প্রাণে প্রাণ মেলাবই.....
ব্লগপ্ল্যাটফরম

basundhara

karigor.com

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

ইস্টিশনের যন্ত্রপাতি

ওয়েটিং রুম

এইমূহুর্তে 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন


মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সঙ্গেও ওনাদের খাতির?


মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ‘আরাকান আর্মি’র ডা. রানিন সোয়ে ওরফে ডা. রান নিন সোয়ে মার্মা সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচিত নাম। গত সপ্তাহে আরাকান আর্মি’র ১০টি ঘোড়া বিজিবি আটক করলে বিজিবির ওপর হামলা চালায় আরাকান আর্মি। হামলায় বিজিবির এক সদস্য আহত হয়। পরে বিজিবি ও সেনাবাহিনী পাল্টা হামলা চালালে পিছু হটতে বাধ্য হয় সংগঠনটি। গত বুধবার রাতে রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার তাইদং পাড়ায় ডা. রানিন সোয়ে’র তিন তলা বিলাসবহুল বাসায় অভিযান চালায় যৌথবাহিনী। কিন্তু অভিযানের আগেই ওই বাসা ছেড়ে পালিয়ে যান ডা. রানিন।
বিভাগঃ



মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সাম্প্রতিক ব্যাকরণ


[প্রবন্ধটি লিখেছেন, আজফার হোসেন। এটি ছাপা হয়েছিল ত্রৈমাসিক নতুন দিগন্তে। ৫ম বর্ষ, চতুর্থ সংখ্যা, জুলাই-সেপ্টেম্বর, ২০০৭ থেকে নেয়া। লেখাটি বেশ আগের হলেও মোটেও অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায়নি। বরং মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সাম্প্রতিক চেহারার যে বয়ান লেখক দিয়েছেন তা আরো ভয়ঙ্কর হচ্ছে দিনকে দিন। বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপট বুঝতে প্রবন্ধটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।]

বিভাগঃ



গ্রেট ফায়ার অফ লন্ডন - ইতিহাসের এই দিনে


ওয়ালটার গোসতেলো নামে এক জ্যোতিষী ১৬৫৮ সালে বলেছিলেন, 'লন্ডন শহর যদি দশ বছরের মধ্যে পুড়ে ছাই না হয়, তবে আমাকে চিরদিনের জন্য তোমরা মিথ্যাবাদী বলো'। কিন্তু তার কথা ফলেও যায়।।১৬৬৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর লন্ডন আক্রান্ত হয় এক ভয়ানহ অগ্নিকান্ডের। যা ইতিহাসে" গ্রেট ফায়র অফ লন্ডন " নামে পরিচিত।খ্রিষ্টীয় সপ্তাদশ শতাব্দীর এই ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের সময় ব্রিটেনের শাসনকর্তা ছিলেন রাজা দ্বিতীয় চার্লস। ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দের ২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বরের সেই অগ্নিকান্ডে পুড়ে যায় লন্ডনের কেন্দ্রীয় অংশ।




নতুন রূপে গুগল......


বিভিন্ন উপলক্ষে নতুন নতুন লোগো নিয়ে হাজির হওয়া গুগলের জন্য নতুন কিছু নয়। কোনো বিজ্ঞানীর জন্মদিন হোক বা কোনো সামাজিক উৎসব অথবা প্রিয় দুই দলের খেলা—নতুন লোগো বানিয়ে সবাইকে চমকে দেওয়াতেই যেন গুগলের আনন্দ। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্বব্যাপী লোগোতে পরিবর্তন করল গুগল। গত মাসে প্রতিষ্ঠানটিতে বড় ধরনের রদবদলের পর লুকে বদল আনতে লোগো পরিবর্তন করল ‘সার্চ ইঞ্জিনের দৈত্য’ নামে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি। এর আগে ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে সর্বশেষ লোগো পরিবর্তন করেছিল গুগল ।




ইসলাম কি আসলেই শান্তির ধর্ম?


সংখ্যাতত্বের বিচারে সারা বিশ্বে দ্বিতীয় হল ইসলাম ধর্ম, তাহলে তো আপনার মত “শান্তি”প্রিয় ধর্মকারী এই মুহূর্তে এই বিশ্বে আর একটিও নেই। স্বীকার করুন আর নাই করুন এই মুহূর্তে পৃথিবীতে ঘটে চলা ধর্মজনিত হত্যার বেশির ভাগই ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের দ্বারা সংঘটিত এবং বেশিটাই পরিকল্পিত হত্যালীলা। মাঝে মাঝে সন্দেহ হয়, ছোটবেলায় পড়েছিলাম ইসলাম শব্দের অর্থ “শান্তি”, সেটা কি সত্যিই পড়েছিলাম?




সার্টিফিকেট


আসগর আলীর মন সকাল থেকে খুব খারাপ,পুরনো বাতের ব্যাথাটা আবার বেড়েছে।অবশ্য বাতের ব্যাথার চেয়েও বেশি কষ্টের হল টাকার কষ্ট।এই বয়সে টাকার কষ্ট বড় কষ্ট।বেশ কিছুক্ষণ ধরেই মাথায় একটা চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে।কিন্তু কিছুতেই মন সায় দিচ্ছে না।হাতে কোন টাকাই নেই।তারউপর আবার মাসের শুরু।বাড়িওয়ালা ভাড়ার জন্য আসবে।ফরমান মিয়ার কাছে কি সে আবার যাবে টাকা হাওলাতের জন্য?ফরমান মিয়ার কাছে অবশ্য অনেক দেনা হয়ে গেছে।ভাগ্য ভালো ফরমান মিয়া সুদ খায় না।নাহলে দেনা হত পাহাড় সমান।হায়রে!!

বিভাগঃ



৮ম পর্ব- কোষ বিভাজন MEIOSIS-এই বিশ্বে কখনই একজন মানুষ হুবহু আর একজনের মত হওয়া সম্ভব নয়।(Homozygote Twin বাদে)


৮ম পর্ব- কোষ বিভাজন MEIOSIS-এই বিশ্বে কখনই একজন মানুষ হুবহু আর একজনের মত হওয়া সম্ভব নয়।(Homozygote Twin বাদে)

প্রজনন কোষগুলী অর্থাৎ SPERMATOZOA অন্ডকোসে ও OVUM ডিম্বালয়ে (OVARY), MEIOSIS পদ্ধতিতে বিভাজিত হয়। বিভাজন হওয়ার পূর্বে এদের মধ্যে থাকে ২৩ জোড়া বা ৪৬ টা (DIPLOID)ক্রোমোজোম এবং বিভাজিত হওয়ার পর এদের মধ্যে থাকে ২৩ টা ক্রোমোজোম (HAPLOID)।অর্থাৎ সোজা কথায় বিভাজনের পর প্রতিটা প্রজনন কোষ অর্দ্ধেক CHROMOSOME এর অধিকারী হয়ে যায়।




আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা....


আশ্চার্য হলেও সত্য এই দেশের চতুর্থ ল্রেণীর শিক্ষার্থীদের থেকে শুরু করে সকল শ্রেণীর শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসে পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে সুদের অংক হাতে কলমে শিক্ষা দেওয়া হয় । যার দরূন ঐ শিশু-কিশুররা বড় হলে পরে খুব সহজে বুঝে নেয় যে সুদও এক প্রকার ব্যবসা । ব্যবসায় যেমন পুজি খাটালে লভ্যাংশ আসে সুদের ক্ষেত্রে ও তেমন মনে করে । বরং নিশ্চিত লাভের গ্যারান্টিও পেয়ে থাকেন ।




মানুষের সেকাল একাল


(ক)প্রাচীন যুগ:-
প্রাচীন যুগের মানুষ ছিল হিংস্র, হাত
পায়ের নখ গুলো পশুর মতই ছিল, তারা
গুহায় (গর্তে) বাস করত। অবাধ
যৌনাচার ছিল তাদের মাঝে।
পোষাক গুলো ছিল ছোট্ট ছোট্ট।
(খ)মধ্য যুগ :-
এ যুগের মানুষ গুলো শান্ত শিষ্ট,হাত
পায়ের নখ গুলো ছিল ছিল ছোট্ট ছোট্ট,
তারা যৌথভাবে বসবাস করত, পোষাক
গুলো ছিল ঢিলে ঢালা বড় বড়। সুষ্ঠু,
সুন্দর, বিধি নিয়মের যৌনাচার ছিল এ
যুগের মানুষের মাঝে।
(গ)বর্তমান বা আধুনিক যুগ :-
বর্তমান যুগের মানুষ গুলো সাহসী তবে
অন্য সব কিছু তে প্রাচীন যুগের মানুষের
সাথে অনেকটা মিল। এ যুগের
মানুষেরা বড় বড় নখ রাখে, মুক্তাঙ্গনে
বাস করে, পোষাক গুলো আর্ট সার্ট




দিনলিপি


আজো অনেক ভালোবাসা
বাকি আছে
অত বাকি পাড়ার মোড়ের মুদি
দোকানেও থাকেনা,
যদি থাকতো তাহলে ওগুলো
কবেই বন্ধ হয়ে যেত।
আজ দেখলাম বেন্সনের প্যাকেট
বলিউডের নায়ক তনয়াদের মত
মোটা থেকে স্লিম হয়েছে,
তারচেয়েও স্লিম হচ্ছে
বেকার,যুবকদের মানিব্যাগ,
অত দাম দিয়ে ধোঁয়া
খাওয়াটা এখন
মানিব্যাগের স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর।
তোমার জন্য ভালোবাসা
দিন দিন বাড়ছে,
আর তার সাথে পাল্লা দিয়ে
বাড়ছে রিকশাভাড়া,
বইয়ের দোকানে আজ
তাই পরিণত হয় লাইব্রেরীতে
অত দাম দিয়ে বই কেনার
সামর্থ্য কোথায়?




মানুষ গড়ার কারিগর যখন দূর্নীতিগ্রস্থ


রাশি রাশি ভরা ভরা
দূর্নীতিতে দেশ হল সারা।
দূরর্নীতিতে বাংলাদেশ পর পর
চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর আর বলার
অপেক্ষা রেখে না যে এদেশের দূর্নীতির প্রভাব কতটুকু।যদিও বর্তমানে সেই পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ কিছুটা উন্নতি
করেছে।তবে মনেকরি তা শুধু
পরিসংখ্যানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।
বাংলাদেশে দূর্নীতি কমছে না বরং দিন দিন হু হু করে বাড়ছেই।বাংলাদেশে এমন
কোন খাত নেই যেখানে দূর্নীতির ছোয়া
লাগেনি।একটি জাতির অস্তিত্ব হচ্ছে
তার শিক্ষা ব্যাবস্থা।বাংলাদেশে এই
শিক্ষা ব্যাবস্থাতেও দূর্নীতির
সমস্যার অন্তনাই।মানুষ গডার
কারিগর শিক্ষকরাও আজ নানান
দূর্নীতিতে জরিয়ে পরছে।এই অবস্থা
দেখতে খুব বেশী দূর যেতে হবে না!




দশমিক স্থানিক অঙ্কপাতন পদ্ধতি ও আমাদের ইতিহাস। (Spatial decimal notation method and our history)


অজন্তা গুহার ছবি কে বা করা একেছে তা এখোনো রহস্য। মহাভারত ব্যাসদেব লিখেছেন আর রামায়ন বাল্মিকি লিখেছেন বলে বলা হয়, কিন্তু মূলত কত লেখকের পরিশ্রমের ফসল তা বলা দায়। তেমনি এক মহা আবিষ্কারের নাম শুন্য।
১,২,৩,৪,৫,৬,৭,৮,৯,০ এই হলো দশমিক সংখ্যা পদ্দতি। ০ মানে কিছুই নেই তথাপি এই শুন্য কোনো সংখ্যা তথা ধরা যাক ২ এর পরে বসলে ২ দশগুন হয়ে ২০ হয়। কেন হয় তা জানিনা, তবে হয় বলে আমরা সবাই জানি। এত কালের জ্ঞান বিজ্ঞানের কতটুকু অগ্রগতি হতো শুন্য না থাকলে তার একটি উদাহারন দিচ্ছি-




রাজাকার পর্ব ২ঃ রাজাকার ইউসুফ আলী---- এককালের রাজাকার, বর্তমান সমাজসেবী


এসএম ইউসুফ আলী শহরের সম্মানীয় ব্যাক্তির মধ্যে ছিল একজন। সিংহজানি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি করবে বলেই জামায়েতি ইসলামে আসা।কিন্তু এতো বিশাল কিছু হয়ে যাবে সে নিজেও ভাবে নি। আওয়ামী লীগের নেতা মরহুম আবদুল হাকিমের শুন্য আসনে একেবারে এমপি ! পাকিস্তানের আশীর্বাদ ছাড়া কি এ সম্ভব! তাই সে কোনদিনও পাকিস্তানের আশীর্বাদ ভুলতে পারে নি। পাকিস্তানের সেনাকর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার আসাদুল্লাহ যেদিন তার হাতে পদক রাজাকারের শীর্ষনেতা বানায়, সেদিন তার জীবনের সবচেয়ে গৌরবের দিন ছিল।

বিভাগঃ



পুর্ণিমা রাতের আমাবশ্যা


রাত প্রায় সাড়ে ৩ টা। বাহিরে
কিছুটা ঠান্ডা মৃদু হাওয়া বইছে।
রিহান বারান্দার চেয়ারটায় বসে
পূর্ণিমার বড় চাদটার দিকে তাকিয়ে
আছে। চাদের আলোটা গাছগুলোর উপর
পড়েছে, গাছগুলো মৃদু বাতাসে ছন্দহীন
ভাবে দুলছে।। শুন শান রাতে যখন সবাই
ঘুমিয়ে পড়ে রিহান তখন বারান্দায়
এসে একা একা আকাশের দিকে
তাকিয়ে থাকে।
৪ মাসের আগের কথা.........
রিহান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের
ফিনান্স বিভাগের ৩য় বর্ষের ছাত্র।
ছাত্র হিসেবে অনেক ভাল। বরাবরই
বন্ধুদের নিয়ে মেতে থাকতে ছন্দ করে
ছেলেটি। হাসি-তামাশা-আড্ডা আর
প্রেম করেই কেটেযাচ্ছিল স্বপ্নীল
দিনগুলো। আভা আরেক পাগলী মেয়ে।
যে কিনা রিহানের প্রেমে পড়ে
পাল্টে ফেলেছে নিজেকে।




হাতড়ান

পোষ্টার

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৫ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর