নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

বাম বিকল্পে সিটি কর্পোরেশনে একক প্রার্থীর বিকল্প নেই


সিটি নির্বাচনে প্রার্থীতা প্রসঙ্গে

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১৮ জানুয়ারী মনোনয়ন পত্র জমা দেয়ার শেষ দিন। ২১-২২ তারিখে মনোনয়ের যাছাই-বাছাই শেষ হবে। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ জানুয়ারী। একই দিনে ৩৬ টি ওয়ার্ডেরও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের তৎপরতারও শুরু হয়েছে। তারমানে ২৯ তারিখে নিশ্চিত হবে বিভিন্ন জোট-দলের পক্ষ থেকে কারা এই নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন। এবং এই সময়ের মধ্যেই সব দল ও জোটকে তাদের প্রার্থীতাও চুড়ান্ত করতে হবে। ইতোমধ্যে কিছু দল ও জোট প্রার্থীদের নামও ঘোষণা করেছে। বিশেষ করে ২টি বাম-জোট ইতোমধ্যে তাদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে! এই লেখার উদ্দেশ্য, কেন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একই আসনে বামদের একাধিক প্রার্থী, কেন সেখানে একজন প্রার্থী নয়, এই প্রসঙ্গের একটি সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ তুলে ধরা।

একাধিক প্রার্থী বামঐক্যের প্রধান দূর্বলতা
বামদের দুইটি জোট সিপিবি-বাসদ ও গণসংহতি থেকে আবারও গত মেয়র নির্বাচনে অংশ নেয়া সেই দুইজন প্রার্থীর নামই ঘোষণা করা হয়েছে! একজন হচ্ছে গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি এবং অন্যজন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা কাফি রতন। এবং উভয়ই নির্বাচনকে সামনে রেখে গণসংযোগও করছেন।

২০১৫’র সিটি কর্পোরেশনের সেই নির্বাচনে জোনায়েদ সাকি পেয়েছিল ৭৩৭০ ভোট, আর কাফি রতন পেয়েছিল ২৮৭৫ ভোট! ঢাকা দক্ষিনে রজলুর রশীদ ফিরোজ পেয়েছিল ১০২৯ ভোট! সে নির্বাচনে সমগ্র ঢাকা শহরে বামপহ্নীরা মোট ভোট পেয়েছিল ১০,৮৭৪টি! ঢাকায় মোট ভোট পরেছিল ১৭,৭৯,৫৪২টি! সে হিসেবে ঢাকায় বামপন্থীদের ভোটের পরিমান ০.৬১ ভাগ! যদিও সেই নির্বাচনটি ছিল নানা দিক থেকে বিতর্কিত ও পক্ষপাতমুলক! তবু ভোটের এই তথ্যটা আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে বামদের সাংগঠনিক অবস্থা কতটা দূর্বল, এবং মূলধারার প্রতিদ্বন্দিতার আসতে তাদের কি পরিমান সময় ও সামর্থ ব্যায় করতে হবে! এই সময়ে কোন একক সংগঠনের পক্ষেই সে কাজটি করা সম্ভব নয়। তবে সব দল মিলে এক্ষেত্রে যদি একক ও গ্রহনযোগ্য প্রার্থী দেয়া যায়, তাহলে এই ধারার রাজনৈতিক বক্তব্য এবং প্রার্থীকে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসার অন্তত সুযোগ তৈরী হবে।

গত নির্বাচনে বামদের নিয়ে কিছু আলাপ-আলোচনা হলেও কোন প্রার্থীই ভাল করতে পারেনি। তবে তরুণ প্রার্থী হিসেবে তাদের মধ্যে সাকিই অধিক ভোট পেয়েছিল। বামদের একাধিক প্রার্থী থাকায় দলগুলোর মধ্যেও মিশ্রপ্রতিক্রীয়া লক্ষ্য করা গেছে। জনগণের মধ্যেও একই মতাদর্শের একাধিক প্রার্থী থাকায় বিভ্রান্তিও ছিল। দ্বি-দলীয় ধারার বাইরে তারা কোন জনকে ভোট দিবে সেটা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ছিল। যে কারণে বামদের সীমিত ভোটের অংশটি বিভক্ত হয়ে যায়। আর একটি বড় অংশ কাউকেই ভোট না দিয়ে মন্দের ভাল তত্ত্বের প্রয়োগ ঘটিয়েছে। এখন প্রশ্ন আবারও কি একই অবস্থা ও ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে? গত নির্বাচন থেকে কি আমাদের কোন শিক্ষা হয়নি? কিন্তু এই সময়ে তো বামদলগুলো আন্দোলন-সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করেছে। কিন্তু তার প্রমান-প্রয়োগ কোথায়? নির্বাচন তো আন্দোলন-সংগ্রামেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ!

বামনেতাদের বক্তব্যের চুম্বক অংশ
গতবছর ৩০ জুলাই বামদলগুলোর দুইটি ধারা সিপিবি-বাসদ ও বামমোর্চা জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছে। সেই সমাবেশে নবগঠিত জোটের ভবিষ্যৎ রাজনীতি নিয়েও নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। যে ঘটনা বহুধাবিভক্ত ও বিচ্ছিন্ন বামদলগুলোর মধ্যে উৎসাহের বিষয় ছিল। দল-জোটের বাইরেও কিছুটা স্বস্তির অবস্থাও তৈরী হয়েছিল। কিন্তু সিটি নির্বাচনে একাধিক প্রার্থীতায়- তাদের ঐক্যের আহ্বান কি প্রহসনে পরিণত হয় না? নেতৃবৃন্দ কি বলবেন?

সমাবেশে সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম জোট-মহাজোটের বাইরে বামপন্থিদের ঐক্যপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান।..শুধু টেবিলে বসে নেতাদের ঐক্যই নয়, রাজপথে সংগ্রামের মাধ্যমে জনগণের ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে নতুন আরেকটা গণজাগরণ সৃষ্টি করব। তিনি বলেন, নেতৃত্ব বুর্জোয়াদের হাতে থাকবে না, এবার নেতৃত্ব থাকবে বামপন্থিদের হাতে। কর্মীদের কাছে আহ্বান জানাব, ঐক্যের ক্ষেত্রকে চোখের মনির মতো রক্ষা করবেন। আমি নিজেও যদি এদিক-সেদিক করি, পেছন থেকে গরুকে যেমন রাখাল ঠিকপথে পরিচালনা করে, আপনারা নিজে থেকেও একটা ঐক্যের আবহ তৈরি করেন, তৃণমূল পর্যন্ত ঐক্যের ধারাকে প্রবাহিত করুন।”

সমাবেশে বাসদের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান বলেন, “দুই দলের নেতৃত্বে দুই জোটীয় দুর্নীতি, শাসন-শোষণের হাত থেকে জনগণ মুক্তি চা্য়। জনগণ একটি বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি দেখতে চায়। জনগণের সেই আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে এই দেশের সকল বাম গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল শক্তির ব্যক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে, জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণের স্বার্থে আমরা আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি।”

গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি বলেন, “বাংলাদেশের একটি ক্রান্তিলগ্নে ও বিশেষ পরিস্থিতিতে আমরা এই সমাবেশ করছি। এই সমাবেশ থেকে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সূচনা করছি।”

এখানে সেলিম ভায়ের বক্তব্যের যে অংশটি খুবই আগ্রহোদ্দীপক ও উৎসাহজনক সেটি হচ্ছে, “ঐক্যকে চোখের মনির মতো রক্ষার কথা। তিনি নিজেও যদি এদিক-সেদিক করেন, গরুর রাখালের মত অন্যরা যেন তাঁকে ঠিক পথে পরিচালিত করেন, এবং নিজেরাই ঐক্য করে কেন্দ্র থেকে প্রান্তে তা প্রবাহের কথা বলেছেন! এই বক্তব্যের বিস্তারিত আলোচনায় আমি যাচ্ছি না, কেবল সংগঠনের নেতা-কর্মী-সংগঠক-সমর্থক-শুভাকাঙ্খী-সহানুভূতিশীল ব্যক্তি ও ধারার সকলকে স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, তিনি বামঐক্যের বিকাশ ও রক্ষায় কতটা আন্তরিক আবেদন রেখেছেন এই অঙ্গীকারের মাধ্যমে, তার মর্মার্থ উপলব্ধি করতে!

নেতৃবৃন্দের এমন অঙ্গীকার ও বক্তব্যের পরও খন্ডিত ঢাকার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে একাধিক প্রার্থীতায় তাদের অবস্থান চরম বিপরীতমূখী লক্ষ্য করছি! তাদের এই আচরণ ও কথা-কাজের অসঙ্গতির ক্ষেত্রে জনগণ ও এই ঘরনার মধ্যে ব্যাপক আস্থার সংকট তৈরী করবে। সেটা কি নেতৃবৃন্দ বুঝতে পারছেন?

রাজনীতিতে বুর্জোয়াদের স্বার্থ-সুবিধা না বামদের নীতি-আদর্শ শক্তিশালী?
বুর্জোয়াদের উভয় জোট তাদের স্বার্থ-সুবিধা-বৈরীতায় দল থেকে একক প্রার্থী দিতে সক্ষম হলেও, বামরা তাদের নীতি-আদর্শ-উদারতার কথা বলেও দল-জোট থেকে একক প্রার্থী দিতে সক্ষম হচ্ছে না! বাম নেতাদেরই সবসময় বলতে শুনেছি বৃহত্তরও স্বার্থে সর্বোচ্চ ছাড়ের নীতি। কিন্তু এক্ষেত্রে সে নীতির প্রয়োগ কোথায়? বুর্জোয়াদের সাথে জোট-ভোটের স্বার্থে আমরা নানা সময়ে বড় ছাড় দিলেও, প্রতীক না নিলেও, দলের সাইনবোর্ড পাল্টালেও, বামপ্রগতি-বামবিকল্পের স্বার্থে আমরা ছাড় দিতে পারছি না! বিষয়টা কি, সমস্যাটা আসলে কোথায়?

রাজনীতিতে ঐক্য ও সংগ্রামের নীতি নানা কৌশল ও বাস্তবতায় এগোয়। জোট-ভোটের সমঝোতা-বোঝাপরা নানা পদ্ধতি-প্রক্রিয়ায় হতে পারে। বাংলাদেশে সিটি কর্পোরেশন একটা নয়! জাতীয় সংসদসহ অন্যান্য নির্বাচনের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। সেখানেও দল ও জোটের প্রার্থীদের ভবিষ্যত আকাঙ্খা-অবস্থান বোঝাপরার সূদূরপ্রসারী ছক্‌-পরিকল্পনার নানা কৌশল, প্রক্রিয়া, পদ্ধতি ধারাবাহিক সমঝোতায় নিয়ে আসতে হবে। নির্বাচন-আন্দোলন-সংগ্রামের সেই সম্মত নীতিমাল তৈরী করা গেলে বামদের মধ্যে ঐক্যের আকাঙ্খা অগ্রসর হবে, নচেত তা হবে একটি রাজনৈতিক বুলি ও কথার কথা।

প্রার্থী মনোনয়নে হতে হবে অত্যন্ত সতর্ক ও সুচতুর
এই নির্বাচন হচ্ছে বামঐক্য অঙ্গীকারের একটি ছোট এসিড টেস্ট। এখানে ভুল করলে মূল্য দিতে হবে অনেক। বামদের পক্ষ থেকে একক প্রার্থী থাকলে ভোট ও জোটের ভাবমূর্তির বাড়বে। ঢাকার নির্বাচনে ভাল করতে পারলে সারাদেশে তার প্রভাব পড়বে। এবং ভবিষ্যতে জাতীয় রাজনীতিতে তার ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে।

এই নির্বাচনে বামদেরকে প্রার্থী মনোনয়নে অত্যন্ত সতর্কতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে হবে। ২০১৯’র জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বামদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। সঙ্গতই, বড়দল, জোট থেকে যাদের মনোনয়ন দেয়া হবে তাদের মোকাবেলা করতে সক্ষম উপযুক্ত প্রার্থী পছন্দে ভুল করা যাবে না। প্রথমে দেখতে হবে গত নির্বাচন ভোট ও সারা জাগানোর বিষয়টি। সেক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো বিবেচনায় নিতে হবে, ঢাকায় অধিক পরিচিত, মিডিয়ার মুখোমুখি দাড়াতে সক্ষম, অধিক গ্রহনযোগ্য, সুদর্শন, সুবক্তা, উজ্জল ব্যক্তিত্ব, সুচতুর, এক্যাটিভ, গ্লামারাস, স্মার্ট ও স্পর্দ্ধিত ভাবমূর্তির বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিতে হবে। সেক্ষেত্রে দলগুলোকে দলীয় স্বার্থ-সংকীর্ণতার বাইরে যেয়ে খোলামনে আলোচনা করে জোনায়েদ সাকী ও কাফি রতনের মধ্যে যে অধিক গ্রহনযোগ্য ও আবেদনময়ী তাকে চুড়ান্ত মনোনয়নের কথা এখনই ভাবতে হবে। সেক্ষেত্রে কে কোন দলের, কে ছোট দল, কে বড় দল সে ভাবনা-মানসিকতা হবে ক্ষুদ্রতা ও আত্মঘ্যতি। গত নির্বাচনে বামরা যে ভুল করেছিল এবার সে ভুল করার সুযোগ নেই।

নির্বাচন নিয়ে একটি নির্মম অভিজ্ঞতার গল্প
২০০১ সালে আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মাদ নাসিম সিরাজগঞ্জ জেলার তিনটি আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছিলেন। সেই নির্বাচেন মোহাম্মাদ নাসিমের বড়ভাই, মোহাম্মাদ সেলিম’ যে কোন একটি আসনে নির্বাচন করতে চাইলে, দল থেকে তাঁকে কোন আসনে মনোনয়ন না দেয়ায় তিনি সিরাজগঞ্জ থেকে নাসিম ভায়ের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহন করেন। মোহাম্মাদ সেলিমের মার্কা ছিল “কুলা” এবং বাসদ নেতা বক্কার ভূঁইয়ার মার্কা ছিল “তালা।” নির্বাচনের দিন সন্ধারাতে চায়ের দোকানে বসে গল্প করছিলাম। হটাৎ কানটা চলে গেল, সেখানে চা-সিগারেট পানরত শ্রমিক ভায়ের ঠাট্টা-মশকরায়। সেখানে একজন শ্রমিক অন্যকে বলছে, কি’রে সেলিম সাহেবের খবর কি..? সেখানে আরেকজন বলছে, আরে ভাই বইলেন না, খুব হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হচ্ছে! নৌকা আর ধানে না, তালা আর কুলায়! নির্বাচনের প্রশ্নে সঠিক সিন্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হলে এমন ঠাট্টা-মশকরা শুধু সাকি-রতন নয়, বামদেরও শুনতে হবে! এমন ভৎসনা ও বিড়ম্বনা এড়াতে নেতৃবৃন্দকে বলি দায়িত্বশীল হন, এবং সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দ্রুতই ‘একজন’ প্রার্থীর সিন্ধান্ত নিন।
---------------------------------------------------------
ড. মঞ্জুরে খোদা, প্রাবন্ধিক-গবেষক, সাবেক সভাপতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মঞ্জুরে খোদা টরিক
মঞ্জুরে খোদা টরিক এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারী 4, 2016 - 11:59পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর