নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • মুফতি মাসুদ
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সৈকত সমুদ্র
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

ইসলাম ধর্মে কোন জবর দস্তি নেই, কারন যুদ্ধ , খুন এসব কোন জবর দস্তি না, এটা হলো জিহাদ


ইসলাম হলো চুড়ান্ত শান্তির ধর্ম। আর সেটা অর্জন করতে হলে যুদ্ধ , তরবারি চালাতে হবে , অমুসলিমদের কণ্ঠ রোধ করে তাদেরকে ইসলামের পতাকাতলে আসতে বাধ্য করতে হবে , আর তাহলেই অর্জিত হবে চুড়ান্ত শান্তি। যেমন কোরানে বলেছে ---

সুরা তাওবা -৯:৫: অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।

সুরা তাওবা-৯:২৯: তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।

সুরা তাওবা-৯:৭৩:হে নবী, কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করুন এবং মুনাফেকদের সাথে তাদের সাথে কঠোরতা অবলম্বন করুন। তাদের ঠিকানা হল দোযখ এবং তাহল নিকৃষ্ট ঠিকানা।

সুতরাং শান্তির একটা অন্যতম উপায় হলো অমুসলিমদেরকে যেখানে পাওয়া যাবে , সেখানেই যুদ্ধ করতে হবে , হত্যা করতে হবে। এখনই হয়ত কিছু মুনাফিক এসে বলা শুরু করবে , উক্ত আয়াতগুলো সব যুদ্ধের প্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছিল। কিন্তু উক্ত আয়াতগুলো পড়লে কি মনে হয় যে কোন যুদ্ধের প্রেক্ষিতে আয়াতগুলো নাজিল হয়েছিল আর মুহাম্মদ আত্মরক্ষার জন্যে উক্ত শান্তির বানী বর্ষন করছিল ? দেখুন উক্ত আয়াতে কোথাও বলে নি যে অমুসিলমরা মুহাম্মদকে আক্রমন করছিল , আর তাই মুহাম্মদ উক্ত আয়াতগুলো বলছিল। সেটা আরও পরিস্কার করে বুঝতে হলে উক্ত আয়াতগুলোর ব্যখ্যা স্বয়ং মুহাম্মদের কাছ থেকেই আমরা জানতে পারি , যেমন ---

কিতাবুল ঈমান অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩০
আবু তাহির, হারমালা ইবন ইয়াহইয়া ও আহমাদ ইবন ঈসা (র)……আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই - এ কথার সাক্ষ্য না দেওয়া পর্যন্ত লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আমি আদিষ্ট হয়েছি । সূতরাং যে কেউ আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নেই স্বীকার করবে, সে আমা হতে তার জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে; তবে শরীআতসম্মত কারণ ব্যতীত । আর তার হিসাব আল্লাহর কাছে ।

কিতাবুল ঈমান অধ্যায় ::সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ৩৩
আবু গাসসান-আল মিসমাঈ মালিক ইবন আবদুল ওয়াহিদ (র)……আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে,রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, লোকদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আমি আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষন না তারা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল এবং নামায কায়েম করে, যাকাত দেয় । যদি এগুলো করে তাহলে আমা থেকে তারা জানমালের নিরাপত্তা লাভ করবে, তবে শরীআতসম্মত কারন ছাড়া । আর তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর কাছে ।

তার মানে দেখা যাচ্ছে , অমুসলিমরা যে মুহাম্মদকে নবী স্বীকার করছে না , আর তার আল্লাহকে বিশ্বাস করছে না , সেই কারনেই অমুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। হাদিসগুলো কিন্তু বলে নাই , অমুসলিমরা যদি আক্রমন করে , তাহলেই তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হবে। এছাড়া মুহাম্মদ নিজেই বলছে যুদ্ধ ও সন্ত্রাস তৈরীর মাধ্যমে ইসলাম প্রচার ও প্রতিষ্ঠা করতে হবে আর তাহলেই যাওয়া যাবে জান্নাতে ,যেমন ---

জিহাদ অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ২২০
ইয়াহ্ইয়া ইব্ন বুকাইর (র)...............আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, অল্প শব্দে ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য বলার শক্তি সহ আমি প্রেরিত হয়েছি এবং শত্রুর মনে ভীতির সঞ্চারের(সন্ত্রাস সৃষ্টি) মাধ্যমে আমাকে সাহায্য করা হয়েছে।

জিহাদ অধ্যায় ::সহিহ বুখারী :: খন্ড ৪ :: অধ্যায় ৫২ :: হাদিস ৭৩
আব্দুল্লাহ ইব্ন মুহাম্মদ (র)............উমর ইব্ন উবায়দুল্লাহ (র)-এরাযাদকৃত গোলাম ও তার কাতিব আবূন নাযর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ ইব্ন আবূ আওফা (রা) তাঁকে লিখেছিলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, তোমরা জেনে রাখ, তরবারীর ছায়ার নীচেই জান্নাত।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে , ইসলাম হলো চুড়ান্ত শান্তি অর্জনের পথ যা অর্জন করা যাবে , অমুসলিমদেরকে আক্রমন করে , হত্যা করে , তাদের কণ্ঠকে চিরতরে স্তব্ধ করে দিয়ে। একেই বলে জিহাদ। আর এই জিহাদের দ্বারাই গোটা দুনিয়ায় অর্জিত হবে চির শান্তি।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

কাঠমোল্লা
কাঠমোল্লা এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 12 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, এপ্রিল 8, 2016 - 4:48অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর