নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • শ্মশান বাসী
  • সলিম সাহা
  • মৃত কালপুরুষ
  • মাহের ইসলাম

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

হ্যাপী বার্থডে মুহাম্মদ!


নবী মুহাম্মদের জন্ম নিয়ে কিছুটা ধোয়াশা আছে, বাবা আব্দুল্লাহর মৃত্যুর চার বছর পর মুহাম্মদের জন্ম। লিখার বিষয়বস্তু মুহাম্মদ জারজ কি নাজারজ এটা না। জন্ম হোক যথাতথা কর্ম হোক ভাল। যীশুও ঈশ্বরের অবৈধ পুত্র - তাতে যীশুর যেমন দোষ নেই, মুহাম্মদের জন্মে তার দোষ নেই। প্রকৃতি যেমন জারজ সন্তানদের ফেলে দেয় না, একজন মুক্তমনা মানুষ কখনো জন্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে না। মূল আলোচনা হচ্ছে আমার (অবিশ্বাসী) দৃষ্টিতে মুহাম্মাদ।

অবিশ্বাসী হওয়ার প্রথম দিকে যখন বুঝতে শুরু করেছিলাম ধর্ম গ্রন্থ ভুয়া, তখন মুহাম্মাদকে শ্রেষ্ঠ মানব হিসেবে আখ্যায়িত করে ঈমান ধরে রাখার শেষ চেষ্টা করেছিলাম। মুহাম্মদের নবুয়্যত দাবি ছিলো সবচেয়ে বড় ভন্ডামী তথাপি নিজেকে বুঝ দিতে লাগলাম - নবুয়্যত ভন্ডামী হলেও তিনি তখনকার আরবে বর্বরতা বিরুদ্ধে রুখে দাড়িয়ে ছিলেন। তিনি সফল রাষ্ট্র নায়ক ছিলেন, তিনি মানুষকে সংগঠিত করেছিলেন, বিশাল এক গুষ্টির আস্থা অর্জন করেছিলেন। নিঃসন্দেহে একজন ভালো মানব না হলে এগুলো তার পক্ষে সম্ভব ছিলো না।

মনে পড়ে ঈমান ধরে রাখতে গিয়ে ইজতেমা মাঠ থেকে হেঁটে মহাখালী বি এফ শাহীন কলেজ গেট পর্যন্ত এসেছিলাম। এগারটায় বওনা হয়ে সাড়ে চারটা পর্যন্ত একটানা হাঁটলাম কিন্তু আল্লাহ না চাইলে ঈমান ধরে রাখা সম্ভব না। মুহাম্মদকে পুরোপুরি জানতে গিয়ে তার প্রতি শেষ সম্মানটুকুও খোয়ালাম।
পয়গম্বরদের মধ্যে নিকৃষ্টতার দিক দিয়ে মুহাম্মদই প্রথম। মক্কায় থাকা কালীন মানুষের প্রতি ভালবাসা ছিলো এবং তিনি যথেষ্ট পরিমাণ নিপীড়িত ছিলেন এ কথা সত্য। মদিনায় হিজরত করার পর তিনি যতটা হিংসুক, প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে ওঠেন - অন্য পয়গম্বরদের বেলায় এতটা দেখা যায় না। মূর্তি ভেঙে একটা বিশ্বাস বাতিল করে আরেকটি অন্ধ বিশ্বাস ঢুকিয়ে দেন। পৌত্তলিক ধর্মে যেখানে সব বিশ্বাসের লোকেরাই আরবে থাকার সুযোগ পেতে, মুহাম্মদ তার ধর্মে সেই সুযোগটি রাখলেন না। মানুষ তার নিজস্ব বিশ্বাস নিয়ে বেচেঁ থাকবে সেই ধারণা বাতিল করে তিনি বিশ্বের মানুষকে দুভাগে ভাগ করলেন মুসলিম আর অমুসলিম। তিনি সকল মানুষের দুর্দশা দূর করবেন এই বিশ্বাসটি তাই আর রইলো না। তিনি কেবল মুসলমানদের আধিপত্য চেয়েছিলেন।

আল্লার বার্তাবাহক হয়ে তাকে সত্তোর্ধ যুদ্ধ করতে হয়েছে। অন্য কোন পয়গম্বরদের এতগুলো যুদ্ধ করতে হয়নি। যুদ্ধ করতে যেয়ে তিনি অপ্রাপ্তবয়স্কদের হত্যা করেছেন, নারীদের গনিমতের মাল করেছেন, লুন্ঠন করেছে সম্পদ। নবুয়ত দাবীকারী একজন রাসূলের পক্ষে আল্লার আইন প্রতিষ্ঠার নামে এই কাজ গুলো কতটুকু যুক্তিক মাথায় কিছু থেকে থাকলে বুঝে নিতে পারবেন।
তিনি চিন্তাশীল মানুষদের একটি গন্ডির মধ্যে নিয়ে আসতে চাইলেন। বিরুদ্ধ মত তিনি সহ্য করতেন না, চিন্তাশীল কবি, সাহিত্যিকদের তিনি কাপুরুষের মত হত্যা করেছেন।

ভয়, লোভ আর ক্ষমতা দিয়ে তিনি মানুষকে জয় করলেন, জোরপূর্বক প্রতিষ্ঠা হলো তার মতবাদ। সেচ্ছায় যেকোন ধর্ম গ্রহণ করার স্বাধীনতা খর্ব করলেন, জয় করলেন মানুষকে।

তোমার রক্ত মাখা বিজয়ী পতাকা আজও আতঙ্কিত করে বিশ্ববাসীকে। ভীত সন্ত্রস্ত মনে তাই জন্ম দিনের শুভেচ্ছা তোমার প্রতি।

# হ্যাপি বার্থডে মুহাম্মদ।

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

তায়্যিব
তায়্যিব এর ছবি
Offline
Last seen: 2 months 2 weeks ago
Joined: বুধবার, ফেব্রুয়ারী 10, 2016 - 12:31অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর