প্রাণে প্রাণ মেলাবই.....
ব্লগপ্ল্যাটফরম

karigor.com

karigor.com

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষন

ইস্টিশনের যন্ত্রপাতি

ওয়েটিং রুম

এইমূহুর্তে 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

ভোটকেন্দ্র

এখন দেখার সুযোগ থাকলে কোন বাংলা সিনেমাটি দেখবেন?:


‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’: দেশ ও সম্পদে সর্বজনের মালিকানা


১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এই জনপদের মানুষের মধ্যে সাম্রাজ্যবাদ, বৈষম্য, শোষণ ও নিপীড়নবিরোধী যে চেতনা ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল তা বারবার পদদলিত করতে করতে দেশে চোরাই কোটিপতি লুটেরা নিপীড়ক সাম্প্রদায়িক জাতিবিদ্বেষী দখলদারদের শাসন পাকাপোক্ত হয়েছে। ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ রাত থেকে দানবীয় অপশক্তির ভয়ংকর থাবার মধ্যে, নির্যাতন ও প্রতিরোধের যে অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে এইদেশের মানুষ গেছেন, তা যারা দেখেননি তাদের পক্ষে বোঝা কঠিন। সেই অভিজ্ঞতা এই জনপদের সেইসময়ের ও পরবর্তী সকল প্রজন্মের জন্য অনেককিছুই পাল্টে দিয়েছে। পাকিস্তানী বর্বর সেনাবাহিনী ও তার বাঙালী দোসরদের ভয়ংকর কারাগার থেকে মুক্ত হবার আনন্দ নিয়ে একই বছ


 

ধর্ম পরিচয়ের রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িক ইতিহাস চর্চা। পর্ব -২


গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতবর্ষে রাজপুত ও অন্যান্য ক্ষত্রিয় গোষ্ঠি বিভিন্ন ছোট ছোট অঞ্চলের সামন্তপ্রভুতে পরিণত হয়, মুসলিম শাসকরা এই স্থানীয় শাসকদের মাধ্যমেই প্রজা শাসন করেছেন। যেমন, বাংলাদেশে সূদীর্ঘ মুসলিম শাসনামলে সুলতানের দরবার থেকে শুরু করে স্থানীয় জমিদারীতে হিন্দু সম্ভ্রান্তরা কেন্দ্রীয় ভুমিকা পালন করেছেন। ১৪ শতকে বাঙলার সুলতান গিয়াস উদ্দীন আজম শাহএর কাছে সমসাময়িক মাওলানা মুজাফফর শাহ বলখি একটি চিঠীতে লিখেছিলেন –




হাইরে পাকিস্তান


৪৪ বছর আগে পাকিস্তানি আর তাদের
দোসররা বলেছিল পাকিস্তান কায়েম
না থাকলে এই দেশে ইসলাম বিনষ্ট হবে,
এই দেশ ইন্ডিয়াত হাতে চলে যাবে।
৪৪ বছর পর
পাকিস্তানে কি কি ঘটছে আসেন
দেখি,
> পাকিস্তানিরা ঘর থেকে বের
হতে ভয় পাই।
> জুমার নামায পড়তে ভয় পাই।
> মসজিদে বোমা হামলা।
> শিয়া সুন্নি দাঙ্গা।
> স্কুল মাদ্রাসায় যেতে ভয় পাই।
> সপ্তাহে একদিন না একদিন কোন
না কোন এক জায়গাই
বোমা হামলা হবেই হবে।
> আজকে স্কুল শিক্ষার্থীদের খুন।
৪৪ বছর পর বাংলাদেশ
> ৯৫% মুসলিম,
মনে প্রাণে বলে লা ইলাহা ইল্লাহ,
একদিকে আযান আরেকদিকে মন্দিরের
ধ্বনি।
> দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নত
থেকে উন্নত হচ্ছে।

বিভাগঃ



জ্বী হুজুর ! আমি আপনার দলে ! আপনারা খুবই ধূর্ত !


-বড় শীত করেছে রমাকান্ত ।
-জ্বী হুজুর ।
-আকাশটাও মেঘাচ্ছন্ন । বৃষ্টি হবে বোধয় ।
-জ্বী হুজুর । ভোরের দিকে হতে পারে ।
-পাকিস্তানে নাকি গোলযোগ হচ্ছে । শুনেছ ?
-জ্বী হুজুর । ও হয়েই থাকে । পাকিস্তান বলে কথা । গোলযোগ ছাড়া ওদের রাতে ঘুমটা পর্যন্ত হয় না ।
-আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন তো এখন শান্ত, না ?
-জ্বী হুজুর । একদম আমাদের পাহাড়ী অঞ্চলের মত শান্ত । সেনাবাহিনী টহল দেয় সবসময় । খুন ধর্ষণ হয়ার কোন চান্সই নাই ।

বিভাগঃ



জামাতের সবচে’ বড় অস্ত্র ধর্ম, আর তাদের অনেক বড় একটি টার্গেট কওমী মাদরাসা


বিজয় দিবসের কিছু দিন আগ থেকেই এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন পোস্ট আসা শুরু হয় ফেবুতে। আমার লিস্টে আওয়ামী, বিএনপি এবং জামাত এই তিন ধরণের মানুষই আছ। উদ্দেশ্য সবার পয়েন্ট অব ভিউ দেখা তারপর হিসাব কষা। তো সাধারণত তাদের পোস্টগুলো এমন-

আওয়ামী লীগ = স্বাধীনতার ইতিহাসসমৃদ্ধ পোস্ট। জামাতীদের কুকীর্তি, পাকিদের অত্যাচার, বিভিন্ন গল্প; এই সব।
বিএনপি = দেশের বর্তমান এবং নিকট-অতীতের সব ধরণের সমস্যাকে হাইলাইট করে হা-হুতাশমূলক পোস্ট। পোস্টের শেষে সাধারণত এই প্রশ্নটা ঘুরায়া ফিরায়া করা হয়- ‘এ জন্যই কি দেশ স্বাধীন করেছিলাম!’
জামাত =




বাংলাস্তানি ছাগুস


যেসব পাকিস্তানপন্থীরা সারাদিন পাকপূজা করতে থাকে তালেবানদের এই জেনোসাইড তাদের ছাগকান্নার কড়া জবাব নাও হতে পারে। একটা ইসলামী স্টেট বিভক্ত হয়ে গেল বলে যারা মায়াকান্না জুড়ে দেয় তারা এই ঘৃণ্য জেনোসাইডের পরও বুঝতে পারবে না আজ বাংলাদেশ পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত থাকলে ওই মৃত বাচ্চাদের একজন তাদেরও সন্তান হতে পারত। তাদের মগজ বলে আসলে কিছু নেই। ফায়ারিং এর আগ মুহূর্তে শান্তির দূতেরা চিৎকার করে আল্লাহু আকবার ঘোষনা দেয়। এরপরও "ইহা সহীহ ইসলাম নহে"- মডারেট শুশিলদের মুখ থেকে এই বাণী শোনা অস্বাভাবিক কিছু হবে না।




মেঘে ঢাঁকা তারা....(জীবনটা এত নিষ্ঠুর..:পর্ব-২)


রাতের আকাশটা কত সুন্দর..এই বলে নিশাদ বারির ছাদে প্রবেশ করলো..তারপর ছাদের এক কোণে বসলো যেখান থেকে তার তারাকে খুব ভালোভাবে দেখা যায়..বসার পর আকাশের দিকে তাকালো..কিন্তু পেলো না.!! কোথায় তারা ?

বিভাগঃ



হাজার শোকর যে আজ আমরা আর পাকিস্তানী নই


পাকিস্তানের পেশোয়ারে শিশুদের উপর চালানো জঙ্গীদের বর্বর আত্মঘাতী হামলার বিস্তারিত জানার জন্য অনলাইনে পাকিস্তানের বেশ কিছু পত্রিকা ঘাটছিলাম। এর মধ্যে পাকিস্তানের শীর্ষ দৈনিক দ্য ডনের একটি শিরোনামের দিকে দৃষ্টি পড়ে যায় ।
"Another 16th December , another black day"

শিরোনামটি দেখে থমকে গেলাম। শুধু মনে হল হায় পাকিস্তান, ১৬ই ডিসেম্বরের ভুত এখনও তোমাদের পিছু ছাড়ল না। ১৬ই ডিসেম্বর নিয়ে ঐ পত্রিকায় আরও একটি আর্টিকেল রয়েছে। শিরোনাম :
Fall of Dhaka: Memories of a bloody December


 

বিজয় উল্লাস ( রাজাকার তত্ব,আস্তিক তত্ব, এবং নাস্তিক তত্ব)


আজকের ১৬ ডিসেম্বর দিন টা উল্লেখ করার মত, মনে করে দিবার মত কোন কারন দেখি না। তবে স্বাধীনতার স্বাধটা যেমন মধুর কিন্তু এর অভিজ্ঞতা ততটাই তিক্ত। একবার করে মনে হয়নি আজকের ঐ দিন কি হয়ে ছিল। দেশের পরিস্থিতি কেমন ছিল। মনে হয়নি কেমন পটভূমি কেমন ছিল তা একবার মনে হয়নি। আজ থেকে দীর্ঘ ৪৩ বছর পূর্বে কথা কারই বা মনে থাকবে। থাকার কথা নয় কারন যা গেছে শেষ হয়ে গেছে। স্বাধীনতা স্বাদ কি?

বিভাগঃ



শেষ রাতের স্বপ্ন যদি সত্য হত !


ছোট বেলা থেকে যে বিষয়ে খুব বেশি ভাবি সে বিষয়টি স্বপ্নে উপস্থিত হয় । স্বপ্নের বৈজ্ঞানিক ব্যাখা সম্পর্কে আমার খুব বেশি জ্ঞান নাই । তবে দু’একটি ব্যাখা যা জানি তা খুব বেশি মনঃপুত নয় । তাই স্বপ্নকে বাস্তবতার সাথে মিলানোর ভ্রান্তিবিলাসে কখনো গা-ভাসানোর প্রয়োজন বোধ করি না । তবে গত রাতে দেখা স্বপ্নটি নিয়ে কৌতুহলের শেষ নাই । বিজয় দিবসের রাতের স্বপ্নটি কেন যেন ভাবিয়ে তুলছে । ডিসেম্বর মাসটি বাংলাদেশীদের কাছে বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ । বিশেষ কয়েকটি কারণের মধ্যে এ মাসের ১৬ তারিখ বাংলাদেশীদের বিজয় অর্জনের মাধ্যমে নতুন পরিচয় লাভ অন্যতম । এছাড়াও শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসের শোকাবহ দিন এবং মুক্তিযুদ্ধের শেষ দিনগু




আস্তিক ও নাস্তিকতায় বিজ্ঞানীরা


সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব নিয়ে শুধু সাধারন আস্তিক ও নাস্তিক জন সাধারনের নয়, মতোবিরোধ ছিলো কিংবদন্তী মহাবিজ্ঞানী ও মনিষীদের মাঝেও! বিভিন্ন ধরনের মানসিকতা কাজ করেছিলো তাদের ভিতরেও!

এমনও অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী এবং মনিষী ছিলেন যারা নাস্তিক্যবাদের পক্ষে এমন কিছু দূর্বল ও ভিত্তিহীন উক্তি করে গেছেন যার জবাব দেয়ার জন্য সাধারন একজন আস্তিক মানুষই যথেষ্ট!
তবুও তারা বিজ্ঞানী বলে কথা! তাই বিজ্ঞানীদের নাস্তিক্যবাদী উক্তির জবাব বিজ্ঞানীদের আস্তিকতার উক্তির দ্বারাই দিচ্ছি!!

"আমাদের অজ্ঞতার নাম ঈশ্বর, আর যা আমরা জানি, সেটা বিজ্ঞান"
-- রবার্ট গ্রীন




পাহাড়ে ধর্ষণ এবং মনোলিথিক বাংলাদেরশের সাম্প্রদায়িক সমাচার


দেশে কি ঘটে গেল তা বড় কথা নয় কিন্তু পাকিস্তানে যে নারকীয় তালেবান হামলায় দেড় শতাধিক স্কুল ছাত্র মারা গেল তা দিয়েই চলছে পত্রিকার কাভারেজ । তালেবানের এহেন আচরণ পাকিস্তানের মত কোন দেশে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা । এই অভিশপ্ত দেশটার অবকাঠামো ভেঙে গেছে আভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সহিংসতাকে আশ্রয় করে তখনই যখন মৌলবাদী বিভিন্ন সংগঠন পাকিস্তানে তাদের নিরাপদ ঘাটি স্থাপন করে । এখানকার সাধারণ মানুষের জীবন প্রায় বিপন্ন এখন । একজন পাকিস্তানী মাও কিন্তু তার সন্তানকে বুকের দুধ খাইয়েই বড় করে তোলে । একজন বাবাও ভালবেসে সন্তানের কপালে চুম্বন চিহ্ন এঁকে দেয় । তারপরই সন্তানকে শিক্ষা দেয় সাম্প্রদায়িকতা । তালেবানদের পক্ষে অথবা বিপক

বিভাগঃ



কী আবিস্কার করিয়া এই ৩ বিজ্ঞানী ২০১১ সনে মেডিসিনের উপর নোবেল বিজয়ী হলেন? INNATE IMMUNITY কী? ৪২ (২) তম পর্ব।


এই ৩জন বিজ্ঞানী শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতার (IMMUNITY) উপর কিছু আবিস্কার করিয়া ২০১১ সনে নোবেল বিজয়ী হয়েছিলেন। ইনাদের আবিস্কারটা বুঝতে গেলে শরীরের IMMUNITY সম্পর্কে কিছুটা পূর্ব ধারনা থাকার দরকার আছে।

তাই ৪১ পর্বে শরীরের IMMUNITY সম্পর্কে আপনারা কিছুটা ধারনা পেয়েছেন। সেখানে আপনারা জানতে পেরেছেন আমাদেরকে এই গ্রহে বেচে থাকতে হচ্ছে আমাদের পারিপার্শিক ভয়ংকর অসংখ্য শত্রু জীবানুকুলের সংগে যুদ্ধ করে করে।


হাতড়ান

পোষ্টার

ফেসবুকে ইস্টিশন

প্রজন্মের বায়োস্কোপ

বাংলা চলচ্চিত্র- মেঘমল্লার

  • বড় করে দেখুন
  • কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৪ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর