প্রাণে প্রাণ মেলাবই.....
ব্লগপ্ল্যাটফরম

basundhara

karigor.com

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষন

ইস্টিশনের যন্ত্রপাতি



অভিজিৎ হত্যা, ভয়ের রাজত্ব ও আমাদের করণীয়!


ব্লগার-লেখক অভিজিৎ রায় খুন হয়েছেন। ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে আমার কখনো সাক্ষাৎ না হলেও কথা হয়েছে নানা সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে। প্রথম কথা হয়েছিল বেশ আগে, তাও মৃত্যু নিয়ে। আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু সামির আহমেদ আনন্দ ছিলেন 'মুক্তমনা' ব্লগের একজন সদস্য। সামাজিক নানা বিষয়াদির সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবনের হতাশা তাকে আত্মহত্যার পথে পরিচালিত করেছিল। সেই খবরটি দিতে গিয়েই অভিজিৎ রায়ের সঙ্গে আমার প্রথম কথা হয়। তিনি খুব বিচলিত হয়েছিলেন খবরটি শুনে। দ্রুতই মুক্তমনা ব্লগের ব্যানার পরিবর্তন করে শোকের খবরটি সবার কাছে তুলে ধরেন। আমাকে তিনি অনুরোধ করেছিলেন, আনন্দকে নিয়ে কিছু লিখতে। কিন্তু প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে লেখ




অভিজিৎ হত্যার শিক্ষা : বাঙালী সাহায্যের হাত বাড়ায় না


তিনি লেখালেখি করতেন। মানুষকে মুক্তবুদ্ধি, স্বাধীন সমাজের স্বপ্ন দেখাতেন, আলোকিত মানুষ ও দেশের কথা বলতেন। দেশের জন্য তার অসীম মায়াই তাকে প্রবাসী হয়ে যেতে দেয়নি। প্রবাসে থেকেও তার সব কাজের বিষয়বস্তু ছিল বাংলাদেশ, বাংলা ও বাঙালী। দেশের গন্ডি পেরিয়েও সেসব কাজ গুরুত্ব ধরেছে অন্যান্য দেশের অনেক মানুষের কাছেও। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে তার বন্ধুর সংখ্যা অনেক। কিন্তু যে দেশের মানুষের উদ্দেশ্যে তার সমস্ত কিছু নিবেদিত, সেই দেশের মানুষ তাকে এ কী প্রতিদান দিল?




অভিজিৎকে অপঘাতে মরতে হলো কেন?


অভিজিৎকে অপঘাতে মরতে হলো কেন?

বিভাগঃ



নিছক আবেগ নাকি গভীর ষড়যন্ত্রের পূর্বাভাস


‘দুই বাংলার স্বপ্ন এক, ইচ্ছেও এক । সব কিছুই যখন এক, তাহলে আমরা দুই সরকারকে বলি যে প্লিজ, এপার বাংলা, ওপার বাংলাকে এক করে দাও’-পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নেত্রী ও মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সফর সঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশ সফরে এসে চিত্রনায়ক ও তৃণমূলের পক্ষে ভারতীয় লোকসভার সদস্য দেব এ অভিপ্রায়ের কথা বলেছেন । গত শুক্রবার ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন কর্তৃক আয়োজিত ‘বৈঠকী বাংলা’ নামক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন । অনেকটা স্বপ্রণোদিত হয়েই পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী তার ৩৬ সদস্যের ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক সফরসঙ্গী নিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্যে ঢাকা

বিভাগঃ



খুনিরা দিব্যি চলে গেল আর পুলিশ কোন মুভির দৃশ্য ভেবে তা চেয়ে চেয়ে দেখল!!


প্রথমআলো থেকে-
একুশের বইমেলার কারণে টিএসসি মোড়ে ছিল বিপুল মানুষের সমাগম। ছিল চারপাশ ঘিরে তিন স্তরে পুলিশের নিরাপত্তাবেষ্টনী। এ রকম কঠোর নিরাপত্তাবলয়ের মধ্যে লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় কী করে খুন হলেন এবং খুনিরা কী করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী অনেকে বলছেন, ঘটনাস্থল ও এর আশপাশে অস্ত্র হাতে পুলিশ সদস্যরা থাকলেও তাঁরা ছিলেন নীরব দর্শকের ভূমিকায়। হামলাকারীদের ধাওয়াও করেননি তাঁরা।

বিভাগঃ



হাহাকার


এখনই রাত নেমে যাক
কতদিন হাহাকার শুনি না,
বুকফাটা আর্তনাদ বাতাস চিড়ে এসে পৌঁছায় না কানে।
আজই দূর্ঘটনা ঘটে যাক
দুমড়ে মুচড়ে যাক দুইচাকা, চারচাকা, ছয়চাকা
ছিন্ন কাঁচের টুকরা বিধুক কারো গালে, চোখে।
আমি হাহাকার শুনি না কতদিন!

যেন মহাকাল পেরিয়ে গেল
আমি আঁচলে লুকানো অন্ধকার দেখি না
ক্রুর হাসির দুটো ঠোঁট দেখি না
যেন নেশাতুর আমি, আমার চোখ,আমার সব।
অস্থির, এলোমেলো আমার বিক্ষিপ্ত জানালার কাঁচ
আমার ঘুনে খাওয়া দ্বার।
পচে যাওয়া আলমিরা থেকে ভেসে আসে রক্তহিম হাসি;
আমার আশ্বাস, বিশ্বাস।
আমার প্রভু।

বিভাগঃ



মাহমুদুর রহমান মান্নার বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লাশ ফেলার’ বক্তব্যের প্রথম শিকার লেখক অভিজিৎ রায়


মাহমুদুর রহমান মান্না ও সাদেক হোসেন খোকার ফোনালাপে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লাশ ফেলার’ বক্তব্যের কি প্রথম শিকার ব্লগার অভিজিৎ রায়? মান্না-খোকার ফোনালাপে বিশ্ববিদ্যালয়ে লাশ চাওয়া হয়েছিল। তাহলে কি অভিজিৎকে হত্যা করে প্রথম লাশটি ফেলেছেন ২০ দলীয় জোট?

বিভাগঃ



দেশের অর্থনীতিতেও গতি সঞ্চার করেছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা। বাড়ছে গ্রাহক ও লেনদেনের পরিমাণ। দৈনিক লেনদেন ৩৭৮ কোটি টাকা


প্রতিদিনই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের গ্রাহক সংখ্যা ও লেনদেনের পরিমাণ বাড়ছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের নিজের এ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেনের পরিমাণও বাড়ছে। শুধু লেনদেন নয়, অনেক নতুন নতুন সেবাও যুক্ত হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে। প্রায় সব ধরনের ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করা হচ্ছে এ সেবা থেকে। জানুয়ারি শেষে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মোট গ্রাহক দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ৫২ লাখ ৩৬ হাজার। মোবাইলে প্রতিদিন লেনদেন হচ্ছে ৩৭৮ কোটি টাকা। কেবল একস্থান থেকে টাকা আরেকস্থানে পাঠানোই নয়, দেশের অর্থনীতিতেও গতি সঞ্চার করেছে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের এই সেবা। যোগ হয়েছে নতুন কর্মসংস্থান। এ ছাড়া এই সেবার আওতা ও সুবিধা বেড়েছে। এ ছাড়া বর্তমানে মোবাইল ব্যাংকিং টাকা আদা




অভিজিৎ রায়ের মৃত্যু ও কয়েকটি প্রশ্ন


>>ব্লগার রাজীবের হত্যার পর যাদের ধরা হয়েছিলো তাদের কাছ কাছ থেকে তথ্য পাওয়া গিয়েছিলো তারা একটি হিটলিস্ট করেছে এবং সেই হিটলিস্টে উপরের দিকেই অভিজিৎ রায়ের নাম। যেহেতু তিনি আমেরিকান নাগরিক সেহেতু তার বাংলাদেশে আসার খবর নিশ্চয়ই সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অজানা নয়। তাহলে এরকম জঙ্গিগোষ্ঠীর হিটলিস্টে থাকা একজন ব্যক্তির নিরাপত্তা দেওয়ার দায়দায়িত্ব পুলিশের আছে কি নেই? সাধারণ মানুষের কথা বাদ দিলাম, এরকম জঙ্গিগোষ্ঠীর হুমকির মুখে থাকা একজন ব্যক্তির নিরাপত্তার দায়িত্বও যদি না ই থাকে তবে পুলিশের কি দরকার? এখন আমেরিকাও তো বলতে পারে তাদের দেশের একজন নাগরিকের কেন যথাযথ নিরাপত্তা দেওয়া হলোনা?

বিভাগঃ



বিশ্বাস করব না, যতক্ষণ না আল্লাহকে নিজের চোখে দেখছি


ধরুন,মখলেছ মিয়া একজন বিরাট বড় মাপের ব্লগার॥ শুধু তাই নয় ফেসবুকেও তিনি খুব হিট। তার প্রচুর ফলোয়ার আর প্রতি পোস্টে তিনি হাজারের উপর লাইক পান। তো মখলেছ মিয়া লেখালেখি করেন নানা বিষয় নিয়ে। তিনি তার লেখা দিয়ে প্রমান করতে চান এই পৃথিবীতে আল্লাহ, গড, ভগবান বলে কিছুই নেই, মোট কথা সৃষ্টিকর্তা বলেই কিছুই নেই। এবং তিনি তার লেখা দিয়ে প্রমান করতে চান ধর্মগ্রন্থ গুলো সব মিথ্যা - সবই বিজ্ঞানের খেলা।

এখন মখলেছ মিয়াকে যদি বলা হয় কুরআন বিশ্বাস করেন কি না? এর উত্তরে মখলেছ মিয়া অবশ্যই 'না' বলবে এবং নানান রকমের যুক্তি তর্ক দিয়ে প্রমাণ করার চেষ্ঠা করবে, কুরআন আল্লাহর কোনো বাণী না।




অভিজিৎদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ এই রাষ্ট্র কি উত্তর দেবে?


'অভিজিৎ রায়ের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে রাষ্ট্র' যদি লেখার শুরুতেই এমনটি বলি নিঃসন্দেহে বলে দিতে পারি একদল তেঁড়ে আসবে। কারণ তাঁরা ক্ষমতাসীন সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে কথা শুনতে অভ্যস্থ নয়। আর একদল চেঁচিয়ে উঠবে নাস্তিক মরেছে তো হয়েছে কি? মরেছে তো প্রবাসী ব্লগার।ভিন্নমত পোষণকারীরা যেন মানুষ নয় ! একজন ভিন্নমত পোষণকারী মানুষের খুন হওয়া নিয়ে কথা বলতে গেলে একেশ্বরবাদী হলেও গায়ে লেগে যেতে পারে নাস্তিকের তকমা যে কোনো সময় ! এই যে জাত-ধর্ম সব গেল রে ! এই দুটো ধারণার কোনটাই কল্পনাপ্রসূত নয়।আমাদের সমাজেরই বাস্তব প্রতিচ্ছবি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের খুনসুটিতে এমনটিই দেখছি গত দুইদিন ধরে।

বিভাগঃ



প্রত্যক্ষে আড়াল যে ভবিষ্যৎ!


দুর্বিত্তের ইতিবৃত্তে তুমিও মানুষ,
আজ আমার মৃত্যুর জন্য কোন শোক প্রকাশ নয়!
জেনে রেখো,
একদিন অপঘাতে তোমার মৃত্যুর জন্যও
কেউ দায়ী নয় কেউ দায়ী নয়।
আমি দেখেছি জনপথে সত্যের মুন্ডকাটা লাশ,
বিস্তৃত জনতার সম্মুখে মিথ্যার গলাছেঁড়া উল্লাস!
প্রতিনিয়ত প্রচলিত সামাজিক নজরে
আমি দেখেছি অবিরাম মূল্যবোধের অবক্ষয়,
আমি জেনেছি পাষানের পাঁজরে
আবদ্ধ নয় আজ হিংস্র অসৎের জয়;
বিবেকের কাছে মুখোশের পাছে বিচলিত
আর মানবের মানবিকতার পরাজয়!
জেনে রেখো,
একদিন অপঘাতে তোমার মৃত্যুর জন্যও
কেউ দায়ী নয় কেউ দায়ী নয়।
আমি সেই আদিম মানব সেই সুপ্রাচীন ভিত্
আমি-ই সেই রক্ষনশীল মূর্খগর্ভে সংকুচিত মিত্-

বিভাগঃ



ব্যাক্তিগত জীবন আচার এবং বিশ্বাসের উপর দাড়িয়ে লিখা


আমি যেই নবীর উম্মত আমাদের সেই প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর জমানায় অনেক বেশী নাস্তিক বা ধর্মহীন বা অন্যান্য ধর্মাবলম্বী মানুষ ছিলো। তাই বলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তিনি কখনো রাতের আধারে নিরস্ত্র কাউকে চার-পাচজন মিলে কুপিয়ে হত্যা করতেন না। উপরন্তু আমাদের প্রিয় নবী রহমাতুল্লিল আলামিন হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সঃ) দুহাত তুলে ফরিয়াদ করতেন, “হে আল্লাহ তুমি এদের হেদায়াত দাও, সঠিক পথের সন্ধান দাও, সুন্দরের দিকে এদের ফিরে আসার তাওফিক দাও।” আমি গর্বিত কারণ আমি সেই নবীর উম্মত, যিনি মানব প্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। কিন্তু আমরা কি করছি?




কমরেড অভিজিৎ রায় - “তোমার মৃত্যু আমাকে অপরাধী করে দেয়!’’


“এই মৃত্যু শোক
কাঁধ থেকে নামানো যাবে না কোন দিন।
আর বর্বরতা কি নির্বোধ !
যেন মৃত্যু হলেই মুছে যায়
প্রতিভার প্রাণ।’’

- পুর্ণেন্দু পত্রী

বিভাগঃ



মুক্তির শ্লোগান


মুক্তির শ্লোগান

চূর্ণ করছি ধুলোয়;-দুঃখী অপরাহ্ন
মর্মমূলে আলো- অন্তরাল ব্যাহত করে না
নাবিকের কম্পাস
সমাপ্তিরও আগে শরীরের ব্রহ্মতেজ…

আকাঙ্ক্ষার চেয়ে চিরসত্য
আদিও অনন্য কিছু নাই
প্রতিটি কম্পনে চাই বিষ্ময়ের ছোঁয়া
হাড়ের ভেতর মুক্তির শ্লোগান

চূর্ণ করছি ধুলোয়;-দুঃখী অপরাহ্ন
ও ধুলোর ফুৎকার-তুমি বিশ্বকে জানিয়ে দাও
দিগ্ববিজয়ের ভাষা!


হাতড়ান

বইমেলা ২০১৫

ফেসবুকে ইস্টিশন

প্রজন্মের বায়োস্কোপ

বাংলা চলচ্চিত্র- জিরো ডিগ্রি

  • বড় করে দেখুন
  • কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৫ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর