প্রাণে প্রাণ মেলাবই.....
ব্লগপ্ল্যাটফরম

karigor.com

karigor.com

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষন

ইস্টিশনের যন্ত্রপাতি

ওয়েটিং রুম

এইমূহুর্তে 1 user প্লাটফরমে আছেন

যাত্রীরা হচ্ছেন:

ভোটকেন্দ্র

ক্রিকেটে ঢাকাকে পাকিস্তানের হোমভেন্যু বানানোর সিদ্ধান্তকে আপনি কি সমর্থন করেন?
হ্যাঁ
13%
না
87%
মোট ভোটের সংখ্যা: 137


মুভি রিভিউ : পিঁপড়াবিদ্যা


অস্বীকার করবো না, সিনেমা হলে যখনই কোন বাংলা ছবি দেখতে যাই তখনি আমি কিছুটা প্রিডিটারমাইন্ড থাকি। মানে দেশি সিনে জগতের হাল-হকিকতের ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে অনেকটা জোর করে সিনেমার মান যেমনই হোক ভাল লাগবে গোত্রের মনোভাব নিয়ে হলে ঢুকি। হালের আশিকুর রহমান, স্বপন আহমেদ বা অনন্য মামুন সবার ক্ষেত্রেই সেটা মোটামুটি প্রযোজ্য। তবে বাংলাদেশের যে দু'তিন জন পরিচালক আছেন যাদের মুভি দেখতে যাই ঠিক উল্টো মনোভাব নিয়ে। মানে তাদের কাছে প্রত্যাশা বেশি। কাজে ধার আছে, কিন্তু কোথায় কি যেন নেই! তাই সবসময়ই মনে হয় হতাশ হবো। আর এই বেশি প্রত্যাশার কারণে হতাশ করা পরিচালকদের মধ্যে মনে হয় প্রথমেই আছেন মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী।


 

আমাদের পৃথিবী


এই ভাদ্রের দুপুরে, সূর্য ঢেলে দিলো এমন ধুসর রোদ, যেন ক্লান্ত চোখে এক বিষন্ন দেবতা চেয়ে আছে বৈরী জগতের পানে। সেখানে বিষাক্ত বোধ নিয়ে লোলুপ ঘাতকেরা উৎসবে মত্ত হয়েছে; হিংসার আগুন ছড়িয়েছে তারা ফেরাতের তীর থেকে পদ্মায়।

আমাদের দুঃখবোধ কষ্টের চাদরে ঢেকে কেবল দীর্ঘশ্বাস ফেলেছি। প্রিয়তমার জঙ্ঘায় জমেছে বরফ; অশ্রু ঝরে সিক্ত পৃথিবী সবুজ হতে হতে হয়েছে অবুঝ।

অর্ঘ্য নিবেদন করিনি তবু, রুষ্ঠ অপদেবের বেদীতে।
২৫-১০-২০১৪




জবানবন্দি- "যুদ্ধ কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না"


যুদ্ধকে বৈধতা দেয়ার একটাই মন্ত্র আর তা হলো- "পৃথিবীর সব যুদ্ধই হয় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য"।
প্রশ্ন হচ্ছে, যুদ্ধ সত্যিই কি শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে? যুদ্ধের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়? প্রশ্ন রেখেছিলাম। আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো "যুদ্ধ কখনো শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না"
আচ্ছা, ধরুন আপনি একটা অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধে অবতীর্ন হলেন এবং আপনার বিপক্ষে আরেকজন আরেকটা অস্ত্র নিয়ে আপনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামলো। তাহলে বিষয়টা কি দাড়ালো?




সাধের বাংলাদেশ ......


মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী রাজাকারদের রোল মডেল ঘৃণ্য অমান্য জঘন্য ব্যাক্তি গোলাম আযমের সর্বোচ্চ চিকিৎসা ,সুষ্ঠু নিরাপত্তা ,আরাম আয়েশের মৃত্যু সবকিছুই বাংলাদেশ করতে পারল। পারলনা নিজ দেশের সম্মান রক্ষা করতে ,দেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের মুখ রক্ষা করতে।
আজকের বাংলাদেশের রূপকার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পিতা বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অন্যদিকে এদেশের জঘন্যতম ব্যাক্তি হলেন যুদ্ধাপরাধী.অথচ যেখানে একজন মুক্তিযোদ্ধা রোগে শোকে অর্থকষ্টে দিনাতিপাত করে ,ধুঁকে ধুঁকে মারা যাচ্ছে সেখানে দেশের সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যক্তি চিকিৎসা পেয়েছে তারই বড় শত্রুর মেডিকেলে .হায়রে বাংলাদেশ .

বিভাগঃ



আলোর ছবি!


আলো এলো আলোর ধারায় আলোয় মাখা আমি,
সবুজ আমার সজীব চোখের সকল কোণে তুমি,
অনেক খুঁজে তোমার দেখায় হলাম সফল প্রেমী,
ধন্য দু চোখ তোমার ছোঁয়ায় আলোই তুমি দামী!

নিরাশ ছিলাম আঁধার আমার ছিল আকাশ জুড়ি,
দুঃখ আমায় জাপটে নিতে উঠত পাতাল ফুঁড়ি,
কিন্তু দেখো আজকে আমি সব ভুলে সব ছাড়ি-
উল্লাসী এক জীবন প্রতিক চালাই সুখের গাড়ি!

ভাবতাম আমি হবোই হবো জীবন ব্যাপী সুখী,
তাঁর ক্ষতিতে ওর বিগতে নিজকে কেন রুখী?
হইতে আমি সুখের মালী হয় যদি পর দুঃখী,
লোকে বলুক ইচ্ছা যা হয় আমি কি গায় মাখি?

বুঝতাম আমি জগতটা তাঁর আপনাতে যে খুশি,
আমি-ই শুধু আপন আমার আমি-ই বুঝি বেশি,
পাঁকের মাঝে জন্মে যে তাঁর পাঁকেই থাকা রাশি,

বিভাগঃ



একজন আবির এর গল্প!


কিছুক্ষণ হলো আবির মারা গেছে। আবির খুব ভালোভাবে বুঝতে পারছিল, তার অনুভূতির দিন শেষ। আবিরের নাম পযর্ন্ত বলতে সবাই ভয় পায়। আবির একজন ক্ষমতাশীল ছাত্র নেতা। কিন্তু মনের দিক থেকে একজন সাধারণ মানুষ।

কখনো কাওকে ইচ্ছাকৃত ভাবে ক্ষতি করেনি। স্মোক করে কিন্তু বাজে নেশা করে না । দিনটা ঠান্ডা বলে রেলগেটে বসে চা পান করছে। হঠাৎ করে আবির দেখলো একটা নীল ডানা কাটা পরী তার দিকে আসছে।
এসে দোকানদারকে বললো, একটা চা দিনতো । আবিরের দিক মেয়েটি চেয়ে বললো, একটু সরে বসেন।

বিভাগঃ



ছুটিরদিন, পিপড়াবিদ্যা ও অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা


দুপুরে ঘুম থেকে উঠে ঢুলুঢুলু চোখে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার ফুটবল ম্যাচ দেখতে বসে গেলাম। এমিলি এক গোল দেয়ার পর ভাবলাম আজ জিতবে.. কিন্তু কিসের কি! একটু পরে গোল খেয়ে ড্র করলো।
সারাদিন বাসায় বেকার কাঁটিয়ে ভাবলাম বাইরে যাওয়া দরকার। সকালে কিশোর আলোর কিআনন্দ উৎসবে যাবো ভেবেও যাইনি আলসেমির কারণে। তাই ভাবলাম আর্মি স্টেডিয়ামে সাউথ এশিয়ান রক ফেস্টে ঢু মেরে আসি। টিকেটের ব্যাবস্থা হবে না ভেবে কাজিন তানভীর-সহ সিদ্ধান্ত নিলাম মুভী দেখতে যাবো। আজকে রিলিজ হওয়া Piprabidya - Ant Story. এ লেখার পরবর্তী অংশে এ নিয়েই বলছি যাতে অন্যরকম কয়েকটা অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হলাম।




মুতাজিলা থেকে মডার্নিটিঃ মুসলমানের আক্কেল ও বেয়াক্কেলের ইসলাম প্রসঙ্গে


চতুর্থ খলিফা আলীর মৃত্যুতে খলিফায়ে রাশিদিনদের যুগের সমাপ্তি এবং মুয়াবিয়ার খেলাফতের মাধ্যমে উমাইয়া রাজবংশের খেলাফতের সুচনা হয়েছিল। রাজনৈতিক ক্ষমতা সংহত করার জন্যে উমাইয়ারা তাদের শত্রুদের শক্ত হাতে দমন করেছে। উমাইয়া খেলাফতের সবচাইতে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আলী ও ফাতিমার বংশধর তথা খোদ মহানবীর বংশধররা। এই পরিবারের নেতাদেরকে সামনে রেখেই নির্যাতিত ও বঞ্চিতরা বিভিন্ন সময়ে বিদ্রোহ করেছে, কারবালা থেকে যার শুরু। প্রতিটি বিদ্রোহই শক্ত হাতে দমন করা হয়েছে। উমাইয়া খেলাফতের প্রায় একশ বছর সময়কালে মুহাম্মদের বংশধর ইমামদের আস্বাভাবিক মৃত্যুই ছিল স্বাভাবিক ঘটনা। এর বাইরেও উমাইয়াদের বহু শত্রু ছিল। এন্টি কুরাইশ এবং অনারব




‘ভাষা সৈনিক’ গো.আ মারা গেলো


কথিত ভাষা সৈনিক গোলাম আজম ওরফে গো. আ. গতকাল বুধবার রাত ৯টা ২৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় মারা গেছে। মৃত্যুর সময় সে বিপুল পরিমান সম্পদ, ছয় সন্তান ও ৯০ বছরের কারাদন্ড রেখে গেছে।

বিভাগঃ



একজন গোলাম আজমের আত্ম কথা


আমার জন্ম ব্রাক্ষনবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীররগাঁও ইউনিয়নের বীরগাঁও নামক এক ছায়া ঘেরা গ্রামে। এই গ্রামেই কেটেছে আমার শৈশব কিশোরের মধুর দিন গুলো । আমার প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম পাঠও এই গ্রামে । আমাদের পুরো পরিবার ছিল যথেষ্ট ধার্মিক সে কারনে একেবারে শৈশব থেকেই ধর্মে আমার অগাঢ বিশ্বাস। মহানবী (স) ছিলেন আমার জীবনের একমাত্র আদর্শ । আমি খুব ছোটবেলা থেকেই তার আদর্শেই জীবন গড়ার পরিকল্পনা করেছি। শৈশবে যখন খালিদ বিন ওয়ালিদ ,মুহম্মদ বিন ঘোরীর মত ইসলামের ইতিহাসের মহান বীরদের জীবনগাথা পড়তাম তখনই আমার মধ্যে অদ্ভুত এক ভালো লাগাবোধ তৈরী হত ।এই সব মহান বীরদের ত্যাগ,বীরত্ব,আদর্শ আমাকে মুগ্ধ করতো।তখন থেকেই আমি স্

বিভাগঃ



এসো একশ একটা সুইচ টিপে দিই


সদ্য ভূমিষ্ট শিশুটির মুখে
স্তনের পরিবর্তে নেসলে নিডো
কিংবা সেরেলাক সিরিয়াল এর নিপল
লেগে যাবার আগেই
এসো অনিন্দিতা,

এসো,
নবজাতকটি বাবা-মার ছলচাতুরী শিখে ফেলবার আগেই,
কিংবা সদ্য কিশোরীটি মক্তবে মক্তবে লম্পট হুজুর আর মিয়াসাবদের
লালসার মচ্ছবে লাগার আগেই।

বিভাগঃ



চিরকুট - অনলাইন ম্যাগাজিন ।


চিরকুট – একটি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ম্যাগাজিন। গল্প, কবিতা, উপন্যাস, রম্য, প্যারোডি, সায়েন্স ফিকশন, ভ্রমণ অভিজ্ঞতা, রেসেপি, রিভিউ, লাইফ স্টাইল… এখানে আপনি স্ব কিছুই পাবেন।

চিরকুটের শুরুটা হয়েছিল একদম হঠাৎ করেই। জুন মাসের দিকে মাথায় ভূত চাপল ঈদের আগে পাঠকদের জন্য একটা মযাগাজিন করলে কেমন হয় ? সেঁজ্যুতি পাবলিকেশন্স এর ফেসবুক পেইজে পাঠকদের মতামত জানতে চেয়ে পোশট করলাম। সাথে সাথে ব্যাপক সাড়া পেলাম। বেরিয়ে গেল চিরকুট !

বিভাগঃ



মৃত্যুর পর বেওয়ারিশ হতে হবে কেন ?


পৃথিবীতে কেউ তো বেওয়ারিশ হয়ে জন্মায় না, তাহলে মানুষকে মৃত্যুর পর বেওয়ারিশ হতে হবে কেন ?




উল্টোযাত্রা


জনগনের বন্ধু পুলিশ
এই কথাটা কি ঠিক ?
পুলিশ বিভাগ আগের মত
নিরাপত্তার জন্য আছে কি স্বাভাবিক ?

হাল আমলের পুলিশ শুনি
উল্টোপথের যাত্রী
রাতকে ওরা দিন বানায়
দিনকে বানায় রাত্রি।

বিভাগঃ

হাতড়ান

ফেসবুকে ইস্টিশন

প্রজন্মের বায়োস্কোপ

বাংলা চলচ্চিত্র- বৃহন্নলা

  • বড় করে দেখুন
  • কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৪ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর