নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • গোলাপ মাহমুদ
  • শ্মশান বাসী
  • সলিম সাহা
  • মৃত কালপুরুষ
  • মাহের ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

ইসলাম হলো মিথ্যাবাদীতা বা প্রতারনার ধর্ম


সব ধর্মেই কোন না কোন সময় মিথ্যা কথা বলাটাকে অনুমোদন করে, কিন্তু সেটার সাথে ইসলাম অনুমোদিত মিথ্যা কথা বলার আকাশ পাতাল পার্থক্য বিদ্যমান। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ধর্ম প্রচারের জন্যে মিথ্যা কথা বলা অনুমোদিত নয় , বরং জীবন রক্ষা , স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক রক্ষা ইত্যাদি ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে মিথ্যা বলার অনুমতি বিদ্যমান। কিন্তু ইসলামই একমাত্র ধর্ম যাতে বলা আছে , ইসলাম প্রচারের জন্যেই মিথ্যা কথা বলা যাবে। খোদ ইসলামের ঈশ্বর আল্লাহ নিজেকেই কোরানে বলেছে প্রতারক বা মিথ্যাবাদী। তার অর্থ হলো ইসলামের মূল ভিত্তিটাই হলো মিথ্যা ও মিথ্যাচার।

যেমন কোরান বলেছে ---

সুরা আল ইমরান- ৩:৫৪: এবং কাফেরেরা চক্রান্ত করেছে আর আল্লাহও চক্রান্ত করেছেন। বস্তুতঃ আল্লাহ হচ্ছেন সর্বোত্তম চক্রান্তকারী।

আল্লাহ হলো চক্রান্তকারী তথা প্রতারক বা মিথ্যাবাদী। সুতরাং যে ধর্মের স্রষ্টাই নিজেকে একজন মিথ্যাবাদী হিসাবে পরিচয় দিচ্ছে, সেই ধর্মটা যে পুরাটাই মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত হবে , তাতে আশ্চর্যের কিছু নেই। এখন স্রষ্টা যদি থাকে , আর সে যদি কোন ধর্ম সত্যি সত্যি প্রতিষ্ঠা করতে চায় , তাহলে নিশ্চিতভাবেই তা মিথ্যার ওপর প্রতিষ্ঠিত হতে পারে না , সুতরাং কোরানের উক্ত আয়াত প্রমান করে , কোরানের আল্রাহ কোনভাবেই সৃষ্টিকর্তা নয় , বরং মুহাম্মদের নিজের কথাবার্তাকেই সে আল্রাহ নামক কল্পিত স্রষ্টার নামে চালিয়েছে।

এখন প্রশ্ন হতে পারে , দুনিয়া ব্যাপী দেড় শো কোটির বেশী লোক কিভাবে এই মিথ্যা ধর্ম অনুসরন করে , তারা কেউ কি বুঝতে পার না যে এটা আসলে মিথ্যার ধর্ম ? এর সোজা উত্তর হলো - ৯৯% মুসলমানই তাদের ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামায় না , কোরান হাদিস নিজ মাতৃভাষায় পড়ে না , বা পড়লেও তার মূল অর্থ বোঝার চেষ্টা করে না। তার মানে তারা ইসলাম সম্পর্কে রয়ে যায় সীমাহীন অজ্ঞ ও মূর্খ। এসব সাধারন মুসলমানরা শৈশব থেকে তাদের ওপর চাপিয়ে দেয়া ইসলামটাকে নামাজ রোজা কোরবানী হজ্জ যাকাত ফিতরা ইত্যাদি বাহ্যিক পালন করার বিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ মনে করে থাকে এবং এসব পালন করেই সন্তুষ্ট থাকে। বাকী ১% তারা হলো মোল্লা শ্রেনীর লোক যাদের পেশা ইসলামকে ভিত্তি করে আয় রোজগার করা , তারা সাধারন মানুষের ইসলাম সম্পর্কে এই সীমাহীন অজ্ঞতার কথা খুব ভাল করেই জানে , জানে বলেই তারা সাধারন মানুষকে প্রতারিত করে তাদের আয় রোজগার করতে পারে। তাদের এই ব্যবসা টিকানোর জন্যে , তারা কল্পিত বেহেস্তে হুরের লোভ দেখানোর পরিবর্তে , কল্পিত দোজখে কি মারাত্মক শাস্তি পেতে হবে সেটাই ওয়াজ নসিহতে প্রচার বেশী ক'রে করে। সাধারন মানুষ মুলত: এই কল্পিত দোজখের আগুনের ভয়েই ইসলাম পালন করে থাকে। তার অর্থ ইসলাম টিকে আছে সাধারন মুসলমানদের সীমাহীন অজ্ঞতাকে পুজি করেই।

সাধারন মানুষ যাতে জ্ঞান অর্জন করে ইসলাম থেকে বেরিয়ে না যেতে পারে , সে জন্যে ইসলাম প্রচারকারীরা মিথ্যাচারকেই প্রধান অবলম্বন হিসাবে গ্রহন করে। প্রথমত: তারা প্রচার করে , আরবীতে কোরান পড়লে সোয়াব হয় , অন্য ভাষায় পড়লে হয় না , যা কোরান বা হাদিসের কোথাও বলা নেই যে কোরান বা হাদিস আরবীতেই পড়তে হবে আর তাহলে সোয়াব হবে। এই মিথ্যাচারের উদ্দেশ্য , সাধারন মুসলমানরা যেন নিজ মাতৃভাষায় কোরান পড়ে কোন কিছু বুঝতে না পারে। তাদেরকে অন্ধকারের মধ্যে রাখার অপচেষ্টা । এ ছাড়া হাদিসের নামে অজস্র মনগড়া কিচ্ছা কাহিনী তারা সচেতনভাবেই প্রচার করে থাকে , যার কোন দলিল নেই। যেমন মুহাম্মদের চলার পথে এক ইহুদি বুড়ির কাটা ছিটানোর গল্প, যার কোন দলিল নেই। বর্তমানে যে ভয়াবহ মিথ্যা কথাগুলো তারা বলে তা হলো জিহাদ নিয়ে। তারা সাধারন মানুষের সামনে জিহাদ মানে নিজের কু প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ হিসাবে প্রচার করে থাকে , কিন্তু কোরান হাদিসে জিহাদ বলতে বুঝিয়েছে , অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে অমুসলিমদের বস্তিতে আক্রমন করে তাদেরকে হত্যা করে , তাদের মালামাল, স্ত্রী শিশু ইত্যাদিদেরকে দখল করে গণিমতের মাল হিসাবে ভাগ বন্টন করা।

ইসলাম দাবী করে তার ঈশ্বর -আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় , যার কোন শরিক নেই। অতি সহজ সরল বর্ণনা। পক্ষান্তরে খৃষ্টান , হিন্দু সনাতন, ইহুদি ইত্যাদি ধর্মও একেশ্বরবাদীতায় বিশ্বাস করলেও , তাদের ঈশ্বরের আছে বিভিন্ন রূপ। ধূর্ত ইসলামী পন্ডিতরা ঈশ্বরের বিভিন্ন রূপকে ঈশ্বরের শরিক হিসাবে প্রচার করে অমুসলমিদেরকে বিভ্রান্ত করে , আর মুসলমানদেরকে গোড়া বানায়। উদাহরন - খৃষ্টান ধর্মের ত্রিত্ববাদ। পিতা , পুত্র ও পবিত্র আত্মা। এখানে পিতা , পুত্র ও পবিত্র আত্মা হলো একই ঈশ্বরের তিনটা রূপ মাত্র। এদের একের সাথে অন্যের কোন পার্থক্য নেই। সমীকরনটা এরকম - ঈশ্বর= পিতা= পুত্র= পবিত্র আত্মা। কিন্তু ধূর্ত ইসলামী পন্ডিতরা পিতা , পুত্র ও পবিত্র আত্মাকে পৃথক পৃথক ঈশ্বর হিসাবে তোতা পাখির মত প্রচার করে , খৃষ্টানদেরকে বিভ্রান্ত করে , আর মুসলমানদেরকে গোড়া বানায়। অন্য ধর্মগুলোকে এভাবে বিকৃত করে তার অনুসারীদেরকে বিভ্রান্ত করার বিধান ইসলামে আছে। আর সেটা করতে গিয়ে এমন কি মিথ্যাচার করার বিধানও ইসলামে বিদ্যমান। সুতরাং ইসলাম প্রথমত: মুসলমানদেরকে মিথ্যাবাদীতে পরিনত করে , সম্ভবত: এ কারনেই মুসলমানদের মধ্যে মিথ্যাবাদীতা সহ সকল রকম দুর্নীতি ব্যপকভাবে বিদ্যমান। অন্য কথায় মিথ্যাচার করাটা ইসলামের একটা অন্যতম অঙ্গ।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 31 min ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর