নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

মুহাম্মদ কিভাবে মিরাজের ধারনা পেয়েছিল ? মিরাজ, নামাজ এসব জরথ্রুস্ট ধর্ম থেকে ধার করা



মুহাম্মদের ইসলাম ছিল ইহুদি , খৃষ্টান , প্যাগান ও ইরানের জরথ্রুষ্ট ধর্মের একটা পাঁচ মিশালী। ইহুদি ও খৃষ্টান ধর্ম থেকে মুহাম্মদ নবূয়ত্বের বিষয়টা ধার করেছে। এ ছাড়া কিছু বিধি বিধানও ধার করেছে। যেমন- হাতের বদলে হাত , চোখের বদলে চোখ , ব্যভিচারের শাস্তি পাথর ছুড়ে হত্যা এসব। পৌত্তলিক ধর্ম থেকে নিয়েছে - হজ্জ , কাবা ঘরের চারপাশে ঘোরা , সাফা মারওয়া পাহাড়ের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি , হজ্জের সময় মাথা কামান , কাল পাথর চুম্বন, পশু কোরবানী এসব। আর পারস্যের জরথ্রুস্ট ধর্ম থেকে নিয়েছে মিরাজের ধারনা, পাঁচবার নামাজ পড়া সহ ওজু, কিভাবে নামাজ পড়তে হবে ইত্যাদির ধারনা।

মুহাম্মদ যখন মক্কাতে তার ইসলাম প্রচার করত , তখন পারস্য থেকে সালমান ফার্সি নামের এক লোক মক্কায় যায় , মুহাম্মদের ইসলাম গ্রহন করে তার সাথে থাকে। এই লোকই সেই বিখ্যাত সাহাবী সালমান ফার্সি যার কথিত অনেক হাদিস আছে। তো সালমান ফার্সির কাছ থেকেই মুহাম্মদ মিরাজে যাওয়ার ধারনা সম্পর্কে অবগত হয়। জরথ্রুষ্ট ধর্মের প্রবক্তা জোরাস্টার। যখন পারস্যের মানুষ ঠিক মতো ধর্ম পালন করছিল না তখন জরথ্রুষ্ট ধর্মের এক পুরোহিত আদরা ভিরাফকে আহুর মাজদা স্বর্গ ও নরক দর্শন করায়। স্বর্গ ও নরকে সে নানা রকম বাসিন্ধাদের দেখতে পায়। এমন কি স্বর্গে সে এই ধর্মের প্রবক্তা আহুর মাজদাকেও দেখতে পায়। স্বর্গে তাকে সুন্দরী নারীরা স্বাগতম জানায় ও বিভিন্ন স্থান ঘুরিয়ে দেখায়। হুবহু এই ধরনের ঘটনার কথাই মুহাম্মদ তার মিরাজ ভ্রমনের নামে প্রচার করে।

এ ছাড়া জরথ্রুস্ট ধর্মে দৈনিক পাঁচবার প্রার্থনা করার কথা বলা আছে। কিভাবে প্রার্থনা করার আগে পানি দ্বারা হাত পা মুখ ধৌত করে পবিত্র হতে হবে , সেটাও সুন্দরভাবে বলা আছে। মুহাম্মদ হুবহু সেই বিষয়গুলো তার ইসলামে চালু করে।

জরথ্রুস্ট ধর্মে প্রার্থনার আগে বেল বাজিয়ে সবাইকে আহ্বান করা হতো , সেটাই ইসলামে আজান নামে গৃহীত হয়েছে। তারা প্রার্থনা করার সময় মাথা ঢেকে রাখত। মুহাম্মদ সেই বিধানকে মেনে পুরুষদের জন্যে টুপি ও নারীদের জন্যে হিজাবের ব্যবস্থা করেছে।

সবাই সামনে একটা অগ্নি কুন্ডের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করত। মুহাম্মদ কাবার দিকে মুখ করে নামাজ পড়ার বিধান চালু করে গেছে।

মুহাম্মদকে যখন কোন ভাবেই মক্কাবাসীরা নবী হিসাবে মেনে নিচ্ছিল না , আর তার ধর্মের তেমন কোন বিধি বিধানও তখন মুহাম্মদ চালু করতে পারে নি , তাই মুহাম্মদ অবশেষে জরথ্রুষ্ট ধর্মের আদলে সাত আসমানে গিয়ে বহু নবীদের সাথে সাক্ষাত করে , বেহেস্ত দোজখ পরিদর্শন করে। তারপর ফিরে এসে নামাজ রোজার বিধান চালু করে।

সূত্র: ১। http://www.mythicistmilwaukee.com/mythicistmilwaukeeblog/2014/12/11/isla...
২।https://en.wikipedia.org/wiki/Book_of_Arda_Viraf
৩। https://authenticgathazoroastrianism.org/2010/07/18/the-five-daily-praye...

Comments

সলিম সাহা এর ছবি
 

মোল্লা সাহেব, মুহাম্মদ কেন কোনভাবেই নবী হতে পারে না, পর্ব -১ এ আমি প্রমাণ করেছিলাম যে, মোহাম্মদ কোরআনে যে সকল নবী ও কিতাবের কথা বলেছেন, তা- আপনার ধারণা করা ধর্ম প্রবর্তক ও ধর্ম গ্রন্থ নয়। এবার আপনি পোষ্ট করলেন মোহাম্মদ জরথ্রুষ্ট ধর্ম কে অনুকরণ করে উপাসনা বিষয় নির্ধারণ করেছে। লাইনে থাকুন, এখানেও আমি প্রমাণ করে দেব যে, মোহাম্মদ জরথ্রুষ্ট কেন- অন্য কোন ধর্মকে অনুস্মরণ বা অনুকরণ করে নি। বরং মোহাম্মদ স্রষ্টা কর্তৃক নবুয়াতের মাধ্যমে প্রাপ্ত বাণী ও উপাসনা নিয়ম কোরআনে লিপিবদ্ধ করেছেন।
আপনি বলেছেন- জরথ্রুষ্ট এর ধর্মে দিনে পাচবার প্রার্থনা করতো, তাঁকে অনুস্মরণ করেই মোহাম্মদ পাঁচ ওয়াক্ত নামায এর কথা উল্লেখ করেছে।
দয়া করে আপনি বলবেন যে, জরথ্রুষ্ট এর পাঁচবার প্রার্থনার জন্য দিনের কোন কোন সময়কে নির্ধারণ করেছেন? আর সে সময় নির্ধারণ করেছে কিসের ভিত্তিতে? অর্থাৎ, সূর্যের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে, নাকি সময়ের বা ঘণ্টার উপর ভিত্তি করে দিনে পাঁচবার প্রার্থনার সময় নির্ধারণ করেছে?
আমার এই প্রশ্নের জবাব দিলেই আশা করি প্রমাণ হয়ে যাবে যে, মোহাম্মদ কারও কাছ থেকে ধার করা প্রার্থনা নিয়ম কোরআনে লিপিবদ্ধ করে নাই।
মনোযোগ দিয়ে প্রশ্নটি পড়ে জবাব করবেন।

 
সলিম সাহা এর ছবি
 

মোল্লা সাহেব, মুহাম্মদ কেন কোনভাবেই নবী হতে পারে না, পর্ব -১ এ আমি প্রমাণ করেছিলাম যে, মোহাম্মদ কোরআনে যে সকল নবী ও কিতাবের কথা বলেছেন, তা- আপনার ধারণা করা ধর্ম প্রবর্তক ও ধর্ম গ্রন্থ নয়। এবার আপনি পোষ্ট করলেন মোহাম্মদ জরথ্রুষ্ট ধর্ম কে অনুকরণ করে উপাসনা বিষয় নির্ধারণ করেছে। লাইনে থাকুন, এখানেও আমি প্রমাণ করে দেব যে, মোহাম্মদ জরথ্রুষ্ট কেন- অন্য কোন ধর্মকে অনুস্মরণ বা অনুকরণ করে নি। বরং মোহাম্মদ স্রষ্টা কর্তৃক নবুয়াতের মাধ্যমে প্রাপ্ত বাণী ও উপাসনা নিয়ম কোরআনে লিপিবদ্ধ করেছেন।
আপনি বলেছেন- জরথ্রুষ্ট এর ধর্মে দিনে পাচবার প্রার্থনা করতো, তাঁকে অনুস্মরণ করেই মোহাম্মদ পাঁচ ওয়াক্ত নামায এর কথা উল্লেখ করেছে।
দয়া করে আপনি বলবেন যে, জরথ্রুষ্ট এর পাঁচবার প্রার্থনার জন্য দিনের কোন কোন সময়কে নির্ধারণ করেছেন? আর সে সময় নির্ধারণ করেছে কিসের ভিত্তিতে? অর্থাৎ, সূর্যের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে, নাকি সময়ের বা ঘণ্টার উপর ভিত্তি করে দিনে পাঁচবার প্রার্থনার সময় নির্ধারণ করেছে?
আমার এই প্রশ্নের জবাব দিলেই আশা করি প্রমাণ হয়ে যাবে যে, মোহাম্মদ কারও কাছ থেকে ধার করা প্রার্থনা নিয়ম কোরআনে লিপিবদ্ধ করে নাই।
মনোযোগ দিয়ে প্রশ্নটি পড়ে জবাব করবেন।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 5 দিন 20 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর