নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    নতুন যাত্রী

    • আবুল কালাম
    • ইমরান আহমেদ সৈকত
    • উন্মাদ কবি
    • রাহাত মাকসুদ
    • শাহরিয়ার জাহিদ...
    • অপূর্ব দাশ
    • এল্লেন সাইফুল
    • বাপ্পি হালদার
    • রমাকান্ত রায়
    • আবুল খায়ের

    প্রধানমন্ত্রীর বই ছেপে বিপদে আগামী প্রকাশনী


    এ বছরের হেফাজত-সার্টিফায়েড ইসলামিক বইমেলার (সাবেক অমর একুশে গ্রন্থমেলা - RIP) প্রথম দিনেই আগামী প্রকাশনী নিয়ে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর একটি প্রবন্ধ সংকলনঃ ‘নির্বাচিত প্রবন্ধ’। হটকেক এই বই এনে সবার চক্ষুশূল হয়ে গেলেন প্রকাশক।

    আমি যেহেতু বইটা কিনিনি, তাই পত্রিকার খবর দেখে লিখছিঃ "বিগত তিন দশকে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় শেখ হাসিনার বেশ কিছু প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। যারই এক মলাট রূপ এই বই; যাতে মোট ১৩টি প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে।"

    বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর কোনো প্রয়োজন আছে কি?


    বাংলাদেশ এখন তিন লক্ষ সেনাবাহিনী বসিয়ে বসিয়ে বেকার ভাবে পুষছে। দেশের ১০-১১ হাজারের মতো সেনাবাহিনী বাইরে গিয়ে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে নিয়োজিত আছে। আচ্ছা এই তিন লক্ষ সেনাবাহিনী ও তাদের পরিবারের মাগনা ব্যয় ভার বহন করার কোনো মানে আছে রাষ্টের? ঠিক কোন কারণে দেশের অর্থ নষ্ট করে এসব সেনাবাহিনী পুষে রাখবে?

    জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতাঃ রাজনৈতিক বাস্তবতার চাকায় পিষ্ট জীবন!



    “উনিশ শ পঁচাশি সনে একদিন লক্ষ্মীবাজারে শ্যমাপ্রসাদ চৌধুরী লেনের যুবক আবদুল মজিদের পায়ের স্যান্ডেল পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতি বিধানে ব্যর্থ হয়ে ফট করে ছিঁড়ে যায়। আসলে বস্তুর প্রাণতত্ত্ব যদি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হতো, তাহলে হয়তো বলা যেত যে, তার ডান পায়ে স্পঞ্জের স্যান্ডেলের ফিতে বস্তুর ব্যর্থতার জন্য নয়, বরং প্রাণের অন্তর্গত সেই কারণে ছিন্ন হয়, যে কারণে এর একটু পর আবদুল মজিদের অস্তিত্ব পুনর্বার ভেঙে পড়তে চায়”

    নারী কি "লোক" হতে পারে!


    মাস্টার্স পড়ার সময়। প্রাণিবিজ্ঞান বিষয়ের স্যার খুব ভালো পড়ান। একদিন স্যার একটি বইয়ের পৃষ্ঠা মেলে ধরে বললেন- বলতো এটা কি? আমরা সবাই ঠিকঠাক উত্তর দিতে পেরেছিলাম। চিত্রটাতে কয়েক রংয়ের ফোঁটা কেবল। আমরা বলতে পেরেছিলাম এজন্যে যে- আমরা কেউ এখানে বর্ণান্ধ নই। কিন্তু স্যার বললেন কেউ কেউ এ চিত্র দেখে ভুল উত্তর দেয় কারণ তারা বর্ণান্ধ অর্থাৎ ঠিক ঠিক রং চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হয়। এটা লাল-সবুজ বর্ণান্ধতা। লাল-সবুজ বর্ণান্ধতার জন্যে দায়ী যে মিউট্যান্ট জীন তা ’এক্স’ ক্রেমোজোমে অবস্থান করে। এটা হেটেরোগ্যামেটিক লিঙ্গে বেশী প্রকাশ পায়।

    বাবার হাতে Nokia ফোন, ছেলের হাতে I-Phone


    আজ অর্থনীতি ক্লাসে শাওন 'উপযোগ' কী তা শিখেছে।এটাও শিখেছে স্থান,কাল,ব্যক্তিভেদে উপযোগের অপরিহার্যতার হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটে।

    বন্ধুদের সাথে কথা বলতে বলতে হলে যাচ্ছে শাওন।
    তখন শাওনের ফোন বেজে উঠলো।
    ক্রিং ক্রিং ক্রিক্রি ক্রিং ক্রিং.....
    কলটা রিসিভ করলো, তবে একটু দেরী করে।
    রাস্তার আড্ডা শেষ করে সবাই যার যার হলে ফিরলো।

    যুক্তি ও মুক্তি তে অমর আজাদ-অভিজিৎ রা


    ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সভা, সেমিনার, মিছিলে অভিজিৎ রায় হত্যার বিচার চাইতে হলো রাষ্ট্রের কাছে ; তবুও ক্লান্ত হইনি। ২ বছর হয়ে গেল অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডের। এরই মাঝে ১৬ বার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ বাড়িয়েছে আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা, আমরা তবুও ক্লান্ত হইনি।

    ভাবতেই অবাক লাগে আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি; ১ যুগ পেরিয়ে ১৩ বছর হলো বহুমাত্রিক দার্শনিক, লেখক ড. হুমায়ুন আজাদের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে মৌলবাদী গোষ্ঠীর হিংস্র হামলার। হুমায়ুন আজাদও মারা গেলেন, ১৩ বছর ধরে বিচার চেয়েও আমরা ক্লান্ত হইনি।

    একটি আধুনিক অশ্লীল সঙ্গীত এবং বিজ্ঞ সমাজের কাল্পনিক প্রতিক্রিয়া


    গানের কথাঃ

    ফুল দিও কলি দিও কাটা দিও না
    আস্তে আস্তে চুম্মা দিও, কামড় দিও না!

    প্রতিক্রিয়াঃ

    লীগঃ সরকার এত উন্নতি করেছে যে, দেশ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। মানুষের আর কিছুই চাওয়ার নেই। সব তারা পেয়ে গেছে, এর কারণে সরকার কিছু দিতে চাইলেও তাদের নেয়ার মত কিছুই নেই। এ কারণে তারা কাটা আর কামড়টুকু নিতে চাচ্ছে না। এ থেকে বোঝা যায় যে, সরকার উন্নতিতে বিশ্বাসী। এ গান মূলত আমাদের উন্নতির চিহ্ন বহন করে।

    এরশাদঃ অ্যাড মি। আই এম বলকড!

    শব মিছিলের যাত্রীরা...


    'বিশ্বাসের ভাইরাস' বইটি অভিজিৎ রায় উৎসর্গ করেছিলেন ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে খুন হওয়া ব্লগার রাজীব হায়দারকে(থাবা বাবা)। উৎসর্গের ভূমিকায় তিনি লিখেছিলেন;-
    "শহীদ রাজীব হায়দার শোভন(থাবা বাবা)
    শাহবাগ আন্দোলনে 'বিশ্বাসের ভাইরাস'-এর প্রথম শিকার।"

    দুই বছর পর ২০১৫ সালে ওই একই ফেব্রুয়ারি মাসে একই ধরনের বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত ঘাতকদের হাতে প্রাণ হারান অভিজিৎ রায়। 'বিশ্বাসের ভাইরাস' বইটি প্রকাশিত হয়েছিলো 'জাগৃতি' প্রকাশনী থেকে এবং প্রকাশক ছিলেন ফয়সাল আরেফিন দীপন। একই বছরের অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখ মৌলবাদীদের হাতে নির্মমভাবে খুন হলেন তিনিও।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    Facebook comments

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর