প্রাণে প্রাণ মেলাবই.....
ব্লগপ্ল্যাটফরম

basundhara

karigor.com

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

ইস্টিশনের যন্ত্রপাতি



ওয়াশিকুর বাবুর মৃত্যু এবং আরো কিছু অপ্রিয় কথন


প্রতিদিন দূর্ঘটনায় কিংবা অসুস্থ হয়ে অনেক মানুষই মারা যাচ্ছে। অনুভূতি ভোঁতা হয়ে যাওয়ায় গায়ে লাগে না। দূর্ঘটনা থেকে বাঁচতে সচেতনতার প্রয়োজন হলেও অসুস্থতাজনিত মৃত্যুকে মেনে নেয়া ছাড়া উপায় থাকে না।




গ্রীসের বাম রাজনীতির চালচিত্র ও একজন গ্রীক মাওবাদী নেতার সাক্ষাৎকার


কিছু দিন আগে একটা খবর বেশ চমকে দিল। খবরটা ছিল, "গ্রীসে পুঁজিবাদ বিরোধী একটি বামপন্থী রাজনৈতিক দল ক্ষমতা দখল করেছে"। এটা চমকে যাওয়ার মতই একটি বিষয়। কেননা ইউরোপের মত একটা জায়গায় যেখানে পুঁজিবাদী সিস্টেম অত্যন্ত শক্তিশালী ও ঐতিহ্যবাহী সেখানে একটি পুঁজিবাদ বিরোধী বিপ্লবী দলের ক্ষমতায় আরোহন করা, আর কিছু না হোক কৌতুহল উদ্রেককারী তো বটেই। সেই কৌতুহল থেকেই গ্রীসের বর্তমান রাজনীতি ও সদ্য আগত ক্ষমতাসীনদের ব্যাপারে ঘাটাঘাঁটি করতে গিয়ে পেয়ে গেলাম এই দীর্ঘ ও দারুণ সাক্ষাৎকারটি। এখানে গ্রীসের বর্তমান রাজনীতি, ক্ষমতাসীন দল সিরিজার বর্তমান কর্মকান্ড সম্পর্কে অনেক গভীরে ও অনেকটা নিরপেক্ষ দৃষ্টি নিয়ে আলোচনা করা




শহীদের আত্মায় হাস্যকর নিবেদন


শহীদ বা শাহাদত ইসলাম ধর্মের একটি আরবী পরিভাষা বা পরিশব্দ । শহীদ বলতে সাধারণত আল্লাহর রাস্তায় জীবন উৎসর্গকারীকে নির্দেশ করে । শাহাদত শব্দের শাব্দিক অর্থ হচ্ছে স্বাক্ষ্য, সনদ, সার্টিফিকেট, প্রত্যয়নপত্র ইত্যাদি । ভাবার্থে শহীদ শব্দের অর্থ জান্নাতের দিকে অগ্রসর অথবা আল্লাহর নিকট উপস্থিত হওয়া বুঝায় । পারিভাষিক অর্থে যারা আল্লাহ মনোনীত ধর্ম ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার রাহে জীবন কুরবানী করেন তাদেরকে শহীদ বলা হয় এবং ইসলামে শাহাদতের মৃত্যুর গুরুত্ব অপরিসীম । কেননা যিনি/যাদের শাহাদতের মৃত্যু নসীব হয় তারা পরকালে বিনা হিসাবে জান্নাতে দাখিল হবেন মর্মে আল্লাহ ও তার রাসূলের (সাঃ) পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণা হয়েছে । মহা

বিভাগঃ



আদর্শ সহিহ ব্লগ লিখুন:নিজ কল্লার হেফাজত করুন।।


বৈশাখের মাত্র শুরু।এইসময় বৃষ্টির যেমন দুম করে চলে আসে,তেমনি হটাৎ চান্দি ফাটা রোদ! ধর্মীয় জিহাদের(পড়ুন মৌলবাদ) ও এখন বোশেখ চলছে! কোন কিছুর ঠিক নাই।তারা ইচ্ছা করলে রাতের অন্ধকারেও মানুষ হত্যা করতে পারে,আবার ইচ্ছা করলে ফকফকা সকালেও।আপনি ব্লগার,রাতে জম্পেশ একটা পোস্ট দিয়ে সকালে বাথরুমে আয়নায় দেখলেন আপনার কল্লা উধাও!




গ্রামীণ গা ঘষনি


----গ্রামীণ গা ঘষনি---

গ্রাম আমাদের শিকড়। এই শিকড়ে হতে আমরা যারা শহরে এসেছি তারা আজ অনেক দূরে। সবার মাঝে এই প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। একবার কেও শহরে এলে সে আর গ্রাম অভিমুখে ফিরতে চায় না।
ক্লাস নাইনে না টেনের বাংলা ২য় তে একটা রচনা ছিল – চলো গ্রামে ফিরে যাই। সেই রচনায় গ্রাম গুলির বিভিন্ন দিক তুলে ধরে শহুরে মানুষদের গ্রামে ফিরে যাবার আকুতি ছিল। সেই রচনা কালের পরিক্রমায় আর পড়ানো হয় না।




নীলকারাগার


শিরোধার্য এ উপহার প্রীয়তমা
অংগার এর মালা পড়ায়েছ
তৃষ্ণার্ত কন্ঠে আমার সেই
অমূল্য নীল মনিহার;

তোমার হাতে গড়া মাটির পুতুল
করেছিল ভুল গিয়েছিল ভেংগে, খেলার ছলে,
দেখেছিল তোমার রক্তিম ছলছল আঁখী
অভিমানী তুমি ছুড়ে ফেলে দিলে তারে;
কেমনে সে রবে তুমিহীনা!

তোমার ছায়াপথ এ আমার বিনীদ্র বিচরন
গ্রহহীন নিঃসংগ নক্ষত্রের মতন
নিভু নিভু আলোর বেসাতি হয়ে
অসীমের অন্ধকারে হারায়
ঊষ্ণ চুমুগুলো, যেন স্মৃতির নীল-কারাগার;


 

থোড় বড়ি খাঁড়া: খাঁড়া বড়ি থোড়


উৎসর্গ: মুক্তচিন্তার লড়াইয়ে ধর্মন্ধদের হিংস্রতার বলি সদ্য প্রয়াত ব্লগার জনাব ওয়াশিকুর রহমান বাবু।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

লেখাটির শিরোনাম ‘রমাকান্তকামার’ এর মতো। বিষয়টি যাদের জানা নেই তারা ‘রমাকান্তকামার’ শব্দটি উল্টো করে লিখে দ্যাখেন। কি দাড়ায়? যতোই উল্টান-পাল্টান ‘রমাকান্তকামার’, ‘রমাকান্তকামারই’ থাকে।




সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণশীল জীবন দর্শন ২১


সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণশীল জীবন দর্শন ২১

আমাদের দেশে বকবক করতে পারে এমন লোকের সংখ্যা অনেক।কেউ রাস্তায়,কেউ রেলে,কেউ চায়ের দোকানে,কেউবা আবার জেলে অনবরত কথা বলে চলেছে।আর যারা বাহিরে বকবক করতে পারে না তারা আমার মত ফেসবুক আর ব্লগে এসে স্ট্যাটাস আর পোস্টের মাধ্যমে তাদের অব্যাক্ত বকবকানির বহি:প্রকাশ ঘটান।

রাতে রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার খেলা দেখে ভার্সিটির ছেলেগুলো বকবক শুরু করেছে।মেসি কিভাবে শর্ট মিস করল,রোনালদো কত কি.মি বেগে বলটা মারলে গোল হত,গোলকিপারের বল মিসের কারন সমূহের সূক্ষাতিসূক্ষ বিশ্লেষণ আমাদের তরুনদের কাছে পাবেন।মাঝে মাঝে মনে হয় এদেরকে কেন ফুটবল টিমগুলো কোচ হিসাবে নিয়োগ দেয় না।




গণেশের বউ


বাবা মায়ের স্বপ্ন থাকে সন্তান সুস্থ শরীর আর তাজা মন নিয়ে জন্মাবে। সব সময় তা হয় না। আলিগড়ের এই সদ্যজাত শিশুকন্যাটি শারীরিক ত্রুটি নিয়ে জন্মেছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় যার নাম Massive midfacial displasia and hypertelorism (অনুমান)। অবশ্য আশেপাশের মানুষ তাকে 'গণেশের বউ' আখ্যা দিয়ে পূজো করা শুরু করে দিয়েছে। দুর দূরান্ত থেকে কাতারে কাতারে মানুষ ছুটে আসছেন 'গণেশের বউ' দেখবেন বলে। এই সময় ছোট্ট শিশুকন্যাটির উন্নত চিকিৎসার দরকার, সার্জারির প্রয়োজন,- যেন প্রশ্বাস-নিশ্বাসের প্রবাহ মেয়েটির বড় হওয়ার সাথে সাথে ক্রমশ বন্ধ হয়ে না যায়।




বিজ্ঞানে অন্ধ বিশ্বাস





সমৃদ্ধ দেশ গড়ার প্রত্যয় কর্মযজ্ঞে পুরুষের পাশাপাশি কৃষি কাজে নারীর অংশগ্রহন অনস্বীকার্য


‘জগতের যত বড় বড় জয়, যত বড় বড় অভিযান মাতা-ভগনি ও বধূদের ত্যাগে হইয়াছে মহীয়ান।’ কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার এ চরণ দুটিই সাক্ষ্য দেয় প্রতিটি সাফল্য, বিজয় বা মহান সৃষ্টির পেছনে নারীর অবদান অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। যুগে যুগে পুরুষের পাশে থেকে প্রেরণা যুগিয়েছে, ভয়কে জয় করার সাহস সঞ্চার করেছে। শুধু প্রেরণা নয়, অনেক নারী নিজেও করে দেখিয়েছে মহান সব কীর্তি, বিশ্বকেও দিয়েছে নেতৃত্ব। বেগম রোকেয়া, নারীনেত্রী ইলা মিত্র দেখিয়েছেন কিভাবে পরাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হয়, প্রীতিলতা দেখিয়েছেন কিভাবে শত্রুর বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়। শহীদ জননী জাহানারা ইমাম দেখিয়েছেন কিভাবে রাজাকারদের বিচার করতে হয়। বাংলাদেশের ন

বিভাগঃ



আদিবাসী নারী,শিশু ধর্ষণ ও বাংলাদেশের বিচার বিভাগ


২০১১ সালের আদমশুমারির প্রতিবেদনে অনুযায়ী বাংলাদেশে আদিবাসীর সংখ্যা প্রায় ১৫ লাখ ৮৬ হাজার ১৪১ জন তারা প্রায় ২৭টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীতে বিভক্ত।দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে এদের বসবাস থাকলেও পাহাড়ী অঞ্চলে এদের বসবাস বেশি।দেশের অনেক গন্য মান্য ব্যাক্তি বর্গ এদের প্রশংসা করতে গিয়ে "পাহাড় ও বন ধ্বংস বাংলাদেশের পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম একটি কারণ। দীর্ঘদিন যাবত পাহাড় ও বনাঞ্চলে বসবাস করে বনের সুরক্ষা নিশ্চিত করে এসেছে আদিবাসীরা" এরকম মন্তব্য করেছেন বলে যানা যায়।




প্রতিবন্ধী;বুঝে না প্রাণের মর্মব্যথা


প্রতিবন্ধী;বুঝে না প্রাণের মর্মব্যথা
জীবন জয়ের মেঘ
তাড়িয়ে তাড়িয়ে তুমি যাকে ভাব ‘আশা’
ঈর্ষা বা আক্রোশে
আমার নিকট সে-ই ‘রাজা’!

এমত স্বীকারে শূন্যে ছুঁড়ি
কতিপয় আশ্চর্য় প্রদীপ বোমা
শূন্যে?
মানে নয় মহাশূন্যে!
আছে এক সবুজাভ ছড়ানো ভূখন্ড
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের সোনারঙ স্থলপথ…
মেহনতি জনতা-শ্রমিক,কর্মজীবি, শিশুদের
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পুড়িয়ে মাড়িয়ে
চাই ক্ষমতার সক্ষমতা এবং প্রভাতের স্বর্ণরেণু আলিঙ্গন!

আমি সৃষ্টিবিনাশী এক অবরোধ
মেয়াদোত্তীর্ণ হরতালে মেঘের বালিশে
জড় হওয়া ক্রমশ ভুলস্বপ্ন
যুদ্ধাপরাধীদের উগড়ানো বমি ছেনে
রাজনীতি প্রতিবন্ধী!

বিভাগঃ



আপনার সন্তানকে মাদ্রাসায় পাঠান


ঘটনা টা আসলে দু চার কিংবা দশ বছরের নয়।
এটা স্বাধীনতার পর থেকেই ধর্মের আড়ালে হিংসা বিদ্বেশের বীজ বুনে আসছিল।
মুজিব হত্যার পর যখন সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় তখন থেকেই মুস্লিম হিংসা চাষ শুরু হয়। আস্তে আস্তে ধীরে ধীরে সেই ছোট পোকা গুলো এখন ডাইনোসোর হয়ে দাড়িয়েছে।
তখন জন্ম নিয়েছিল ইসলামি জাতিয়বাদ আর তার নগ্ন রুপ আজ আমরা একের পর এক হত্যাকান্ডের মাঝে দেখে যাচ্ছি।
আসলে মূলত এর জন্য দায়ী আমরাই।
" আপনার সন্তানকে মদ্রাসায় পাঠান" এই ছোট্ট একটা মেসেজ রিক্সার পেছনে লেখা থাকে। চিন্তা কত টুকু সূক্ষ চিন্তা ধারার হলে এই মেসেজ টা একে বারে রুট লেভেলে পৌছে দেওয়া হয়েছে।


হাতড়ান

পোষ্টার

ফেসবুকে ইস্টিশন

প্রজন্মের বায়োস্কোপ

বাংলা চলচ্চিত্র- জিরো ডিগ্রি

  • বড় করে দেখুন
  • কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৫ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর