নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মাইকেল অপু মন্ডল

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

রাফিন জয় এর ব্লগ

কোন আওয়াজ নাই


কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন পদ্ধতি যেখানে সারা বিশ্ব পরিত্যাগ করছে, রাষ্ট্র তখন গো ধরে বসে আছে। থাকার কারণটাও একেবারে অমূলক নয়। রাষ্ট্র পক্ষ NTPC'র পাল্লায় পড়ে যে বসে আছে। সেই খপ্পরে পড়েই বাংলাদেশ এখন ভারতের কয়লা কন্সিউমার হতে যাচ্ছে। তারা দেখাবে বন্ধুত্ব এবং দৃশ্যমান উন্নয়ন।

মুক্তচিন্তা মুক্তিপাক! মুক্তবাক মুক্ত থাক!



আসাদ ভাইয়ের আগের একাউন্টটা থাকা সময়ে একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে ভাই, দেশে আসতে ইচ্ছে হয় না? তার উত্তর ছিল,"করেরে ভাই। অনেক মিস করি। দেশের ব্যান্ডসনও অনেক মিস করি!" এর পরে আমি বললাম,"মধুসূদনের মতো অবস্থা। কাব্য চর্চা শুরু করেন।" তার উত্তর ছিল,"মধুসূদনের তো দেশের আসার একটা চান্স ছিল। আমার তো তাও নাই।" কথাটা ঠিক পাত্তা দেইনি। তবে আজকে সত্যিই উপলব্ধি করতে পারছি কথটার মানে।

সর্বকালের আমি সর্বহারা//কবিতা



বিষণ্ণতায় ছেঁয়ে যাওয়া হিয়া মোর
নব-দিশা অন্বেষণ করে দিন ভোর
আঁখি হতে জন্ম নেয়া নেত্র-জলপ্রপাত
রক্ত অক্ষি যেন মম তপ্ত আগ্নেয়গিরির
অগ্ন্যুৎপাত!
যুগে যুগে রাজ-রাজা প্রভুদের নিপীড়ন
মাঝে
চেয়ে দেখ আমি কাঁদছি বিষাদ ভাঁজে
কারণ দাসের জ্বালা ভুগেছি আমি ঐ
দাস সমাজে,
সয়েছি আমি ভূস্বামীর নিপীড়ন নরপৈশাচিক
সামন্ত সমাজে,
খেয়েছি চাবুক আমি নীলকর দানব দিগের
কাছে,

মানবের ঘাড়ে দানবের থাবা//কবিতা


মানবের ঘাড়ে দানবের থাবা,
ওরে প্রজন্ম,
কতকাল তা এড়িয়ে যাবা?
শঙ্কার ইস্পাত ‍শৃঙ্খল বিদীর্ণ করে
রদবদল কর মনোভাবের,
গড় র‍্যাডিকাল দৃষ্টিভঙ্গি!
শঙ্কা,,,,শঙ্কা,,,,শঙ্কা!
এই শঙ্কার ভরেই মানবের
ঘাড়ে দানব চেপেছে!
দানব মমতাময়ী নারী তনুদের
দেহ খাবলে খাচ্ছে, চুষে
নিচ্ছে অসহায়ের রক্ত,
দানবের বরে প্রতিশয় শুনতে
হয় অনাত দুগ্ধ শিশুর
আর্তনাদ!
নিচ্ছে হনন করে দেশের গৌরব,
সার্বভৌমত্ব ও জাতির প্রাণ!
দানব নিজ লোলুপ দৃষ্টি ও প্রলোভন
রক্ষায় প্রতিশয় করছে শ্যামল
দুব্বা এবং শৈবাল রক্তে রক্তিমা!

চাইছি সাম্য উল্লাসে//কবিতা


বিভীষিকা এই কাননে
অরুণ বীণার করুণ ‍সুর,
কেন বাজে হিয়ার মাঝের এই কোণে?
এই ধরিত্রীতে কোন ত্রাসে
আজ
অসুর নাচছে উল্লাসে?
সামের সুরে সর্বগ্রাসী
গ্রাস করে নেয়
উচ্ছ্বাসিত হাসি হেসে!

মুক্তচিন্তার নিগড়//কবিতা


ধ্রুব সত্যান্বেষণ ও অনস্বীকার্য বাস্তব
অন্বেষণে বার বার ব্যর্থতার নিগূঢ় অর্ণব
নীরে নিমজ্জিত হয়ে যাচ্ছি!

কোন অভিপ্রায়ে সভ্য সমাজ
চেতনায় লালন করছে লিঙ্গ, ধর্ম,
শ্রেণী, দরিদ্র-বুর্জুয়া, গত্র ভেদের বৈষম্য?
সব আজ কেমন যেন বিষাদ বর্ণের
দেখাচ্ছে এই বিধাত্রীর!

তুমি কোন জীব হত্যা করবে না (গৌতম বুদ্ধ)


গৌতম বুদ্ধ সাধারণ মানব সমাজের জন্য পাঁচটি নীতি প্রচলন করেছিলেন। যথা;
১. তুমি কোন জীব হত্যা করবে না
২. অপরের কিছু চুরি করবে না
৩. কোন ব্যভিচার বা অনাচার করবে না
৪. মিথ্যা কথা বলবে না
এবং
৫. মাদক গ্রহণ করবে না।

এখন কথা হচ্ছে রোহিঙ্গা মুসলিমরা কি জীব না? তারা কি জড় পদার্থ? বিষয় টাকে আমি সাম্প্রদায়িক ভাবে দেখছি না, এখানে শুধু মুসলিম না, সারা বিশ্বের মানবতা খুন করা হচ্ছে। এই মৌলবাদীকতার শেষ কথায়? তবে মায়ানমার বার্মা নিয়ে এটা বলতেই হচ্ছে যে, যদি গৌতম বুদ্ধ আজ জীবিত থাকতো, তাহলে আজ সে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হত!

সাম্য-স্থল


নোঙর তুলিয়া তরণী বাহিয়া বিমূর্ত স্বচ্ছ মনে,
চলিলাম অদ্য নিগুর অজ্ঞাত ভূতল অন্বেষণে!!
এ রথ চলিছে মম কল্পনায় মম চেতনাতে বহে,
গঠন করবো সে দেশ মম এই ভূ-খণ্ডেতে রহে।
অভিলাষী মন, যপে প্রতিক্ষণ করে মন ও প্রভু,
মম অভিলাষ তথায় যেন শোষক না হয় কভু!
নিরস্তিত্ব রবে তত্র শ্রেণী ভেদাভেদ, দরিদ্র-বুর্জুয়া,
বিরাজমান রবে তত্র কেবলি সাম্য সুরেলা ধুয়া।
একি ভূতলে, উল্লাসে মেতে একত্র সব মানবে বসি,
দৃষ্টিপাত করবো সবেই সম ভাবে গগণ-রবি-শশী।
লড়াকু নয় তত্র যে আল্লা, যিশু, জেহোবা, ভগবান,
সব রয় একত্রে হিন্দু, বুদ্ধ, ইহুদি, মুসলিম, খ্রিস্টান!

দেখি মোদের ঠেকায় আজ কোন আগ্রাসন!


নিধন সড়কে সেই উৎকর্ষ,
আমার সুন্দরবন প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য!
শত্রু পক্ষ চালায় আগ্রাসন,
স্বদেশদ্রোহী হয়ে আজ নির্বাক প্রশাসন।
দানব দেশে বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপে,
মাতৃভূমি কাঁদে আজ আড়ালে ফুলেফেঁপে!
অভিমত কারো “তো কি আসে যায়?”
মূল কথাতো তাতে নিজ স্বার্থ বেঁচে যায়।
গণতন্ত্র নয় সে শোষক বাদী,
নিধন তন্ত্রে লিপ্ত সেই ফ্যাসিস্ট বাদী।
আত্ম প্রদর্শনে সে বিদ্রোহী,
ব্যক্তি সংস্কৃতিতে সে তো দেশদ্রোহী।
বাংলা আজ জনবল করো বিস্তার,
হও এক, করো সেই শোষক নিস্তার।
রুখে দেবো আজ করলাম পণ,
দেখি মোদের ঠেকায় আজ কোন আগ্রাসন!

কেন আমি মুক্তিযোদ্ধা আজ সর্বহারা?


রক্তিমা ছিল সেই দিবস প্রভাত,
রক্তিম করা জখম পাঁজরাঘাত!
ছিল সংগ্রামী যোদ্ধার বদনে ক্লেশ এবং
নিহারন করছিলো তারা অসুর উল্লাস শ্লেষ!
লুটিয়ে পড়া কতক রণ-লিপ্সু-লড়াকু বীর,
পাশেই আলাদা করা কতক লড়াকুর শির!
রক্ত-পিপাসুদের জিজ্ঞাসন,“কোথায় যোদ্ধা বিচরণ?”
বিবৃতি প্রদান না করে গেল কত বীর উৎসুক প্রাণ!
বাকি যোদ্ধার ললাটে ঘাম বহমান,
“জয় বাংলা”
প্রতিধ্বনি করতে করতে দিল তো নিজ প্রাণ।
সালাম যোদ্ধা তিন সন্তান রেখে যায় রণক্ষেত্রে,
রেখে যায় সে স্বপরিবার দেশ ভাগ্য বিধাত্রে!
যুদ্ধেই সে পায় অমরত্ব, রয়ে যায় পরিবার,

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

রাফিন জয়
রাফিন জয় এর ছবি
Offline
Last seen: 5 দিন 13 ঘন্টা ago
Joined: মঙ্গলবার, জুন 21, 2016 - 3:04অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর