নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • আলমগীর কবির
    • মিঠুন বিশ্বাস
    • দ্বিতীয়নাম

    নতুন যাত্রী

    • চয়ন অর্কিড
    • ফজলে রাব্বী খান
    • হূমায়ুন কবির
    • রকিব খান
    • সজল আল সানভী
    • শহীদ আহমেদ
    • মো ইকরামুজ্জামান
    • মিজান
    • সঞ্জয় চক্রবর্তী
    • ডাঃ নেইল আকাশ

    কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২৬) গুপ্তহত্যা ও বনি কেইনুকা গোত্র উচ্ছেদ!


    আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণিত সিরাত ও হাদিস গ্রন্থের বর্ণনায় আমরা জানতে পারি, বদর যুদ্ধে কুরাইশদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৯৫০ জন আর মুহাম্মদ অনুসারীদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৩১৩ জন। তা স্বত্বেও কুরাইশরা মুহাম্মদ ও তার অনুসারীদের কাছে অত্যন্ত করুণভাবে পরাজিত হয়েছিলেন!জগতের প্রায় সকল ইসলাম বিশ্বাসী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতরা বদর যুদ্ধের এই অভূতপূর্ব সফলতাকে 'আল্লাহর করুণা ও অলৌকিকত্বের' এক উদাহরণ হিসাবে বিশ্বাস করেন। তাঁদের এই বিশ্বাসের মূল উৎস হলো স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)। মুহাম্মদ তার স্ব-রচিত জবানবন্দি 'কুরআনে' এই সফলতার পেছনের কারণ হিসাবে তার কল্পিত আল্লাহর পরম করুণা ও অলৌকিক

    ২টি কবিতা


    গাড়ি হতে নেমে যদি কোনদিন হারিয়ে যান রোডে
    তখন একটা বিড়িও নেই প্যাকেটে
    আর সাথে থাকা টাকাসহ ফোনটা নিয়ে নিয়ে নেয় পকেটমার
    গাড়িতে থাকতে কেউ খেয়ে নিয়েছিলো সাথে থাকা খাবার
    ভিক্ষে করার জো নেই আপনার
    হাঁটছেন আপনি
    আর এর মধ্যে নামল বৃষ্টি
    বৃষ্টিতে ভিজে আপনার জ্বর হলে

    আলোর ফেরিওয়ালা - শাহজাহান বাচ্চু।


    আমরা এক অন্ধকার সময় পার করছি। অন্ধকারে পথ দেখানো বাতিগুলো অপশক্তি নিভিয়ে দিচ্ছে। বেহাত হচ্ছে বাংলাদেশ, অন্ধকার নামছে বাংলাদেশের জমিন জুড়ে। একটু পেছন থেকে লেখি। সময়টা ছিল ১৯৭১ সাল। অসাম্প্রদায়িক, মুক্তমনা ও মুক্তচিন্তায় বিশ্বাসীরা যুদ্ধ করেছিল সাম্প্রদায়িক পাকিস্তানী ও তাদের সহযোগী জামাতে ইসলামিদের বিরুদ্ধে। একটি অসাম্প্রদিক ও ধর্মনিরেপক্ষ বাংলাদেশের জন্য। আমরা জয়ী হয়েছিলাম। পরাজিত ধর্মান্ধ ও মৌলবাদীরা থামে যায়নি। বিষাক্ত সাপ হয়ে আমাদের ছোবল দিচ্ছে। ওরা ১৯৭১ সালে প্রথমেই আমাদের বুদ্ধিজীবী ও মুক্তমনাদের হত্যা করেছিল।জাতিকে মেধা শুন্য করার জন্য ওরা পরিকল্পিত হত্যা চালিয়ে যাচ

    আর বিলম্ব নয়।


    একই স্থানে লোকটিকে অাবার অাক্রমণ করা হয়। পান্নু মাঝির ছেলে তাকে পিছন দিয়ে অাঘাত করে যখন লোকটি একজন কাউন্সিলরের সাথে কথা বলছিল। কয়েকজন দাগী লোক তাকে এখনি এই গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বলে। লোকটি তার দৃষ্টিভঙ্গি জানায় আর বলে, আমাকে মারা উচিত নাকি পুরুষ্কার দেয়া উচিত? কে অাছে, যে দেশের অাইন মানে এবং ধর্ম মানে? সতীত্ব অাছে সেরকম একজনকে অামি বিয়ে করতে চাই। এটা কি পাপ?
    কাউন্সিলর বলেন, ‘অবশ্যই না’।
    মনে করুন, সামাজিক ভাবে বিয়ে না করে আমি কারো সাথে মিলিত হতে চাই না। কিন্তু বিয়ের জন্য একটা মেয়েকে অবশ্যই নূন্যতম অাঠার বছর হতে হয়। অাপনাদের কি অাঠার বছর বা তার বেশি বয়সের একটি মেয়েও অাছে যার সতীত্ব খোয়া যায়নি, অাপনারা ধার্মিক? যদি না থাকে তাহলে বলতে হয় অাপনারা সত্য ধর্ম পালনে ব্যর্থ। হয় আপনাদের ধর্ম ভুল অথবা অাপনারা ধর্ম পালনে ভুল। বৃক্ষ তো ফলে পরিচিতি পায়। কাজেই, অাপনারা অনৈতিক ভাবে অথবা অবৈধ ভাবে সতীত্ব হারানে নারীদের পিতা কিংবা ভাই, এভাবেই অাপনারা অাপনার নবীকে ব্যর্থদের নবীতে পরিণত করছেন।

    কাউন্সিলর বলেন, ‘তাতে অাপনার কি সমস্যা?’

    ক্যাচ, কট, কট:


    বাচ্চুদা হত্যা হওয়ার পরে তাকে নিয়ে পোস্ট দেওয়াতে, সেই পোস্টে আমি হত্যার হুমকি পাই । সমীর নামের জনৈক আইডিধারী হুমকিটা দেয় । হুমকিটা কোনো উঠতি বয়সের রক্ত গরম ইসলামিস্টের নয়, সেটা আমি হুমকির টোন দেখে বুঝেছিলাম । একটা অদ্ভুত শীতল হুমকি, যার মধ্যে একটা ডেফিনেটিভ টোন ছিল । তখনই বুঝেছিলাম ব্যাপারটা একদম ইগনোর করে ডাস্টবিনে ফেলার মত ইস্যু নয় । রাতে যখন ফেসবুক ঘাঁটছি, বেশ রাত , ফোন পেলাম নারায়ণগঞ্জ র্যাবের দফতরের এক সিনিয়ার ইনভেস্টিগেটিং অফিসারের । তিনবার উনি কল করলেন ভেঙে ভেঙে, তারমধ্যে দফতরের ল্যান্ডলাইন থেকে দুবার এবং বেক্তিগত মোবাইল থেকে একবার । এন্ড্রয়েড ফোনের অটো কল রেকর্ডারে কলগুলো রেকর্ড হয়ে

    !!!!! জান বাঁচানি ফরজ !!!!!


    ঈদের নামাজ পড়ছে সবাই । আমি ঈদগাহের পাশের রাস্তায় একটা চায়ের দোকানে বসে একটা সিগারেট এর ধোয়া গ্রহন করছি । চা খেতেও ইচ্ছা করছিল কিন্তু তা হয়ে ওঠেনি কারণ দোকানদার নামাজ পড়তে গেছে ঈদের নামাজ । দোকানদার অবশ্য অনেক আগে থেকে পরিচিত । তাই বলে গেছে - ভাইজান আপনে তো নামাজ পড়বেন না তাই একটু বসে সিগারেট খান । আমি একটু নামাজ পইড়া আসি ।
    আমি বললাম - যাও পড়ে আস ।
    সিগারেট একটা শেষ করে আর একটা ধরিয়েছি এমন সময় নামাজ শেষ হল । সাথে সাথে পিপড়ার মত দল বেধে আল্লার মুমিনবান্দারা হুরোহুরি শুরু করে দিল । দোকানদার এল বলল - ভাইজান চা দেই?
    আমি বললাম - জলদি দাও ।

    ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর নিজেই ছিল মুনাফিক , মুর্তাদ


    কোরানের আল্লাহ ও তার নবী মুহাম্মদের আদেশ নির্দেশ উপদেশ যারা পালন ও অনুসরন করে তারাই হলো মুসলমান। যারা মুহাম্মদের আদেশ নির্দেশ উপদেশ ও সিদ্ধান্ত মানবে না , বরং বিপরীত কথা বলবে , তারা শুধু মুনাফিকই না , বরং তারা হলো মুর্তাদ। সেই দিক দিয়ে খলিফা হযরত ওমর হলো একজন খাটি মুনাফিক ও মুর্তাদ উভয়ই।

    খেলার ভেতরে রাজনীতি মেশান


    ফিফা বিশ্বকাপ ২০১৮ কে হোস্ট করছেন রাশিয়া। যেখানে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কিংবা বাকস্বাধীনতা বিশাল হুমকির মুখে রয়েছে ২০১১ সাল থেকে। এটাই এখন উপযুক্ত সময়, রুশ সংবাদপত্রের স্বাধীনতার আন্দোলনকে দৃষ্টিতে আনার।

    মানবতাকে গুয়ে মুতে মাখিয়ে ফেললেতো হবে না, মানবতা তারই যার প্রাপ্য


    দেখা যায় ইসলামেই শুধু কাপড়ের জন্য নারী ধর্ষণের অজুহাত দেখাতে৷ পুরো পৃথিবীতে তারা একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র৷ তাদেরই যত সমস্যা এই কাপড় নিয়ে৷ অন্যদের পুরুষতান্ত্রীক সমাজের নানা চিত্র আছে কিন্তু এতটা নোংরা মনের নয়৷ আপনি খোলা জায়গায় ময়লা ফেলুন কিংবা একটা ড্রামে ফেলুন, গন্ধ কিন্তু বাতাসে ছড়াবে, তদ্রুপ মনের ময়লাও বাহির দূষণ করবে সেটা নারী কাপড় পড়ুক বা না পড়ুক৷ মন যার ডাস্টবিন নয়, সে বাহির নোংরা কখনোই করবে না৷ এই মনের শিক্ষাটাই ইসলাম ব্যতি রেখে নারীকে দোষ চাপায়, ধর্ষক বাঁচিয়ে ধর্ষক৷ নারী কি পড়লো সেটা বড় নয়, আমি কতটা ভালো সেটাই আসল ব্যপার৷

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর