আমাদের শিশুরা... (Every Child Is Special)


যে ফুল এবং শিশু ভালবাসেনা সে প্রকৃত মানুষ না...




আপনার সারাটা দিন কাটুক আনন্দে, গানে, প্রাণে


যে মানুষটি একাকী শুয়ে আছে হাসপাতালের নির্জন এক কক্ষে, তার সকালটা কেমন যায়?
জেলেখানায় থাকে যে কয়েদি, তার সকালটা কেমন যায়?
যে বিবাহিত পুরুষের স্ত্রী সন্তান থাকে না , তার সকালটা কেমন যায়?
যে নারীর ভালোবাসার কোন মানুষ নেই, তার সকালটা কেমন যায়? বৃদ্ধাশ্রমে আছে যে মানুষটি, তার সকালটা কেমন যায়?
অথবা, বাবাই এর মত ফুটফুটে শিশু, যে ঘুম ভেঙেই প্রতিটা সকালে তার বাবাকে দেখতে চায় কিন্তু দেখে না, তার সকালটা কেমন যায়?

বিভাগঃ



হে ফেস্টিভাল কাকে বলে?


হে ফেস্টিভাল কাকে বলে? ৯৯ কেজি কর্পোরেট সাহিত্যের সাথে ১ ছটাক শহুরে উচ্ছনে যাওয়া পতিত বাউল শিল্পীদের গান মেশালে যা হয় সেইটা হল হে সাহিত্য ফেস্টিভাল। সাথে অবশ্য দু এক ধলা রবীন্দ্র সংগীত ও যেতে পারে। আমি ভালো বা খারাপ বলছি না ,বলছি জিনিস হিসাবে হে সাহিত্য কি,সেইটা হইল এইটা। এ ফেস্টের তর্জমার সার সংক্ষেপ হইল এইটা।
ফেস্টিভালে ঢুকে একজনকে জিজ্ঞেস করলাম-ভাই হে ফেস্টিভাল কি? এইটা কেন হচ্ছে?
উনি আমাকে জানালেন হে সাহিত্য আধুনিক সাহিত্য সম্মেলন। আমি অবাক! না হয়ে জিজ্ঞেস করলাম-বাংলা সাহিত্য কি তাহলে হে সাহিত্যের হাত ধরে আধুনিক হতে যাচ্ছে। বাহ ভাল! শেষ পর্যন্ত সাহিত্যের আধুনিকায়ন তো হল।

বিভাগঃ



এ পাশটা নিকস কালো! ।। নিবিড় রৌদ্র।


তোমার হাজারও রঙ,
আমি বিবর্ণ ছবি।
তুমি পরিপাটি দেবী,
আমি অগোছালো কবি।
এদিকটা বিভক্ত রাতে আর দিনে,
ওদিকে ওসব নেই রাঙা সব রঙিনে।
এখানে ভেজা আঁধার,
অদূরে নিয়ন আলো।
তুমি ওখানেই কাটো সাঁতার,
এ পাশটা নিকস কালো।

তুমি সুরে সুরে মেলো ডানা,
তোমার একটু কথাতে শত বাহানা!
এখানে সুর নেই, নেই কোন ছন্দ
তবু কথা হয় গানে নেই দ্বিধা দ্বন্দ্ব।
এখানে গানে তবু আছে প্রাণ,
তুমি কোলাহলে ঢাকো শ্শান।
তুমি আলোতে প্রদীপ জ্বালো,
আমি আঁধারে এলোমেলো।
তুমি ওখানেই কাটো সাঁতার,
এ পাশটা নিকস কালো।

তুমি হাসিতে ঢল আড্ডার ছলে,
তোমার দুটি চোখ কত কথা বলে!
এখানে রোদ হাসে রোজ সকালে,
শোক ভেসে সুখ আসে চোখের জলে।

বিভাগঃ



কে আছ?


১.

- আমি খুব ডিজহার্টেড

' কেন? কি হল আবার?'

- কিছুই ভালো লাগে না আমার। চারপাশে সবাই, কিন্তু মনে হয় কোথাও কেউ নেই।

' হ্যা, 'কোথাও কেউ নেই' এর মুনা ই তো তুমি!

- নামে মাত্র মিল। কিন্তু ওর ভালবাসার বাকের ভাই আমার নেই।

' আমি কি তোমার জন্য কিছু করতে পারি মুনা?'

- কেউ এখন আর আমার জন্য কিছুই করতে পারবে না!

' এক কাজ করি বরং...'

- কি কাজ?

' আমি খুব আনন্দে আছি। তুমি কিছুদিনের জন্য আমার হৃদয়টাকে ধার নাও।

- হি হি হি

' হেসো না, সত্যি বলছি। আমরা আমাদের হৃদয়কে বদল করি। তাতে যদি তোমার মনের কিছুটা ইম্প্রুভ হয়!'

- নাহ! এখন আর কিছুতেই কিছু হবার নয়।

বিভাগঃ



হ-য-ব-র-লঃ পিংক-ফ্লয়েডিয়ান আঁকিবুঁকি অথবা শুচিবায়ুগ্রস্ত চিন্তার ভাষান্তর প্রয়াস



(১)
আধজাগতিক আলোর বর্তনীগুলো ম্লান হয়ে আসছিল,দিগ্বলয় রেখা বেয়ে বিলীন হচ্ছিল ...সার্থকতায়। মহাকায় পর্দা,অগ্নিমূর্তি ,শূণ্যে ভাসমান বায়বীয় শুয়োরের পিন্ডি(অস্তিত্ব যেখানে যে কোন ভোঁতা সুচের ডগায়,অণ্ডকোষে তখন কিইবা আসে যায়?),মেকি ইটের অব্যর্থ- ঘাতক বুনন।




আমি কেউ না ১


শেষ থেকেই শুরু করি,
আমি কেউ না? কারোর ই না?
আমার কোনো স্থান কাল পাত্র নেই ।
নেই কোনো অবয়ব,
ছায়াটুকুও পড়েনা আমার ।
কেউ আজকাল আর খুঁজেও দেখেনা,
হারিয়ে বেচে আছি অসামাজিক সমাজে ।
মাঝে মাঝে নিজেকে নিজে চিমটি কেটে
বোঝাই বেচে আছি ।
আমি কবেকার কেউ না?
আমি কোথাও ছিলাম না তোমার?
আর তাই প্রতি রাতে যুদ্ধ
ভালোবাসার ‪#‎সুই_ব্লেড‬ এর সাথে,
ভোর বেলায় পরাস্ত আমি হাজারো
ভীড়ে দাড়িয়ে দেখি পত্রিকায় আমার
"নিখোঁজ সংবাদ"
তবে হ্যাঁ প্রতিদিন একবার
জ্বী মহামান্য একবার বুঝি আমি থাকি, আছি তোমাতেই ॥
যতবার,যখনই তুমি বাতাসে ছেড়ে দাও
তোমার নি:শ্বাসের Co2;
আর আমি তোমার নি:শ্বাসের গন্ধে মাতাল

বিভাগঃ



কি জানি?


১)হতে পারে কবিতা শব্দ, জব্দ ,রক্তরং,জলজীবন কিংবা মৃত্যুর উতসব!
এ আবার নাও হতে পারে!
এ এক রহস্যময় খেলা-
এক অসাধারন আনন্দের জ্বালা যা অনিঃশেষ!
ঠিক ভালোবাসার মতন ......

নিখাদ স্বাভাবিক সহজ অর্থহীণ স্বপ্ন,
আমার বাস্তব এখন শুরু হয় মাঝরাতে ।
চোখ খোলা অথবা বন্ধ হবার পর .......

২)মানুষ যখন ঈশ্বরের সাথে কথা বলে সেটা;
সেটা হয় প্রার্থণা ।
আর ঈশ্বর যখন মানুষের সাথে কথা বলেন সেটা;
সেটা ‪#‎সিজোফ্রেনিয়া‬
সিজোফ্রেনিয়াক আমার সাথে ঈশ্বর এর
নাতিদ্বীর্ঘ আলাপ শেষ হলো মাত্র।
আমাকে বর দিতে চাইলেন ।
আমি কেবলই ‪#‎তোমাকে‬ আর ‪#‎প্রজাপতি_গুহা‬ র
বুকে হামাগুরি দেয়া আমাদের সন্তান চাইলাম......

বিভাগঃ



সহশিক্ষার বিরুদ্ধে ভাবার সময় কি এখনো আসেনি ?


লেখার শুরুতে সহশিক্ষা সম্পর্কে সাধারণ একটা ধারণা দেওয়া আবশ্যক মনে করছি । সহশিক্ষার প্রাথমিক সংজ্ঞায় বলা যায়, যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নারী-পুরুষ একত্রিত হয়ে একই ক্লাশরুমে পাশাপাশি বসে শিক্ষা অর্জন করে । প্রগতিশীলদের মতে সহশিক্ষা শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশে অনেক সহায়ক এবং এর বিরুদ্ধে যারা প্রচার চালায় তারা ধর্মান্ধ ও মধ্যযুগে বাস করে বলে মনে করা হয় । তাদের দাবী, আধুনিক যুগে সহশিক্ষার বিপক্ষে কোন মত গ্রহনযোগ্য নয় । লেখার শুরুতেই পাঠকদের জ্ঞাতার্থে নিশ্চয়তা দিচ্ছি ধর্মীয় কোন উদ্ধৃতি টেনে সহশিক্ষার বিরুদ্ধে কোন যুক্তি উপস্থাপন করা হবেনা । যদিও শুধু ইসলাম ধর্মেই নয় বরং অনেকগুলো ধর্মে সহশিক্ষার ব্যাপারে




ফ্রি সেক্স


মুমিনরা নাস্তিকদের সকল কিছুর বিরুদ্ধে একটা জবাবই পাইছে- ফ্রি সেক্স, ফ্রি সেক্স।নাস্তিকদের যে কোনো কথায় তারা ফ্রি সেক্স এর গন্ধ পায়। আচ্ছা থাক ফ্রি সেক্স বাদ দিয়া একটা গল্প বলি- এক জামাই তার শ্বশুর বাড়িতে গেছে।তো দুপুরের খাওয়া শেষ। এখন দৈ খাওয়ার পালা সবাইকে দৈ দেয়া হইছে কিন্তু সেই জামাইকে দেয় না।তার পর জামাই বুদ্ধি করে তার শাশুরিকে সাপ মারার গল্প বলে ,সেখানে সে সাপের আয়তন বুঝাতে বলে আম্মা ওইদিন যে সাপটা মারলাম ওই সাপটা এখান থেকে আপনার দৈ এর হাড়ি পর্যন্ত লম্বা।তখন শাশুরির মনে পরে জামাইকে দৈ দেয়া হয় নাই।।। আবার অনেকে দেখবেন নিজের খিদা লাগলে তার পাশের জনকে বা অন্য কাওকে দিয়ে বলে যে ওর খুব খিদা লাগ




এদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে লাভ ইউ।


মেয়েটির বয়স ৪ বছর + । আজ ফরম কিনছে ক্লাস ওয়ানে ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষা দিতে। ও হ্যাঁ ভর্তি গাইড ও আছে দেখছি!
-- আমাদের সময় কি হইছিলো মনে আছে?

ছেলেটা ক্লাস টু 'তে পড়ে। সকালে স্কুল, দুপুরে ম্যাডাম, বিকালে কোচিং, রাতে আরেকটা স্যার (বাসায়) তারপর আম্মুর কাছে পড়া! সপ্তাহ শেষ, মাস শেষ, বছর ও শেষ! তারপর ক্লাস থ্রি!!
-- আমাদের সময় কি হইছিলো মনে আছে?

বিভাগঃ



রাজ – রাতের পাতা


আবার আসুক ধ্বংস !
এই ধ্বংসের মাঝে ডুবে যাক সৃষ্টির যশগাঁথা ।

যত রাজ আছে,যত রাজ ছিল,সবাই রাতের ঘুম কেড়ে নিলো ।
শুধু রেখে গেলো–এক বুক জ্বালা,আসমানী কামানের গোলা
অথবা হৃদয় বিদারী মাতম,তিলক তিলক সুর ।
তাদের মাঝেতে রাজণ্য ব্যাথারা রক্ত-রাজ করে বহুদূর ।

সেই ব্যাথাদের ভোলা গান গেয়ে সবাই আজ ,
মুকুটহীন কোন রাজ– চোখের সামনে গলায় দেবে ফাঁস ।
হায় ! হায় ! এ কী স্বপ্ন,এ কী খোয়াব !
এরা ফাঁসির মঞ্চে দাড়িয়ে কাঁদে শহীদ হলাম আজ ।

কত ইতিহাস আর কত ঘটনা ,“যোগে যোগে” বহুগুণ
সবাই এবার “সব সব” হবে রাজ হবে রাতে খুন ।

একদল হাতে দড়ি নিয়ে এলো,ফাঁস দিলো নিজ গলায় ।

বিভাগঃ



হারে দুনিয়া গেম খেলতে যৌনাঙ্গ কেটে দিল খালা!


গেম খেলার জন্য খালার কাছে মোবাইল
চেয়েছিল শিশুুটি। আর এই অপরাধে রান্নাঘরের
ছুরি দিয়ে শিশুটির যৌনাঙ্গ কেটে দিলেন তিনি! তারপর
পালিয়ে গেলেন।
এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে মধ্য চিনের হেনান জেলায়। জু পান
নামের ৩৭ বছর বয়সি ওই নারী তার বোনের বাড়িতে এসেছিলেন
কিছুক্ষণের জন্য। এসময় শিশুটিকে দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়ে অল্প
সময়ের জন্য ওর মা বাইরে গিয়েছিলেন। এ সময় নিজের মোবাইল
ফোনটি নিয়ে বাথরুমে ঢোকেন খালা জু। তখন কিছু না বুঝেই
শিশুটি বাথরুমে ঢুকে গিয়ে গেম খেলার জন্য খালার
কাছে মোবাইল ফোনটি চায়। ব্যাস,




পৃথিবীতে সব দুঃখগুলি অনুধাবন করুন (নষ্ট ক্যাঁপাচিটার)


নিঝুম রাত চারদিকটা নিস্তব্দতায়
জরাজীর্ণ হয়ে আছে,পৌষ এর
শীতটা যেন আজ রাতে একটু বেশিই
পড়েছে,হুহু বাতাসে ঘরের ভিতর
দিয়ে ঢুকছে ঠান্ডা বাতাস।
ফুটপাতের ছেলে আবির কোন রকম
মায়ের কাপড়ের উস্নতার ভিতর
শুয়ে ভাবতেছে কখন সকাল হবে কখন একটু
আগুনের কাছে গিয়ে একটু গরম
আবহাওয়ায়
শরীরটাকে ফুরফুরিয়ে নিবো।
একুটু রাতের আলো ফুরাতে না ফুরাতেই
ঠান্ডা সহ্য করতে না পেরে ছোট আবির
ঘর থেকে বেড়িয়ে পড়লো একটু আগুনের
খোজে,সামনেই
দেখতে পেলো ভাপা পিঠার
দোকানীর দোকানের আলো,আবির
খুশিতে আত্নহারা,,কারন আগুন
পেয়েছে বলে,এবং সেই চুলার আগুনে দুই
হাত তুলে গরম অনুভূতি জোগাড়
করতে লাগলো।
...এদিকে সকাল হয়েই গেছে,বাবার

বিভাগঃ

হাতড়ান

ফেসবুকে ইস্টিশন

প্রজন্মের বায়োস্কোপ

বাংলা চলচ্চিত্র- বৃহন্নলা

  • বড় করে দেখুন
  • কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৪ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর