প্রাণে প্রাণ মেলাবই.....
ব্লগপ্ল্যাটফরম

basundhara

karigor.com

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

ইস্টিশনের যন্ত্রপাতি



হত্যাকাণ্ড, দৃষ্টিভঙ্গির জটলা এবং বিচারহীনতা!


হত্যাকাণ্ড মানেই আধুনিক রাষ্ট্রের উদ্বেগ। দ্রুত খুনিকে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা এবং তার শাস্তির ব্যবস্থা করাটাই এক্ষেত্রে রাষ্ট্রের বিধিবদ্ধ কর্তব্য। এটা না করা হলে ওই রাষ্ট্র এবং তার সমাজ, দুটোরই টিকে থাকা মুশকিল। কারণ হত্যাকাণ্ডের মতো সর্বোচ্চ অপরাধের বিচার না হলে আধুনিক রাষ্ট্রের অপরাপর বিধানগুলোর আর কোনো কার্যকারিতা থাকে না।

বিভাগঃ



আত্মজার জন্য লেখা : দুই


কন্যা আমার
এ কথাগুলো তোমার কাছে একটু কঠিন মনে হতে পারে। তবু তোমার জানা প্রয়োজন।

নারী নেত্রী সুজান গ্রিফিন বলেন- আমি কখনই ধর্ষণের ভয় থেকে মুক্ত হতে পারিনি।




সংবিধানে শূন্যতা সৃষ্টিতে ষড়যন্ত্র করছে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি


সংবিধানে শূন্যতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ষড়যন্ত্র করছে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি। রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করে এ অপশক্তিকে পাকিস্তানের মাটিতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করাই হবে বর্তমান সময়ের তথা আজকের মুজিবনগর দিবসের শপথ। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে ধ্বংস করতে শেখ হাসিনাকে ২১ বার হত্যার ষড়যন্ত্র করেছে ওই অপশক্তি। মুজিবনগর সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার। এ দেশের বৈধ, অবৈধ বা সামরিক যে সরকারের কথাই বলি না কেন সব সরকারই মুজিবনগর সরকারের ধারাবাহিকতা। দেশ বিরোধী অপশক্তির সাথে দেশের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি কোনো সংলাপ হবে না। সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের আগে কোন নির্বাচনও হবে না। এ

বিভাগঃ



বেগম সাহেবার বিচার জনতার আদালতে হবেই হবে


খালেদা জিয়া দলীয় ক্যাডার ও সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে নাশকতা চালিয়ে দেশকে স্তব্ধ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তিনি পরাজিত হয়েছেন। জনতার আদালতেই তার বিচার হবে। যারা নির্মমভাবে মানুষ খুন করেছে, পুড়িয়ে মেরেছে- তাদের ক্ষমা নেই। তিন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিজয়ের মাধ্যমে জনগণ তার জবাব দেবে। দেশের দারিদ্র্যসীমা অনেক নিচে নেমে এসেছে। আগামী ২০২১ সালের মধ্যে তা শূন্যের কোটায় নেমে আসবে। পরিণত হবে মধ্যম আয়ের দেশে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচনী আচরণবিধি মানছেন না। তিনি দলীয় কার্যালয়ে পুলিশ প্রটোকলে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। সরকারি সুবিধা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন। এটা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন।

বিভাগঃ



নববর্ষে কিছুই হয়নি পুরাই মিছা কথা।।


আর কি সবাই নিশ্চিন্ত হয়ে যার যার বাড়ী ফিরে যান। হুদাই আওয়ামী সরকারকে বিগাকে ফেলার জন্য জঙ্গি ও জামাতবিএনপির সুক্ষ কারসাজি ছিল এটি। বাংলা নববর্ষকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যেই ছিল সমন্ত আয়োজন। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে এমন কিছুই পাওয়া যায়নি যাতে প্রমানিত হয় ১লা বৈশাখের অনুষ্ঠানে কোন নারীকে বিবস্ত্র করা হয়েছে। এটা একটি সাজানো নাটক। আল্লামা শফি হুজুরের মুখে নারী সমাজের বেলাল্লাপনার এমন একটি গল্প তুলে দিতেই এই নাটকটি মঞ্চায়ন করা হয়েছিল। এটা আজকের কাগজ খুললেই বোঝা যাবে। মন থেকে সমস্ত দ্বীধা, আশংকা ও দুশ্চিন্তা দুর করে যে যার কাজে লেগে পরুন। র্নিবাচনের হাওয়ায় ভাসিয়ে দিন পাখা। সয়ং ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ

বিভাগঃ



বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী কেলেককারী : আওয়ামীলীগের ভেতরে আজামায়াতীলীগের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। সংবাদ মাধ্যমেও রয়েছে মৌলবাদের আশ্রয়দাতা।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নারী নির্যাতন প্রসংগ : বাংলাদেশে বা পৃথিবীর প্রায় সব স্থানেই দুটি দলের নেতা কর্মীরা যথেষ্ট পড়াশোনা করেই রাজনীতি করে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বামপন্থী বলে খ্যাত দলগুলোর প্রধান এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মী সমর্থকরা, অন্যদিকে মৌলবাদ বলে খ্যাত জামায়াত শিবিরের নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা। প্রগতিশীল চিন্তাভাবনার জন্য খ্যাত, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র মৈত্রী বা এরকম সমমনা দলগুলোর নেতা কর্মীরা। তারা মার্কস লেলিন সহ এরকম বহু তাত্বিক বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করে, তারা মানুষ, মানবতা, সৃষ্টি, সমাজব্যবস্থা নিয়ে চিন্তা করে এবং ধর্মনিরপেক্ষ শোষনহীন একটি সমাজ গঠনের কথা চিন্তা করে। অপ সংস্কৃতি দুর করতে এবং


 

ভুভুজেলায় নষ্ট পরিবেশ ও ভয়ঙ্কর নারীর শ্লীলতাহানী


বাঙালি জাতিসত্ত্বার মহাসম্মিলন বাংলা নববর্ষ। এখানে জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবাই এককাতারে এসে সামিল হয়, আনন্দ ভাগাভাগি করে। বাঙালি জাতির ইতিহাস-ঐতিহ্য ধারন করে, পালন করে। বাঙালির মাঝে বাঙালি হারিয়ে যায়, আড্ডায় মশগুল আর বাড়িতে বাড়িতে বৈশাখের গন্ধের আমেজ বাতাসে ছড়িয়েছিটিয়ে থাকে।

এবারের ১৪২২ বাংলা বর্ষবরণ ছিল একটু অন্য রকম। ৯২ দিনের রাজনৈতিক হিংসা প্রতিহিংসার অসহ্য যন্ত্রণা থেকে বাঙালি জাতি একটু প্রশান্তির স্পর্শ অনুভব করেছে, প্রাণখুলে আনন্দ-উৎসব উদযাপন করার সুযোগ পেয়েছে। সকল ভয়-উৎকন্ঠা কাটিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছে এখান থেকে সেখানে, সাথে নিয়েছে আদরের ছোট্ট সোনামণিকেও।




ধারে অপসংস্কৃতির দেনা চুকাচ্ছি বস্ত্রহরণে


বর্ষবরণ বাঙালির সংস্কৃতি কিনা তা নিয়ে বিতর্ক বা সংশয় থাকতে পারে। তবে বস্ত্রহরণ নিঃসন্দেহে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। সন্দেহমুক্তির জন্য দ্রৌপদীর কাহিনী পুনর্পাঠের আহ্বান জানাচ্ছি। সুতরাং যারা বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে বস্ত্রহরণ নিয়ে খুব বেশি উচ্চবাচ্য করছেন তাদের বাঙালিত্ব যথেষ্ট সংশয়যুক্ত। হায় আপনার বোধ-বুদ্ধি, রুচি ও রক্ষণশীলতা যদি বাঙালির ঐতিহ্য সভ্যতা সংস্কৃতি নিঃসংকোচে মেনে নিতে না পারে আপনি অবাঙালি হয়ে যেতে পারেন।
নিচে পড়েন




ভালবাসা মানে কি??


ভালবাসা মানে কাউকে জয় করা নয় বরং নিজেই কারো জন্য হেরে যাওয়া। এটা জ্ঞানের গভীরতা দিয়ে হয়না, হয় হৃদয় এর পবিত্রতা দিয়ে !!! পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত এবং আলোচিত শব্দ “ভালবাসা”। এই ভালোবাসা কখনও কাঁদায়, কখন হাসায়, কেউ এর জন্য আত্মবিসর্জন দেয়। মানুষ কত ত্যাগ স্বীকার করে ভালোবাসার মানুষকে পাবার জন্য। আবার এই ভালবাসার জন্য মূল্যবান অনেক কিছুই হারায় যার জন্য বিন্দুমাত্র আফসোস ও কখনো হয় না ............।
আসলে আমাদের মানব মন খুব ই অস্থির এক জিনিস সে যে কি চাই সে আসলে নিজেও জানে না।
আবার সব কিছু জেনে শুনেও এই মন ভুল পথে পা বাড়ায় .........।

বিভাগঃ



খেলা


এটি একটি খেলা।
এটি খেলতে দু’জন লাগে।
(তবে বিদেশীদেরকে গ্রুপ করেও খেলতে দেখা যায়)
খেলোয়াড়েরা হ্যাংলা পাতলা না হয়ে নাদুস নুদুস হলে খেলাটা জমে ভাল।
(নইলে হাড়ে হাড়ে টুংটাং বাড়ি খেতে পারে)

বলুনতো কোন খেলার কথা বলছি?
পারছেন নাতো?
আচ্ছা একটু ক্ল্যু দিই।
এ খেলার খেলোয়াড়দের ফিগারখানা দেখতে বেশ টসটসে, খুল্লাম-খুল্লাম হয়ে থাকে।
এ খেলায় ধপ্ ধপ্ শব্দ হয়।
এ খেলায় বস্ত্র ব্যবহারের নিয়ম নীতির কোন বালাই নেই।

কি, এখন পারবেন?
আরো ক্ল্যু দিতে হবে?
আচ্ছা, দিচ্ছি।
এ খেলার কোন সময় সীমাবদ্ধতা নেই; কখনো অতি অল্পেই খেলা শেষ হয়ে যায়, কখনো দীর্ঘক্ষণ লাগে।




ভয়ঙ্কর!


.........
বাঙালী মুসলমান আসলে এক জটিল চরিত্র। যে লোকটি জামাত-শিবিরের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে, সে লোকটিই আবার বলে- 'মঙ্গল শোভাযাত্রা' নাকি হিন্দুদের উম্মাদারী! দিনে যে লোকটি নিজেকে বাঙালী বলে, পান্তা-ইলিশ না খেলে নিজেকে বাঙালী ভাবতে লজ্জা বোধ করে, সে লোকটিই কোনো শিল্পের প্রকাশ দেখলে বলে উঠে- 'এটা নিছক হিন্দু কালচার'! শোভাযাত্রায় জীব যন্তুর মূর্তি দেখে বলে- 'এসব মূর্তি পূজা'!

বিভাগঃ



নামহীন কথারা


১.

তোমার আরক্ত ঠোঁটে হাসির রোমাঞ্চে আমার তৃষিত আশ্রয়
আমার একান্ত আশ্রয় তোমার আঙুলের সংগীতে সংগীতে...

২.
আমি মাতাল মুক্তোবিন্দু
শিশির যেমন ঘাসের বুকে
তুমি কোন কঙ্কাবতী
গান শোনাও সমুদ্রকে...

৩.

তোমার গলার স্বর ঝর্ণার মতোন ছড়িয়ে পড়ে..
জানোই তো,কত রাত আমি তোমার গানের কাছে ঋণী
কত রাত তোমার সুরের ছায়া আমার তৃষিত আবাস....

৪.

মাইয়া তুমি চক্ষু দিয়া হাসো ক্যান
চক্ষু দিয়া বাঁধো
মন মজিলে বিরহ বেলায় ক্যান
চক্ষু দিয়া কাঁদো...

৫.

দুপুরের ভাতঘুমে ঘুমালে পৃথিবী
একা বারান্দায় আমি ছেড়া ছেড়া রোদ্দুরে ভিজি

বিভাগঃ



আমরা সৃষ্টিকর্তা কে দেখিনা কেন (বিজ্ঞান ও যুক্তির দৌড়ে)??


কোরানের একটি আয়াত দিয়ে শুরু করছি, নাস্তিক
ভাইরা দম নিয়ে একটু পড়ুন।
......বিশ্বলোকের কোন কিছুই তাঁর অনুরূপ নয়। তিনি সব
শুনেন, সব দেখেন।(৪২:১১)
হযরত মুসা (আ), সৃষ্টিকর্তা দেখতে চেয়েছিলেন।তিনি
অনেক ভাগ্যবান ছিলেন যে বেশ কয়েকবার তিনি
সৃষ্টিকর্তার সাথে কথা বলেছিলেন। হযরত মুসা (আ),
সৃষ্টিকর্তার একজন প্রিয় ব্যক্তি হয়েও সৃষ্টিকর্তা স্পষ্ট
জানিয়েছিলেন তিনি( মুসা আ) সৃষ্টিকর্তাকে কখনো
দেখতে পারবেন না
উপরের (৪২:১১) আয়াত স্পষ্ট ধারণা দেয় মহান
সৃষ্টিকর্তার পবিত্র সত্তা আমাদের চিন্তা চেতনার
ঊর্ধ্ব। তিনি এই মহাবিশ্বে অবস্থিত কোন কিছুর অনুরূপ
নই এটাই হল তাকে দেখতে না পাওয়ার মূল কারণ।




রাস্তাতে


বিশ্বাস করুন , সম্ভবত জন্মের পর থেকেই আমি হাঁটছি । শুধু হেঁটে যাচ্ছি । কোথা থেকে শুরু করেছিলাম মনে নেই , তবে আমি হাঁটছি । প্রথম স্মৃতি বলতে গেলে এই হাঁটা । কারও প্রথম স্মৃতি প্রথম জুতো পায়ে পা ফেলা , ধূলোতে গড়াগড়ি দেওয়া কিংবা পুকুরে পড়ে যাওয়া । কেন জানি না , আমার কিছুই মনে পড়ে না । এ রকম বহু স্মৃতি নিয়েই হয়তো পড়ে আছে ঐ সময়ের দিনগুলো , আমার ছেলেবেলা । আমি মনে করতে পারি শুধুই হেঁটে যাচ্ছি । আব্বুর হাত ধরে হেঁটে যাচ্ছি , আম্মুর হাত ধরে হেঁটে যাচ্ছি । ছোট লাল জুতো পায়ে হাঁটছি , খালি পায়ে হাঁটছি । আস্তে করে হাঁটছি , দ্রুত হাঁটছি । চারপাশ দেখতে দেখতে , উপরে মুখ তুলে , কখনো বা নিচু চোখে । আর রাস্তাটি

বিভাগঃ

হাতড়ান

পোষ্টার

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৫ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর