নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 10 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • কাঠমোল্লা
  • অর্পিতা রায়চৌধুরী
  • পৃথু স্যন্যাল
  • নুর নবী দুলাল
  • পার্থিব
  • আমি অথবা অন্য কেউ
  • আরণ্যক রাখাল
  • ফারুক
  • ইকারাস
  • আবেদীন পুশকিন

নতুন যাত্রী

  • শিরিন আবু সাঈদ
  • রাজিব দাশ
  • রবিঊল
  • কৌতুহলি
  • সামীর এস
  • আতিক ইভ
  • সোহাগ
  • রাতুল শাহ
  • অর্ধ
  • বেলায়েত হোসাইন

আপনি এখানে

"ও তে ওড়না"


ইংরেজি বছরের প্রথম দিন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের হাতে সারা দেশে পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া হয়। এটা এখন আমাদের দেশে নববর্ষ উদযাপনের এক অনিবার্য অনুষঙ্গ। নতুন বইয়ের ঘ্রাণ শুঁকে অশেষ আনন্দে মন ভাসিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুত হয় নতুন ক্লাসে। বই বিতরণের এই উৎসবটির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বছরজুড়ে কাজ করে যান পুস্তক লেখক, সম্পাদক এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অধিকর্তারা। কাজটির গুরুত্ব অপরিসীম এ জন্য যে এসব পাঠ্যপুস্তকের জ্ঞানভাণ্ডার থেকে আহরিত তথ্যসম্ভারই শিশু শিক্ষার্থীর মনোজাগতিক গঠনের ভিত রচনা করবে।

আমাদের দেশে শিক্ষা নিয়া যেভাবে অবহেলা করা হয় এইরকম মনে হয় না অন্য কোন দেশে করা হয়। আমার মতে উন্নায়নের মূল সূচক হলো শিক্ষা। যে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা যত উন্নত সে দেশ ততো উন্নত। মৌলিক চাহিদার একটি হয়েও শিক্ষা সবসময়ই অবহেলিত। কয়েকদিন পর পরই অধ্যাপক জাফর ইকবাল শিক্ষার মান উন্নায়নে নানা কলাম লেখেন তবে তার পরামর্শ একবারো গ্রহন করা হয় না। আমাদের প্রতিবছরের বাজেটে বরাবরের মতো শিক্ষাখাতে কম বরাদ্দ দেওয়া হয়,,বরাদ্দকৃত অর্থও সঠিকভাবে ব্যয় করা হয় না। শিক্ষামন্ত্রী তার দুইবারের মন্ত্রিত্বের সময়ে বারবার ভয়ংকর ভয়ংকর ভুল করতেছেন। বার বার সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করতে করতে তাকে মানুষজন/শিক্ষাবিদ'রা গাঁজাখোর উপাধি দিচ্ছে কিন্তু আমার মতে এটা বলে তো গাঁজাখোর'দেরও তিরস্কার করা হচ্ছে। আগের মন্ত্রিরা বলতে পেরেছেন তারা সময় পাই নি,কিন্তু উনি তো আট নয় বছর সময় পেলেন তবুও কিছু করতে পারলেন না বরং একের পর এক সমস্যা ডেকে এনেছেন। এটা শুধু তার মন্ত্রণালয়'র ব্যর্থতা নয় পুরো সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী রো ব্যর্থতা। গত কয়েক বছরে শিক্ষাব্যবস্থা'র করুন অবস্থার বিশ্লেষণ করছি।

* আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা হয়ে গেছে মুখস্থনির্ভর। যে যতো মুখস্থ করতে পারবে সে তো শিক্ষিত। শিক্ষার এ নিয়ামত আমি বুঝতে পারি নাই।

* কয়েক মাস আগে শুনলাম প্রাথমিক শিক্ষা অস্টম শ্রেণী পর্যন্ত করা হবে কিন্তু শিক্ষকদের সেভাবে তৈরি বা প্রস্তুত করা হয় নি। শিক্ষক ছাড়া শিক্ষাদান কেমনে চলে ভাই???
* পঞ্চম শ্রেণী ও অস্টম শ্রেণী তে অপ্রয়োজনীয় পাবলিক পরীক্ষা ঢোকানো হয়েছে।

* প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ্যতাবিহীন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।

* ছোট বয়স থেকেও ১২/১৩ টি বইয়ের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

* জিপিএ পদ্দতিতে ৯৯ভাগ পাস করাতে গিয়ে শিক্ষাকে নগ্নাবস্থায় ধর্ষণ করা হয়েছে। লাখ লাখ জিপিএ পাওয়া ছেলে মেয়েরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়'র ভর্তি পরীক্ষাতে পাশ নব্বরও তুলতে পারছে না। প্রতি ইউনিটে গড় পাশের হার ৯-২০ পার্সেন্ট। এ বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।

* মাদরাসাভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা'র উপর সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। মাদরাসার পাঠ্যপুস্তক এ আমরা দেখেছি মৌলবাদী শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। এটিএন নিউজের মুন্নি সাহা টিমের সারাদেশব্যপী চালানো মাদরাসাবিষয়ক রিপোর্ট এ আমরা দেখেছি মাদরাসার বেশিরভাগ শিশু জাতীয় সংগীত জানে না,প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি'র নাম জানে না(আল্লামা শফির নাম জানে),,সিংহভাগ মাদরাসায় জাতীয় পতাকা উত্তলিত হয় না,,জ্ঞান-বিজ্ঞান সম্পর্কে ধারনা রাখে না। এ প্রতিবেদন দেখার পর আমাদের মেরুদণ্ডহীন শিক্ষামন্ত্রী মুন্নি সাহার একটি প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারেনি। এমপিওভুক্তি করে সরকারী কোটি কোটি টাকা বেতন ভাতা হিসেবে মাদরাসা'র শিক্ষক'রা পাচ্ছেন কিন্তু তারা সামান্যতম জাতীয় সংগীত শিখাতে পারছে না শিক্ষার্থীদের।

* ইংরেজি মাধ্যম শিক্ষাব্যবস্থা এর উপর নেই সরকারের নিয়ন্ত্রণ। ওখানেও জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় না।

* শিক্ষামন্ত্রী'র আমলে প্রশ্ন ফাঁসের দারুন খেলা হয়েছে পঞ্চম শ্রেণীর পিএসসি থেকে শুরু করে জেএসসি-এসএসসি-এইচএসসি,,মেডিক্যাল-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নও ফাসঁ হয়েছে। উপরের পর্যায়ে খাদ্য অধিদপ্তর-মৎস্য অধিদপ্তর থেকে শুরু করে বিসিএস পর্যন্ত সব জায়গায় প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে।

* শিক্ষার উন্নায়নের নাম করে সৃজনশীল পদ্দতি আনা হলো। কিন্তু এ সৃজনশীল সম্পর্কে শিক্ষক'রাই পরিপূর্ণ ধারনা রাখে না তাহলে শিক্ষার্থীরা কেমনে বুঝবে এ সৃজনশীল।

* পাঠ্যপুস্তক এ অবরাম ইতিহাস বিকৃতি ও ইতিহাস সংক্ষেপণ চলছে।

* বিনামূল্য পাঠ্যপুস্তক বিতরণ অবশ্যই আওয়ামীলীগ এর একটি বড় সাফল্য। কিন্তু পাঠ্যপুস্তকে সীমাহীন ভুলের কারনে এ বিষয়টি ম্লান হয়ে গেল।

* প্রথম শ্রেনী'র পাঠ্যবইয়ে বর্ণ পরিচয়ে 'ও' বর্ণটিকে চেনানোর জন্য ও তে ওড়না চাই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা সারাজীবন পড়ে আসলাম ও তে ওল। শুধু ওড়না শব্দটিই ব্যবহার করা হয়নি ওড়না চাই বলে ওড়না পরার প্রতি বাধ্যবাধকতা সৃস্টি করা হয়েছে।
'ও' তে ওড়না পড়ি, 'ঔ' তে ঔসুধ খাই (এটা করলেও চলতো)
'ও' তে ওড়না চাই, 'ঔ' তে ঔসুধ খাই (এটা দেওয়া হয়েছে)
পার্থক্যটা সুক্ষ্ম কিন্তু বিশাল।

* প্রথম শ্রেণীর আমার বাংলা বইয়ে বর্ণ পরিচয়ে অ তে অজু করি,ঠান্ডা মাথায় অংক করি। এ বাক্যটি একটি ধর্ম কে নির্দেশ করে,যা অমার্জনীয়।

* প্রথম শেণীর বই'য়ে দেখানো হয়েছে ছাগল গাছে উঠে আম খাচ্ছে,বিষয়টি অত্যন্ত হাস্যকর। যাদের জাতীয় পশু ছাগল তারাও এই ভুল করে না।

* তৃতীয় শ্রেণীর আমার বাংলা বই'য়ে কুসুমকুমারি দাশের আদর্শ ছেলে কবিতাটি বিকৃত করা হয়েছে,যা ন্যাক্কারজনক। কবিতায় শব্দবিন্যাস ও বানান সঠিক না থাকলে তা আর কবিতা থাকে না।

*তৃতীয় শ্রেণীর আরেকটি বইয়ের পিছনের পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে "Do not heart anyone"(Hurt হবে)...এই সামান্যতম ইংরেজি বানান পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নকারী সংস্থা(এনসিটিবি) পারে না।

* হুমায়ুন আজাদ কে নিয়ে বাঙালি মুসলিম সমাজের মধ্যে একটা ক্রেইজ কাজ করে,,হুমায়ুন আজাদ কে গালি দিয়ে দিলাম তার মানে সাচ্চা মুসলমান হয়ে গেলাম।পাঠ্যপুস্তক থেকে দিনদিন আজাদ স্যারের লেখা বাদ দেওয়া হচ্ছে। একটা কথাই বলবো,,"হুমায়ুন আজাদ থেজে যত দূরে যাবে দেশ,পথ হারাবে বাঙলাদেশ"। আমাদের মধ্যে একটা প্রবণতা হচ্ছে কোন একটা জিনিস পুরোপুরি না বুঝেই সেটা নিয়ে আস্ফালন করার প্রবণতা। আসুন হুমায়ূন আজাদের সেই কবিতার মুখোমুখি হই। আমাকে বুঝিয়ে বলুন এই কবিতার ভ্রান্তি গুলো কি কি?
(যাই হোক, কবিতাটা প্রবল দাবীর মুখে পাঠ্যপুস্তক থেকে সরানো হয়েছে)
বই
হুমায়ুন আজাদ
"বইয়ের পাতায় প্রদীপ জ্বলে
বইয়ের পাতা স্বপ্ন বলে।
যে-বই জুড়ে সূর্য ওঠে
পাতায় পাতায় গোলাপ ফোটে
সে-বই তুমি পড়বে।
যে-বই জ্বালে ভিন্ন আলো
তোমাকে শেখায় বাসতে ভালো
সে-বই তুমি পড়বে।
যে-বই তোমায় দেখায় ভয়
সেগুলো কোনো বই-ই নয়
সে-বই তুমি পড়বে না।
যে-বই তোমায় অন্ধ করে
যে-বই তোমায় বন্ধ করে
সে-বই তুমি ধরবে না।
বইয়ের পাতায় প্রদীপ জ্বলে
বইয়ের পাতা স্বপ্ন বলে"।

হুমায়ূন আজাদ এখানে কোন বইয়ের নাম উল্লেখ করেনি ; অথচ মুসলমানরা ধরে নিয়েছে কুরআন শরীফকেই নাকি ইঙ্গিত করেছে । আর এতে নাকি কোমলমতি শিশুদের ইসলাম বিদ্বেষী করা হচ্ছে ।
শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য হলো আলোর পথে আসা অন্ধকার থেকে,,আজাদ স্যার এটাই বোঝাতে চেয়েছেন। কিন্তু নীতিনির্ধারক'রা চান না ছাত্র-ছাত্রীরা আলোর পথে আসুক,এই উদ্দেশ্যেই স্যারের কবিতা বাদ দেওয়া হয়েছে।
ফলস্বরূপ আমরা রামু,নাসিরনগর,সাঁওতাল পল্লি,সর্বশেষ গোপালগঞ্জ এ নাশকতা দেখেছি।

* ষষ্ঠ শ্রেণীর বাংলা বইতে এস ওয়াজেদ আলীর ‘রাঁচি ভ্রমণ’ বাদ দেওয়ার কারণ ভারতের ঝাড়খন্ডের রাজধানী রাঁচি হিন্দুদের একটি তীর্থস্হান । যার পরিবর্তে সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘নীলনদ আর পিরামিডের দেশ’ যুক্ত হয়েছে ।

* ষষ্ঠ শ্রেণীর সত্যেন সেনের ‘লাল গরুটা বাদ দেওয়ার কারণ গরু মায়ের মতো উল্লেখ করে মুসলমান বাচ্চাদের নাকি হিন্দুত্ববাদ শেখানো হচ্ছে । যার পরিবর্তে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত ‘সততার পুরষ্কার’ যুক্ত হয়েছে । যেটা পুরোটাই ইসলামিক ধ্যান ধারণা নিয়ে রচিত ।

* সুকুমার রায়ের ‘আনন্দ’ কবিতায় ফুলকে ভালোবাসার কথা বলেছে আর যেটা ইসলামের সাথে মেলে না – তাই বাদ পড়ে গেছে ।

* কালিদাস রায়ের ‘অপূর্ব প্রতিশোধ’ কবিতায় কত সুন্দর ভাবে ইসলামের প্রশংসা করা হয়েছে – ‘তার তাজা খুলে ওজু করে আজো নামাজ পড়িনি/আত্না তোমার ঘুরিছে ধরায় স্বর্গে পাইনি ঠাঁই ! তবুও কবিতাটি বাদ দেওয়া হয়েছে ।

* শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গল্প ‘লালু’ বাদ দেওয়ার কারণ কালীপূজা ও পাঁঠা বলির কাহিনী যুক্ত আছে ।

* উপেন্দ্র কিশোর রায় চৌধুরী রচিত ‘রামায়ণ কাহিনী-আদিখন্ড’ শীর্ষক গল্পটি বাদ দিয়েছে ; কারণ সেখানে রামকে প্রশংসিত করা হয় যেটা নাকি কোমলমতি মুসলমান শিশুদের আঘাত করবে । সবাই বলেন সুবাহানঅাল্লাহ!

* নবম শ্রেণীর বাংলা বইতে সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পালামৌ’ গল্পটি বাদ দেওয়ার কারণ এটি ভারতের পর্যটন স্পট বলে। এটি আমার অন্যতম প্রিয় ভ্রমনগল্প ছিল।

* ভারতচন্দ্র গুণাকর রচিত ‘আমার সন্তান’ কবিতাটি বাদ দেওয়ার কারণ কবিতায় মঙ্গলকাব্যের অন্তভূক্তি, যা দেবী অন্নপূর্ণাকে প্রশংসা ও প্রার্থনা করার কথা বলা হয়েছে । যার পরিবর্তে আলাওলের ‘হামদ’ কবিতাটি যুক্ত করেছে ।

* লালন শাহ রচিত ‘সময় গেলে সাধন হবে না’ কবিতাটি বাদ দেওয়ার কারণ লালন সমাজকে প্রশংসিত করেছে । যার পরিবর্তে আব্দুল হাকিমের ‘বঙ্গবাণী’ কবিতাটি যুক্ত করেছে । একজন লালনভক্ত হিসেবে খুব কস্ট পেয়েছি,এমন কস্ট আরেকবার পেয়েছিলাম যখন লালন ভাস্কর্য গুড়িয়ে দেওয়া হলো।

* প্রতিটি শ্রেণীর প্রতিটি পাঠ্যবইয়ে অসংখ্য ভুলে জড়জড়িত।শব্দবিন্যাস,বাক্যগঠন,কলাম,বানান সবকিছুতেই ভুলে'র ছড়াছড়ি।

* প্রথম থেকে দশম শ্রেণীর ৩৬ কোটি পাঠ্যবইয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী'র ছবি বড় করে ছাপানো হয়েছে,বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ। সমস্যা আরো গভীরে এবং লেখা হয়েছে "শেখ হাসিনার বাঙলাদেশ",,গণপ্রজাতন্ত্রী বাঙলাদেশ এর মালিক জনগণ,এককভাবে শেখ হাসিনা নয়।(প্রধানমন্ত্রী নিজেও এমনটা একবারও বলেন নি)

* এইবারেই প্রথমবারের মত পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের পর চরমোনাই,শফি,শর্ষিনা পীররা ধন্যবাদ দিয়েছেন। বোঝাই যায় চরমোনাই-হেফাজতি প্রেসক্রিপশনেই পাঠ্যপুস্তক প্রণিত হয়েছে।
কী পরিমাণ সাম্প্রদায়িক ও পশ্চাৎপদ চিন্তা থেকে তা করা হয়েছে সেটা ভাবলে মাথা ঘুরে!

একটি দেশের জাতিগঠনে মূল উপাদানই হলো শিক্ষা। আর শিক্ষা'রই যদি এ অবস্থা থাকে তবে বাঙলাদেশ কোনদিনই উন্নতি করতে পারবে না। আমাদের অবস্থা হবে পাকিস্তানের মতো নিম্নগামী!

লেখক-মাহিন রহমান সাকিফ

[লেখাটি লিখতে ১ম-১০ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠ্যপুস্তক,,মুন্নি সাহার প্রতিবেদন ও ইন্টারনেটের সাহায্য নেওয়া হয়েছে]

মন্তব্যসমূহ

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মাহিন রহমান সাকিফ
মাহিন রহমান সাকিফ এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 3 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, জানুয়ারী 9, 2017 - 2:56পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর