নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • পৃথু স্যন্যাল
    • নুর নবী দুলাল

    নতুন যাত্রী

    • অন্নপূর্ণা দেবী
    • অপরাজিত
    • বিকাশ দেবনাথ
    • কলা বিজ্ঞানী
    • সুবর্ণ জলের মাছ
    • সাবুল সাই
    • বিশ্বজিৎ বিশ্বাস
    • মাহফুজুর রহমান সুমন
    • নাইমুর রহমান
    • রাফি_আদনান_আকাশ

    সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন ও সরকারের ফ্যাসিবাদী আচরণ



    জর্জ অরওয়েল ১৯৪৪ সালে 'ফ্যাসিবাদ কী' নামে ছোট্ট এক প্রবন্ধে ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞা নির্ধারন করতে গিয়ে দেখিয়েছিলেন, রক্ষণশীল, কমিউনিস্ট, সোশালিস্ট, ক্যাথলিক, জাতীয়তাবাদী সকলেই কোন না কোনভাবে একে অপরকে ফ্যাসিস্ট বলে গালি দিচ্ছেন ; তারা সবাই ফ্যাসিস্ট হিসেবে আখ্যায়িত হচ্ছিলেন, but not by the same people. মূলত, ফ্যাসিবাদের কোন নির্দিষ্ট প্যাটার্ন নেই, একেক সমাজে একেক দেশে একেক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় একেক রূপ ধারন করে । একনায়কত্বের বেশেও ফ্যাসিবাদ যেমন ঢুকতে পারে তেমনি সেটা গণতান্ত্রিক মুখোশের পড়েও ঢুকতে পারে । ফ্যাসিবাদ যেমন দমন-পীড়ন করে, তেমনি প্রোপ্যাগান্ডার মাধ্যমে জনগণকে নিজের দিকে টেনে আনার নীতিও মেনে চলে এবং অর্ধসত্য ও মিথ্যার সংমিশ্রণে জনগণকে কৌশলে নিজেদের দিকে নিয়ে আসাটাকেই বেশি ব্যবহার করা হয় সাধারণত।

    নিশ্চয়ই কোরান মানুষের রচনা!


    নিশ্চয়ই কোরান মানুষের রচনা!
    লিখেছেন: বেহুলার ভেলা

    এক

    আপনি কোরান পড়লে দেখবেন সেখানে ‘ইন্না’ যার অর্থ ‘নিশ্চয়ই’ – এ শব্দটির ছড়াছড়ি। কিন্তু এই ‘নিশ্চয়ই’ বলার মানে কী হতে পারে? সন্দেহের অবকাশ থাকলে এভাবে বারবার ‘নিশ্চয়ই’ বলতে হয়। মুহাম্মদের আশেপাশের মানুষ তখন আরবি জানত। বর্তমানে আরবি ভাষাভাষী ও আরবি জানা মানুষের পরিমাণ কম নয়। কোরানে এমন কোনো মাজেজা নাই যে তা পড়ে বা শোনেই বুঝা যাবে যে উহা আল্লাহর বাণী।

    কাবা রক্ষার আবাবিল প্রেরণের তাৎপর্য


    - মোহাম্মদের মক্কা বিজয়ের পূর্বে কাবা ঘরের মধ্য কী ছিল?
    - ৩৬০ টি মূর্তি।
    - মোহাম্মদের পিতা আবদুল্লা কোন ধর্মের অনুসারী ছিল?
    - পৌত্তলিক ধর্ম।
    - পৌত্তলিক ধর্ম কী?
    - যে ধর্মে বিভিন্ন দেব-দেবীর পূজা ও উপাসনা করা হয়।
    - উপাসনা এবং পূজার মধ্যে কোন পার্থক্য আছে?
    - নাই।
    - আরবের কুরাইশরা কোথায় উপাসনা করত?
    - কাবা ঘরে।
    - কাবা ঘরে কী রাখা ছিল?
    - ৩৬০ টি মূর্তি।
    - হিন্দুরা মুর্তি রাখে কোথায়?
    - মন্দিরে।
    - ৩৬০ টি মূর্তি কোথায় রাখা ছিল?
    - কাবা ঘরে।
    - কোন প্রধান দেবতার মূর্তি ছিল?
    - চন্দ্র দেবতা হাবলের।

    বাংলা:দাঙ্গায় নাঙ্গা-শেষ)


    সিলেটে হিন্দু হত্যা,ধর্ষণ,লুটপাট,অগ্নিসংযোগ দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল।২০৩ টা হিন্দু গ্রাম সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করা হয়েছিল।ধামাই,বারাধামি,পুবঘাট,বরইতলি গ্রামের মনিপুরিরাও বাদ যায়নি!। গণভোটের সময় থেকে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছিল:হিন্দুরা যেহেতু পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে তাই তারা পাকিস্তানের শত্রু। সিলেটের মুসলিমরা আশা করেছিল আসামের করিমগঞ্জ পাকিস্তানের অংশ হবে কিন্তু সেটা ভারতেই রয়ে গেল! এরপর শুরু হলো হুমকি। ১০ই ফেব্রুয়ারি তারিখে মুসলিমরা সিলেটের প্রাণকেন্দ্র বন্দর বাজারে বিশাল একটা পোস্টার টানায়-লাঠি এবং অস্ত্র হাতে হিন্দুরা একজন মুসলিমের গলায় রশি বেঁধে টেনে নিয়ে যাচ্ছে,

    সিদ্দিকুরের চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব রাষ্ট্রকে নিতে হবে।


    অন্য শিক্ষার্থীদের সাথে সিদ্দিকুর আন্দোলনে নেমেছিলেন পরীক্ষার সময়সূচী প্রণয়ন এবং সেশনজট সমস্যার সমাধান দূরীকরণের দাবি নিয়ে। তিন বছর বয়সেই বাবাকে হারানো ছেলে, কিষাণি মায়ের পরিশ্রমের টাকায় পড়াশোনা চালানো এবং উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় থিতু হওয়া।

    'আমি দূরবোধ্য কিন্তু কঠিন নয়,


    আমি বৃষ্টি হয়ে ঝরে মাটিতে মিশে যাই প্রতিনিয়ত।
    হয়তো কেউ জানবে না আমার হৃদয়ের রক্ত ক্ষরন,
    সবাই শুধু দেখবে আমার বাহিরের দিক গুলো।
    কিন্তু আমার মন-মন্দিরের রক্ত ক্ষরন রয়েই যাবে-
    সকলের দৃষ্টির অগোচর।
    সপ্নের পিঁছু ছুটে ছুটে, বস্তুত বাস্তব জীবন থেকে নিজেকে তিলে তিলে অচেনা করে দিচ্ছি।
    ভালোবাসার মুকুট খুলে ব্যর্থতার গ্লানি বয়ে যাচ্ছি, কিন্তু তা করেছি ভালোবাসার টানে, ভালোবাসার মানুষকে ভালো রাখতে।
    বিশ্ব পরিমন্ডলে আমি নিরাকার, অতি তুৎচ্ছ মানুষ।

    বাঙাল এলো দেশে ২


    ১৯৭৮-এর নভেম্বর মাস নাগাদ ২৪পরগণার পুলিশ সামন্ততান্ত্রিক ব্যারিকেড তৈরি করল। মরিচঝাঁপির মানুষজন বাগনা, কুমিরমারি ইত্যাদি অঞ্চল থেকে পানীয় জল আর খাদ্যসংগ্রহ যাতে না করতে পারে। হাইকোর্ট মানবাধিকার রক্ষার জন্য পুলিশের এই বেআইনি কাজের বিরুদ্ধে রায় দিল। এবার অন্য উপায়ে খাদ্য-পানীয় সংগ্রহের দেরি ঘটিয়ে আস্তে আস্তে মানুষগুলোকে নিস্পৃহ করে দেওয়া হলো!

    শহুরে বাগান-৩


    আমাদের আশেপাশে অনেক কিছুই আছে যা বাগান করার ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক।বাগান করার ক্ষেত্রে ন্যাচারাল সার বা কীটনাশক অতুলনীয়। কারন সেগুলো তৈরীই শুধুমাত্র বাগান করার জন্য সঠিক পরিমানে ও সঠিক মিশ্রণে। তবে অনেক সময় দেখা যায় অনেক সার কীটনাশক আমরা কিনতে পারি না, কারন আমাদের জানার স্বল্পতা । আবার কিনতে গেলেও দেখা যায় অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত দোকানের স্টক ফুরিয়ে গেছে। হতাশ মনে ফিরে আসতে হয় । তবে হ্যা! এখন যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব সেগুলো হবে শুধুই বিকল্প উপায়। নেহায়েত হাতের কাছে না পাওয়া গেলে, খুঁজে না পাওয়া গেলে - আমরা কি কি উপায় অবলম্বন করতে পারি সেটার দিকেই আলোকপাত করার চেষ্টা করব ।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর