নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • ইউসুফ শেখ

নতুন যাত্রী

  • সুশান্ত কুমার
  • আলমামুন শাওন
  • সমুদ্র শাঁচি
  • অরুপ কুমার দেবনাথ
  • তাপস ভৌমিক
  • ইউসুফ শেখ
  • আনোয়ার আলী
  • সৌগত চর্বাক
  • সৌগত চার্বাক
  • মোঃ আব্দুল বারিক

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

আমেরিকা এবং গং সিরিয়াতে কী উদ্ধার করলো মিসাইল মেরে?



মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করা নিয়ে অনেক কথা চলছে। বর্তমান বিশ্বে আমেরিকার চেয়ে রাশিয়ান মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমগুলা বেশি কার্যকর ও আধুনিক। আবার এসব সিস্টেম খুবই ব্যয়বহুল। আমার ধারণা, রাশিয়া কিছু মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করেছিল, আর বাকীগুলো এমনিতেই করেনি। মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করতেও মিসাইল লাগে, যার একেকট্র মূল্য কোটিকোটি টাকা। শখানেক মিসাইলে যে স্থাপনা ধ্বংস হব, তা ঠেকানোর চেয়ে ওগুলো ধ্বংস হতে দিয়ে আবার গড়ে ফেলা কম খরচের ব্যাপার। পরাশক্তিরা এই গ্যাস হামলার হুমকি পাল্টা হুমকির ও মিসাইল স্ট্রাইক পরবর্তী হিসেব নিকেশে নো উইন সিচুয়েশনে আছে। পশ্চিমারা মুখ রক্ষা করলো কিছু উধার না করেই, আর রাশিয়া মিসাইল হামলা প্রতিহত করবার জন্য সেভাবে কিছু না করেই বাগাড়ম্বর করলো। তাদেরও তেমন লাভ হয়নি, ক্ষতিও না। আসাদ সরকারের সর্বাত্মক বিজয়ের চেয়েও সিরিয়াতে তাদের অবস্থান বেশি জরুরী। সেটা তারা নিশ্চিত করবেই।

বেঁচে থাকুক ছিলটি, চাঁটগাঁইয়াসহ এই ভূ-খন্ডের স্বতন্ত্র ভিন্ন ভাষাগুলো



ছিলটি, রংপুরী কিংবা চাঁটগাঁইয়া ভাষা কি বাংলার আগ্রাসনের শিকার না? এই ভাষাগুলোরও বাংলার মত গুরুত্ব পাওয়া দরকার ছিল। তবে পশ্চিমবাংলার শাসনেও বাংলাভাষী বাঙালিরা আর আমাদের দেশেও তাই। শাসকশ্রেণির মূলধারার লোকেদের প্রভাব অপেক্ষাকৃত সংখ্যালঘুদের উপর পড়ে। জাতিসত্ত্বা এক হওয়া মানেই যে তাদের ভাষা এক হবে তেমনও নয়। ইংরেজরা, আইরিশরা আর স্কটিশরা আলাদা আলাদা জাতি হিসেবে পরিচিত। তাদের ভাষা ইংরেজী তবে ভাষার ডায়ালেক্ট ভিন্ন। আইরশরা আইরিশ ডায়ালেক্টে কথা বলে, স্কটিশরা নিজেদের ডায়ালেক্টে। জাতিগত পরিচয়ের জন্য ভাষা অভিন্ন উপাদান নয়।

ঠিক আজকের এই দিনে পৃথিবী অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে মানবিক


যারা সমাজ নষ্ট হয়ে গেছে বুলিতে বিশ্বাসী আর এই কারণে মনে আশা রাখাও ছেড়ে দিছেন, তারা মানুষের অতীত ইতিহাস জানেন না। মানুষের অতীতের ইতিহাস রক্তপাত, হিংসা, ঘৃণা, দাঙ্গা, জাতিগত বিদ্বেষ, অনাচার, অবিচার এসবের ইতিহাস। আজ থেকে মাত্র ১০০ বছর আগেও দুনিয়ার বুকে উন্নত সভ্যতার দেশে দাস কেনাবেচা হতো। আজ থেকে অল্প কয়েকদশক আগেও পৃথিবীর নানা দেশে রাজা বাদশাহদের হারেম ছিল (এখনো আছে, রয়ে সয়ে, অন্যভাবে), গত শতাব্দীতেই জার্মানরা ৬ মিলিয়ন ইহুদী মেরে ফেললো, জাপানীরা যেদিক দিয়ে গেছে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে গেছে, আমেরিকা হিরোশিমা নাগাসাকিতে পারমাণবিক বোমা মারলো (আমার মতে এই বোমা ফেলাটা যৌক্তিক ছিল নানা দিক বিবেচনায়), বাংলাদেশে পাকিস্তানীরা লক্ষ লখ বাঙালি মারলো, কম্বোডীয়ায় নিজ জাতির খেমাররুজ বিদ্রোহীরা নিজের জাতির প্রায় ২০ লক্ষ লোক মেরে ফেললো, ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক বড় ঘটনা ঘটছিল। শুরু থেকে যদি খেয়াল করেন, সময় যত এগিয়ে গেছে, কোনো অনাচারের পর যারা অন্যায় করেছিল তাদের দেশে প্রতিবাদ দিনে দিনে বৃদ্ধি পাইছে। আজকের জার্মানি কি নিজের দেশের একটা ইহুদী মারবার পর আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে পারবে? আজকের দিকে আফ্রিকার কোনো দেশে প্রকাশ্যেও কি আপনি মানুষ কেনাবেচা করতে পারবেন (গোপনে আমেরিকায়ও মানুষ কেনাবেচা হয়)?আজকের দিনে কি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ইচ্ছা করলেই আণবিক হামলার নির্দেশ দিতে পারবেন? সবগুলা প্রশ্নের উত্তর আসবে, "না"। এসব তো সামগ্রিক অবস্থার উন্নতির কথাই বলে।

প্রশ্নপত্র ফাঁসঃ প্রতিকারের কার্যকর উপায় কি নেই?



প্রকৃতির লোকজন। যেভাবে এখন ইন্টারনেটের সুবিধা নিয়ে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে বলে ইন্টারনেট বন্ধেরই চিন্তাভাবনা চলছে। আজকে করবারও কথা ছিল বেশ দীর্ঘ একটা সময়। কালকে এই ব্যাপারে আধঘন্টার মহড়াও করা হলো। এই অল্প সময় ইন্টারনেট বন্ধ থাকবার কারণে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণটা কি যারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তারা আঁচ করতে পারেন? সম্ভবত পারেন না। টাকার অংকে এই ক্ষতির পরিমাণটা বিশাল হবার কথা, সেই সাথে দেশে ও দেশের বাইরে জরুরী যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভোগান্তি তো বোনাস। অনেক সময়ই দেখা যায় ব্যবসার জন্য, প্রাতিষ্ঠানিক কাজে এই সময়ে তাৎক্ষণিক ইমেইল কিংবা ডকুমেন্ট পাঠাবার প্রয়োজন হয়। গতকালের আধঘন্টাতেই কতজন এমন ভোগান্তিতে পড়েছেন কে জানে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ঃ কী কালো, কী সাদা?



ইতিমধ্যে বিখ্যাত ৩২ নং ধারাতে আছে, "সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি বেআইনিভাবে প্রবেশ করে কোনো ধরনের তথ্য উপাত্ত, যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি দিয়ে গোপনে রেকর্ড করে, তাহলে সেটা গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হবে এবং এ অপরাধে ১৪ বছর কারাদণ্ড ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডর বিধান রাখা হয়েছে।" প্রথমেই প্রশ্ন আসলো বেআইনিভাবে প্রবেশ মানে কী হবে? অনুমতি ছাড়া স্বশরীরে প্রবেশ? নাকি নেটওয়ার্ক দিয়ে ঢুকে কাম তামাম করবার ব্যাপারস্যাপার? ধরে নেই দুটাই এর আওতায়, যেহেতু এখনো এই বেআইনিভাবে প্রবেশের বিস্তারিত জানি না। অফিশিয়াল সিক্রেসি এক্ট এদেশে কার্যকর ছিল ব্রিটিশ আমল থেকেই। এই প্রস্তাবিত ধারার ধারেকাছেই কিছু একটা। এই ধারাটা ভাল আদর্শ পরিবেশের জন্য। যেখানে আপনি ধরে নেবেন, সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়ম হয় না, সবাই টোটো লেভেলে সৎ ও আদর্শবান। এমনভাবে চালিত হলে সেখানে সবকাজ ভালই হবার কথা এবং সেখানকার কার্যক্রমের সব তথ্যই বিশেষ সুরক্ষার আওতায় আসতে পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এদেশে কিংবা বিশ্বের কোথাও তো এমন অবস্থা নেই কমবেশি অনিয়ম, দুর্নীতি এসব সব জায়গায় আছে। এখন অনিয়ম, দূর্নীতি এসব যদি থাকে, আর সেটা যদি কোনোভাবেই প্রকাশ না করা যায়, তাহলে তো আপনি সকল কাজের জন্য এমনেস্টি ডিক্লেয়ার করে দিলেন। এই ধারাকে কিছুটা বর্ধিত করা যেত হয়ত। বলা যেত, "যদি কেউ একদম বিনা কারণে, অসৎ উদ্দেশ্যে ও রাষ্ট্রবিরোধী কাজের জন্য প্রবেশ ও রেকর্ড করেছে বলে 'প্রমাণিত' হয় তবে শাস্তিযোগ্য বলে বিবেচিত হবে" এবং "জনগুরুত্বপূর্ণ, সত্য উন্মোচন ও ন্যায়প্রতিষ্ঠার স্বার্থে প্রবেশ করেছিল বলে 'প্রমাণ উপস্থাপন করলে শাস্তিযোগ্য হবে না"। কাছাকাছি এমনকিছু ক্লজ কিংবা মতামত নিয়ে অন্যকিছু যোগ করলেও চলতো।

বাংলাভাষার বৈচিত্রময় আঞ্চলিকতা ও প্রমিত বাংলা



মানুষের ভাষার লিখিতরূপ একটা স্ট্যান্ডার্ড মেইন্টেইন করতে পারে, মুখের ভাষা, ভাব প্রকাশের ভাষা, নিজেদের মধ্যে কথাবলা ও সাহিত্যের ভাষাকে স্বাধীন থাকতে দেয়াই ভাল। চ্যাট করা কিংবা ফোনে বলার সময়ও আমরা বিশুদ্ধ বাংলার ধার ধারিনা, সাহিত্যের বেলাতে কেন এত জোরজবরদস্তি? দাপ্তরিক কাজে ব্যবহারের বাংলা একইরকম হোক, পাঠ্যপুস্তকের ভাষা একইরকম হোক, কিন্তু অন্য সবক্ষেত্রে ভাষা হোক মর্জিমাফিক। অনেকদিন পর দেখতে পাওয়া ব্রেইনস্ট্রোক করে অনেকটা স্মৃতি হারানো প্রিয় এক নানু যদি দেখে বলতেন, "পাশে এসে বসো" তাহলে মনে হবে এই মানুষটা আমার চেনা সেই নানু না। আমি আজীবন উনার মুখে শুনতে চাই, "পাশে আইয়া বও"। প্রকাশভঙ্গী, মুখের ভাষার শ্রুতিমধুরতায়, অমৃতবচনে মানুষের ভালোখারাপ হয় না। মানুষ সেটাই যা সে অন্তরে।

ব্লগ, ব্লগিং ও আদর্শ ব্লগারঃ সেকাল একাল



রাজনীতিবিদরা একা সমাজ পরিবর্তন করবেন না, সাহিত্যিকদের সর্বগ্রাসী প্রভাব কমে যাচ্ছে। এভাবে একজন ব্লগারও একাই সমাজকে প্রগতির দিকে নিয়ে যেতে পারবেন না। এজন্য দরকার সম্মিলিত প্রয়াস। একজন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে অন্যকে প্রভাবিত করা সহজ হয়। একজন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে অন্য অনেককে সঠিক পথে আনবার সামর্থ্য থাকে অনেক বেশি। শিক্ষিত তবে দুষ্ট চরিত্রের মানুষদের কাউন্টার করবার সক্ষমতাও শিক্ষিতদের বেশি থাকে। তারা যদি একসাথে কাজ করেন নিজেদের মধ্যে রেশারেশি বাদ দিয়ে, ব্যক্তিস্বার্থ একপাশে রেখে, তাহলে তাদের ক্ষমতা ও প্রভাব হবে ব্যাপক। দলপ্রীতি কিংবা বিশেষ পক্ষপাতের বাইরে থেকে তারা তাদের কথা বলে যাবে। নারীদের ধূমপান নিয়ে এত পোস্ট স্ট্যাটাস মানুষজন কেন দিচ্ছে বুঝতে পারছিলাম না, গতকাল জানলাম কাহিনি কী। এই যে চাপের মুখে দুইজন দোষ স্বীকার করে নিলো, তার থেকেও তো অনেকে শিখবে। সমাজের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পরিবর্তনের জন্য নিজের অবস্থানে থেকে নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে মতামত জানানোটাও ব্লগিং।

শিটহোল কান্ট্রিজ, পাশ্চাত্য সভ্যতার উৎকর্ষ ও আধুনিক ক্রীতদাস



আরেকটা গল্প বলি। একটা কোর্সে সবসময় গ্যাঞ্জাম লেগে থাকা আফ্রিকান কোনো দেশের এক অফিসারের সাথে পরিচয় ছিল। দেদারছে টাকা উড়াতো। মদ, নারী এসব ছিল নেশার মত, কিছু কেয়ারও করত না। আমি জিজ্ঞেস করি, তোমাদের দেশের অবস্থা তো আমাদের থেকে ভাল না। সরকার তোমাদের এত টাকা দেয়? গল্পে গল্পে জানতে পারি, ওর বাবা এক গোত্রপ্রধান। কিছু না করেই তাদের টাকা দেয় বা বিশাল অংকের ভাতা দেয় বিদেশী শক্তি। কোন ধরনের মানবিক ও শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকবার পরেও যে সে একটা পদ দখল করে আছে, তা তাদের টাকা দিয়ে কিনে রাখা প্রভূদের আশির্বাদে। তাদের মধ্যে থেকে অমানুষ, অযোগ্যদের বেছে নিয়ে অনুগত করে রাখে ভোগ বিলাসের ব্যবস্থা করে। আর গোত্রপতিদের দেবতা মনে করা বাদবাকি মানুষেরা থাকে জোম্বির মত, এরা আধুনিক ক্রীতদাস।

যশোর রোডের প্রাচীন বৃক্ষঃ কিছু কি করা যায়?



আমার যুক্তিতে যতদূর বুঝি, রোড চারলেন হইতেই হবে আর তা হইতে হবে অতিদ্রুত। এখন কথা হইতেছে গাছগুলা কি বাঁচানো বা রক্ষা করবার কোনো উপায় আছে নাকি নাই। গাছগুলাকে বাঁচানোর প্রক্রিয়াও অনেক ব্যয়বহুল হবে। তবে প্রতিটা জাতি নিজেদের ভাল জিনিসগুলো ধরে রাখে, ঐতিহ্য ধরে রাখতে চায়, তার জন্য ব্যয় করে। আমরাও হয়ত করতে পারি। যশোর রোডের অন্যরকম সৌন্দর্য এখনো আমার চোখে ভাসতেছে।

আমি অল্পবুদ্ধিতে যা বুঝি, এই গাছ কিংবা আদি যশোর রোড অবিকৃত রাখবার একটাই উপায়, তা হচ্ছে যশোর রোডের পাশাপাশি প্যারালাল দুইলেনের আরেকটা ওয়ান ওয়ে রোড করা। চারলেনই তো প্রয়োজন, একমুখী দুইলেন হোক আদি যশোর রোডের আর অপর অংশ হোক অপরমুখী লুইলেনের। চারলেনের মহাসড়কে নরমালি ডিভাইডার থাকে, দুইলেন থাকে একমুখী আর অপর দুইলেন থাকে বিপরীতমুখী। যশোর রোডের একপাশের গাছগুলা হোক একসাইডের সীমানাপ্রাচীরের মতন আর অপরপাশের গাছগুলো হইতে পারে পাশাপাশি নির্মাল করা প্যারালাল রোডের ডিভাইডার, একটু বেশি প্রশস্ত ডিভাইডার হবে, এই যা। অতিরিক্ত কিছু জমি অধিগ্রহণ লাগবে, প্রকল্পখরচ আর মাস্টার[প্ল্যান বদলাইতে হবে, কিন্তু এইভাবেও তো সম্ভব। আর পুরা চারলেনের মহাসড়কেই যে গাছ বাঁচাইতে হবে এমনও হবে না। কেবল যেই যেই অংশে গাছগুলা বাঁচানোর দরকার, সেই অংশেই এমন করে মহাসড়কের নতুন পরিকল্পনা করলে কি হয় না?

কেমন গেল ব্লগার ও ফেসবুকারদের ২০১৭ সাল?



২০১৮ আসতেছে। প্রাপ্তবয়স্ক বছরে দেশ ম্যাচিউরিটির দিকে যাত্রা শুরু করুক। আমি ও আমার মত ব্লগার, ফেসবুকার যারা আছেন, তাদেরও মানসিক উন্নতি ঘটূক আরও অনেক। আগামিবছর দেশের তালগাছ, আমড়াগাছ, কাক, উইপোকা, চড়ুই পাখি, ঘড়িয়াল, বনবিড়াল সহ নাকবোচা, নাক উন্নত, কাকা ধলা, আওয়ামী হেফাজতি সকল উদ্ভিদ, প্রাণি ও মানুষ সুখে থাকুক।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 6 দিন 7 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর