নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 0 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

নতুন যাত্রী

  • আবুল কালাম
  • ইমরান আহমেদ সৈকত
  • উন্মাদ কবি
  • রাহাত মাকসুদ
  • শাহরিয়ার জাহিদ...
  • অপূর্ব দাশ
  • এল্লেন সাইফুল
  • বাপ্পি হালদার
  • রমাকান্ত রায়
  • আবুল খায়ের

আপনি এখানে

মহান চরমনোই পীর সাহেবের ইতিহাস বিকৃতি করা মিথ্যাচার ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা


বরিশালের চরমোনাই পীর সাহেব মাওলানা সাইয়েদ মুহাম্মদ রেজাউল করীম তার ভক্তানুসারীদের উদ্দেশ্য একটি বক্তৃতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিন্দু,নাস্তিক,খ্রিষ্টানদের বের করে দিতে বলেছেন।এই বক্তৃতায় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম নিয়ে যে বিষ্ময়কর মিথ্যাচার করেছেন তা বর্ণনাতীত।নিম্নে তার বক্তৃতার মিথ্যাচারসমূহ উপযুক্ত তথ্য দিয়ে প্রমাণ দিচ্ছি-

১।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় হিন্দুরা বিরোধিতা করেছিল।কথাটা অংশিক সত্য।এ সম্বন্ধে তথ্য---ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ তার ঢাকা সফর শেষে কলকাতা প্রত্যাবর্তন করলে ১৯১২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ড. রাশবিহারী ঘোষের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল তার সাথে সাক্ষাৎ এবং ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিরোধিতামূলক একটি স্মারকলিপি পেশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে বিরোধী ছিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় আর রাজনীতিক সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী। ভারতের গভর্ণর জেনারেল লর্ড হার্ডিঞ্জ স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, কি মূল্যে অর্থাৎ কিসের বিনিময়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিরোধীতা থেকে বিরত থাকবেন? শেষ পর্যন্ত স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চারটি নতুন অধ্যাপক পদ সৃষ্টির বিনিময়ে তার বিরোধীতার অবসান করেছিলেন। ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার তার আত্মস্মৃতিতে লিখেছিলেন ১৯১৯ সালের নতুন আইন অনুসারে বাংলার শিক্ষামন্ত্রী প্রভাসচন্দ্র মিত্র শিক্ষকদের বেতন কমানোর নির্দেশ দেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয প্রতিষ্ঠার সময় রিজার্ভ ফান্ডে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা ছিল। বাংলা সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রদত্ত সরকারি ভবন বাবদ সেগুলো কেটে নেয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রতিবছর মাত্র পাঁচ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করে। ফলে শিক্ষকদের বেতন কমিয়ে দিতে হয়।

সুতরাং যারা বিরোধীতা করেছিলেন তারা হলেন আশুতোষ মুখোপাধ্যায়, সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী,প্রভাসচন্দ্র মিত্র -এই তিন হিন্দু ।ওনারা সবাই তৎকালীন কলকাতা অধিবাসী।

যদি ও পরবর্তীতে আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ঢাকা বিশববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগে সাহায্য করেন।এ বিষয়ে উল্লেখ্য-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য পি. জে. হার্টগ তার কার্যভার গ্রহণ করেন। প্রস্তাবিত ঢাকা বিশ্ব্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে তাকে সাহায্য করেন মি. ডাব্লিউ হোরনেল, স্যার নীলরতন সরকার, স্যার আশুতোষ মুখপাধ্যায়, নবাব স্যার শামসুল হুদা ও নবাবজাদা খান বাহাদুর কে এম আফজাল।

***এখন আসছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাদের অবদান অনস্বীকার্য তাদের প্রসঙ্গে--১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জ। এর মাত্র তিন দিন পূর্বে ভাইসরয় এর সাথে সাক্ষাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আবেদন জানিয়ে ছিলেন ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, ধনবাড়ীর নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ২৭ মে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তাব করেন ব্যারিস্টার আর. নাথানের নেতৃত্বে ডি আর কুলচার, নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী, নবাব সিরাজুল ইসলাম, ঢাকার প্রভাবশালী নাগরিক আনন্দচন্দ্র রায়, জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)-এর অধ্যক্ষ ললিত মোহন চট্টোপাধ্যায়, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ডব্লিউ.এ.টি. আচির্বল্ড, ঢাকা মাদ্রাসার (বর্তমান কবি নজরুল সরকারি কলেজ) তত্ত্বাবধায়ক শামসুল উলামা আবু নসর মুহম্মদ ওয়াহেদ, মোহাম্মদ আলী (আলীগড়), প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যক্ষ এইচ. এইচ. আর. জেমস, প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক সি.ডব্লিউ. পিক, এবং সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ সতীশ্চন্দ্র আচার্য। ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয় নাথান কমিটির ইতিবাচক রিপোর্ট এবং সে বছরই ডিসেম্বর মাসে সেটি অনুমোদিত হয়। ১৯১৭ সালে গঠিত স্যাডলার কমিশনও ইতিবাচক প্রস্তাব দিলে ১৯২০ সালের ১৩ মার্চ ভারতীয় আইন সভা পাশ করে 'দি ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট (অ্যাক্ট নং-১৩) ১৯২০'।

যে সকল হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন তারা হলেন--ব্যারিস্টার আর. নাথান,ডি আর কুলচার,ঢাকার প্রভাবশালী নাগরিক আনন্দচন্দ্র রায়, জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়)-এর অধ্যক্ষ ললিত মোহন চট্টোপাধ্যায়, ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ডব্লিউ.এ.টি. আচির্বল্ড, কলেজের অধ্যক্ষ এইচ. এইচ. আর. জেমস, প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যাপক সি.ডব্লিউ. পিক, এবং সংস্কৃত কলেজের অধ্যক্ষ সতীশ্চন্দ্র আচার্য।

বিষ্ময়কর ব্যাপার হল যে একজন খ্রিষ্টানের নেতৃত্বে যে ১১জন ব্যক্তি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেছেন তাদের মধ্যে ৭ জন ইসলাম ধর্মবলম্বী নয়(অধিকাংশই),তারা হলেন হিন্দু ও খ্রিষ্টান!!!!!আজ চরমোনাই পীর সাহেব ওই ৭জনের বংশধরকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া করতে চাইছেন!!

আর তিনি বলছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় হিন্দু ও খ্রিষ্টানদের কোন ভূমিকা নেই,কত বড় মিথ্যাচারী হলে এহেন ইতিহাস বিকৃতি করা যায় তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আমাদের সম্মানীয় পীর সাহেব।

অবশ্য সবচাইতে বড় সত্য হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হল পূর্ববঙ্গের মানুষ কে দেয়া 'বঙ্গভঙ্গ রদ'এর ক্ষতিপূরণ।এ বিষয়ে উল্লেখ্য--প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুন ঢাকা স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী গ্রন্থে লিখেছেন,

বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। লর্ড লিটন যাকে বলেছিলেন স্পেল্নডিড ইম্পিরিয়াল কমপেনসেশন। পূর্ববঙ্গ শিক্ষাদীক্ষা, অর্থনীতি সব ক্ষেত্রেই পিছিয়ে ছিল। বঙ্গভঙ্গ হওয়ার পর এ অবস্থার খানিকটা পরিবর্তন হয়েছিল, বিশেষ করে শিক্ষার ক্ষেত্রে।

২।তিনি তার বক্তৃতায় বলেছেন যে শিক্ষাক্রমে হযরত মুহাম্মদ (সাঃ),ওমর ,আলীর জীবনী নেই তা পড়তে দেয়া হবে না ,তবে কি তিনি পড়াশুনা বলতে শুধু ইসলামী ইতিহাস,আরবি সংক্রান্ত বিষয় গুলোকেই বুঝেন?????
বিজ্ঞান,মানবিক এর যে বিশাল বিস্তৃত শাখা আছে যা ইসলামের প্রচার করে না উনি তা বন্ধ করতে হুমকি দিয়েছেন সরকার কে??অবশ্য তার ভাষায় এটাই প্রকাশ পায়।

৩।তিনি তার বক্তৃতায় বলেছেন শেখ হাসিনার পূর্ব পুরুষরা হয়তবা মুসলিম নন।সবিনয়ে পীর সাহেব কে বলি আপনার পূর্বপুরুষরা যদি মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলায় না এসে থাকেন এবং বাংলার অধিবাসী হন তো মাননীয় পীর সাহেব চিন্তার কোন কারণ নেই আপনার পূর্বপুরুষরা ও মুসলিম ছিল না অন্তত প্রাচীন বাংলার ইতিহাস তাই বলে।

৪।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষকদের তালিকা দেখিলেই বুঝা যায় হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা কতটা আন্তরিক ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায়।তালিকাটি-যে সব প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে শিক্ষকতার সাথে জড়িত ছিলেন তারা হলেনঃ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, এফ.সি. টার্নার, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, জি.এইচ. ল্যাংলি, হরিদাস ভট্টাচার্য, ডব্লিউ.এ.জেনকিন্স, রমেশচন্দ্র মজুমদার, স্যার এ. এফ. রাহমান, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, নরেশচন্দ্র সেনগুপ্ত, জ্ঞানচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ।

চরমোনাই পীর সাহেব কি এসব তথ্য জানেন ???নাকি শুধুই চিৎকার করেই সত্যকে চাপা দিতে জানেন???

এবার আমাদের মহান পীর সাহেবের সমীপে কিছু প্রশ্ন--
১।মহান পীর সাহেব আপনি বা আপনার পরিবার মুক্তিযুদ্ধের সময় কোথায় ছিলেন ??চার টি পথ অবলম্বন করতে পারেন--
(ক)আপনার বাবা বা আপনি(যদি জন্মে থাকেন) মুক্তিযুদ্ধ করতে পারেন।কিন্তু এটা আপনারা করেননি।
(খ)ভারতে পালিয়ে থাকতে পারেন ,তখন অবশ্য ওই হিন্দু যাদের আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে দিতে চান তাদের সাহায্যেই বাচতে হবে।
(গ)নতুবা বাংলাদেশেই পালিয়ে থাকতে পারেন।তবে বলব আপনাদের চাইতে ঐ ১০ জন হিন্দু বা খ্রিষ্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী অনেক উন্নত যারা মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন আপনি তাদেরকেই দেশ ছাড়া করতে চান এ অধিকার কে দিয়েছে আপনাকে ??নাকি সব জায়গাতেই গলার জোর খাটান দাম্ভিক ঐ মিথ্যা বক্তৃতার মতই!!!!
(ঘ)অথবা অনেক পীরের মতই আপনার পূর্বপুরুষরা ও সুরা পড়ে বাঙালি মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থান জেনে পাকিস্থানিদের জানাতে পারে,মানে রাজাকার। এটারি পক্ষে অবশ্য সুব্রত শুভ একটি ব্লগ পড়লাম সেটি নিম্নরূপ--
চরমোনাইর পীর মওলানা এস এম ফজলুল করিম
----------------------------------
মওলানা এস এম ফজলুল করিম বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে চরমোনাইয়ে একটি আবাসিক মাদ্রাসা পরিচালনা করতেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাক হানাদারদের অত্যাচার ও নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচার জন্যে শত শত বাঙালি মেয়ে ওই মাদ্রাসায় আশ্রয় নেয়। তারা মনে করেছিল মাদ্রাসা একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আর মওলানা এসএম ফজলুল করিম একজন ধার্মিক লোক, তার আশ্রয়ে পাক হানাদার বাহিনী মেয়েদের উপর চড়াও হবে না। মওলানা সাহেব তাদের রক্ষা করবেন।
চরমোনাইর পীর ফতোয়া দিয়েছিলেন এইসব আশ্রয়হীনা ভীত মেয়েরা হচ্ছে গণিমতের মাল-পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীর এদের ভোগ করা জায়েজ আছে।

নৃশংসভাবে অত্যাচারিত এইসব মেয়েদের মৃতদেহ পার্শ্ববর্তী নদীতে ফেলে দেয়া হতো বা মাদ্রাসার পেছনে গণকবরে পুঁতে ফেলা হতো। ওই মওলানা নিজ হাতে অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও হিন্দুকে জবাই করে নদীতে ফেলে দিয়েছিল। এদের মৃতদেহ যাতে ভেসে না উঠে সেজন্যে পেট কেটে ভাসিয়ে দেয়া হতো।

২।যদি কিছুই না করে থাকেন তবে, ১৯৭১ রে কোথায় ছিল আপনার বা আপনার পুর্বপুরুষের রক্ত গরম করা সেই বক্তৃতা যা দিয়ে আপনি বাংলা থেকে হিন্দু খ্রিষ্টান তাড়াতে চাচ্ছেন।

আপনাকে বলতে চাই আপনি বা আপনার পূর্বপুরুষ কেউই এই বাংলাকে স্বাধীন করেননি, করেছেন বাঙালির ধর্ম নিরেপেক্ষ চেতনা যাদের মধ্যে ছিল বাঙালি মুসলিম,হিন্দু ,খ্রিষ্টান,বৌদ্ধ অন্যান্য ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী ।এই যুদ্ধে প্রান দিয়েছে ধর্ম নিরেপেক্ষ বাঙালি, ভারতীয় সেনা,এই যুদ্ধে বীরের মত আহত হয়ে ও সম্মুখ সমরে অংশ নেয়া ভারতীয় খ্রিস্টান সেনা অফিসার জ্যাকব ফার্জ রাফায়েল জ্যাকব ,গত বছর যার মৃত্যুতে আপনি না কাঁদলে ও কেঁদেছে হাজার খাটি বাঙালির প্রাণ।তাই এই অসাম্প্রদায়িক বাংলায় আপনার মত সাম্প্রদায়িক মিথ্যাচারীর কোন জায়গা নেই।যদি বাঙালি মুক্তিযুদ্ধ ভুলে না থাকে তবে আপনার মত মিথ্যাচারী কে অবশ্যই ত্যাগ করবে।।

(এ লেখার প্রায় সকল তথ্য উইকিপিডিয়া থেকে নেয়া।)

মন্তব্যসমূহ

Taposh Sanral এর ছবি
 

মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিলের সাক্ষাতকার নিন।

 
নির্বাণ রায় এর ছবি
 

ভাই খুজে পাইনি।কিন্তু কেন???

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

Facebook comments

বোর্ডিং কার্ড

নির্বাণ রায়
নির্বাণ রায় এর ছবি
Offline
Last seen: 1 দিন 55 min ago
Joined: সোমবার, ডিসেম্বর 26, 2016 - 10:58অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর