নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    There is currently 1 user online.

    • ইউসুফ শেখ

    নতুন যাত্রী

    • সুশান্ত কুমার
    • আলমামুন শাওন
    • সমুদ্র শাঁচি
    • অরুপ কুমার দেবনাথ
    • তাপস ভৌমিক
    • ইউসুফ শেখ
    • আনোয়ার আলী
    • সৌগত চর্বাক
    • সৌগত চার্বাক
    • মোঃ আব্দুল বারিক

    গাওয়াল (উপন্যাস: পর্ব-পনেরো)



    কার্তিকের হালকা কুয়াশা-মাখা বিকেল। পূর্ব পৃথিবীর সূর্য এখন অন্তিমলগ্নের মুমূর্ষু মানুষের মতো রৌদ্রের জিভ বাড়িয়ে শেষবারের মতো লেহন করছে পুকুরের পূর্বদিকের জল, পশ্চিম অংশে পড়েছে গাছের ঘন ছায়া। নীলু এবং ডালিম দু-জনে পুকুরের পূর্বদিকের রোদ্দুরমাখা অংশে ডিঙ্গি নৌকায় ভাসছে।

    ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ’র বাংলা পঞ্জিকা সংশোধন হেফাজত ইসলামের সিলেবাস সংশোধন থেকে কেন ভিন্ন নয়


    ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা পঞ্জিকা সংশোধন করেছিলেন- এটি তিনি সাম্প্রদায়িক চিন্তা থেকে করেছিলেন কিনা সে অনুসন্ধান করতে গিয়ে কেঁচো খুঁজতে সাপ বেরিয়ে গেলো! এই অনুসন্ধানে দেখা গেলো হেফাজত ইসলামের জন্মের বহু বছর আগেই শিক্ষাক্রমের পাঠ্যসূচী থেকে ‘হিন্দু লেখক’ খেদানোর আন্দোলন শুরু হয়েছিলো। যারা এই আন্দোলন করেছিলেন তাদের অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল হিসেবেই এদেশে ধরা হয়। বলতে গেলে হেফাজত ইসলাম বা চরমোনাই পীর হচ্ছে তাদের দ্বিতীয় প্রজন্ম…।

    ধর্ষণকারির সপক্ষে যুক্তি দেবেন না, জাতীয়তাবাদ আওড়াবেন না, এরা তার যোগ্য নয়!


    ধার্মিক মানুষের প্রতি আমার কোনো আক্রোশ নেই। আমি যে সংশয়বাদী /নাস্তিক, তা নিয়ে কোনো শ্লাঘা নেই।
    আমি জানি মুসোলিনি থেকে নেপোলিয়ান- বহু স্বৈরাচারীই ছিলেন নাস্তিক।

    কিন্তু আজ কোনো নাস্তিকের দ্বারা বর্বরতা সংঘটিত হলে যদি এই যুক্তি উঠে আসে যে- তার কর্মফলের ভয় নেই, ঈশ্বরভীতি নেই, তার ঈশ্বর নেই, তাই বিবেকও নেই, তাই সে নিষ্ঠুর হতেই পারে- তবে আমি আমার দর্শন ও ইডিয়লজির সপক্ষে পথে নামব। আমার উপর দায় পড়বে, নাস্তিক্য মানেই ক্ষতিকর নয়-এটা প্রমাণ করার। নিজের প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, আচরণের মাধ্যমে।

    কে কি করলো সেদিকে খেয়াল না রেখে নিজের ইচ্ছে আর স্বপ্নটাকে প্রাধান্য দিতে হবে তবেই সফলতা আসবে


    এদেশে প্রতিদিন কতটা ছেলে কিংবা মেয়ে আত্মহত্যা করে এই হিসেব করার সময় কি আমাদের আছে? যে মানুষটা সারাদিন কোন কাজ না করে বাসায় বসে থাকে তারও এই সময়টা নেই। পত্রিকার পাতায় কিংবা রাতের সংবাদে যখন শুনা যায় ২০-২৫ বছরের একটা মানুষ আত্মহত্যা করেছে তখন অবশ্যই আমরা ভেবে নেই এর প্রধান কারণ প্রেমে ব্যর্থতা। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে সেটা না ও হতে পারে।

    কাবুলি ড্রেস কি সুন্নতি পোশাক ? সুন্নতি পোশাক আসলে কি?



    অনেকেই জেনে বা না জেনে বিবিধ কথা বলে ইসলাম সম্পর্কে। মানে যে যেভাবে বোঝে। যেমন বাংলাদেশের অধিকাংশ ধর্মভিরু লোক আফগানিস্তানের কাবুলি ড্রেসকে [যা পরে তারা পপি চাষের কাজও করে, ছবি সংযুক্ত] সুন্নতি ড্রেস বলে চালায়, যদিও আরব দেশের কেউই ঐ পোশাক পরে না, নবীও পরেননি। তাহলে সুন্নতি পোশাক কি? ইসলামের নবী যে পোশাক পছন্দ করতেন বা অধিকাংশ সময় পরতেন তা কি সুন্নতি? তাহলে দেখি সে কি করতেন?
    :

    কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২১) মুহাম্মদ এর আল্লাহর বৈশিষ্ট্য - তিন


    ইসলাম নামক মতবাদের একান্ত প্রাথমিক ও অত্যাবশ্যকীয় শর্ত হলো "বিশ্বাস (ইমান)!" মুহাম্মদ ও তার আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস। ইসলামের এই প্রাথমিক ও অত্যাবশ্যকীয় সংজ্ঞা অনুযায়ী যে-ব্যক্তি বা জনগোষ্ঠী স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদের (সাঃ) ও তার প্রচারিত বাণী ও মতবাদে বিশ্বাসী নয়, তাঁরাই বিপথগামী, লাঞ্ছিত, পথভ্রষ্ট এবং অনন্ত শাস্তির যোগ্য। মুহাম্মদ তার স্ব-রচিত ব্যক্তি-মানস জীবনীগ্রন্থ (Psycho-biography) কুরআনে অত্যন্ত দ্ব্যর্থ-হীন ভাষায় অসংখ্যবার বিভিন্নভাবে তা ঘোষণা করেছেন ।

    বিষাক্ত রাজনীতি:- পঞ্চম পর্ব-


    বাবরি মসজিদ ও রাম মন্দির বিতর্কটি বহু পুরানো। এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটটি হল বাবরের সেনাপতি মীর বাকি খান 1528 খৃষ্টাব্দে বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেন। তবে কট্টরপন্থী হিন্দুদের দাবি ছিল ওই স্থানে আগে একটি মন্দির ছিল যা ভগবান রামচন্দ্রের জন্মস্থান। কট্টরপন্থী হিন্দুদের আরও দাবি হল- বাবরের সেনাপতি মীর বাকি খান রাম মন্দির ধ্বংস করেই বাবরি মসজিদ নির্মাণ করেছেন। ঐতিহাসিক রেকর্ড থেকে জানা যায় 1853 সালে ওই স্থানটি নিয়ে প্রথম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। 1885 সালে মহান্ত রঘুবর দাস প্রথম এই মন্দির নিয়ে মামলা করেন কিন্তু তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার ও ফৈজাবাদ আদালত মনে করেন প্রায় 356 বছর আগের ঘটনা নিয়ে রায় দেওয়া ঠি

    কবিতার নাম 'ইস্তেঞ্জার


    লুঙ্গির নিচ দিয়ে চেপে ধরো লিঙ্গ,
    একফোঁটা পরে গেলে নামাজ হবে ভঙ্গ।

    এক ঠেং উচু করে করো কিছুক্ষণ ওয়াকিং,
    খেয়াল রেখো সরে যেনো না যায় ঢিলাকুলুপের সেটিং।

    মাঝে মাঝে দেও কাশ খুক খুক করে,
    থাকবেনা প্রস্রাব মূত্রনালির নলে।

    এভাবে চালিয়ে যাও আট দশ মিনিট,
    মূত্রনালি হয়ে যাবে নীট এন্ড ক্লিন।

    তারপর ধুয়েমুছে সাফ করো মূত্র,
    নিয়মমেনে ওজু করে হয়ে যাও পবিত্র।

    প্রতিবার প্রস্রাবের পর করতে হবে ইস্তেঞ্জার,
    এছাড়া কিছুতেই হবেনা মূত্র পরিস্কার।

    --------------

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর