নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • কিন্তু

নতুন যাত্রী

  • নিনজা
  • মোঃ মোফাজ্জল হোসেন
  • আমজনতা আমজনতা
  • কুমকুম কুল
  • কথা নীল
  • নীল পত্র
  • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
  • ফিরোজ মাহমুদ
  • মানিরুজ্জামান
  • সুবর্না ব্যানার্জী

আপনি এখানে

পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সাথে মেলবন্ধনের সূচনা


দেশে রেল যোগাযোগে অভূতপূর্ব পরিবর্তন এসেছে। ভারত ও ইন্দোনেশিয়া থেকে নতুন রেলকোচ এনে রেলসেবা বৃদ্ধি করা হয়েছে। আগামীতে বুলেট ও দ্রুতগতিসম্পন্ন ট্রেন চলবে। এ ছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের প্রতিটি এলাকায় রেলের ডবল লাইন চালু করা হবে। প্রতিটি জেলাকে রেল যোগাযোগের আওতায় আনা হচ্ছে। দেশের কোন জেলা রেল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকবে না। এদিকে নব দিগন্তের সূচনায় রেলপথে চট্টগ্রামের সঙ্গে পর্যটননগরী কক্সবাজারের মেলবন্ধন স্থাপনের কাজ শুরু হচ্ছে। এই রেলরুট কক্সবাজারের রুমা থেকে সম্প্রসারিত হয়ে সংযুক্ত হবে মিয়ানমার সীমান্তের ঘুমধুম পর্যন্ত। স্বপ্নের এই প্রকল্প এখন বাস্তবে রূপ পেতে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার তথা বৃহত্তর চট্টগ্রাম রূপ নেবে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে। ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ১২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলপথ নির্মাণের টেন্ডারে অংশ নিয়েছে চীনের ৫টি এবং বাংলাদেশ, ভারত, স্পেন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার একটি করে প্রতিষ্ঠান। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের কাজও চূড়ান্ত। আগামী মার্চ মাসের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথ স্বপ্নবিলাসী এক প্রকল্প হলেও এই রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল ব্রিটিশ সরকারের। ১৮৯০ সালে গ্রহণ করা হয়েছিল এই পরিকল্পনা। এরপর ১৯৫৮ সালে পাকিস্তান আমলে এর সক্ষমতা যাচাই সম্পন্ন হয়। জাপান রেলওয়ে টেকনিক্যাল সার্ভিস নামের প্রতিষ্ঠান ১৯৭১ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পুনরায় সক্ষমতা যাচাই করে। মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু সরকারেরও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প ছিল এই রেললাইন। কিন্তু এরপর আর কোন সরকার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে ভাবেনি। ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আবারও শুরু হয় স্বপ্নের এই রেললাইন স্থাপনের প্রক্রিয়া। ২০১০ সালের ৬ জুলাই একনেকে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার হয়ে রুমা থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত সিঙ্গেল লাইন মিটারগেজ নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়। মূলত তখনই নিশ্চিত হয়ে যায় যে, এই রেললাইন নির্মিত হবে। তবে যুগের চাহিদা অনুযায়ী সরকার রেললাইনকে মিটারগেজ থেকে ডুয়েল গেজে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর এ সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। চট্টগ্রামের দোহাজারী থেকে কক্সবাজার এবং কক্সবাজারের রুমা থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত ১২৯ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। এরমধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক দেবে ১২ হাজার কোটি টাকা। আর বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ৬ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চে এই রেললাইন নির্মাণের কাজ শুরু করে তা ২০২২ সালের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এর মাধ্যমে পর্যটন নগরীর সাথে মেলবন্ধন স্থাপন হবে।

বিভাগ: 

Comments

Md Mazharul Islam এর ছবি
 

রেল যোগাযোগ ব্যাবস্থা পর্যটন নগরী কক্সবাজারের সাথে যুক্ত হলে বাংলাদেশের অরথনীতিতে দারুণ ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

মলি
মলি এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 15 ঘন্টা ago
Joined: সোমবার, অক্টোবর 17, 2016 - 4:53অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর