নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 2 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • নরসুন্দর মানুষ

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের সীমাবদ্ধতা


বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের ভিন্ন পাঠ-১
...............................................

//মোল্লা/ঠাকুর/পাদ্রীর দৌড় মসজিদ/মন্দির/গীর্জা পর্যন্ত এবং বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের দৌড় বিগ ব্যাং পর্যন্ত//

Big Bang Theory অনুসারে, অসীম ভরের একটি বিন্দু থেকে মহাবিস্ফোরনের মাধ্যমে আজকের এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি। তত্ত্ব অনুসারে বর্তমান মহাবিশ্বের যাবতীয় ভর/ওজন ঐ বিন্দুতে কেন্দ্রিভূত ছিল। এখন প্রশ্ন হলো ঐ বিন্দুটি কোথায় ছিল? বিন্দুর চারপাশে কি শূন্য (space) ছিল? শূন্য ও সময়ও (space-time) পরে সৃষ্টি হয়েছে; আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদ তাই বলে। দেশ নেই, কাল নেই কিন্তু অায়তন শূন্য অসীম ভরবিশিষ্ট বিন্দু ছিল!

কোথায় ছিল বিন্দুটি?
আসলে উক্ত পর্যায়ে আমাদের কল্পনা পৌঁছাতে পারে কিন্তু মানবীয় যুক্তি দেশ-কালের বাইরে যেতে পারেনা। পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র এ পর্যায়ে অর্থহীন ও অকার্যকর।
এখানেই বিজ্ঞান ও মানবীয় যুক্তির সীমাবদ্ধতা।

বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের ভিন্ন পাঠ-২
...............................................

মানুষ সময় ও স্থানের ফর্মুলায় চিন্তা করে। আর তাই যেখানে দেশ-কাল আছে সেখানে কার্যকারন আছে, সেখানে মানবীয় যুক্তি আছে_সেখানে পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রগুলো কার্যকর থাকে। দেশ নেই, কাল নেই, কার্য-কারন নেই, মানবীয় যুক্তি নেই_ বস্তুর অস্তিত্ব নেই। কার্যকারন নেই, বিজ্ঞান নেই, তবুও আমাকে বিশ্বাস করতে হবে বিগ ব্যাং এর মুহুর্তের সেই আয়তনহীন অসীম ভরের বিন্দুকে। আমাকে বিশ্বাস করতে হবে অনস্তিত্ব থেকে অস্তিত্বের আবির্ভাবকে। যা অনস্তিত্ব তাই অস্তিত্ব।
অর্থাৎ বিজ্ঞানের যাত্রাও বিশ্বাস থেকে। আসলে জ্ঞানের যেখানে শেষ সেখানেই প্রকৃত বিশ্বাস শুরু।

বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের ভিন্ন পাঠ-৩
..............................................
যুক্তি স্থান-কাল-পাত্রহীন, শ্বাশ্বত _কথাটি সত্য নয়। যুক্তি সময় নির্ভর, যুক্তি স্থান নির্ভর। যুক্তির দুইটি চোখ। যুক্তি সব সময় দেখার জন এক চোখ ব্যববহার করে। এক চোখ দিয়ে যখন দেখে অন্য চোখ তখন বন্ধ থাকে। ফলে প্রথম চোখের দেখাটাই ২য় চোখ সত্য মনে করে। ১ম চোখ যদি হাঁ দেখে ২য় চোখ না দেখবে। কিন্তু একটি চোখ যখন দেখে অন্য চোখ বন্ধ থাকার কারনেই প্রথম চোখের দেখাটাই সে সত্য মনে করে। যুক্তির দুটি চোখ এক সঙ্গে দেখতে পারেনা বলেই সে হাঁ এবং না কে একত্রে দেখতে পারেনা। হাঁ যদি মুদ্রার ১ম পৃষ্ঠায় থাকে, না থাকবে মুদ্রার ২য় পৃষ্ঠায়। মানবীয় যুক্তি হাঁ এবং না কে একই তলে ভাবতে পারেনা। ফলে যা আছে তা নেই হতে পারেনা এবং বিপরীতক্রমেও তাই।প্রকৃত বাস্তবতা হলো হাঁ এবং না একই তলে অবস্থিত।

বাস্তবতায় সব আছে_ একই সঙ্গে একই মুহর্তে অস্তিত্ব ও অনস্তিত্ব আছে, তাওবাদের নিম্নের প্রতিকটার মতো__অস্তিত্ব(সাদা) এবং অনস্তিত্ব(কালো) একই তলে মিশে আছে দুইটি কমাসদৃশ আকৃতির মাধ্যমে। কিন্তু মানবীয় হ্যাঁ -না যুক্তি একে অস্বীকার করে। কিন্তু আমাদের মুক্ত চিন্তায়(free will) এর অস্তিত্ব আছে।

আইনস্টাইনের আপেক্ষিকবাদ তত্ত্ব অনুসারে, কমাসদৃশ চাকতিটিকে যদি আলোর বেগে ঘুরানো হয়, তা একই সময়ে সাদা ও কালোকে অর্থাৎ অস্তিত্ব ও অনস্তিত্বকে ধারন করবে। একই সঙ্গে হাঁ এবং না বর্তমান হবে। একই সময়ে সৃষ্টি ও ধ্বংস বর্তমান_ সৃষ্টি ও ধ্বংসের গতানুগতিক অর্থ থাকবেনা।

কমাদুটির গতিবেগ যদি আস্তে আস্তে কমানো হয় তখন সাদা-কালো, হাঁ-না,অস্তিত্ব-অনস্তিত্ব, সত্য-মিথ্যা, ভালো-মন্দ সময়ের দ্বারা, সময়ের ব্যবধানে একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে_ তৈরী হবে মানবীয় যুক্তির এক চোখা দৃষ্টি ভঙ্গি।
বিজ্ঞান, দর্শন সভ্যতার ভিত এই যুক্তির উপরই দাড়িয়ে আছে।

প্রথাগত যুক্তি অনুসারে সময় শূন্য হলে বিগ ব্যাং তত্ত্ব কিংবা আপেক্ষিকতাবাদের তত্ত্ব অর্থহীন। যুক্তি বলে সময় আছে অস্তিত্ব আছে, সময় নেই সবকিছু অনস্তিত্বে বিলীন হয়ে যাবে। কিন্তু না, সময় শূন্য মানে সবকিছু অনস্তিত্বে বিলীন নয়, সবকিছুই তখন চিরস্থায়ী, ধ্বংস ও সৃষ্টি একীভূত, আমি শুধু এখানে নই, আমি সর্বত্র, বহু একের ভিতর একীভূত_এটাই অনন্তসত্তার প্রকৃত রুপ।

বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের ভিন্ন পাঠ-৪
...............................................

অনেকে বলে বিজ্ঞান একেক সময় একেক কথা বলে। তবে কি বিজ্ঞান মিথ্যা? অবশ্যই না। বিজ্ঞান সত্যের পথে আছে বলেই একেক সময় একেক কথা বলে। সে যা মাপতে পারেনা তা স্বীকার করেনা। বিজ্ঞানের এই বস্তুবাদী সততাই তাকে এতদূর এগিয়ে নিয়ে গেছে। সে কেবল তাই বিশ্বাস করে যা সে জানে। জ্ঞানের বাইরে তার বিশ্বাস দৌড়ায়না। সে যদি আগে থেকেই সবকিছু বিশ্বাস করে বসে থাকত, তা হলে সে এগুতোনা, ধর্মের সঙ্গে তার কোন পার্থক্যই থাকতোনা_ আমরা পেতামনা এই নোতুন পৃথিবীকে। Time এবং Space সম্পর্কে আমাদের বর্তমানের যে ধারনা তা বিজ্ঞানেরই অবদান। বিজ্ঞানের বস্তুবাদী সততাকে আমরা সম্মান করবো। বিজ্ঞান হোক বস্তুকেন্দ্রিক, তবে তা যেন শুধুই বস্তু নির্ভর না হয়।

বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের ভিন্ন পাঠ-৫
..............................................

যুক্তি দুই প্রকার, যথাঃ
১। অারোহ যুক্তি:
অারোহ যুক্তি হলো প্রকৃতি জগতের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তথ্য থেকে ব্যাপকতর কোন তথ্য বা সিদ্ধান্ত বের করার পদ্ধতিঃ
যদু মানুষ
মধু মানুষ
তারা মরেছে
এ পর্যন্ত পৃথবীর যত লোক জন্মেছে তারা সকলেই মরেছে।
অতএব, মানুষ মরনশীল। ইহা আরোহ যুক্তি।
কিন্তু যুক্তিটি কি বৈধ?

২। অবরোহ যুক্তিঃ
অবরোহ যুক্তি হলো ব্যাপকতর কোন সিদ্ধান্ত বা সত্য থেকে বিশেষ কোন ব্যক্তি বস্তু ইত্যাদি সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া।
মানুষ মরনশীল।
ভবিষ্যতের পৃথিবীতে মানুষ জন্মগ্রহন করবে।
সুতরাং ভবিষ্যতের মানুষও মরনশীল হবে।
প্রথম বাক্যে যদি কোন ভুল না থাকে তাহলে সিদ্ধান্ত বাক্যটিও শুদ্ধ।
কিন্তু প্রথম বাক্যটি কি শুদ্ধ?

ভবিষ্যতের সকল মানুষ মরনশীল এরকম নিশ্চয়তা আপনি কিভাবে পেলেন? কতগুলো দৃষ্টান্ত থেকে সার্বিকে পৌঁছা কি বৈধ? আপনাকে অসীম কাল বেচে থেকে অসীম সংখ্যক দৃষ্টান্ত নিয়ে আপনাকে বৈধ ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে সকল মানুষ মরনশীল কিন্তু তাহাও আপনার পক্ষে সম্ভব হবেনা কারন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়তো আপনাকে জীবিত থাকতে হবে এবং আপনার জীবিত থাকাটাই প্রমান করবে মানুষ মরনশীল নয়।
অতএব আরোহও যুক্তির মাধ্যমে আমরা যে সিদ্ধান্তে পৌছি তা বৈধ নয়, উহা একটি অনুমান, উহা একটি বিশ্বাস।

আমরা বৈধ ভাবে যে সিদ্ধান্তে আসতে পারি তাহলোঃ
"এ পর্যন্ত পৃথিবীতে যত মানুষ জন্মেছিল( এবং মরেছিল) তারা সবাই ছিল মরনশীল "।
এবং " ভবিষ্যতেও যেসব মানুষ পৃথবীতে জন্মাবে তাদেরও মরনশীল হওয়ার অনেক সম্ভবনা রয়েছে"।
এর বাইরে কোন মন্তব্য করলে তাহবে অবৈজ্ঞানিক ও অযৌক্তিক।
অতএব যৌক্তিকভাবে আমরা যে সিদ্ধান্তে আসতে পারি তা চরম বা পরম নয়, আপেক্ষিক।
অবরোহ ও আরোহ যুক্তির উপর দাঁড়িয়ে রয়েছ বিজ্ঞান।
আর এই যুক্তির পায়ের নিচে অবস্থান করছে বিশ্বাস কিংবা অনুমান।

বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের ভিন্নপাঠ-৬
...............................................

যা স্বয়ংসম্পূর্ণ তার বাইরে কিছু থাকতে পারেনা। জগত স্বয়ংসম্পূর্ণ, অতএব জগতের বাইরে কিছু থাকতে পারেনা। এ হলো যুক্তির কথা। কিন্তু যার বাইরে কিছু থাকতে পারেনা তার ভেতরেই সে নেই এটা কি যুক্তির কথা হতে পারে? কিন্তু বিগ ব্যাং তত্ত্ব আমাদের বলে জগতের ভেতরে জগত ছিলনা, অন্যভাবে বলতে হয় জগত ছিল Space-time বিহীন এক ভিন্ন জগতে যেখানে বিজ্ঞান ও মানবীয় যুক্তি অর্থহীন। আর তখনই এ জগতের কারন সন্ধানে একজন বিশুদ্ধ আস্তিক বলতে পারে এ জগত ঈশ্বর কিংবা অনন্ত সত্তার স্বপ্রকাশমান রুপ যেখানে মানবীয় যুক্তি ও বিজ্ঞান কার্যকর, জগতের বাইরে অনন্তসত্তা রহস্যময়। তখন বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদ বলবে ঈশ্বরের ধারনা কাল্পনিক ও অযৌক্তিক।
জগত জগতের ভেতরে ছিলনা কথাটি যে পরিমান অযৌক্তিক ঠিক সমপরিমানে অযৌক্তিক ঈশ্বরের ধারনা__মানবীয় যুক্তির মাধ্যমে আমি ইহাই বুঝতে পারি।

বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদের সীমাবদ্ধতা এবং
পঞ্চইন্দ্রিয় বহির্ভূত জ্ঞানার্জনের প্রক্রিয়াঃ
.........................................................

১) সকল কাক কালো। আপনি পৃথবীর সকল কাক দেখেছেন? তাহলে কেন বলছেন সকল কাক কালো?

মানুষ মরনশীল। আপনি এ যাবত কাল যত মানুষের মৃত্যু হয়েছে সব মানুষের মৃত্যু কি দেখেছেন? কিংবা ভবিষ্যতেও যত মানুষ জন্মিবে তাদের সবার মৃত্যু হবে তা কি করে জানলেন?
অর্থাৎ আরোহ যুক্তি দিয়ে আমরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করি তার শতভাগ বৈধতা নেই।

২) অপরদিকে আবরোহ যুক্তির মাধ্যমে আমরা নতুন কিছু জানতে পারিনা।
অতএব, অবরোহ ও আরোহ যুক্তি দিয়ে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদ যে সিদ্ধান্ত গ্রহন করে তা চূড়ান্ত সত্য নয় তা আপেক্ষিক সত্য।

১+ ১/২+১/৪+১/৮+১/১৬+................... আমরা যদি অনন্তকাল এই ধারাটি যোগ করতে থাকি তার মান ২ হবেনা, সব সময় ২ এর চেয়ে কম থাকবে; অথচ আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহন করি ধারাটির যোগফল ২।

মানুষ সত্যকে জানার জন্য বিজ্ঞান ও যুক্তিকে কাজে লাগায়। বিজ্ঞান ও যুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মানুষ জগতকে পরিমাপ করতে চায়। কিন্তু মানুষ নিজেই জগত বা প্রকৃতির অংশ। মানুষ যখন জগতকে পরিমাপ করতে চায় তার অর্থ দাড়ায় অংশ সমগ্রকে পরিমাপ করতে চায়। পরিমাপ যন্ত্র যখন জগতের সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়ায় অংশ গ্রহন করে তখন পরিমাপ যন্ত্র কিভাবে সঠিক ভাবে পরিমাপ বস্তুর পরিমাপ করবে?
অংশ কি কখনও সমগ্রকে পরিমাপ করতে পারবে?

জগতকে সঠিকভাবে পরিমাপ করতে হলে মানুষকে জগতের সঙ্গে কোন রকম মিথোষ্ক্রিয়ায় অংশ গ্রহন না করে জগতের বাইরে অবস্থান করে জগতকে পরিমাপ করতে হবে এবং তখনই জগতের চূড়ান্ত/পরম সত্য জানা সম্ভব হবে।
পঞ্চইন্দ্রিয়ের সীমাবদ্ধতার বিষয়টি বহু আগে থেকেই মনীষীগন অবগত ছিলেন।

আর তাইতো যুগে যুগে বিভিন্ন মুনি-ঋষি-সাধক-যোগীগন ধ্যান/যোগ সাধনার মাধ্যমে পরম সত্যকে জানার চেষ্টা করছেন। এই পদ্ধতিতে প্রকৃত পক্ষে জ্ঞানার্জন কিংবা প্রকৃত সত্য জানা সম্ভব কিনা তা গবেষণার দাবী রাখে।

___Abu Momin

Comments

ফারুক এর ছবি
 

পোস্টে ৫ তাঁরা। এত সুন্দর একটি পোস্টে কোন নাস্তিকের কমেন্ট নেই! আশ্চর্য ...?

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

আবু মমিন
আবু মমিন এর ছবি
Offline
Last seen: 1 week 1 দিন ago
Joined: সোমবার, মে 2, 2016 - 3:00পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর