নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    There is currently 1 user online.

    • ইউসুফ শেখ

    নতুন যাত্রী

    • সুশান্ত কুমার
    • আলমামুন শাওন
    • সমুদ্র শাঁচি
    • অরুপ কুমার দেবনাথ
    • তাপস ভৌমিক
    • ইউসুফ শেখ
    • আনোয়ার আলী
    • সৌগত চর্বাক
    • সৌগত চার্বাক
    • মোঃ আব্দুল বারিক

    আততায়ীর হাতে খুন হওয়ার আগে শেখ মুজিবের শেষ সাক্ষাৎকার



    ঢাকার নিজ বাসভবনে আততায়ীর হাতে সপরিবারে খুন হওয়ার মাত্র ১০ দিন আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত তৎকালীন আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ডেভিস বোস্টার বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে একান্তে সাক্ষাৎ করেন। আলাপচারিতায় বঙ্গবন্ধু দেশ পরিচালনায় যেসব বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছেন সেগুলো কিভাবে অতিক্রম করা যায় তার পরিকল্পনা ডেভিস বোস্টারের সাথে বিশদ আলোচনা করেন।

    যতো মসজিদ ততো শয়তানী


    শেখ হাসিনা একসাথে সবই খেতে চায়। নিরামিষভোজী থেকে তিনি আমিষে নাম লিখিয়েছেন। নিরামিষ থেকে ঠিক মতো বেরও হতে পারছেন না, আবার আমিষেও পোষাচ্ছে না!

    একমাত্র মানব প্রেমেই মানুষ হত্যা বন্ধ করে, ধর্ম নয়।


    আমরা এক অস্থির সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। ধর্ম , রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে অস্থিরতা কাজ করছে। পুস্তকেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে নীতি, নৈতিকতা এবং কর্ম দক্ষতা। ধর্মের নাম বিজ্ঞান ও যুক্তি এবং জীবন ভুলে যাচ্ছি। ধর্মের লেবাসে নীতি-নৈতিকতাহীনরা ইজারা নিয়েছে নৈতিকতার । অদক্ষ এবং নিস্কর্মরা দক্ষতার সনদ দিচ্ছে। আমরা পরস্পরকে ভালোবাসি মুখে -মুখে , অন্তর থেকে অন্তরে নয়। দেশ প্রেমকে রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ন্ত্রণ করে। আধুনিকতার অজুহাতে হারিয়ে যাচ্ছে পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যেবোধ এবং মর্যাদা।

    অর্থ


    অর্থের অভাবে,
    অর্থহীন হয়ে পড়ে থাকা;
    নাকি অর্থহীন ছিলাম বলে,
    অর্থপূর্ণ হয়ে উঠা হয়নি;
    এই
    অর্থোদ্ধারে ব্যর্থ,
    অনর্থক হয়ে থাকল এ জীবন ।
    মে ২৯, ১৫

    তুমি


    দিন শেষে দেখা মাত্রই টের পেলে-
    চৈত্রের রৌদ্রে লাল হয়েছে মুখ
    বৈরী আবহাওয়ায় শুকায়েছে তনু
    নিকোটিনের ধোঁয়ায় পুড়েছে ঠোঁট
    সে কি তোমার শুশ্রুষা- আহা!

    শত দিবস রজনী কেটে গেল তবু-
    টাইফয়েটে আক্রান্ত মন শুশ্রুষাহীন
    ব্যর্থ লিটয় বয়ের ধোঁয়ায় তামাটে আত্মা
    হৃদয় বাগানের ফুল ঝড়ে গেছে পরাগায়ন হীন
    -টের পেলে না!

    ০৮ এপ্রিল ২০১৮
    তালুকদার বাড়ি।

    ওম্নিভার্স


    মীটিংটা শুরু হওয়ার কথা সন্ধ্যা ছ'টায়। পাঁচ জনের মধ্যে চারজনই মীটিং শুরুর আধঘণ্টা আগেই যে যার নির্দিষ্ট আসনে বসে গেছেন। সাধারণত, যে কোন মীটিংএ এই চারজন মিটিংয়ের দশ পনর মিনিট আগে হাজির হন। আজ একটু বেশী আগেই এসে গেছেন তারা। তার একটা বিশেষ কারনও আছে - আজ সেই বিশেষ দিন। যেই দিনটির জন্য প্রায় ত্রিশ বছর ধরে স্বপ্ন দেখে আসছেন তারা, আর সেই স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেয়ার জন্য গত পনর বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছিলেন, আজ রাত ঠিক বারোটায় সেই বিশেষ ঘটনাটি ঘটবে, অথবা আরেকটু স্পষ্ট করে বলা যায়, ঘটতে শুরু করবে। হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা কিছু ধর্মীয় মিথের সেই মহাপ্রলয় বা শেষ বিচারের দিন কিংবা কেয়ামতের মতো সর

    ফিরে দেখা: দ্বিজাতিতত্ত্ব, দাঙ্গা আর দেশভাগ ৩:


    ১৯৫৪ তে যুবলীগ আর ছাত্রদলের চাপে পূর্ব-পাকিস্তানে ফজলুল হক, সুরাবর্দী আর মৌলানা ভাসানী এক হয়ে ২১ দফার দাবীতে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে পূর্ব-পাকিস্তানের বিধানসভা নির্বাচনে নামল । বিধানসভায় মুসলিম আসন ছিল ২৩৮ টা , যার মধ্যে যুক্তফ্রন্ট জিতে নিল ২২৭ টা আসন । মুসলিম লীগ পেল মাত্র ১০ টা আসন আর খিলাফত ১ টা । বাঙালি মুসলিম মানসে পাকিস্তানের ক্ষমতা পাঞ্জাবিদের হাতে কুক্ষিগত করার ক্ষোভের প্রতিফলন ঘটলো নির্বাচনে, সাথে তো ছিলই ১৯৫২ র ভাষা আন্দোলন । পূর্ব-পাকিস্তানের হিন্দুরা নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টকে সমর্থন করেছিল । নির্বাচনে সিডিউল কাস্ট ফেডারেশনের রাজ কুমার মন্ডল আর হরবিলাশ বসুর জমানাত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল । ফ

    মহিদুল্লার অত্যাশ্চর্য ভ্রমন


    শীতের শেষদিকে শ্যালকের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে শশুরবাড়ি গেছিলাম। রাত প্রায় আড়াইটার দিকে ঘুমও ভেঙ্গে গেল। ব্লাডারের চাপ। টয়লেট মূলবাড়ির উঠান পেরিয়ে আরেক কোনে। উঠানে নেমে সদর দরজার দিকে তাকিয়ে দেখি, একি! সদর দরজা হাট করে খোলা! এরকমতো হওয়ার কথা না! দরজার বাইরে তাকিকে দেখি আরেক আশ্চর্য জিনিষ। সিকিউরিটি চেক করার লাল বাতি জ্বালানো লাঠিগুলির মত, হালকা নীল একটা লাঠি জ্বলতেছে, আবার নাড়াচাড়াও করতেছে। বিষয় কি! কে ওখানে? দরজার দিকে এগুতেই দেখি সেই লাঠি নাড়াচাড়া করতেছে এক আলখাল্লাধারী বৃদ্ধ। সে আমাকে সেই জ্বলন্ত লাঠি নাড়ায়ে কাছে ডাকল। আমি এগিয়ে গেলাম।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর