নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

কেন্দ্রের নয়া গবাদি বিধি ও লেডি জাস্টিশিয়ার মূর্তি অপসারণ প্রসঙ্গ


*পাঠকরা আপনাদের কাছে বিশেষ অনুরোধ লেখাটি বেশ বড় হয়েছে কিন্তু এতে রাজনীতি,অর্থনীতি,ধর্ম আর ও অনেক বিষয় নিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়েছে ,আশা করি আপনারা লেখাটি ধৈর্য ও মনযোগ সহকারে পড়বেন।ধন্যবাদ ।
-----------------------------------
ভারত ও বাংলাদেশ এই দুই দেশেই ধর্মান্ধ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ ঘটছে যার চরম নিদর্শন ভারতে কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া গবাদি বিধি ও অন্যদিকে বাংলাদেশে ন্যায়ের মূর্তি জস্টিশিয়াকে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গন থেকে অপসারণ ।

প্রথমেই আসি ভারতের কথায় ।বর্তমানে ভারতে ক্ষমতাসীন দল হল বিজেপির নেতৃত্বাধীন NDA সরকার ।গত লোকসভার ফল অনুসারে যার মধ্যে বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার অধিকারী ( 2014 লোকসভার ফল অনুসারে বিজেপি -282 আসনপ্রাপ্ত ও মোট NDA এর আসন সংখ্যা -335)।আসন সংখ্যার দিক থেকে দেখতে গেলে সংসদে এই সরকারের প্রধান্য সুপ্রতিষ্ঠিত ।লোকসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং উত্তরপ্রদেশ ও অন্যান্য রাজ্যে বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতায় জয়ের পর রাজ্যসভাতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা ।এই চরম ক্ষমতার অধিকারী সরকারের কাছে ছিল নানা সুযোগ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ।এই সরকারের প্রতিশ্রুতি ছিল দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা ও "আচ্ছে দিন " আনার ।

2014 সালে লোকসভার ভোটে মোদীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি শুধুই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেয় এবং তার সঙ্গে বলেন -" সাবকা সাথ সাবকা বিকাশ " অর্থাৎ সকল ধর্ম ,বর্ণ সম্প্রদায়কে নিয়ে সবার উন্নয়ন।তার এই আহব্বানে দেশের সমস্ত জাতি ,ধর্ম ,বর্ণ নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের মানুষই বিজেপিকে বিপুল ভাবে ভোট দেয় ।উল্লেখ্য মুসলমান সম্প্রদায়ের এক বিরাট অংশের মানুষ ও "আচ্ছে দিনের " আশায় বিজেপিকে ভোট দেয় ।তারপর এই সরকার বিভিন্ন ভাবে দেশের উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকে এবং মোদীর নেতৃত্বে বিজেপি অন্যান্য রাজ্য বিধানসভাগুলি জিততে থাকে।এই সময়ই দেশে দেখা যায় তিন তালাক বিতর্ক,তিন তালাক চালু থাকবে না বন্ধ হওয়া উচিত ? এই নিয়ে একদিকে মুসলিম পার্সোনাল-ল-বোর্ড ও অন্য দিকে প্রগতিশীল মুসলিম সমাজের আন্দোলন যারা চাই তিন তালাক বন্ধ হোক ও দেশে অভিন্ন দেওয়ানী বিধি চালু হোক।

এই পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী তিন তালাক বন্ধের পক্ষে কথা বলেন ।যা দেশের বিশাল সংখ্যক প্রগতিশীল মুসলিমদের ভাল লাগে।তারই প্রভাব আমরা দেখতে পায় উত্তরপ্রদেশে বহু মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে বিজেপির জয়।আসলে মুসলিম নারীদের একাংশ এবং তিন তালাক বিরোধী মুসলিমদের এক বিরাট অংশের সমর্থন বিজেপি পায় ।তাই এই বিরাট জয় একদিকে যেমন আনন্দদায়ক তেমনই সরকারের দায়িত্ব ও বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।বিশেষত এই বিপুল সংখ্যক মুসলিম জনসাধারণ যারা এই সরকারকে ভোট দিয়েছিল তাদের আশা আকাঙ্খা পূরোনের গুরুদায়িত্ব ও সরকারের উপর বর্তায়।

অনেক সময় বিপুল জয় মানুষকে উন্মত্ত করে তোলে বিজেপির এই বিপুল জয় দেশের বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী সংগঠনকে উন্মত্ত করে তোলে, যেমন- রাষ্টীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (RSS),বজরং দল,শিবসেনা,হিন্দু বাহিনী,গো-রক্ষা বাহিনী প্রভৃতি ।এরা সরকারকে এই মর্মে চাপ দিতে থাকে যে-এখনই প্রকৃত সময় হিন্দুত্ববাদী কর্মসূচী গুলি বাস্তবায়নের,এখন না হলে আর কখন ? এরই সঙ্গে চলতে থাকে দেশ জুড়ে গো-রক্ষক বাহিনীর তাণ্ডব ।

তারই নিদর্শন পায় উত্তরপ্রদেশের দাদারিতে গোমাংস খাওয়ার গুজবে মোহম্মদ আখলাখকে পিটিয়ে মারার মধ্যে।এরপরই ভারতের সমস্ত খ্যাতনামা শিল্পী,সাহিত্যিক,বুদ্বিজীবিরা একযোগে প্রতিবাদে নামে এবং দেশে শুরু হয় সহিষ্ণুতা ও অসহিষ্ণুতা বিতর্ক।আবার আমরা দেখতে পায় উত্তরপ্রদেশে বিজেপির বিপুল জয়ের পর ওই রাজ্যের বেশিরভাগ নবনির্বাচিত বিধায়করাই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যোগী আদিত্যনাথের নাম প্রস্তাব করে ।এই যোগী আদিত্যনাথ আবার হিন্দু বাহিনী ও গো-রক্ষা বাহিনীর অন্যতম মুখ ।যোগী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন গুলির মনোবল ও উন্মত্ততা বৃদ্ধি পায় ।তারা অনেকটা বেপরোয়া হয়ে দেশের অনেক জায়গায় গো-মাংস খাওয়া ও গো-পাচারের অজুহাতে বেশ কিছু মানুষের উপর আক্রমণ করে ও কেউ কেউ এদের দ্বারা হত্যার শিকার হয় যা চরম নিন্দনীয়,জঘন্য এরা মানবতার শত্রু।

এই যোগীর মুখ্যমন্ত্রীত্বের পর হিন্দুত্ববাদী কর্মসূচী বৃদ্ধি পায় ।যারা ভেবে ছিল হিন্দুত্ব শুধু হিন্দুদের জন্য তাদের কাছে প্রশ্ন সত্যিই কি তাই? হিন্দুত্ব না ব্রাম্ভণ্যবাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা?দেখুন সাহারাণপুরের যে দাঙ্গাটি হল তা হয় উচচসম্প্রদায়ের ঠাকুর ও নিম্নবর্ণের দলিতদের মধ্যে দাঙ্গা ।তাহলে হিন্দুত্ব মানে যে সকল হিন্দুদের জন্য এটা সম্পূর্ণ ভ্রান্ত ধারণা ,বলা ভাল ব্রাম্ভণ্যবাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা ।হিন্দুত্ববাদীদের কাছে প্রশ্ন এই কি আপনাদের হিন্দুত্ব?
আপনারা হিন্দুত্বের এই রকমই বহিঃপ্রকাশ চান? ভাবছেন এই ভাবেই ইসলামীয় সন্ত্রাস থেকে রক্ষা পাবেন?কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে এই দলিতদের অনেকেই উচচ শ্রেণীর ব্রাম্ভণদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বৌদ্ব ,খৃষ্টান বা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছে।এই হচ্ছে হিন্দুত্ববাদের নগ্ন রূপ।কোন এক চ্যানেলে দলিত থেকে ধর্মান্তরিত মুসলমানের বক্তব্য শুনছিলাম।তার বক্তব্য হল -"বিগত 50-60 বছর ধরে ঠাকুররা আমাদের উপর অত্যাচার চালিয়েই যাচ্ছে কখন ও কখন ও বিষয়টি এত বেশি বাড়াবাড়ি হয় যে বন্দুক ,গুলি পর্যন্ত ও চলে ।ওরা আমাদের অচ্ছুত বলে ,তাই ওদের হাত থেকে রক্ষা পেতে ইসলাম গ্রহণ করলাম"।তাহলে যে হিন্দুত্ববাদে হিন্দুরাই সুরক্ষিত নয় , তারা আবার নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব দাবী করে কি করে?

তবে এ বিষয়ে উল্লেখ্য ইসলামে যে জাতি সংঘর্ষ নেই তা নয় বরং বেশ ভাল ভাবেই আছে ।শিয়া-সুন্নি সংঘর্ষ ,ওয়াহাবী-সুফি ,হানাফি-সালাফী ইত্যাদির মধ্যে সংঘর্ষ লেগেই আছে তবে তা ইসলামি দেশে প্রকট ভাবে দেখা যায় ,ভারতের মত দেশে তা খুব একটা দেখা যায় না ।এই রকমই এক পরিস্থিতিতে হিন্দুত্ববাদীদের চাপেই হোক বা স্বত্বস্ফূর্ত ভাবেই হোক মোদী সরকার নতুন গবাদি বিধি আনতে চাই ।এই নীতি হচ্ছে হিন্দুত্ববাদীদের খুশি করার নীতি।

এবার দেখা যাক এই নতুন গবাদি বিধি আইন কি এবং অর্থনীতিতে এর কি প্রভাব পড়বে?

গবাদি বিধি আইন ও অর্থনীতিতে তার প্রভাব
----------------------------------------------
নতুন গবাদি বিধি আইনের নির্দেশিকা অনুসারে চাষের প্রয়োজন ছাড়া হাটেবাজারে আর গবাদি পশু বিক্রি করা যাবে না ।জবাইয়ের জন্য কোন ভাবেই নয় ।পশু হত্যা বন্ধ কিন্তু পশু বলতে মূলত গরু ও মোষ হত্যা বন্ধ ।তাহলে ছাগল ,ভেড়া ,শূকর ,মুরগী এরা কি দোষ করল ? তবে কেন্দ্র চাই মোষকে এই পশুর বাইরে রাখতে অর্থাৎ মোষ হত্যা চলতে পারে কিন্তু গরু নয় ।আসলে গরু তো গরু নয় গরু হচ্ছে গো-মাতা।

তাই এই গো-মাতাকে রক্ষা করতে যে কোন মূল্য দিতে তৈরী গো-রক্ষকরা।আর তাদের প্রচ্ছন্নভাবে সমর্থন যোগাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরায় বিজয়নের কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্য -"আজ মাংস খাওয়া ছাড়াতে চাইছে কেন্দ্র।কে বলতে পারে কাল মাছের উপর কোপ পড়বে না "।আসলে ধর্মান্ধ দৃষ্টিতে গোটা দেশকে হিন্দুত্ববাদী চিন্তা ধারায় দীক্ষিত করতে চাই কেন্দ্রীয় সরকার ।প্রথমেই বলে নেওয়া ভাল ব্যাক্তিগত ভাবে আমি মনে করি নিরামিষী হলেই ভাল হত কিন্তু যেহেতু আমি জন্ম থেকেই আমিষাশাষী,তাই সমস্ত আমিষই-গরু ,মোষ ,শূকর ,মাছ ,ডিম সবই আমার কাছে ভক্ষণযোগ্য।কে কি খাবে এটা সম্পূর্ণ ব্যাক্তির ব্যক্তিগত ইচ্ছা রাষ্ট্রের এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার নৈতিক কোন অধিকার নেই।এবিষয়ে উল্লেখ্য বেশিরভাগ গো-মাংস ভক্ষণকরে মুসলিম ও খৃষ্টানরা এছাড়া ও বহু হিন্দুধর্মের মানুষরাও গো-মাংস খান।এটি কম দামে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিনের উৎস। এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ মানে ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ যা কখনোই কাম্য নয়।

এখন প্রশ্ন হল এইসব গবাদি পশুগুলি রক্ষা পেলে দেশের অর্থনীতিতে আদেও কি কোন লাভ হবে ? যেহেতু প্রধান পশু এখানে গো-মাতা তাই গো-মাতা অর্থাৎ গরু নিয়েই আলোচনা করব ।একটা গরুর গড় আয়ু 20-25 বছর ।আর তা কর্মক্ষম থাকে গড়ে 15 বছর তারপর তাদের ভরণপোষন করতে গেলে মাসে নূন্যতম তিন হাজার টাকা লাগে ওই অর্থ কে দেবে ? তাই চাষীরা বাধ্য হয়েই পশু ছেড়ে দেয়।মহারাষ্ট্র ,হরিয়ানা প্রভৃতি রাজ্যে বর্তমানে অনিয়ন্ত্রিত গরুর সংখ্যা প্রচুর বৃদ্ধি পাচ্ছে।এই বিপুল সংখ্যক গবাদি পশুর ফলে বাস্তুুতন্ত্রের উপর চাপ পড়ছে এবং খাদ্য সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে ও খাদ্যশস্যের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে।যা মুদ্রাস্ফীতি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা নিচ্ছে।

শুধুমাত্র দেশের অভন্তরীণ বাজারেই প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকার মাংসের বাজার আছে এবং তারমধ্যে এক বিরাট সংখ্যক মাংস বিদেশে রপ্তানি করা হয় যা থেকে দেশ মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে।2015-16 অর্থবর্ষে ভারত বিদেশে মাংস রপ্তানি করে 26,684 কোটি টাকা আয় করেছে (তথ্যসূত্র -The Times of India)।দেশে মাংস ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত প্রায় দশ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হারানোর ভয় আছে।শুধু তাই নয় চর্ম শিল্পে ও ঘনিয়ে আসছে কালো মেঘ ।বর্তমানে বিশ্ব চর্মশিল্প বাজারের প্রায় 13% ভারতের দখলে,এই চর্ম শিল্পের মৃত্যুঘণ্টা বেজে যাবে এবং এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত লক্ষ লক্ষ মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়বে(তথ্যসূত্র-আনন্দবাজার পত্রিকা ও TOI)।এছাড়া এই পশুজাত শিল্পের অন্যান্য আনুষঙ্গিক শিল্পগুলি ও মার খাবে,সরকারের আয় কমে যাবে প্রকারত্নে বেকারত্ব বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতির অবস্থা দুর্বল হবে।সরকারের প্রথমেই মনে রাখা উচিত এটা কোন ক্লাব চলছে না,এটা একটা বিশাল দেশের অর্থনীতি,রাজনীতি,সমাজ এর উপর প্রভাব ফেলছে ও 125 কোটি মানুষের শাসনভারের দায়িত্ব আছে এই সরকারের উপর।

ভারতের মত জনবহুলদেশে যেখানে বেকারত্ব এত চরম সেখানে এই নতুন লক্ষ লক্ষ বেকার সৃষ্টি হলে তা কি অর্থনীতির পক্ষে মঙ্গলময় হবে? ভারত সরকারের মাংস ও চর্মশিল্প থেকে যে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয় সে পরিমাণ অর্থ আসবে কোথা থেকে?এই মাগ্গিগন্ডার বাজারে সরকার যে পরিকাঠামো উন্নয়ন,সুশাসন,বুলেট ট্রেন,আই আই টি ইত্যাদির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেগুলি
পূরণ হবে কি করে?অর্থ আসবে কোথা থেকে?

এগুলি খুবই চিন্তার বিষয় ।দেশের লক্ষ কোটি টাকার মাংস ব্যবসা,চর্মশিল্প ও অন্যান্য শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে,আর লক্ষ লক্ষ বেকার তৈরী হবে শুধু এই কারণে-গো-মাতাকে রক্ষা করতে হবে? তাহলে গো রক্ষকদের লক্ষ্যই হল গো-রক্ষার নামে দেশের অর্থনীতিকে দুর্বল করে তোলা ও বেকারত্ব বৃদ্ধি করা?গো-রক্ষক ও কেন্দ্রীয় সরকারকে বলতে চাই মূর্খ ধর্মীয় আবেগ দিয়ে দেশ চলবে না তাই মূর্খ ধর্মীয় আবেগ ত্যাগ করুন ও রাজধর্ম পালন করুন।

ভারতীয় মুসলিমদের দিক থেকে দেখতে গেলে এই সরকার অনেক বেশি ভাল কাজ করতে পারে যা অন্যান্য দলগুলি করতে পারে না ।এই সরকারের মুসলিম তোষণ করে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি করার দায় নেই,তাই মোদীর নেতৃত্বে এই সরকারই পারে দেশে তিন তালাক নিষিদ্ধ ও একক অভিন্ন দেওয়ানী আইন প্রচলিত করতে।অন্যদিকে তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলি যেমন -কংগ্রেস শাহাবানু মামলার সময় সুপ্রিম কোর্টের রায়কে পরিবর্তন করে প্রগতিশীল মুসলিম সমাজের যে ক্ষতি করেছে তা অপূরণীয় ।অন্যদিকে বামপন্থীরা তারা সব সময়ই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর, এজন্য অবশ্যই তারা প্রশংসার পাত্র কিন্তু এরাই আবার মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে ভয়ংকর রকমের নিশ্চুপ যা মৌলবাদী শক্তিদের উৎসাহ দেয় কারণ দিনের শেষে বামপন্থীরা ও ভোটের রাজনীতি করতে গিয়ে মোল্লা তোষণ করে।আর এই TMC সরকার নির্লজ্জভাবে মোল্লাদের তোষণ করে,এই সরকারের তোষণের ফলে জেহাদী শক্তিগুলি শক্তিশালী হচ্ছে ও তার প্রভাবে বঙ্গে হিন্দুত্ববাদী চিন্তাধারা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তাই বিজেপির নেতৃত্বাধীন NDA সরকার দেশকে অনেক ভাল কিছু দেওয়ার ক্ষমতা রাখে কিন্তু তা আদে ও হচ্ছে কি ? এটা বলছি না এই সরকারের আমলে কোন কাজই হয়নি যেমন -নোট বাতিল,জিএসটি,বৈদেশিক নীতি,পরিকাঠামো উন্নয়ন ,দুর্নীতি নির্মূল ইত্যাদি বহু ভাল কাজ হয়েছে।এপ্রসঙ্গে উল্লেখ্য যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে ও যথেষ্ট ভাল কাজ হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।খুন,ধর্ষণ,নারী নির্যাতন,জাতি দাঙ্গা সবই কমে এসেছে।যোগীর নেতৃত্বে হিন্দু মুসলিম আর কোন দাঙ্গা ও সৃষ্টি হয় নি।যোগীর ও অভিমত আমার সরকার চলবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এই নীতি অনুসারে -"সাবকা সাথ সবকা বিকাশ অর্থাৎ জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সকল মানুষকে সমান চোখে দেখতে হবে"।

যোগী এক জায়গায় বলেছিলেন-" আমাদের একটা হিন্দু নারী ধর্ষণ হলে ওদের একশো মুসলিম নারীকে ধর্ষণ করব ,আমাদের একটি পুরুষ হত্যা করলে ওদের একশোটা পুরুষ হত্যা করব"।একটি সর্বভারতীয় চ্যালেনে এই বিষয়ে যোগীকে প্রশ্ন করা হলে যোগীর উত্তর হল -"ওটা সময়ের পরিপেক্ষিতে আপেক্ষিক উক্তি ছিল"।আমি এখন ও বলি যদি কেউ অপরাধী হয় তবে তাকে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে ।আমার রাজ্যে হবে সাবকা সাথ সাবকা বিকাশ অর্থাৎ আমি সমস্ত ধর্ম,বর্ণের মানুষকে সমান চোখে দেখব ।তবে আমার সরকার কোন একক সম্প্রদায়কে তোষণের রাজনীতি করবে না।আইন সকলের জন্য সমান।তিন তালাক প্রসঙ্গে যোগীর মন্তব্য -প্রতিদিন আমার কাছে বহু মুসলিম মহিলা আসে যাদের অনেককেই তাদের স্বামীরা কেউ ফোনে,কেউ চিঠিতে তালাক দেয়।তাদের অবস্থা দেখলে চোখে জল চলে আসে এটা কোন ধর্মের বিষয় নয় বরং সমাজের অর্ধেক নারীদের মর্যাদার প্রশ্ন তাই তিন তালাক উঠিয়ে দেওয়া উচিত।আর আমি এ বিষয়ে খুশি যে বহু মুসলিম সংগঠন এই তিন তালাক বন্ধের জন্য আমাদের পক্ষে এসেছে।এপ্রসঙ্গে উল্লেখ্য তিনি এটা ও মনে করেন গো-হত্যা বন্ধ হওয়া উচিত"।

একটা বিষয়ে উল্লেখ্য ভারতে হিন্দুত্ববাদের প্রসার সহিষ্ণুতা ও অসহিষ্ণুতা সমস্ত বিতর্কই গরুকে কেন্দ্র করে।গো-মাংস খাওয়া যাবে কি না?এর বাইরে দেশে মুসলিমদের আর কোন সমস্যায় পড়তে হয় না।তাই অন্যান্য দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষেরা যে ধরণের সমস্যায় পড়েন ভারতে মুসলমানরা অনেক ভাল আছে তাই অন্য দেশের পরিপেক্ষিতে এটা বিবেচনা করা উচিত হবে না।বরং আর পাঁচটি মুসলিমদেশের থেকে ভারতীয় মুসলিমরা সমস্ত দিক থেকে অনেক বেশি ভাল অবস্থায় আছে ও আনেক বেশি সুযোগ সুবিধাপায়।এই দেশ ধর্মের কারনে কোন দিন বিচার করেনি এখানে যোগ্যতাই শেষ কথা।এই দেশে -শাহরুখ খান,সালমান খান,আমির খান সবচেয়ে বড় নায়ক ।এই দেশে ডঃ জাকির হুসেন ,এ.পি.জে আব্দুল কলামের মত মানুষ দেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছেন।এছাড়া উপরাষ্ট্রপতি ,সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ,নির্বাচন কমিশনার প্রধান আর ও বিভিন্ন পদ অলংকৃত করেছেন বহু যোগ্য মুসলিম ব্যক্তিত্বরা।তাই এই দেশ ধর্মের ভিত্তিতে কোন দিন ভেদাভেদ করেনি এখানে যোগ্যতাই শেষ কথা।

বিজেপির নেতৃত্বে দেশে অনেক উল্লেখযোগ্য কাজ হয়েছে কিন্তু এই সরকারের সমস্ত সুকর্মই আপেক্ষিক হয়ে গেছে গো-মাতা প্রসঙ্গে।গো-মাতা,গো-মাতা করেই এই সরকারের ছবি খারাপ হচ্ছে।ব্যাপারটি অনেকটা এই রকম-মনে করুন আপনি খুব সুন্দর করে চাল,তেল,মশাল,মাংস ইত্যাদি দিয়ে বিরিয়ানী রান্না করলেন কিন্তু তাতে মাত্রা তিরিক্ত লবণ দিলেন তাহলে কি সেই বিরিয়ানী আর খাওয়ার যোগ্য থাকে?তেমনই সরকারের সমস্ত সুকর্মই গো-মাতা,গো-মাতা করে নষ্টের পথে।সরকারের যেন গরু দেখা ছাড়া আর কোন কাজ নেই।আরে বাবা এত বড় দেশ ও 125 কোটি মানুষের শাসনের গুরু দায়িত্ব পালন করুন।

বর্তমান সময়ে কিছু কিছু মানুষ হিন্দুত্ববাদের দিকে ঝুঁকছে কারণ তারা মনে করছে ইসলামি মৌলবাদ বা জেহাদী মতবাদকে হিন্দুত্ব দিয়ে প্রতিহত করতে হবে।সত্যি কথা বলতে কি এগুলি অলীক কল্পনামাত্র কারণ হিন্দুত্ববাদীরা যায় আক্রমণ করতে কিন্তু জেহাদীরা যায় নিজেরা মরতে।তাই হিংস্রতা ও বর্বরতায় মুসলিমদের জুড়ি মেলা ভার,তাই বর্বরতায় মুসলিমদের সঙ্গে কোন জাতিই পেরে উঠবে না।তাই হিন্দুত্ববাদী ভাইদের বলছি আপনারা কোন প্ররোচনায় পা না দিয়ে বরং মুক্তচিন্তার প্রসারে সহযোগীতা করুন।ধর্মের গঠনমূলক সমালোচনা করুন এভাবেই মানুষের মধ্যে মানবিকতার প্রসার ঘটছে এবং আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে মুসলিম সমাজ ও দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে এবং সত্য জেনে অনেকেই ধর্ম ছেড়ে দিচ্ছেন।এটা আমাদের বিশ্ব মানবতার পক্ষে সবথেকে সুখবর।এখন আপনারা প্রশ্ন করবেন মুসলিমরা ধর্ম ছেড়ে দিচ্ছে তা বুঝছেন কিভাবে?

প্রথমত জানায় ইসলাম টিকে আছে শুধুমাত্র জান্নাতের লোভ ও জাহান্নামের আগুনের ভয়ের উপর এবং এই ধর্ম নিয়ে প্রশ্ন করলেই গোনা ও ঈমান নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে তাই কেউ প্রশ্ন করে না ।এই ভাবেই যুগ যুগ ধরে ইসলাম টিকে আছে ।আমার নিজের কথায় বলি ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছি কোরান হল সর্বাধুনিক বৈজ্ঞানিক কিতাব,কোরান আল্লার বাণী,কোরানের মত একটি আয়াত রচনা করা ও কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।আজ পর্যন্ত কোন বৈজ্ঞানিক ও অন্য কেউই কোরানের কোন ভুল ধরতে পারে নি।আর নবী মুহাম্মদ হচ্ছেন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানব।তারমত দয়ালু ও ন্যায়বান মানুষ পৃথিবীতে আর একটি ও নেই।

এই কথাগুলি ছোটবেলা থেকে ক্রমাগত শুনে এসেছি।এ প্রসঙ্গে বলতে পারি ছোটবেলা থেকেই আমি জানতে চেষ্টা করতাম এবং যুক্তি দিয়ে প্রতিটি জিনিস বোঝার চেষ্টা করতাম।কোন সময়ই আমি ধর্মান্ধ ছিলাম না তাই যে কোন জিনিস পড়ে জানতে চাইতাম।আমি পাঠ্যপুস্তক পড়ে বিভিন্ন ধর্মের কুসংস্কার ও সংস্কার আন্দোলন সম্পর্কে জানতে পারলাম।আমি শুধু ভাবতাম হিন্দু ধর্মে রাজা রামমোহন রায় ,বিদ্যাসাগর ,ইয়ং বেঙ্গল মুভমেন্ট ,ডিরোজিও এদের দ্বারা সংস্কার হয়েছে ।খৃষ্টান ধর্মে ক্যাথলিকদের বিরুদ্ধে জন লক,মার্টিন লুথার,জন ওয়াইক্লিফ প্রমুখ মনীষীদের নেতৃত্বে প্রটেস্টানরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে।কিন্তু ইসলামের সমালোচনা করার মত কেউ নেই কেন?কোরানে কি কোন ভুল নেই ? ইসলামের আদেও কি কোন সমালোচনা করা যায়?

এইরকম অনেক প্রশ্ন মাথার মধ্যে ভিড় করে থাকত।তারপর একটু বড় হয়ে শুনলাম তসলিমা নাসরিনের নাম।তখন প্রথম বুঝলাম ইসলামকে ও সমালোচনা করা যায় ।এরপর সালমান রুশদী ,তারপর একে একে নাম জানতে পারলাম -আসিফ মহিউদ্দিন ,শাহিনুর রহমান শাহিন এদের নাম।এদের লেখা পড়তে শুরু করলাম ।এরপর পরিচিত হলাম-সানিউর রহমান, মুফাস্সীল ইসলামের সঙ্গে ,আরও পরিচিত হলাম নরসুন্দর মানুষ,সুষুপ্ত পাঠক,নুর নবী দুলাল,নীল জোনাকি,নষ্ট নীড়,আদনান বিন সাবিত,অপ্রিয় কথা প্রভৃতি আর ও অনেকেরই সঙ্গে, বুঝলাম ইসলামকে ও তাহলে সমালোচনা করা যায়।নিজে কোরান পড়ে বুঝলাম এই সেই মহান কিতাব যেখানে -অন্য ধর্মের মানুষদের নিকৃষ্টতম প্রাণী বলা হয় (98:6 নং আয়াত )।বিধর্মীদের হত্যা করার কথা বলা হয় (9:29,9:14,8:12,9:5,2:191 ইত্যাদি আয়াতে)।জানতে পারলাম মোহাম্মদ তার পালিত পুত্র জায়েদের স্ত্রী জয়নাবকে বিয়ে করে ছিল সবই আল্লার ইচ্ছায় (33:37 নং আয়াত)।এছাড়া নবী 51 বছর বয়সে 6 বছরের শিশু আয়েশাকে বিয়ে করে এবং 9 বছর বয়সে শিশু আয়েশাকে ধর্ষণ করে যদিও মুমিনরা একে বিয়ে বলে চালিয়ে দিতে চান।এরপর জানলাম নবী মারিয়া আল কিবতিয়া নামে এক দাসীর সঙ্গে যৌনকর্ম করতে গিয়ে হাফসার হাতে ধরা পড়েন।এই ঘটনার জন্য নবীর সমস্ত স্ত্রীরা নবীর বিরুদ্ধে চলে যায়।তখন আল্লা আর নবীর কষ্ট না দেখতে পেরে কোরানের 66:1নং আয়াতে বললেন -"হে নবী আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করেছে আপনি আপনার স্ত্রীদের খুশি করার জন্য তা হারাম করেছেন কেন?আল্লাহ ক্ষমাশালী,দয়াময়"।

তাহলে বুঝতে পারছেন কি নবী দাসীদের সঙ্গে যৌন কর্ম করতে পারছে না তা দেখে আল্লার কষ্টে প্রাণ ফেটে যাচ্ছে এবং আল্লা কোরানের আয়াত নাজিল করে নবীর এই লুচ্চামিকে সমর্থন করলেন।এই মহামানবের 19 টি স্ত্রী ও 4 টি যৌনদাসী।আসলে নবীর কটি স্ত্রী ও যৌনদাসী ছিল তার সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না কোন কোন সূত্র মতে যৌনদাসী ও স্ত্রীর সংখ্যা আর ও অধিক ছিল।সাফিয়া,রায়হানা,যাওহিরা এদের পুরো গোত্রকে খুন করে তাদের ধর্ষণ করে। যদিও মুমিন ভাইয়েরা এগুলি বিয়ে বলে চালিয়ে দিতে চাই ,কি জঘন্য মিথ্যা কথা।যার পুরো গোত্রকে খুন করা হয়েছে সে ওই রাতেই কি যৌনকর্ম করতে চাইবে?খুনির সঙ্গে কি কেউ বিয়ে করতে চাইবে মুমিন ভাইয়েরা আপনাদের বিবেক কি বলে?আরও জানতে পারলাম বানুকুরাইযা গোত্রে 700-900 লোকদের এক রাতে তাদের মুন্ডু কেটে গণহত্যা (তথ্যসূত্র-সিরাতে ইবনে হিশাম পৃষ্ঠা নং 225)।ধর্মের নামে আল্লার নামে পৃথিবীর ইতিহাসে এত নিষ্ঠুর গণহত্যা আর নেই যার সঙ্গে একমাত্র তুলনীয় বর্তমানে আই এস এর গণহত্যা ।আসলে নবী যা করেছিল আই এস তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে।এই হচ্ছে দয়ার নবী? মহান নবী?এই তার দয়ালু কর্ম কাণ্ড?

এই গুলি পড়লাম ও ইসলামকে জানলাম।নিজের গালে নিজেকে চড় মারতে ইচ্ছা হচ্ছিল, এই বর্বর মানুষটিরই উম্মত আমরা ছিঃছিঃ।মানুষ হিসাবে লজ্জা বোধ হচ্ছে।বুঝলাম ইসলামটিকে আছে অজ্ঞতা ও প্রশ্ন করলে গোনা এই দুটি কারণে তাই মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলুম মোহাম্মদের এই ঘৃণ্য ও বর্বর চরিত্র পৃথিবীর সামনে তুলে ধরব এবং এরপর থেকেই ক্রমাগত সত্য তুলে ধরছি।কোরান পড়ে বুঝলাম এই বর্বর ধর্মগ্রন্থ পড়লে হয় তুমি জঙ্গি হবে আর না হলে অবিশ্বাসী তৈরী হবে মাঝামাঝি বলে আর কিছু হয় না।তাই বর্তমানে জঙ্গীদের এত বাড়বাড়ন্ত।

আসলে ইন্টরনেটের যুগে কোন কিছুই আর লুকানো নেই।তাই জঙ্গি ও বাড়ছে মুক্তচিন্তার মানুষ ও বাড়ছে ।আসলে ইসলাম শেষ হওয়ার আগে এটা একটা প্রাসঙ্গিক হওয়ার শেষ নিষ্ফলা চেষ্টা ।তাই মুমিন ভাইয়েরা যখন প্রথম প্রথম ইসলামের সমলোচনা শোনে ও নবীর কুকীর্তি গুলি জানতে পারে তখন তারা প্রচুর গালিগালাজ করে। কিন্তু যখন তারা তাদের বিশ্বাসটিকে সহিগ্রন্থ দিয়ে বিচার করতে চাই তখন এই ধর্মের এত বিভৎস রূপ দেখে তাদের ধর্ম বিশ্বাসটি আর টেকে না।তাই বর্তমানে হাজার হাজার মুমিন ভাইয়েরা অবিশ্বাসী তৈরী হচ্ছে যা মানবতার পক্ষে মঙ্গলময়।বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখেছি আমার লেখা পড়ে কিছু মুমিন আগে প্রচুর গালিগালাজ করত এখন দেখছি তারা আর সে পরিমাণ গালিগালাজ করে না।আগে অনেকেই উগ্র ধর্মান্ধ পোস্ট দিত বর্তমানে আর সেই পরিমাণ উগ্র পোস্ট দেয় না।এ থেকে বুঝতে পারি তাদের ঈমান আর আগের মত শক্ত নেই তারা জানতে চাইছে,তাই এরা খুব তাড়াতাড়ি অবিশ্বাসী তৈরী হবে।আর যারা মনে করে এদের কথার প্রোতুত্তর দিতে হবে তাই কোরান হাদিস পড়ি এই সমস্ত মানুষ আগে অবিশ্বাসী হবে।কারণ-একটা উদাহরণ দিলে ব্যপারটি বুঝতে পারবেন।কোরানের সূরা আনফালের 12নং আয়াতে বলা হয়েছে-"তাদের গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদের কাট জোড়ায় জোড়ায় "।এই আয়াতটি যখন কোন শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ পড়বে তখন সে বুঝবে এই আয়াতে আল্লা বিধর্মীদের জোড়ায় জোড়ায় কাটতে বলা হয়েছে।এই হচ্ছে পবিত্র কোরানের বাণী ও আল্লার নির্দেশ।একটু শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ মাত্রই বলবেন এটা আল্লার বাণী হতেই পারে না,কিন্তু কোরানে তা স্পষ্ট করে লেখা আছে।এরপর যখন সে এই রকম আর ও কিছু হিংস্র আয়াত পড়বে তখন এরাই এই পবিত্র ধর্মগ্রন্থকে জঘন্য ও বর্বর কিতাব বলে ছুড়ে ফেলে দেবে এবং ইসলাম ত্যাগ করবে।

কিছু মুমিন ঠিকই এসে যাবে ও তারা গোজামিল দেওযার চেষ্টা করবে তারা বলবে আগের আয়াত পড়,পরের আয়াত পড়,কি পরিপ্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছে বুঝুন ইত্যাদি ইত্যাদি।তাহলে প্রশ্ন হল কি পরিপেক্ষিতে নাজিল হয়েছিল মানে সেই পরিপ্রেক্ষিতে জায়েজ ছিল কিন্তু বর্তমানে আর নেই তাই নয় কি? তাহলে কোরান তো কোন পবিত্র গ্রন্থ নয় বরং এটি একটি ঐতিহাসিক গ্রন্থ।তাহলে কেন বলেন এটা সর্বকালীন মানুষের জন্য প্রযোজ্য?আসলে সবই গোঁজামিল।এখন বিবেকবান কোন মানুষ 8:12 নং সূরা পড়ে দেখবে এখানে "জোড়ায় জোড়ায় কাটতে বলা হয়েছে"।গোঁজামিল দিয়ে এটা কোন ভাবেই প্রতিষ্ঠা করা যাবে না যে এখানে শান্তির কথা বলা হয়েছে ।আর ওই মানুষটি ইসলাম ত্যাগ করবে যা বাস্তবে হচ্ছে।আসলে কোরানের আল্লা কোন সৃষ্টিকর্তা নয় বরং এই আল্লা হল মোহম্মদের এক বর্বর সৃষ্টি।

গো রক্ষক ও হিন্দুত্ববাদীদের কাছে আবেদন অযথা গোরক্ষার নামে দেশে অশান্তি ডেকে আনবেন না,ধর্ম মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে এটা উপলব্ধি করুন ও মানবিক মানুষ হোন।তবে এপ্রসঙ্গে এটা বলতে পারি আগামী দিনে হিন্দুত্ববাদীদের ও কোন অস্তিত্ব থাকবে না।কারণ -প্রথমত হিন্দু সমাজ মুসলমান সমাজের থেকে অনেক বেশি শিক্ষিত ও সহিষ্ণু।এই ধর্মে আস্তিক ও নাস্তিক উভয়েই সহাবস্থান দেখা যায়।অনেকেই ইসলামি মৌলবাদীদের রুখতে হিন্দুত্ববাদের দিকে ঝুঁকছে।তাই বঙ্গে এতদিন হিন্দুত্ববাদীদের টিকি খুঁজে না পাওয়া গেলে ও বর্তমানে পাওয়া যাচ্ছে।ধর্ম মারা যাচ্ছে তবে তার মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত মারা যাচ্ছে ইসলাম।তাই ইসলাম মারা পড়লে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে এবং হিন্দুত্ববাদী ও অন্যান্য কোন ধরনেরই ধর্মীয় কট্টরপন্থার অস্তিত্ব থাকবে না।

তাই সকল শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাছে অনুরোধ গবাদি বিধির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করুন।ভারতের ধর্ম নিরপেক্ষতার আদর্শ যেন বজায় থাকে তা রক্ষাতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপান।আর আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারকে বাধ্য করবে এই ধর্মান্ধনীতি ত্যাগ করে বাস্তব উপযোগীনীতি গ্রহণ করতে।প্রধানমন্ত্রী মোদী ও বিজেপি নেতৃত্বকে স্বরণ করিয়ে দিতে চাই আপনাদের নীতিই "সাবকা সাথ সাবাকা বিকাশ " এবং তিন তালাক নিয়ে আপনি আপনার সদিচ্ছা ও দেখিয়েছেন।আমরা অাশাবাদী আপনি আপনার কথা রাখবেন।না হলে আমাদের প্রতিবাদ আর ও তীব্র হবে।তাই ধর্মান্ধনীতি ত্যাগ করে রাজধর্ম পালন করুন।
----------------------------------------------

ন্যায়ের দেবী জাস্টিশিয়ার মূর্তি অপসারণ :-
**********************************************

বাংলাদেশ বর্তমানে উত্তাল কারণ মৌলবাদী হেফাজতি ইসলামকে খুশি করতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে ন্যায়ের প্রতিমূর্তি রোমান দেবী জাস্টিশিয়ার মূর্তি অপসারণ করা হয়েছে,তবে তা আবার সুপ্রিম কোর্টের পিছনের দিকে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।এখন প্রশ্ন হল এই মূর্তি অপসারণ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল?কারণ এই মূর্তি শুধু আর মূর্তির মধ্যেই আবদ্ধ নেই বরং তা ছড়িয়ে পড়েছে দুই বিরুদ্ধ মতাদর্শের লড়াইয়ে একদিকে মৌলবাদী হেফাজতিদের নেতৃত্বে কট্টর শরিয়াপন্থীরা অন্যদিকে সমস্ত শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মুক্তচিন্তার মানুষরা।আজ মৌলবাদীদের খুশি করতে শেখ হাসিনা যেভাবে মূর্তিটি সরাল তা চরম লজ্জার এতে মৌলবাদীদের মনোবল বৃদ্ধি পাবে তারা মনে করবে সরকারকে আমরা যা ইচ্ছা করাতে পারি।এরপর দাবী তুলবে দেশের সমস্ত মূর্তি সরানো হোক,দেশে শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা হোক,দেশে নারীদের শিক্ষা অর্জন হারাম,তাদের কাজ করতে দেওয়া যাবে না ইত্যাদি...।নারী নেতৃত্ব হারাম এই দাবী ও তুলতে পারে তখন শেখ হাসিনা কি করবেন ?

বাংলাদেশকে এরা তালিবানিস্তানে পরিণত করতে চাই ।এই ঘটনাতে বহু মুক্তচিন্তার মানুষ মনে আঘাত পেয়েছেন,তারা অনেকেই হতাশ হয়েছেন,অনেকেই ভাবছেন দেশটার কি হবে? তাদের উদ্দেশ্যে বলি হতাশ হোয়ো না বন্ধু!লড়াই চালিয়ে যেতে হবে, মুক্তচিন্তা পরাজিত হতে পারে না,আমরা জয়লাভ করবই।এখন প্রশ্ন হল এই সব হেফাজতি,জামাতি নরপশুদের হাত থেকে কি ভাবে দেশকে রক্ষা করব?এপ্রসঙ্গে বলার আগে বাংলাদেশ সম্পর্কে আমার নিজের কিছু অভিব্যক্তি ভাগ করে নিতে চাই -কিছু দিন আগে ও আমি বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশেষ কিছু ভাবতাম না।মনে করতাম বাংলাদেশ একটি দরিদ্র ও মূর্খ মানুষদের দেশ,তাই ওই দেশ নিয়ে কি আর ভাবার আছে।যখন বয়স্ক মানুষদের কাছে তাদের বাংলাদেশের ভিটেমাটি ছেড়ে চলে আসার যন্ত্রণাদায়ক কথা শুনতাম তখন মনে হত অত পুরানো দিনের কথা ভেবে আর লাভ কি ? তারপর আনলাইনে লেখালিখির সুবাদে বাংলাদেশের বড় বড় মুক্তচিন্তার মানুষদের সঙ্গে পরিচিত হতে লাগলাম।তারপর থেকে আমি আসল বাংলাদেশকে চিনতে শুরু করলাম।বুঝলাম বাংলাদেশ শুধু ধর্মান্ধদের দেশই নয় বরং এইদেশ প্রচুর উচচশিক্ষিত ও মানবিক মানুষদের দেশ।এই দেশের মানুষরা উজাড় করে ভালবাসা দিয়েছে।বুঝলাম বাংলাদেশ হচ্ছে আমার স্বপ্নের দেশ,ভালবাসার দেশ,প্রাণের দেশ।এ হচ্ছে আমাদেরই এক ভাই যে ঘৃণ্য ধর্মের কারনে আলাদা হয়ে গেছে।কিন্তু এই প্রাণের থেকে প্রিয় বাংলাদেশকে আমাদের বাঁচাতেই হবে ।এত সুন্দর একটা দেশে গ্রহণ লেগে আছে এই জামাতি ও হেফাজতিদের কারনে এই বর্বরদের বিরুদ্ধে লড়াই চলছে ও চলবে।

যে দেশ তসলিমা নাসরিন,আরজ আলি মাতুব্বরের দেশ,যে দেশ হুমায়ন আজাদ স্যারের দেশ,যে দেশ অভিজিৎ রায়,রাজিব হায়দার,নিলয় নীল,ওয়াশিকুর রহমান প্রমুখ হাজার হাজার মুক্তচিন্তার মানুষের দেশ সে দেশ পরাজিত হতে পারে না।সে দেশ হেফাজতি ও জামাতি নরপশুদের দখলে যেতে পারে না।আমরা আমাদের সর্বশক্তি ও জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও এই দেশকে মৌলবাদী শক্তির হাত থেকে রক্ষা করব।অনেকে ভাবছেন বাংলাদেশকে নিয়ে এত চিন্তার কি আছে? বা ওটা অন্যদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় আমরা কি ভাবে সাহায্য করতে পারি?তাদের উদ্দেশ্যে বলি বাংলাদেশ অন্য দেশ এটা ভেবে চুপকরে বসে থাকার কোন কারণই নেই।আসলে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের রক্তের সম্পর্ক,ভাষা ও সংস্কৃতি আমাদের একই ।বাংলাদেশে ধর্মান্ধতা বৃদ্ধি পেলে দেখি এ বঙ্গের গ্রামে গঞ্জে উগ্র ধর্মান্ধ মোল্লাদের ওয়াজ,মেহেফিলের ভিডিও,টেপ চালানো হয় যা দেখে এদেশের ছেলে মেয়েরা ধর্মান্ধ ও উগ্র হয়ে যায়।আবার অন্যদিকে বাংলাদেশে মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটলে এ বঙ্গে ও হাজার হাজার মানুষ মুক্তচিন্তায় দীক্ষিত হয়।তাই কেউ যদি এ বঙ্গে বসে এটা ভাবে যে ওটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় আমাদের কিছুই করার নেই তাহলে বলব সে মূর্খের প্রলাপ করছে।

বাংলাদেশ ধর্মান্ধ রাষ্ট্রে পরিণত হলে আমরা ও ধর্মান্ধতার দিকে অগ্রসর হব এবং বাংলাদেশ মানবিক রাষ্ট্রে পরিণত হলে আমাদের দেশ ও সমাজ মানবিক হবে।তাই সমস্ত শক্তি দিয়ে মুক্তচিন্তাকে সমর্থন করুন ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নিজের স্বাধ্যমত চেষ্টা করুন।না হলে সেই দশা হবে -" ঘুটে পোড়ে আর গোবর হাসে "।অনেকে ভাবছেন এই ধর্মান্ধদের বিরুদ্ধে আমরা কিভাবে লড়াই করব?তাদের উদ্দেশ্যে বলি আমাদের অস্ত্র হবে যুক্তি ও কলম।এভাবেই বহুদেশে যুগে যুগে পরিবর্তন হয়েছে।অনেকে ভাবছেন এতে আদেও কি কোন কাজ হবে ?তাদের বলি যখন তসলিমা নাসরিন লিখতে শুরু করেছিল তখন তাকে দেশ ত্যাগী হতে হয়েছে,তার বই পোড়ানো হয়েছে ,নিষিদ্ধ হয়েছে তার বইগুলি কিন্তু মুক্তচিন্তা কি থেমে থেকেছে ? তাহলে সেই সময়ের থেকে আজ বর্তমানে কি আমরা আনেক বেশি শক্তিশালী নয় ? একটা তসলিমা নাসরিন বা সালমান রুশদী যদি এই ধর্মের ভিত্তি নড়িয়ে দেয় তাহলে এই ইন্টারনেটের যুগে হাজার হাজার তসলিমা ও সালমান রুশদীরা এই বর্বর ধর্মের কি অবস্থা করবে একটু ভেবে দেখেছেন কি?আসলে আমাদের শক্তি কতটা তা মৌলবাদী শক্তিরা ভাল করেই বুঝতে পারছে।তাই যুক্ততে না পেরে উঠে শুধু গালাগালি,হুমকি,ধামকি ও চাপাতি দিয়ে কোপ দেওয়ার কথা চিন্তা করে ।কিন্তু বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে ধর্মান্ধরা কয়জনকে চাপাতি দিয়ে খুন করবে?

চাপাতি দিয়ে আমাদের সত্য সংগ্রামকে আর থামানো যাবে না।তাই দিনের শেষে অনেক মুমিনভাইরা ও সত্য জেনে মানবিক মানুষ হচ্ছেন ।ইসলামি মৌলবাদী শক্তি বালির বাঁধের মত ভেঙ্গে যাচ্ছে।অন্ধকার যতই গাঢ় হোক না কেন তা দূর করতে ছোট্ট একটি দেশলাই কাঠিই যথেষ্ট ।আমাদের সম্মিলিত জ্ঞানের ছোট্ট ছোট্ট দীপ শিখা দিয়ে এই ধর্মান্ধতার অন্ধকার চিরদিনের মত শেষ হয়ে যাবে।অন্ধকার,আলোকে স্থান দিতে বাধ্য হবে যুগে যুগে দেশে দেশে তাই হয়ে এসেছে।পরিশেষে ভারত ও বাংলাদেশের সুশীল নাগরিকদের কাছে অনুরোধ-আমরা নিজেরা যেমন হই,আমরা তেমনই শাসক পায়।তাই আপনারা সচেতন থাকুন।প্রতিটি দেশেই বুদ্বিদীপ্ত নাগরিক সমাজের এক বিশাল দায়িত্ব থাকে,আপনারা এই বর্বর ধর্মান্ধতাকে প্রতিহত করুন।ভারতে হিন্দুত্ববাদী চিন্তা ধারা ও অবশ্যই মৌলবাদী শক্তিগুলিকে ও রুখতে হবে ।অন্যদিকে বাংলাদেশকে মোল্লাতন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।মানবতা প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে আমরা পরস্পরের সাথী হব এবং আশা রাখি আমাদের সম্মিলিত প্রয়াসে ধর্মান্ধতা মুক্ত এক মানবিক পৃথিবী গড়ে তুলব।

একটি বিষয়ে আমি নিশ্চিত যখন আমাদের মধ্যে ধর্মীয় অনুভূতিগুলি মৃত প্রায় হবে এবং ধর্ম গুলি মারা পড়বে তখন আমাদের মধ্যে মিলন সম্ভব হবে।তখন আমরা স্বাধীনতার পূর্বের যে অখণ্ড ভারত ছিল সেই অখণ্ড ভারতবর্ষ আবার পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।এই অখণ্ড ভারতের সদস্য দেশগুলি হবে-পাকিস্তান,বাংলাদেশ,আফগানিস্তান,নেপাল ,ভুটান,মায়ানমার ও শ্রীলঙ্কা ।কারণ আমরা এক সময় বৃহৎ ভারতবর্ষেরই অংশ ছিলাম আমরা আলাদা হয়ে বরং দুর্বলই হয়েছি ।পাকিস্তান ও আফগানিস্তান মৌলবাদী দেশে পরিণত হয়েছে,ওই দেশ গুলির অর্থনীতি ও শেষের পথে ।বাংলাদেশের আবস্থা ও বিশেষ ভাল নয় অর্থনৈতিক দিক থেকে দুর্বল হয়েছে ও কট্টরপন্থা বৃদ্ধি পেয়েছে।আমরা একত্রিত থাকলে এই ধর্মান্ধতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারত না ।আজ আমরা একত্রিত হলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত হতে পারতাম,তাই আমাদের একত্রিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা আছে ,যা ভবিষ্যৎ এ ঘটবে বলে আমি বিশ্বাস করি।ধর্মের কারণেই দেশ ভাগ হয়েছে আর ধর্ম না থাকলে দেশ আবার এক হবে।ভবিষ্যৎ এ তাই এগুলি সবই সম্ভব ।এটা কোন অলীক কল্পনা নয় বরং ধর্ম গুলি মারা পড়লে এটাই হবে বাস্তব সত্য ঘটনা।পশ্চিম জার্মানি ও পূর্ব জার্মানি যদি এক হতে পারে তাহলে আমরা এক হতে পারব না কেন ?

(বিদ্রঃ-পোস্টটি গবাদিবিধি ও জাস্টিশিয়ার মূর্তি অপসারণ পেক্ষাপটে লেখা তবে ভারত,বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ প্রেক্ষিতে লেখাটি প্রাসঙ্গিক।)

বিভাগ: 

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

রক্তিম বিপ্লবী
রক্তিম বিপ্লবী এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 3 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, আগস্ট 29, 2017 - 3:02অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর