নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • সাইয়িদ রফিকুল হক
    • বিকাশ দাস বাপ্পী
    • রাজর্ষি ব্যনার্জী
    • মাইকেল অপু মন্ডল

    নতুন যাত্রী

    • ফারজানা কাজী
    • আমি ফ্রিল্যান্স...
    • সোহেল বাপ্পি
    • হাসিন মাহতাব
    • কৃষ্ণ মহাম্মদ
    • মু.আরিফুল ইসলাম
    • রাজাবাবু
    • রক্স রাব্বি
    • আলমগীর আলম
    • সৌহার্দ্য দেওয়ান

    নারী; সম্মান ও প্রাপ্তি।


    তো, সেদিন বাসা থেকে বের হইছি, বাসা আমার উপজেলা শহরে। ঢাকা যাবো। আম্মু আছে সাথে, আম্মু যাবে মতিঝিল, ছোটভাইয়ের ওখানে, আমি যাবো মোহাম্মদপুর।
    বের হতেই সামান্য দেরী হয়ে গেছে, বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া শেষ বাস ও চলে গেছে।
    জেলা শহর থেকে একদম মতিঝিল পর্যন্ত নাস আছে, তো সেই উদ্দেশ্যে টুকায়েচটুকায়ে জেলা শহর আসলাম।
    সেই বাস ও চলে গেছে।
    এখন গাবতলী পর্যন্ত যায়ে তারপর আলাদা বাসে যাওয়া যায়।
    কিন্তু আম্মু একা যাওয়ার পক্ষপাতী না। গাবতলী নাইমে সেখান থেকে সিএনজি/বাস/উবার কোনটাতেই সে একা যাওয়ার সাহস পায় না।

    অযৌক্তিকভাবে নারীকে হেয় করে শর্ট ফিল্ম ভাইরাল ফেসবুকে


    'I Want 2 Love U' একটা facebook পেইজে নারীদের অসম্মান করে এবং নারীদের হেয় করে একটা ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। যেখানে পজেটিভ নেগেটিভ দুই ধরনের কমেন্টই আসছে।তবে বেশীর ভাগই ভিডিওকে সমর্থন করে এবং অনেক মেয়েও সমর্থন শেয়ার করেছে।ভিডিওটির লিংক দেওয়া হলো। লিঙ্ক

    যাই হোক, প্রথমেই বলবো ভিডিও কনসেপ্ট পুরুটাই ভুল।যেটায় আমি কোন কথারই যৌক্তিক কারণ খুজে পেলাম না।

    কথোপকথন -২


    আমাকে লাল শাড়িতে কেমন লাগে?
    - একদম বাজে।
    -সাথে যে লাল টিপ পরেছিলাম সেটা ও কি?
    - জানি না। তবে তোমাকে মানায় নি।
    -ঠিক আছে। তাহলে সামনের বার যখন আপনার সামনে আসব, আপনার প্রিয় নীল শাড়িতেই আসব সাথে নীল টিপ।এবার ঠিক আছে?
    - না এবার আরও ঠিক নেই।
    -কেন?
    - জানি না।
    আচ্ছা আপনি এমন কেন?
    -কেমন?
    - কেমন জানি। দেখে মনে হয় অনুভূতিগুলো লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করেন।
    -অনুভূতিগুলো লুকিয়ে রাখাই ভাল। ভুল সময় বা ভুল মানুষের জন্য অনুভূতির প্রকাশ যে বেদনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।আমার তোমাকে লাল শাড়ি পরিহিত অবস্থায় ভাল লাগেনি তাই বললাম।

    কথোপকথন -১


    -কেমন আছো লাবণ্য?

    -সে কথা জানার অধিকার কি তুমি রাখ রুদ্র?

    -না, রাখি না। কিছু মানুষের অধিকার হারিয়ে যায় অবহেলায় মৃত্যুকূপে। আমি অধিকার হারিয়েছি অবহেলার নীলবিষে। কিন্তু তুমিতো জানতে অবহেলার পরেই সৃষ্টি হয় ভালবাসার প্রত্যাশিত বৃষ্টি। সেই বৃষ্টিতে যে, সকল অবহেলা ভেসে যেত সমুদ্রের লোনা জলে। কেন যে একটু অপেক্ষা করলেনা, প্রিয়!!!

    -অপেক্ষা!!! তোমার জন্য? কেন করবো? অবহেলার অাঘাত ততক্ষণ সহ্য করা যায় যতক্ষণ পর্যন্ত সেটা মধুর থাকে। মধুরতা অতিক্রম করলে সেটা নিষ্ঠুরতায় পর্যবসিত হয়। সেই দিকে কি তোমার দৃষ্টি পড়েছিল?

    ছফার চোখে তসলিমার যত দোষ


    ============================ আহমেদ ছফা সাহেবের ভাষ্যমতে, তসলিমা নাসরীনের 'লজ্জা' কিংবা 'বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা'-এই কতিপয় কারণ গুলোই বাংলাদেশের অধিকাংশ মুসলমান কে উগ্রপন্থী করেছে কিংবা উগ্রপন্থী হতে উস্কানি দিয়েছে, যা পরোক্ষ ভাবে অধিক হারে হিন্দু নির্যাতনের প্রভাবক হিসেবে কাজ করেছে।ধরে নিলাম, ছফা সাহেবেই ঠিক--তাহলে প্রশ্ন, আচ্ছা এই লোক গুলো কি এই 'লজ্জা' কিংবা 'বাবরি মসজিদ' ভাঙ্গাতেই উগ্রপন্থী /জিহাদি /জঙ্গি মানসিকতা সম্পূর্ণ হয়ে গেল??একদিনের ঘটনা কিংবা 'একখানা বই'ই কি তাদের একবারে 'শান্তির কবুতর' থেকে 'অশান্তির শকুন' রূপান্তরিত করে দিল??নাকি এই 'উগ্রতা /জঙ্গি মানসিকতা ' তাদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে

    অাস্তিক হতে হবে না, অপরাধ বন্ধে সচেষ্ট হউন।


    ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য দুর্বলের পক্ষে কিংবা দুর্বল শারীরিক শক্তি নিয়ে শক্তিশালী ভয়ংকর প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মানুষের যুদ্ধকরার অাত্মবিশ্বাস আর বিবেকী তাড়নাকেই অামি জানা কিংবা চূড়ান্তভাবে অজানা কোন শক্তির উপর অাস্থা স্থাপনের অনুরূপ মনেকরি। এই অাস্থা স্থাপন থেকেই মূলত: অাস্তিক্যের জন্ম - যা শুধু নিজের শান্তি নয়, পুরো মানব সমাজে পশুত্বকে পরাস্ত করে ন্যায্য দাবী সমূহ প্রতিষ্ঠায় একেবারে দুর্বলদেরকেও সম্মানিত ও পরিতৃপ্ত করে। একারনেই আমার মনে হয়, অনেক নাস্তিকের মধ্যেই অাস্তিক্য রয়েছে এবং বেশ মজবুত ভাবেই থাকে।

    বিয়ে প্রথাটি আজকের নতুন প্রজন্মের কাছে একটি নোংরা প্রথা হিসেবে দাড়ালো কেন?


    বিয়ে একটি সামাজিক বন্ধন৷ বন্ধনটা শুধু দুটি বিপরীত পরিবারের দুজনকে এক করার নয়, হতে পারে দুই পরিবার, দুই গ্রাম, বহু গ্রাম, দুই থানা, জেলা, দেশ এভাবে আত্মীয়ের বন্ধনে মিলিত হবার একটা প্রদক্ষেপ৷ খুব সুন্দর একটি নিয়ম যদি ভাবতে যাই এবং আচার অনুষ্ঠান হৈ হুল্লোর ধুমধাম বিনোদন৷ মোটামুটি একটি সুন্দর উৎসবে মানব বন্ধন বলা যায়৷ পিতা মাতারা সন্তানকে বড় করেন, ভাই বোন একসাথে বড় হওয়া একটা সময় সবাই একসাথে মিলে আনন্দ বিনোদনের আয়োজন করে দুজনকে এক করে দেয়া বেশ সুন্দর প্রয়াস৷

    কথা হলো এই বিয়ে প্রথার উপর আমাদের আজকের নতুন প্রজন্ম এতোটা বিরক্ত কেন?

    জুয়াড়ি


    অশ্বত্থ গাছের গোড়ার একটা শিকড়ের গঠন এমন ছিল যে, বসলে প্রায় পিঁড়ির আরাম পাওয়া যেতো। গাছটা বেশ বর্ষীয়ান আর দীর্ঘ। স্থুল, তবে ততোটা নয়, যতোটা তার পত্নী বটবৃক্ষ। পতি-পত্নী মাঝখানে কিছুটা দূরত্ব থাকায় বুঝিবা তাদের সকল গোপন কথা আদান-প্রদান করতো পাখিরা! স্পর্শের সুযোগ ছিল না ঠিকই, তবে দক্ষিণ কিংবা উত্তরের জোর বাতাসে একে অন্যের দিকে পত্র উড়িয়ে দিতো। হোক হলদেটে ছিন্নপত্র, তবু তাতে প্রিয়-প্রিয়ার শরীরের গন্ধ তো ছিল!

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর