নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বেহুলার ভেলা
  • গোলাপ মাহমুদ
  • দীব্বেন্দু দীপ
  • মুফতি মাসুদ

নতুন যাত্রী

  • বিদ্রোহী মুসাফির
  • টি রহমান বর্ণিল
  • আজহরুল ইসলাম
  • রইসউদ্দিন গায়েন
  • উৎসব
  • সাদমান ফেরদৌস
  • বিপ্লব দাস
  • আফিজের রহমান
  • হুসাইন মাহমুদ
  • অচিন-পাখী

আপনি এখানে

রাধা - কল্পনা থেকে কাব্য!


পা যুগল বাকিয়ে বাঁশি হাতে দাড়িয়ে থাকা একটা মানুষ, তার পাশে একজন রমনী। এরকম প্রতিমা কিংবা ফটোতে এভাবেই 'ঠাকুর' দেখে আমাদের বড় হওয়া। একটু বড় হয়ে জানলাম পাশে দাড়িয়ে থাকা রমনীটি 'ঠাকুরে'র প্রেমিকা! ঠাকুর শুধু বাঁশি বাজান, লীলা খেলেন, গোপীদের কাপড় আর ননী চুরি করেন! ঠাকুর সে রমনীর সাথে প্রেম করেছেন, কিন্তু বিয়ে করেননি। কি অদ্ভুত ব্যাপার স্যাপার। অন্যধর্মের 'ঠাকুর'রাতো এত চরিত্রহীন হয় না...

মহাভারত দেখে একটু একটু বুঝতে পারলাম এই 'ঠাকুর' সুদর্শন চক্রও চালাতে পারেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে অর্জুনের রথের সারথি হয়ে রথ চালিয়েছেন। মামা কংস বধ ছাড়াও বহু অসুরকেও হত্যা করেছেন। তাহলে আমাদের ছোট বেলায় এটা শিখানো হল কেন এই 'ঠাকুর' শুধু বাঁশি বাজাতে পারেন! লীলা আর ননি চুরি ছাড়া এই 'ঠাকুরে'র কোন কাজই নাই! অন্যধর্মের কেউতো তাদের 'ঠাকুর'কে এতটা চরিত্রহীন প্রমাণের দুঃসাহস করেনা...

বলছিলাম ভগবান শ্রীকৃষ্ণের কথা। ভগবান বানিয়েও হিন্দুরা যাকে হাসাহাসির পাত্র বানিয়েছে! আসলে হিন্দুরা না, বৈষ্ণবরা।
বঙ্কিমের 'কৃষ্ণচরিত্র' প্রবন্ধে কৃষ্ণ সম্পর্কে একটা চমৎকার কথা আছে।

"অনন্তপ্রকৃতি ঈশ্বর উপাসকের প্রথমাবস্থায় তাহার আদর্শ হইতে পারেন না, ইহা সত্য, কিন্তু ঈশ্বরের অনুকারী মনুষ্যেরা, অর্থাৎ যাঁহাদিগকে গুণাধিক্য দেখিয়া ঈশ্বরাংশ বিবেচনা করা যায়, অথবা যাঁহাদিগের মানবদেহধারী ঈশ্বর মনে করা যায়, তাঁহারাই সেখানে বাঞ্ছনীয় আদর্শ হইতে পারেন। এই জন্য যীশুখৃষ্ট খ্রীষ্টীয়ানের আদর্শ, শাক্যসিংহ বৌদ্ধের আদর্শ...
কিন্তু এরূপ ধর্মপরিবর্ধক আদর্শ যেরূপ হিন্দুশাস্ত্রে আছে,এমন আর পৃথিবীর কোন ধর্মপুস্তকে নাই - কোন জাতির মধ্যে প্রসিদ্ধ নাই। জনকাদি রাজর্ষি,নারদাদি দেবর্ষি,বশিষ্ঠাদি ব্রহ্মর্ষি,সকলেই অনুশীলনের চরমাদর্শ। তাহার উপর শ্রীরামচন্দ্র,যুধিষ্ঠির,অর্জুন,লক্ষণ,দেবব্রত,ভীষ্ম প্রভৃতি ক্ষত্রিয়গণ আরও সম্পূর্ণতা প্রাপ্ত আদর্শ। খ্রীষ্ট ও শাক্যসিংহ কেবল উদাসীন,কৌপীনধারী নির্মল ধর্মবেত্তা। কিন্তু ইঁহারা তা নয়। ইঁহারা সর্বগুণবিশিষ্ট - ইঁহাদিগেতেই সর্ববৃত্তি,সর্ব
াঙ্গসম্পন্ন স্ফূর্তি পাইয়াছে। ইঁহারা সিংহাসনে বসিয়াও উদাসীন; কার্মুকহস্তেও ধর্মবেত্তা; রাজা হইয়াও পণ্ডিত; শক্তিমান হইয়াও সর্বজনে প্রেমময়। কিন্তু এই সকল আদর্শের উপর হিন্দুর আর এক আদর্শ আছে,যাঁহার কাছে আর সকল আদর্শ খাটো হইয়া যায় - যুধিষ্ঠির যাঁহার কাছে ধর্ম শিক্ষা করেন, স্বয়ং অর্জুন যাঁহার শিষ্য,রাম ও লক্ষণ যাঁহার অংশমাত্র,যাঁহার তুল্য মহামহিমাময় চরিত্র কখন মনুষ্যভাষায় কীর্তিত হয় নাই।"

আমাদের শৈশব থেকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া প্রেমিক কৃষ্ণ, ননীচোর কৃষ্ণ আর বিধর্মীদের ভাষায় 'লুইচ্চা' কৃষ্ণ ছাড়াও শ্রীকৃষ্ণের আলাদা বিশাল একটা অধ্যায় আছে। বৈষ্ণবদের অতিরিক্ত প্রেম কৃষ্ণের হাতে সুদর্শন চক্রের বদলে বাঁশি ধরতে বাধ্য করিয়েছে। ঠিক যেমন শ্রীচৈতন্যের ভাবধারা বাদ দিয়ে পরবর্তীতে বৈষ্ণবরা তার প্রেমভাব নিয়ে বিকৃত চিন্তাধারার বিস্তার ঘটিয়েছে...

তারপরেও তার জীবনে 'রাধা' চরিত্র নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। এই রাধা কে? তিনি কি ভাববাদী বৈষ্ণবীয় দর্শনের কোন দার্শনিক তত্ত্ব? তিনি কি বৈষ্ণব সাহিত্য সৃষ্ট শ্রীকৃষ্ণের কোন মনবনবিহারিণী প্রাণবল্লভী? অর্থাৎ বৈষ্ণবীয় কবিদের অসাধারণ সর্জন প্রতিভাসঞ্জাত কাল্পনিক কোন রূপসী প্রতীকি নারী সত্তা! তিনি কি কোন এক আয়ান ঘোষের স্ত্রী? তিনি আসলে কে!

ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ ও কবি জয়দেবের কাব্যগ্রন্থ ছাড়া কোন প্রাচীন গ্রন্থেই রাধা নাই। মূল মহাভারতে রাধা নাই। চার বেদে রাধা নামক কোন রমনীর নামগন্ধ নাই! ১০৮টি উপনিষদের সুবিশাল জ্ঞান-বিজ্ঞানের দিগন্তে রাধা নামক কোন তত্ত্ব জিজ্ঞাসু বা কৃষ্ণ প্রেয়সী রমনীর পদচারণ নাই। মূল রামায়ণেও রাধা অনুপস্থিত। শ্রীকৃষ্ণের মুখনিসৃত গ্রন্থ গীতার ৭০০ শ্লোকের মধ্যেও রাধা নাই। এমনকি বৈষ্ণব ধর্মীয় মানুষজনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ মূল ভাগবতের রাসপঞ্চাধ্যায়ের ভিতরেও শ্রীকৃষ্ণের শক্তিরূপিনী কোন রাধা নামের সুস্পষ্ট উল্লেখ নাই।

বঙ্কিম তাঁর 'কৃষ্ণচরিত্র' প্রবন্ধে যেভাবে রাধাকে বর্ণণা করেছেন তা নিচে তুলে ধরলাম।
"...... ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে আর জয়দেবের কাব্য ভিন্ন কোন প্রাচীন গ্রন্থে রাধা নেই। ভাগবতের এই রাসপঞ্চাধ্যায়ের মধ্যে 'রাধা' নাম কোথাও পাওয়া যায় না। বৈষ্ণবাচার্যদিগের অস্থিমজ্জার ভিতর রাধা নাম প্রবিষ্ট। তাঁহারা টীকা টিপ্পনীর ভিতর পুনঃপুনঃ রাধা প্রসঙ্গ উত্থাপিত করিয়াছেন কিন্তু মূলে কোথাও রাধার নাম নাই। গোপীদিগের অনুরাগাধিক্যজনিত ঈর্ষার প্রমাণ স্বরূপ কবি লিখিয়াছেন যে তাহারা পদচিহ্ন দেখিয়া অনুমান করিয়াছিলেন যে, কোন এক গোপীকে লইয়া কৃষ্ণ বিজনে প্রবেশ করিয়াছিলেন। কিন্তু তাহাও গোপীদিগের ঈর্ষাজনিত ভ্রম মাত্র। শ্রীকৃষ্ণ অন্তর্হিত হইলেন এই কথাই আছে, কাহাকে লইয়া অন্তর্হিত হইলেন এমন কথা নাই এবং রাধার নামগন্ধও নাই।
রাসপঞ্চাধ্যায়ে কেন, সমস্ত ভাগবতে কোথাও রাধার নাম নেই। ভাগবতে কেন, বিষ্ণুপুরাণে, হরিবংশে বা মহাভারতে কোথাও রাধার নাম নেই। অথচ এখনকার কৃষ্ণ উপাসনার প্রধান অঙ্গ রাধা! রাধা ভিন্ন এখন কৃষ্ণ নাম নেই। রাধা ভিন্ন এখন কৃষ্ণের মন্দির নেই বা মূর্তি নেই। বৈষ্ণবদিগের অনেক রচনায় কৃষ্ণের অপেক্ষাও রাধা প্রাধান্য লাভ করিয়াছেন, তবে এ 'রাধা' আসিলেন কোথা হইতে?"

ঋষি বঙ্কিমের এই প্রশ্ন খুবই সঙ্গত। 'বৈষ্ণব পদাবলী পরিচয়' গ্রন্থের লেখক অধ্যাপক শান্তিরঞ্জন ভৌমিক,ড. শশীভূষন দাশগুপ্ত, ডাঃ নীহার রঞ্জন রায় প্রমুখ ব্যক্তিবর্গরাও রাধা চরিত্রকে ভ্রান্ত এবং মধ্যযুগ পরবর্তী গৌড়ীয় বৈষ্ণববাদী সম্প্রদায় কর্তৃক নতুন করে আবিষ্কৃত এক সত্বা বলেই রায় দিয়েছেন।

রাধা আসলেই কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব নয়। গৌড়ীয় বৈষ্ণব দার্শনিকরা দার্শনিকতত্ত্ব রূপে (যা মাত্র ৫০০ বৎসরের প্রাচীন) শ্রীকৃষ্ণের লীলা শক্তির যে প্রধান তিন ভাগের (স্বরূপ শক্তি, জীবশক্তি ও মায়া শক্তি) বর্ণণা করেছেন সেই তিনটি মূখ্য উপভাগ রয়েছে (অর্থাৎ সৎ, চিৎ ও আনন্দ) সেই উপভাগের মধ্যে আনন্দ তত্ত্বটি বা হ্লাদিনী তত্ত্বের মানবী রূপ হিসেবে কল্পনা করেছেন রাধাকে। অর্থাৎ রাধা হলেন সম্পূর্ণত গৌড়ীয় বৈষ্ণবদের এবং গৌড়ীয় দার্শনিকদের আনন্দ বা হ্লাদিনী নামক তত্ত্বের কাল্পনিক মানবিক চরিত্র মাত্র! রাধার কোন ঐতিহাসিকতা বা বাস্তব অস্তিত্ব কোন কালেও ছিল না। কালের বিচারে এই রাধা তত্ত্বটাও খুব অর্বাচীন। রাধাকে সৃষ্টি করা হয়েছিল সাহিত্যরস সৃষ্টির খাতিরে। সেই জন্যে আমরা রাধাকে ব্যাপকভাবে দেখতে পাই সাহিত্য জগতে। বৈষ্ণব কাব্যে কবি জয়দেব, কবি চণ্ডীদাস, কবি বিদ্যাপতি, কবি জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস, কবি বলরাম দাস প্রভৃতি কবিদের রচনার ছত্রে ছত্রে রাধা আছেন। নানা ভাব মাধুর্যের লীলা রসে সদা বিচরণশীল। আবার কোথাও কোথাও অতি স্থূল জৈবে দেহ সর্বস্ব আদিরসে কামোদ্দীপক যৌনরুচি বোধে রাধা চরিত্রের চিত্রায়ন ঘটেছে। রাধা তাই ভাববাদী গৌড়ীয় বৈষ্ণব দর্শনের যেমন এক সূক্ষ্ম তত্ত্ব আবার গৌড়ীয় বৈষ্ণব সাহিত্যের তেমনি লীলা রসরঙ্গিনী মানসী চরিত্র। কিন্তু রাধা কোনভাবেই ঐতিহাসিক চরিত্র নয়। কোন সূত্রেই আমরা তার ধর্মীয় শাস্ত্রীয় সমর্থন মূল প্রাচীন ধর্মগ্রন্থগুলিতে খুঁজে পাইনা। অতএব রাধা নামক রক্তমাংসের নারীরূপী কোন মানসী চরিত্র ঐতিহাসিক শ্রীকৃষ্ণের নিষ্কলুষ অনিন্দ্যসুন্দর অনন্যসাধারণ ঐশ্বরীয় জীবনে উপস্থিত ছিল না।

তারপরেও অনেকের প্রশ্ন মন্দিরে কৃষ্ণের সাথে রাধাকে পূজা করা হয় কেন? প্রাচীন হাজার বছরের পুরানো যতগুলো মন্দির আছে কোনখানেই 'কৃষ্ণ' এর সাথে রাধাকে পূজা করা হয় না। কারণ রাধার জন্মই হয়েছে মধ্যযুগের কবিদের কল্পনায়! তাহলে কি আমরা মন্দির থেকে রাধা বিগ্রহ বের করে দেব? না কখনোই না। রাধা যেমন আছে তেমন থাকুক। আমাদের সত্যটাকে জানতে হবে। রাধা কাল্পনিক চরিত্রের স্বামী, মাসি, পিসি, পিতার সূত্র বের করে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের চরিত্রকে বিকৃত করাও বন্ধ করতে হবে। ইসকনদের মত উগ্র গৌড়ীয় বৈষ্ণবপন্থীরা, যারা 'ভাগবত'কে পর্যন্ত বিকৃত করে ফেলেছে তাদের ভুলতত্ত্ব গুলোকে ধরিয়ে দিতে হবে। গীতার ৭০০ শ্লোক পড়েই নিজেকে বিদ্বান না ভেবে বেদ, উপনিষদ, ভাগবতের জ্ঞান আহোরণ করতে হবে। বৈষ্ণবপন্থীরা হিন্দুদের শতশত বছর ধরে কাল্পনিক মায়ায় জড়িয়ে কান্নায় ভাসিয়ে রেখেছে। হিন্দুরা এখন তাই হরিনামে শুধু কাঁদতেই জানে! পৃথ্বীরাজ চৌহান, শিবাজীর মত রাজারা যদি বৈষ্ণবপন্থী হতো, ভারতবর্ষে আজ হিন্দুদের কোন অস্তিত্বই থাকতো না। বাংলার শেষ হিন্দু রাজা সেন বংশ ছিল শিবের উপাসক, কিন্তু লক্ষণ সেনকে 'বৈষ্ণবপন্থা'র ভাইরাস আক্রমণ করেছিল। শেষ পরিণতি পালিয়ে বাঁচা...

বৈষ্ণববাদীদের এই মায়ার চক্করে পরে মানুষ তার আত্মশক্তিকেই ভুলে যায়। বৈষ্ণববাদকে পুঁজি করেই যুগ যুগ ধরে গুরুরা নিজেদের ভগবান দাবি করে আসছে। গুরুদের আশ্রমে তাই ঈশ্বরের বিগ্রহ থাকেনা, থাকে তাদের নিজেদের বিগ্রহ। হিন্দুদের তেত্রিশ কোটি দেবতা হলে বর্তমানে তেত্রিশ কোটি গুরুও আছে। এসব গুরুরা শুধু পরকালের টিকিট দিতে পেরেছে, ইহলোকে হিন্দুজাতির উন্নতির জন্য এদের অবদান শূন্য। রামকৃষ্ণের কথা অবশ্য আলাদা। কারণ তিনি বৈষ্ণব ছিলেন না, ছিলেন শাক্ত, আর বিবেকানন্দ শৈব। বৈষ্ণব হলে কবেই ভাবের খেলায় ডুবে যেতেন...

মৌলবাদ খুব খারাপ জিনিস। নিজের মত অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া হল মৌলবাদ, অন্যের মতামত গ্রহণ করার অক্ষমতা হল মৌলবাদ। সবচেয়ে বেশী মৌলবাদী হয় বৈষ্ণবরা। নিজেদের মতের সাথে না মিললে তারা ব্যক্তিগত আক্রমণ করে! সুযোগ পেলে তারাও চাপাতি দিয়ে কোপাতো। জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব...

Comments

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

পৃথ্বীরাজ চৌহান
পৃথ্বীরাজ চৌহান এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 2 দিন ago
Joined: শনিবার, জানুয়ারী 28, 2017 - 8:28অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর