নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • পৃথু স্যন্যাল
  • মওদুদ তন্ময়
  • দ্বিতীয়নাম
  • আবু মমিন

নতুন যাত্রী

  • নাগিব মাহফুজ খান
  • বুক্কু চাকমা
  • মাষ্টার মশাই
  • লিটন
  • অনন্ত দেব দত্ত
  • ইকরামুল হক
  • আবিদা সুলতানা
  • ইবনে মুর্তাজা
  • কুমার শাহিন মন্ডল
  • ঝিলাম নদী

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

আমরা বুশের পক্ষে নই, ফরহাদ মজহারের পক্ষেও নই


যুক্তরাষ্ট্র সারা দুনিয়াতে যে ‘ইসলামপন্থি’ ‘সন্ত্রাসী’দের সঙ্গে যুদ্ধ করার নামে দেশ দখল করছে তা হলো দেশটির ভেঙ্গে পড়া অর্থনীতিতে গতি আনার জন্য। পুঁজিবাদী অর্থনীতির গোলকধাঁধা হলো এটাই সে-অনিবার্য মন্দায় পড়বেই। সে মন্দা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য বিশ্বযুদ্ধও বেধেছে, আজকের যুগে বিশ্বযুদ্ধ সীমিত যুদ্ধে পরিণত হয়েছে। কারণ বিশ্বযুদ্ধে অনেক বেশি বিপদ। ফলে আজকের যুগে যারা ‘ইসলাম’ আক্রান্ত বলছেন, তারা মূলত বুশ ব্লেয়ারের ছানাপোনা, তারা মূলত ট্রাম্পের লোক, তারা মূলত পেন্টাগনের যুদ্ধ অর্থনীতির সাফাই গাওয়ার পক্ষে প্রোপাগান্ডা মেশিন মাত্র। বাংলাদেশে ‘ইসলামপন্থি’ রাজনীতি যারা করতেন, তারা এলিট বুদ্ধিবৃত্তিক জগতে

রাজনৈতিক নেতা এবং ধর্মীয় উগ্রতার নেতাদের একত্বতা


বাংলাদেশে বর্তমানে রাজনীতি আর উগ্র ধর্মীয় নেতারা এক সুরে কথা বলছে। আর সবই স্বার্থের প্রয়োজনে, মুক্ত চিন্তার পথ বন্ধের জন্য সকল আয়োজন চলছে। মানবধিকার ভংভগ করছে দিনের আলোয় রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় চরমপন্থির যোগসাজে।ধর্মের এই সুচারু ব্যবহার চরমপন্থি উগ্র জঙ্গিবাদে সহায়ক পন্থা। কিভাবে বাংলাদেশকে নামে সেকু্ল্যার রাষ্ট্র বানিয়ে হরন করা হচ্ছে সকল প্রকার সেকুল্যার নাগরিক অধিকার!

মানুষ ও মানুষ !


পাহাড়ের সন্ধ্যা গুলা বরাবর ই একটু অন্যরকম হয়। বিশেষ করে যেদিন আকাশে তারা থাকে সেদিন। সারাদিনের হাড়ভাঙ্গা খাটুনি শেষে রিচেলের রোজদিন চোখভেঙ্গে ঘুম চলে এলেও কেন জানি তারাভরা আকাশ দেখলে সেদিন রিচেলের ঘুম আসতে দেরী হয়। মন উদাস করে ঘরের সামনের মাচার উপর বসেই অর্ধেক রাত পার করে দেয় সে। অভ্যাস টা ছোটকালের কিন্তু বয়স আশির কোটায় চলে আসার পর ও অভ্যাস টা যায় নি তার মাঝ থেকে। বিয়ের পর প্রথম প্রথম বউ খুব মন খারাপ করত, পরের দিকে রাগ ই করত শেষ পর্যন্ত একটা সময়ে হতাশ হয়ে কিছু বলাই বন্ধ করে দিয়েছিল। ছোট মেয়ের জন্মের সময় বউটা মরে যায় রিচেলের । মাঝরাতে পাহাড় থেকে নেমে হাসপাতালে নেওয়ার সময় সুযোগ কোনটাই হয়ে ওঠে

তোমায় পেতে ইচ্ছা করে


মাঝে মাঝে একসাথে অনেক কিছু পেতে ইচ্ছা জাগে আমার। এক চুল পরিমাণ ছাড় দিতে ইচ্ছা করে না কিছুতেই। সেই বিশাল নীল আকাশ, পাহাড় ,সমুদ্র, দীঘি আর সেই অজস্র মায়া ভরা ডাক। যা শুনে বলতে ইচ্ছা করে," তুমি কি শুধু আমার হবে?"। আল্লাদ ভরা গলায় ডাকতে ইচ্ছা করে ভীষণ। প্রতিদিন বেরোনোর আগে একটা ছবি তুলে পাঠাতে ইচ্ছা করে, যা দেখে অন্তত্য হেসে বলবে আহারে। নাইবা বললে সুন্দর, শুধু মায়া নিয়ে আহারে বললেই তো অনেক। চোখের দিকে চেয়ে বলবে একটু যদি না ঘুমাও তবে তো আর দিনকয়েক পর কাজল চোখে টানতে হবে না, এমনিতেই চোখে কালি এসে যাবে। ফোনটা হাতে নিয়ে তোমাকে কল দিবো ভাবতে ভাবতেই যখন তোমার কল চলে আসে কি যে খুশি লাগে।

মুভি রিভিউঃ বাহুবলী-২ (দ্য কনক্লুশন)



রেটিং আর রিলেটেড অদরকারী তথ্যঃ

আইএমডিবিঃ ৯.৩/১০
রটেন টমেটোজঃ ৯০%, ৪.৬/৫ (এভারেজ অভিয়েন্স স্কোর)
টাইমস অফ ইন্ডিয়াঃ ৪/৫
দ্য গার্ডিয়ানঃ ৪/৫
হিন্দুস্তান টাইমসঃ ৩/৫
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসঃ ২/৫ (যেই শালা রিভিউ লিখছে, সে দিলওয়ালেরে ৩/৫ আর পিকেরে ৩.৫/৫ দিছিল। আমি নিশ্চিত গডফাদাররে সে আইএমডিবিতে ৪/১০ আর এভাটাররে ৩/১০ দিছে)

আমার অভিজ্ঞতা হইলো উপভোগ্য মুভি। সিক্যুয়েল বেশিরভাগ সময়ই হতাশ করে, কিন্তু এইটা করে নাই। কাহিনি হিসেবে চমৎকার, সফল সমাপ্তি যেমনটা দর্শক চায়। আরও পর্ব বাড়ায়নাই এইটাও ভাল ব্যাপার, টাইনা লম্বা করা যাইতো হয়তো, কিন্তু তাতে এখন যেমন সফল, সেইরকম সফলতার সাথে শেষ হইতো না।

আমার চিন্তা করে ভাল্লাগছে আরও একটা ব্যাপার। এত্ত বড় একটা দেশ ভারত। সেইখানে সবচেয়ে বড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি বলিউড। কিন্তু বলিঊডরে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাইয়া মৌলিক কাহিনি দিয়া, নিজেদের ক্রিয়েটিভিটি দিয়া টেক্কা দিতেছে অপেক্ষাকৃত কম জনসংখ্যার রাজ্যের মুভি। মানে হইলো ইচ্ছা, রুচি আর প্রতিভা থাকলে উপায় হয়। আমাদের দেশের মুভিগুলা উন্নত হবে কবে কে জানে? ১৬ কোটি মানুষের দেশ আমার, এইখানে বছরে কেন ২-৪ টা মুভি মানসম্মত বাইর হয়না। এক আয়নাবাজি নিয়া এত মাতামাতি, যেইটারে আমার ভাল একটা টেলিফিল্ম ছাড়া আলাদা কিছু মনে হয়নাই, যুগান্তকারী কিছু অবশ্যই ছিল না। সেইটার বাজেট কোটি টাকাও ছিল না, সব মিলাইয়া ব্যবসা করছিল ৬ কোটির। যেইখানে এই মুভির প্রথমদিনের আয় ১৫০ কোটি! কবির ভাষায়, কিছু হতাশায় বলতে ইচ্ছা করে, "আমাদের দেশে হবে সেই ফিল্মমেকার কবে? সাকিবাপুরে লিপস্টিক না পরাইয়া অভিনয় শেখাবে।"

এনজয় বাহুবলী-২ (দ্য উপসংহার)

প্রতিবাদী কলমের হত্যা ও রাষ্ট্রীয় আপোষ:


'৭১ এর ১৬ ই ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরে মোট জনসংখ্যার ২২ দশমিক ৫ শতাংশ ছিল ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। এখন হিসেবটি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৭ শতাংশ তে ! প্রশ্ন হল কেন?
উত্তরটি কমবেশি সকলেই জানে। বাংলাদেশে মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠরা ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপরে দিনের পর দিন নির্যাতন চালিয়ে তাদেরকে দেশ ছেড়ে অন্য দেশে যেতে বাধ্য করেছে। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সম্পদ দখল করা, নারীদের উপর যৌন হামলা করা, সামাজিক ভাবে হেয় করা, বাংলাদেশে বর্তমানে একটা স্বাভাবিক ঘটনার পর্যায়ে চলে এসেছে।

শুরু হোক ষড়যন্ত্র নিয়ে বাঙ্গালির গেসিং গেম


কাশিম বিন আবু বাকার থামি থামি করেও থামছে না। তাবৎ বড় বড় সাহিত্যিক ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। চলছে চুলচুরে বিশ্লেষণ। তিনি কোন মানের সাহিত্যিক, তা নিয়েও যেমন বিতর্ক চলছে তেমনি চলছে উদাহরণের পালা, জনপ্রিয় হল তো কি হল? উপন্যাস তো অখাদ্য। এই প্রসঙ্গে বেশ কিছু ব্লকাব্লকিও হয়ে গেছে। কেউই হারতে রাজি না। কমবেশি সবাই সাহিত্য বোদ্ধা হয়ে বসে আছেন। একাত্তর টিভি বকর সাহেবকে লাইভ এনেছেন। মোদ্দা কথা, ডেইলি মেইল যা করতে চেয়েছিল, তা হল, তাঁকে লাইমে লাইটে নিয়ে আসল। যারা তাঁকে পছন্দ করছেন না, তাঁরাও নিজের অজান্তে তাঁকে লাইম লাইটে আসতে সাহায্য করলেন।

বাড়ছে বিদেশি বিনিয়োগ


২০১৬ সালে দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ বেড়েছে। গত বছর নিট বিনিয়োগ এসেছে ২৩৩ কোটি ২৭ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ১৮ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে নিট বিনিয়োগ এসেছিল ২২৩ কোটি ৫৩ লাখ ডলার। ফলে গত বছরে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ৯ কোটি ৭৩ লাখ ডলার বা ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এ সময় সর্বোচ্চ বিনিয়োগ এসেছে টেলিকমিউনিকেশন খাতে। আর সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছে সিঙ্গাপুর। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভে প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে বর্তমানে অন্তত ১৭টি খাতে কর অবকাশ সুবিধা পাচ্ছেন বিদেশিরা। তাদের মুনাফা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রেও বিধি-বিধান শিথিল করা হয়েছে। মুনাফাসহ শতভাগ মূলধন ফেরত নেয়

কাসিম বিন আবুবাকার ও ইসলামি আগ্রাসন!


বেশকিছুদিন যাবত বিশ্ববাসির কাছে বাংলাদেশকে একটি সাম্প্রদায়িক দেশ হিসেবে তুলে ধরার অপপ্রয়াশ অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় হটাত করে কাসেম বিন আবুবাকারের ইসলামি সাহিত্য নিয়ে এএফপির বিশাল প্রতিবেদন যেটা অন্যান্য আন্তর্জাতিক মাধ্যমেও এসেছে। কিন্তু বাংলাদেশের মূলধারার মিডিয়াতে তিনি উপেক্ষিত ছিলেন। এটা সত্যি যে তিন দশকের বেশি সময় যাবত তার সাহিত্য কর্ম প্রকাশিত হয়েছে এবং তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয় গ্রামীণ পাঠকদের কাছে বিশেষভাবে মাদ্রাসা পড়ুয়াদের কাছে। যদিও গত ২ বসর যাবত তার কোন লেখা প্রকা

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর