নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • সাইয়িদ রফিকুল হক
  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • মাইকেল অপু মন্ডল

নতুন যাত্রী

  • ফারজানা কাজী
  • আমি ফ্রিল্যান্স...
  • সোহেল বাপ্পি
  • হাসিন মাহতাব
  • কৃষ্ণ মহাম্মদ
  • মু.আরিফুল ইসলাম
  • রাজাবাবু
  • রক্স রাব্বি
  • আলমগীর আলম
  • সৌহার্দ্য দেওয়ান

আপনি এখানে

আমি অথবা অন্য কেউ এর ব্লগ

যশোর রোডের প্রাচীন বৃক্ষঃ কিছু কি করা যায়?



আমার যুক্তিতে যতদূর বুঝি, রোড চারলেন হইতেই হবে আর তা হইতে হবে অতিদ্রুত। এখন কথা হইতেছে গাছগুলা কি বাঁচানো বা রক্ষা করবার কোনো উপায় আছে নাকি নাই। গাছগুলাকে বাঁচানোর প্রক্রিয়াও অনেক ব্যয়বহুল হবে। তবে প্রতিটা জাতি নিজেদের ভাল জিনিসগুলো ধরে রাখে, ঐতিহ্য ধরে রাখতে চায়, তার জন্য ব্যয় করে। আমরাও হয়ত করতে পারি। যশোর রোডের অন্যরকম সৌন্দর্য এখনো আমার চোখে ভাসতেছে।

আমি অল্পবুদ্ধিতে যা বুঝি, এই গাছ কিংবা আদি যশোর রোড অবিকৃত রাখবার একটাই উপায়, তা হচ্ছে যশোর রোডের পাশাপাশি প্যারালাল দুইলেনের আরেকটা ওয়ান ওয়ে রোড করা। চারলেনই তো প্রয়োজন, একমুখী দুইলেন হোক আদি যশোর রোডের আর অপর অংশ হোক অপরমুখী লুইলেনের। চারলেনের মহাসড়কে নরমালি ডিভাইডার থাকে, দুইলেন থাকে একমুখী আর অপর দুইলেন থাকে বিপরীতমুখী। যশোর রোডের একপাশের গাছগুলা হোক একসাইডের সীমানাপ্রাচীরের মতন আর অপরপাশের গাছগুলো হইতে পারে পাশাপাশি নির্মাল করা প্যারালাল রোডের ডিভাইডার, একটু বেশি প্রশস্ত ডিভাইডার হবে, এই যা। অতিরিক্ত কিছু জমি অধিগ্রহণ লাগবে, প্রকল্পখরচ আর মাস্টার[প্ল্যান বদলাইতে হবে, কিন্তু এইভাবেও তো সম্ভব। আর পুরা চারলেনের মহাসড়কেই যে গাছ বাঁচাইতে হবে এমনও হবে না। কেবল যেই যেই অংশে গাছগুলা বাঁচানোর দরকার, সেই অংশেই এমন করে মহাসড়কের নতুন পরিকল্পনা করলে কি হয় না?

কেমন গেল ব্লগার ও ফেসবুকারদের ২০১৭ সাল?



২০১৮ আসতেছে। প্রাপ্তবয়স্ক বছরে দেশ ম্যাচিউরিটির দিকে যাত্রা শুরু করুক। আমি ও আমার মত ব্লগার, ফেসবুকার যারা আছেন, তাদেরও মানসিক উন্নতি ঘটূক আরও অনেক। আগামিবছর দেশের তালগাছ, আমড়াগাছ, কাক, উইপোকা, চড়ুই পাখি, ঘড়িয়াল, বনবিড়াল সহ নাকবোচা, নাক উন্নত, কাকা ধলা, আওয়ামী হেফাজতি সকল উদ্ভিদ, প্রাণি ও মানুষ সুখে থাকুক।

হিট্টাইট সাম্রাজ্য, উপমহাদেশের সাথে মিটান্নি সাম্রাজ্যের সংযোগ, সিন্ধু সভ্যতা এবং বর্তমান সভ্যতায় অতীতের সংযোগ


হিট্টি সম্রাট সাপ্পিলিউলুমিয়ার সাথে মিটাইট সম্রাট সাত্তিওয়াজা বা সপ্তমেধার শান্তিচুক্তি হয় প্রায় সাড়ে তিনহাজার বছর আগে। এই শান্তিচুক্তিতে মিটাইটদের দেবদেবীদের নাম ছিল। যাদের মধ্যে কিছু নাম হচ্ছে মিত্র, বরুণ, ইন্দ্র, অশ্বিন, ইত্যাদি। হিন্দু দেবতাদের নামের সাথে কী অদ্ভুত মিল, তাই না? অনেকে বলেন উপমহাদেশের আর্যরা এসেছিল এশিয়া মাইনর থেকে। আর্য মানে, ব্রাক্ষণ বা উচ্চশ্রেণির যারা। তারা কি প্রাচীন মিটান্নি থেকে এসেছিল? তাদের স্ক্রিপ্ট দেখছিলাম, প্রাচীন বেদিক বা ব্রাহমী স্ক্রিপ্টের সাথে অদ্ভুত মিল আছে। সিন্ধু বা ইন্দাস ভ্যালি সভ্যতার স্ক্রিপ্টের সাথেও ব্রাহমী স্ক্রিপ্টের মিল আছে। অফটপিক, তবুও জেনে নিজের ভালোলাগলো, তাই বলি। বিখ্যাত নেফারতিতি আসলে ছিলেন একজন মিটান্নিয়ান রাজকন্যা। ইজিশিয়ান অরিজিনের কেউ নন।

একসময় ভাবতাম ইন্দাস ভ্যালি সিভিলাইজেশন, বা মহেঞ্জোদারো-হরপ্পান সভ্যতার সময়ে যারা ছিল, তাদের মাঝেই হয়ত আছে হিন্দু ধর্মের বীজ। কিন্তু মিটান্নিয়ানদের সম্পর্কে জেনে মনে হচ্ছে হিন্দু ধর্মের দেবদেবতা, রীতিনীতি সহ বহুকিছু এসেছে মিটাইটদের কাছ থেকে। সাম্রাজ্যের পতনের পর তারা যখন অন্যদিকে ছড়ীয়ে পড়ে, তখন কি কেউ এই উপমহাদেশের সিন্ধু অববাহিকায় এসেছিল? অনেক তথ্য উপাত্ত সেই সম্ভাবনাকে জোরালো করে। ইন্দাস ভ্যালি সিভিলাইজেশন কিছুকিছু দেবতাকে আবার কিছু হিন্দু দেবতার প্রাচীন রূপ মনে করা হয়, যেমনঃ শিব, পশুপতি, ইত্যাদি। তাদের ভাষা ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষাবংশের ছিল না, ছিল প্রোটো-দ্রাবিড়। দক্ষিণ ভারতের নানা ভাষার বিবর্তন এই প্রোটো-দ্রাবিড় থেকে। কার সাথে তাহলে কি মেলাবো? হিন্দু ধর্মের উৎপত্তি তাহলে কোথা থেকে?

স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে পরাজিতের লেখা ইতিহাস, বিজয়ীর লেখা ইতিহাস, নিরপেক্ষ ইতিহাস



গত একমাসে আবার যা যা পড়লাম, তার মধ্যে এ টেল অফ মিলিয়নস, এ স্ট্রেনজার ইন মাই ওউন কান্ট্রি, বিট্রেয়াল অফ ইস্ট পাকিস্তান, এক জেনারেলের নীরব সাক্ষী সহ আরও কিছু বই আছে। জেঃ নিয়াজির বই নিয়ে কিছু বলব না। মিথ্যাচার আর হাওয়ার উপর ভাসা যুদ্ধজয়ের অনেক হাইপোথিসিসের মতও আছে। আমি কেবল ভাবছিলাম, "হাউকাম হি বিকেম এ জেনারেল?" পাকিস্তানী অথরদের বই পড়তে গেলে অবশ্য শুরুতেই সন্দেহ নিয়ে পড়তে থাকি। তাদের বক্তব্যে ধর্মের প্রভাব থাকে, জাত্যাভিমান থাকে, ঘৃণা থাকে। তারা যে পরিসংখ্যান দেয় তাতে মিথ্যা ঢুকায়। যেমন, মেজর জেনারেল খাদিম হুসেন রাজার লেখা এ স্ট্রেনজার ইন মাই ওউন কান্ট্রিতে অনেক অনেক ভুল তথ্য ছিল, অনেক মিথ্যা ছিল, ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখা বক্তব্য ছিল। মেঃ জেঃ রাজা, আপনি অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা করেছিলেন রাও ফরমান আলীর সাথে, ভাল কথা। মরবার আগে দিয়ে যে বই লিখেছেন, তাতে তো সত্য তথ্য উপাত্ত থাকা উচিত ছিল, ছিল না? শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান মানুষের মিথ্যা ভয়ংকর, এরা সমাজের জন্যও ভাল না। জাতীয় স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড় হলে যে কেউ হয়ে যেতে পারে এক একজন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, যাদের কেউ বিশ্বাস করে না। ৬৯ সালে উনি বঙ্গবন্ধুর আইনসংক্রান্ত টিমে ছিলেন, ২৬শে মার্চ রাতে পাকিস্তানীদের গ্রেফতার করতে চাওয়া ১৫ জনের তালিকায় ছিলেন। এরপর জেঃ জিয়া, জেঃ এরশাদ, এরশাদের ভাঙা অংশ পেরিয়ে বিএনপিতে ছিলেন। এইদেশের একটা মানুষ কি বোঝাতে চায়, নিজে কি চায় সেসব নিয়ে সন্দেহ থাকলে উনার উদাহরণ টানা যেতে পারে।

একজন ভ্লাদিমির পুতিনঃ বিশ্বের জন্য ভালো? বিশ্বের জন্য ভালো না?



একজন পুতিন কি বিশ্বের জন্য ভালো? এর সরাসরি কোনো উত্তর নেই। পুতিন একজন চতুর ও নির্দয় মানুষ। পিশাচও বলা যেতে পারে। তবে উনি রাশিয়ানদের আরও অনেক ভালো অবস্থানে দেখতে চান, রাশিয়ার মঙ্গলের জন্য কাজ করছেন তাও বলা যায়। বিশ্বের নানাদেশে রাশিয়ার বর্তমান হস্তক্ষেপের ভালো খারাপ দুটা দিকই আছে। উত্তর কোরিয়াকে সাপোর্ট করা নৈতিকতাবিরুদ্ধ, তবে কোনো শক্তিধর রাষ্ট্রই চায় না তাদের সীমানায় আরেক পরাশক্তির উপস্থিতি। উত্তর কোরিয়ার প্রতি অন্ধ সমর্থন মূলত সেই কারণে। সিরিয়াতে তাদের সমর সক্ষমতার প্রদর্শনীর একটা কারণ অস্ত্রেরবাজারে নিজেদের প্রভাব আবারো ফিরে পাবার লক্ষ্য। যেকোনো পরাশক্তি আসলে তাদের স্বার্থের জন্যই কাজ করে। মানবতার খাতিরে কাজ করেছে এমন উদাহরণ তেমন নেই। ইরাকে সাদ্দাম হোসেনকে অপসারণ, লিবিয়াতে গাদ্দাফির অপসারণ, এসবই জনতাকে সহায়তার জন্য করা হয় নি, হয়েছে পশ্চিমাদের ভূ-রাজনোইতিক স্বার্থে। নইলে একই কারণে হোসনী মুবারকের পতনের পর বছরখানেকের পালাবদল শেষে আবারো জেনারেল সিসির ক্ষমতায় আসবার কথা নয়, সমর্থকও পরাশক্তিগুলোই। রাশিয়ার স্খলনকে তাই সরাসরি দোষ না বলে পরাশক্তি হবার বৈশিষ্ট্য বলা যেতে পারে।

কোন রাষ্ট্রের একক নিয়ন্ত্রণে থাকা বিশ্বের জন্য ভালো নয়। বিশ্বের জন্য দরকার ক্ষমতার ভারসাম্য। রাশিয়া ও চীনের ধীরে ধীরে সক্ষম পরাশক্তি হিসেবে উত্থান বৈশ্বিক ভারসাম্যের জন্য ভাল হবে। তবে তারা যে পথ অনুসরণ করছে তা মানবজাতির জন্য আদর্শ নয়। চীন একদিন প্রভাবে অবশ্যই আমেরিকা রাশিয়াকে ছাড়িয়ে যাবে। তখন বিশ্বে নতুন দূর্দিনের সূচনা হবে। সমাজতন্ত্রের লেবাসধারী হলেও বর্তমানবিশ্বে পুঁজিবাদ সবচেয়ে প্রকট চীনাদের মধ্যেই। পশ্চিমারা এতদিন তৃতীয়বিশ্বের দূর্নীতি ঢুকিয়ে দিয়ে প্রভাব বজায় রেখেছে, সংঘাত জিইয়ে রেখেছে। আর চীনারা তৃতীয়বিশ্বের দেশেদেশে ব্যুরোক্রেসীতে পচন ধরাচ্ছে। তাদের রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান নীতি তৃতীয়বিশ্ব সহ অনেক রাষ্ট্রের নীতিহীন মানুষদের সুবিধাপ্রদানের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার।

ব্যক্তিগত স্মৃতি, মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে আটকে পড়া পাকিস্তানী (বিহারী) মানুষেরা ও তাদের নতুন প্রজন্মের ভবিষ্যত



বিহারিদের বেশিরভাগই আটকে পড়া পাকিস্তানী হিসেবে পরিচিত। ভারতের বিহার থেকে চলে এসেছিল ওরা। তাদের অনেকেই এখনো এইদেশের নাগরিক নয়, আবার পাকিস্তানও তাদের ফিরিয়ে নিতে রাজী নয়। তবে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেয় যে, বিহারিদের যারা এদেশে থেকে যেতে চায়, তারা এদেশের নাগরিকত্ব পাবার যোগ্য। পাকিস্তান শুরুর দিকে লাখ দেড়েক বিহারিকে ফেরত নেয়, এদের বেশিরভাগই অপেক্ষাকৃত শিক্ষিত ও সম্পদশালী ছিল। ১৯৭২ সালে ১৪৯ নং প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডারের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন শান্তিকাম্পে আটক সাড়ে দশ লাখ বিহারিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্বলাভের সুযোগ প্রদান করে। তবে ৫ লাখ ৪০ হাজারের মত বিহারি পাকিস্তানে ফেরত যেতে রেডক্রসের তালিকাভুক্ত হয়। পাকিস্তান সরকার শুরু থেকেই বিহারিদের ফেরত নিতে অনীহা প্রকাশ করতে থাকে। তারা কেবল সেসকল বিহারি ও তাদের পরিবারকে গ্রহণ করতে রাজী হয় যারা ৭১ সালে পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্সে যোগ দিয়েছিল ও পাকিস্তানী সেনাদের সাথে আত্মসমর্পন করেছিল। বাংলাদেশ সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে ৬ লাখের মত বিহারি নাগরিকত্ব গ্রহণ করে। বাংলাদেশের সূচনালগ্নে পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ সরকারের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল বিহারি সহ অবাঙালিদের ফেরত নেয়া, পাকিস্তান চাপের মুখে তাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যককে ফেরত নিতে রাজী হয়।

কোন তন্ত্র, কোন নীতি মানুষের জন্য আদর্শ?



স্বাধীনতার পর দেশ এগিয়েছে, বছরে আমাদের মাথাপিছু আয় ১৬১০ ডলার হয়েছে পড়লাম। ভেনেজুয়েলার মানুষের মাথাপিছু আয় এখনো সম্ভবত ৮-১০ হাজার ডলার। ভেনেজুয়েলাকে বিশ্ব বাতিল অর্থনীতির দেশ, ব্যর্থ রাষ্ট্র বলা শুরু করেছে। অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের স্বচ্ছতার দিক থেকে আমাদের তো তাদের ধারেকাছে যেতেও অনেকটা পথ বাকি, সেটুকু পথের দূরত্ব এখনও দশক দশকের পথ যদি প্রবৃদ্ধির হার দুই অংকেও পৌঁছায়। গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, রাজতন্ত্র এসব বাজে কথা, দেশের মানুষ আগে নিজেদের কিভাবে চালাবে সেই ব্যক্তিস্বাতন্ত্র স্বচ্ছতার সাথে ঠিক করুক।

রংপুরে হিন্দুদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বাংলাদেশ



এই হৃদয়বিদারক ছবিটা অনেক প্রচার পাবে, সময়ের চিহ্ন হয়ে থাকবে। এই বৃদ্ধার ছবি দেখলে বহুবছর পরেও মানুষ মনে করতে পারবে কোথায় দেখেছিল, কি হয়েছিল। কিন্তু এই বৃদ্ধার কষ্টের কথা, হাহাকারটুকু অন্য কেউ উপলব্ধি করতে পারবে না।

রংপুরের অগ্নিসংযোগের ঘটণায় আমি প্রশাসনের দোষ দেখি না, সরকারেরও সেভাবে দোষ দেয়া যায় নাকি বুঝতে পারছি না। তবে এমনটা ভাবছি, তবে এটা নিশ্চিতভাবেই বুঝতে পারছি, উপমহাদেশ ধর্মের নামে ভাগাভাগির ২৩ বছর পর ১৯৭১ সালে এসে আমরা বা আমাদের পূর্বপুরুষদের অনেকে যেমন বুঝতে পেরেছিল ধর্মের নামে জাতি বা রাষ্ট্র হয় না, তেমন এই সময়ে এসে বোঝা যাচ্ছে যে, এইদেশের মানুষের বিরাট একটা অংশ সেই ধারণা মানতে রাজী নয়। তারা সহিষ্ণু নয় এবং রাষ্ট্রের আইনীকাঠামোয় থেকে অন্যায় কিছু হলে তার বিচারের দাবীতে বিশ্বাসী নয়। তাদের জন্য আদর্শ হচ্ছে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র, যাতে অন্য যে কোনো ধর্মের মানুষের অবস্থান অনাকাঙ্ক্ষিত।

মুভি রিভিউঃ ডুব - দেখতে দেখতে ডুবে যাওয়ার কিছু নাই



বায়োপিক বানাইয়া বায়োপিক স্বীকার করতে না পারা কিংবা না চাওয়াটা ভন্ডামি। আর এইটা বা ডুব নামের সিনেমাটা যে বায়োপিকই, জনতা তা জানবার পর সিনেমা হিট খাবে না। ধরে নেই যে, ডুবের প্রধান চরিত্রকে আমরা চিনি না, আভাসও পাইনা তিনি কে ছিলেন, জীবনে কি কি করছেন, বা কিভাবে উনার জীবন চলছে মৃত্যুর আগপর্যন্ত। জাভেদ হাসানকে আমরা কেবল জানতে শুরু করি এই মুভিটা শুরু হওয়ার সাথে সাথে। তাহলে এই ডুবের কাহিনিতে ডুব দেয়া সাধারণ দর্শকের জন্য কঠিনই হবে। কাহিনির ফ্ল্যাশব্যাক, এদিকসেদিক দৌড়াদৌড়ি আর কে কি অনুভব করতেছে, কেন সমস্যা, কিসের জন্য সমস্যা এইসব বোঝা দুরুহ ব্যাপার হবে যদি প্রাক-আইডিয়া না থাকে। আপনি যদি না জানেন শাওন হুমায়ুনের মেয়ের বান্ধবী ছিলেন, গুলতেকিন আহমেদকে কিভাবে বিয়ে করছেন, কিংবা হুমায়ুন আহমেদের জীবনে কি কি ঘটছিল, তাইলে এই ডুব ছবির অর্ধেক আপনি এমনিতেই বুঝবেন না।

আতা গাছে তোতা পাখি, যানজট প্রতিযোগিতা ও অযথা বিতর্ক কুতর্ক



"আতা গাছে তোতা পাখি, ডালিম গাছে মৌ" - ছোটবেলায় প্রিয় ছড়াগুলোর অন্যতম। আমাদের বাগানেও আতা গাছ ছিল, আতা অবশ্য আমার প্রিয় ফল না দেখে মুখে তুলতাম না। খান আতার নাম শুনছি ছোটবেলা থেকেই। তবে খান আতাকে নিয়ে এখন পক্ষে বিপক্ষে যত কাহিনী শুনছি, তার কিছুই জানতাম না। এখন ইস্যুটা মনে হয় চাপা পড়ে যাচ্ছে, এখন কিছু বলা যায়। কারও মতের বিরুদ্ধে গেলে কিছু কমে আসা আবেগ নিয়ে হামলা চালাবেন হয়ত।

তার আগে একটা প্রশ্ন, যানজট ক্রিয়েট প্রতিযোগিয়ায় জিতলো কে? হাসিনা না খালেদা? দেশে রাজনীতির অবস্থা এমন হাস্যকর হয়ে গেছে, যানজটের তীব্রতার দোহাই দিয়েও অনেকে নিজি নিজ পছন্দের নেত্রীর অধিকতর জনপ্রিয়তার দাবী করছেন। যাইহোক, আমি চাই এইদেশের সকল ভিআইপির জন্য হেলিকপ্টার সার্ভিস হোক, ছাদে ছাদে ব্যবস্থা থাকুক হেলিপ্যাডের। যানজটে আটকাইয়া থাইকা যেই টাকার তেলগ্যাস পোড়ে গাড়ির, মানুষের যে সময় অপচয় হয়, সেইটাকে টাকার অংকে কনভার্ট করলে উনাদের এই উড়াল সুবিধা দেয়ার খরচ কম মনে হবে। তথ্যমন্ত্রীকে দরকার হইলে দুইটা দেয়া হোক। আমি কিন্তু বলতে চাইতেছি না যাত্রাপথে উনার অতিরিক্ত বকবকের উনার ড্রাইভারের উন্মাদ হওয়ার দশা হইছে, কিংবা এইটাও বলতে চাইতেছি না উনার মুখ নিঃসৃত তেলেই হেলিকপ্টারগুলা চলতে পারবে বলে এই ডাবল সুবিধা। আমি উনার ভক্ত, উনাকে দুইটা দেয়ার প্রস্তাব সেই কারণেই।

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

আমি অথবা অন্য কেউ
আমি অথবা অন্য কেউ এর ছবি
Offline
Last seen: 4 দিন 15 ঘন্টা ago
Joined: শুক্রবার, জুন 17, 2016 - 12:11অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর