প্রাণে প্রাণ মেলাবই.....
ব্লগপ্ল্যাটফরম

basundhara

karigor.com

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

ইস্টিশনের যন্ত্রপাতি

 

পশু আর উজবুক।।


ইচ্ছে হলেই পাল্টানো যায় সব
জীবন নামের যোগ বিয়োগের খেলা
সরল বড়ই গড়ল জেন
হাড়িয়ে যাবার, গোলক ধাধার ভেলা
মনটাকে তাই শক্ত করে ধর
যতই উঠুক উটকো কলরব
বাচুক জীবন বাচার মতো বাচো
ইচ্ছা নামের পাখির উষ্ণ ডানায়
কি এসে যায়, বল্লো কে কি
তোমায় কিংবা আমায়
মানুষ হয়ে মরতে পারায়
আছে ব্যাপক সুখ
যদি তুমি বুঝতে পারো
মুখোশ আটা মানুষ গুলো
আসলে সব, পশু আর উজবুক।।

লেখককে তার লেখার সাইজ কতটুকু হবে তার স্বাধীনতা লেখককে দিতে হবে। জোর করে পঞ্চাশ শব্দ চয়নের সাম কোন অবস্থাতেই সাহিত্য হতে পারে না। তাই বলি এই ফালতু নিয়মটি শিথিল করুন।

বিভাগঃ



আল্ফু থেরাপি


একটু আরামের জন্য রাতের ঘুমের আগে হালকা গা ভিজিয়ে নিলে ভাল হয়।
আল্ফু মিয়াকে দিয়েই উদাহরণটা দেয়া যাক।

গরমে সিদ্ধ হয়ে আল্ফু মিয়া বাথরুমে ঢুকেই দরজাটা বন্ধ করে লুঙ্গির গিঁটটা খুলে দেয় চট করে। মালিক কর্তৃক তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার সাথে সাথে লুঙ্গিটি নাচতে নাচতে নীচের দিকে নেমে যায় প্রুৎ করে।
তারপর আল্ফু ঝরণার নীচে গিয়ে দাঁড়ায়।

আমাদের শরীরের কিছু কিছু অংশ উন্মুক্ত থাকে, আর কিছু কিছু আবদ্ধ। আবদ্ধ স্থানগুলো হল বগল, জঙ্ঘা, বাইনদুয়ার ইত্যাদি।
[ আমাদের অঞ্চলে বাড়ীর পিছনের দরজাকে বাইনদুয়ার বলে ]




তোমার সম্মান রক্ষার দায়িত্ব তোমাকেই নিতে হবে, সতরাং কৌশলী হও ।কুকুররে হাত থেকে বাঁচতে / বাঁচাতে প্রয়োজনে কুকুর হও ।


২০১১ সালের ঘটনা , বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি ফার্মগেট ,গন্তব্য খিলক্ষেত , পাশে আরো দুজন স্কুল ড্রেস পড়া মেয়ে দাঁড়ানো , তাদের গন্তব্য একই রোডে , ,একেরপর এক বাস আসছে আর চলে যাচ্ছে ,প্রচন্ড ভিড়ের কারনে উঠতে পারছিনা , যথাসময়ে গন্তব্যে ফিরতে নাপারলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে , যে করেই হোক যথাসময়ে পৌছাতেই হবে , সি এন জি করে যাবার সামর্থ নেই , একটা লোকাল বাসে ওঠার চেষ্টা করছি , স্কুল ড্রেস পড়া মেয়ে দুজনের একজন বাসের দরজার রড ধরে উঠার চেষ্টা করছে তার পিছনে কয়েকজন পুরুষ ,আমি আর অপর স্কুল ড্রেস পড়া মেয়েটি । বাসে ওঠার জন্য যুদ্ধ চলছে রীতিমত , পিঠে কারো হাতের ইচ্ছাকৃত স্পর্শ টের পাচ্ছি , মুহুর্তের মধ্যে ব্রা




লম্বা চওড়া ভালোবাসা (ডার্ক কমেডি)


এক দেশে এক সুন্দরী গার্লফ্রেন্ড ছিল যার ছিল মোটামুটি সুন্দর একটা বয়ফ্রেন্ড।
তো মেয়ে পরিবার ও সমাজের চাপে পড়ে ছেলেকে ভালোবাসলেও পাশে মেনে নিতে পারতো না ।
আবার,বিয়ের প্রস্তাব আসতো রেগুলারলি মেয়ের বাসায়। পাত্ররা সবাই ছিলেন অতি প্রতিষ্ঠিত সেই সাথে উচা লম্বা আর সুন্দর ফর্সা লাল চেহারার। লাল ফুয়া বলে চিটাইংগা ভাষায়।
তো গার্লফ্রেন্ড এইটা নিয়ে মহা ডিপ্রেসড আর সারাদিন ধরে বয়ফ্রেন্ড রে গালি দিয়ে কিছু রাখতো না। তো একদিন বয়ফ্রেন্ড গেল ঢাকা থেক সিলেটে মেয়ের ডাকে। না, সব সমস্যার সমাধান হয় নি মোটেও। গার্লফ্রেন্ড ক্ষনিকের জন্য মানুষ হয়েছিল।




ব্রাহ্মণ পুত্র রাজা রামমোহন রায় এখন বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসার "ব্র্যান্ড এম্বাসেডর" । কিস্তি - ১


রাজা রাম মোহন রায় ছিলেন একজন কুলীন ব্রাহ্মণ পুত্র। পিতা এবং তাঁর পাঁচ পুরুষ মুঘল শাসকদের চাকুরে ছিলেন। জন্মের পর থেকেই মুসলিম আবহ দেখেছেন পাশ থেকে। প্রভাবশালী মুসলিমদের কে দেখেছেন খুব আছ থেকে। রাজা রাম মোহন রায় কে বাঙ্গালী জানে তাঁর বহুমাত্রিকতার জন্যে। তাঁর অনেকগুলো জীবনীর যেকোনো একটি পাঠ করলেই তাঁর বহুমাত্রিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। পাঠের প্রতি ও নতুন বিষয় শেখার প্রতি এই রকমের অনুরাগ খুব কম বাঙ্গালীর দেখা গেছে।




ফাটা পর্দা


ছুটির দিন দুপুরে অলস সময় কাটাচ্ছিলাম। টিভির বিভিন্ন চ্যানেলে সাঁতার কেটে একটা বাংলা সিনেমা দেখা শুরু করলাম। বাংলাদেশী বাংলা সিনেমা, ভারতীয় বাংলা নয়। মৌসুমি এবং মান্না অভিনিত একটা সিনেমা, নাম জানা হয়নি সেটাতে আটকে গিয়েছিলাম। তো, একটা ঘটনা হচ্ছে বিয়ের সাঁজে মৌসুমি পালাচ্ছিল। তখন গুন্ডাদের হাত থেকে তাঁকে রক্ষা করে মান্না ও তাঁর বন্ধুরা। এরপর মৌসুমি তাঁদের কাছে আশ্রয় চাইলে তাঁরা তা দিতে প্রত্যাখ্যান করছিল কারণ কিছু ব্যাচেলর ছেলে সে বাড়িতে থাকে। অনুরোধের এক পর্যায়ে মৌসুমি বলে, ‘আমি আমার এ ভরা যৌবন নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরলে আমার সতীত্ব টিকিয়ে রাখতে পারবো না’। জীবনে কম সময় পাড় করিনি। কম দেখিনি, কম শ




ইন্ডিয়ার দালাল ; পাকিপ্রেমী রাজাকার : দ্বিখন্ডিত ধর্ম-সমাজ ও আমার অবস্থান.....!!!!


আমি ইন্ডিয়ার দালাল নই, পাকিপ্রেমী রাজাকার নই ; আমি হিন্দু বিদ্বেষী নই, মুসলিম মৌলবাদও নই ; আমি মুসলিমের মৃত্যুতে কেঁদে, ইহুদি মরলে আনন্দ মিছিল করি না ; আমি মানুষের মৃত্যুতে মনের টানে-হৃদয়ের বোধে মানবিক হই ; আমি কপিলাবস্তু - জেরুজালেম - ভ্যাটিকান - ওয়াজিরিস্থান - বৃন্দাবন - মক্কায় মানুষ মরলে সমান সমান দুঃখবোধ করি ; আমি সাঁওতাল-রোহিঙ্গা-আফ্রিদি-তাঁতার-ঋষি-জুলু-খুমি-ভাইকিং-বেদুইন-গারো-কুর্দি-পিগমি-নিগ্রো-গুর্খা-নাগা-দ্রাবিড়-মুরং-কুকি-ওরাও-মাওরি-রাখাইন-এস্কিমো-রেড ইন্ডিয়ান-অ্যাংলো ইন্ডিয়ান-চাকমা-বুশম্যান-মারমা সকলের দুঃখ-শোকে সমব্যাথী হই !!




লাভ জার্নি।


অতসীর মন ভালো নেই। মাঝে মাঝে অতসীর এমন হয় । যেদিন তার অসম্ভব আনন্দ লাগে সেদিন তার চেহারা কেমন যেন মন মরা হয়ে যায় । আচ্ছা খুব ভালোর উপরে কি কিছু আছে থাকলে তা ।
আজ কৌশিক আসবে তাদের বাসায় । কৌশিকের সাথে অতসীর সম্পর্ক পাঁচবছরের । আজ কৌশিকের আব্বু আম্মু আসবে তাদের বিয়ে নিয়ে কথা বলার জন্য । সাথে কৌশিক অ আসবে । কৌশিক নতুন চাকরি পেয়েছে, চাকরি পেলে ভীতু ছেলেরা ও চালাক হয়ে যায় ।
হঠাৎ আসা ঝড়ের মত কৌশিক এসেছিল অতসীর জীবনে । অতসী একদিন ফুচকা খেয়ে পানি খুজছিল ।
ধরুন বলে কেউ একজন এক বোতল পানি বাড়িয়ে দিল । পানির বোতল দেখেই অতসী খাওয়া শুরু করল ।
ঝালটা বুঝি একটু বেশিই ছিল ।

বিভাগঃ



বিএনপি এখন কোমায়...আওয়ামী লীগের সাথে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ!


গত কয়েকদিন ভাবছিলাম ৫ই জানুয়ারী থেকে চলমান বিভীষিকাময় দিনগুলির কথা। সে সময় মনে হচ্ছিল এই দিনগুলি যেন শেষ হবার নয়! জলে, স্থলের অতি চেনা পথ যেন শত্রু সেনা বেষ্টিত অচেনা দুর্গম গিরিখাত। বাচ্চা-কাচ্চাদের স্কুল কলেজ বন্ধ, দূরপাল্লার যাত্রায় কখন যে পেট্রোল বোমার অ্যাটাকে পরতে হয় কেউ জানে না! আবার কিভাবে, কিভাবেই যেন সব বন্ধ হয়ে গেল! বিএনপি রাজনৈতিকভাবে একেবারেই 'কোমা'য় চলে গেল, আর বিএনপি'র মিত্র জামাত তার রাজনৈতিক চরিত্র হারিয়ে তালিবান-আইএসের সন্ত্রাসী চরিত্রে আবির্ভুত হল।




এ কেমন তোমাদের বিশ্বাস ?


কিছুদিন থেকেই গরুর মাংস খাওয়া নিয়ে যত্র তত্র সর্বত্র এমন কি ভারতের পার্লামেন্টেও তুমুল তুল কালাম কাণ্ড শুরু হয়েছে ।এক মন্ত্রি তো বলেই ফেলেছে আমি গরু খাই পারলে ঠ্যাকা । আরেকজন আবার বলেছে গরু খেতে হলে পাকিস্তান যাও। বেচারা গরু যদি জানতো যে তার ডিম্যান্ড এত তাইলে মনে হয় ঘাস খাওয়া ছেড়ে দিয়ে বার্গার খাওয়া শুরু করে দিত । ফেসবুক আর পত্র পত্রিকায় এ নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই চলছে আলাপ আলোচনা তর্ক বিতর্ক ।কিছু কিছু ভিডিও অত্তান্ত আপত্তিকর । আজ সকালেও একটা ভিডিওতে দেখলাম এক মুসলমানকে দুই হাত আর দুইপা ধরে ঝুলিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে কিছু হিন্দু মৌলবাদী পশু । তার অপরাধ সে ভারতে সংখা লঘু মুসলমানদের এক জন। সে যেমন তে




ইমাম গাজ্জালী (র:) এর জীবনী ও তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ বানী ৷৷


ইমাম গাজ্জালী (রঃ) এর প্রকৃত নাম আবু হামিদ মুহম্মদ। তাঁহার পিতার ও পিতামহের উভয়ের নামই মুহম্মদ। তাঁহার মর্যাদাসূচক পদবী হুজ্জাতুল
ইসলাম। খোরাসানের অন্তর্গত তুস জেলার তাহেরান নগরে গাজালা নামক স্থানে হিজরি ৪৫০ সনে, মুতাবেক ১০৫৮ খৃষ্টাব্দে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

কোনো কোনো গবেষকের মতে তাঁর জন্মস্থান গাজালা এর নামানুসারে তিনি গাযালী উপাধি ধারণ করেন। ‘গাজ্জাল অর্থ হচ্ছে পশম। তাঁদের বংশানুক্রমিক পেশা ছিলো বুনন ও বিক্রয় করা। তাই কারো কারো মতে পেশাগত কারণে তাঁর এ ধরনের নামকরণ করা হয়েছে।

বিভাগঃ



দার্শনিক যুক্তির ভিত্তিতে সামাজিক চুক্তি সম্পাদনের অপরিহার্যতা


বর্তমান বিরাজমান জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশ পরিস্থিতির পটভূমিতে জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সর্বস্তরের জনগোষ্ঠীকে প্রগতির দিকে পরিচালিত করার জন্য প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট দার্শনিক যুক্তির ভিত্তিতে সামাজিক চুক্তিতে আবদ্ধ করে প্রতিষ্ঠান সংস্থা গডে তোলা। যুগ পরিক্রমায় পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে প্রত্যেক সমাজ সমাজ ব্যবস্থাকে ইহার প্রাতিসঙ্গিক দার্শনিক যুক্তি খুঁজে পেতে হয় এবং সামাজিক চুক্তির উদ্ভাবন করতে হয়। জাতীয় ও আন্তর্জাতীক পরিবেশ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই দার্শনিক যুক্তি হতে হবে শ্রম-কর্ম-পেশায় নিয়োজিত সর্বস্তরের জনগণকে দলীয় প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি সমমর্যাদার ভিত্তিতে আইন প্রণয়নে, প্রশাসন পরিচালনায় এবং




শত প্রতিকুলতা পেরিয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ


মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর (ফাস্ট ট্রাক) মধ্যে এক নম্বরে রয়েছে পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এটি সরাসরি মনিটরিং করা হচ্ছে। যা এগিয়ে চলছে দ্রুত গতিতে। এই সেতুই হবে বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় সাফল্য। বিশ্বব্যাংকসহ দেশী-বিদেশী মহলের বাধা উপেক্ষা করে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সেতু দিয়ে যুগপৎভাবে যানবাহন ও ট্রেন চলাচল করবে- এমন পরিকল্পনা সামনে রেখে এগোচ্ছে সবকিছু। এ সেতুতে যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার মধ্য দিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকার গতি বহুগুণ বেড়ে যাবে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য পদ্মা নদীর ভেতরে তিনটি ও তীরে আরও তিনটি মিলে মোট ৬টি টেস্ট পাইল বসানোর

বিভাগঃ



২৪০০ টন ক্ষমতার জার্মানি হ্যামার এখন পদ্মার পাড়ে। বিশাল নির্মাণযজ্ঞ দেখে মনে হচ্ছে সেতুটি এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে


প্রায় আড়াই হাজার টন ক্ষমতা সম্পন্ন জার্মানি হ্যামার পদ্মা সেতুর মূল পাইলিং কাজের জন্য মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তে মাঝ পদ্মায় নোঙরে করেছে। বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা সেতুর পাইলিংয়ের জন্য ২৪০০ টনের ক্ষমতা সম্পন্ন বিশ্বের সবচেয়ে বড় হ্যামারটি এখন মাওয়ার মাঝ পদ্মায় পাইলিং কাজের জন্য প্রস্তুত। গত কয়েক দিন আগে মংলা নৌবন্দর থেকে মাওয়ার উদ্দেশে এটি রওনা হয়। আগামী ১ জুলাই থেকে এর ব্যবহার শুরু হবে এবং অক্টোবরে মূল পাইলিং কাজের উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতুর সব কাজ শিডিউল অনুযায়ী অত্যন্ত সুচারুরূপে এগিয়ে চলছে। শিডিউল অনুযায়ী পিছিয়ে নেই বরং এগিয়ে আছে এর কাজ। মুন্সীগঞ্জে

বিভাগঃ

হাতড়ান

পোষ্টার

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৫ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর