নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

কোন আওয়াজ নাই


কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি যেখানে সারা বিশ্ব পরিত্যাগ করছে, রাষ্ট্র তখন গো ধরে বসে আছে। থাকার কারণটাও একেবারে অমূলক নয়। রাষ্ট্র পক্ষ NTPC'র পাল্লায় পড়ে যে বসে আছে। সেই খপ্পরে পড়েই বাংলাদেশ এখন ভারতের কয়লা কন্সিউমার হতে যাচ্ছে। তারা দেখাবে বন্ধুত্ব এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন।
রাষ্ট্রের চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো দরকার, চিনের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ফলে, বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আশেপাশের অঞ্চলে লাঙস এবং কোলন ক্যান্সারের হার একটা তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভারতের কোন একটা অঞ্চলে (ঠিক নামটা মনে পড়ছে না এখন) কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পড়ে পরিবেশের এতটাই বিপর্যয় ঘটেছে যে, উক্ত অঞ্চলে এখন আর কৃষি ফসল জন্মায় না। ওখানকার পানির রং ও স্বাভাবিক নয় এখন আর।
গেলো বছর চীনে ১০০টি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির এনার্জি রেগুলেটর। যা কিনা চীনের ১১টি প্রদেশে প্রায় ১০০ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতো।
আসা যাক একটু রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের দিকে। তবে প্রথমেই বলতে হবে রাষ্ট্রের চিন্তাধারা এখনো বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে পড়ে আছে। কেননা রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রথম প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিলো ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকারের সময়ে। পরবর্তীতে ৬৯'র সময় তা করাচীতে স্থানান্তরিত হয়।
তবে রাষ্ট্র আমাদের দেশে এখন এই তথ্য প্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের যুগে সেই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য উঠে পড়ে লেগেছে যে, যেখানে এই পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্র গুলো বর্জন করতে শুরু করেছে। পাশা পাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারকে নিশ্চিত করছে। তাছাড়া এখানেও একটা হারহিম করা বিষয় হচ্ছে, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য প্রায় ৭৫% ঋণ দিচ্ছে রাশিয়া।
অন্যদিকে চীন এখন সৌর শক্তিকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য একটা পদ্ধতি ব্যবহার করে সমুদ্রে ভাসমান বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করছে। যার প্রতি মেগাওয়াট উৎপাদন ব্যয় ৮ কোটি টাকা মাত্র। অন্য দিকে রূপপুর সর্বগ্রাসী বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদন ব্যয় মেগাওয়াট প্রতি ৬০ কোটি টাকা!
কিন্তু আমাদের তেল-গ্যাস-খনিজ রক্ষার জাতীয় কমিটি এখন নির্বিকার চিত্তে বসে আছে। কোন কর্মসূচী নাই। কোন আওয়াজ নাই। কারণটা কি এটাই যে এখন মিডিয়া আর এসব খায় না?! এখন আর নিজেদের ব্যানার প্রদর্শন সম্ভব হয় না?!

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রাফিন জয়
রাফিন জয় এর ছবি
Offline
Last seen: 1 month 2 weeks ago
Joined: মঙ্গলবার, জুন 21, 2016 - 3:04অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর