নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 3 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • প্রবাসী ছেলে সোহেল
  • কান্ডারী হুশিয়ার
  • বেহুলার ভেলা

নতুন যাত্রী

  • সুক্ন্ত মিত্র
  • কাজী আহসান
  • তা ন ভী র .
  • কেএম শাওন
  • নুসরাত প্রিয়া
  • তথাগত
  • জুনায়েদ সিদ্দিক...
  • হান্টার দীপ
  • সাধু বাবা
  • বেকার_মানুষ

আপনি এখানে

ব্লগসমূহ

অ্যাডাম-ইভের মঙ্গল যাত্রা এবং বিবর্তনবাদ-২


অ্যাডাম-ইভের কি আসলেই কোন নির্দিষ্ট ভাষা ছিল?

ধরা যাক, আপনার আম-বাগানে হাজারখানেক গাছ আছে। আপনার প্রিয় বন্ধু বাগানে এসেছে আম খেতে। আপনি চাইছেন না যে, আপনার বন্ধুটি পূর্ব পাশের শেষ গাছটি থেকে আম সংগ্রহ করুক। কারণ, আপনার কোন এক কর্মচারী ভুলবশত ঐ গাছটির পাতা ও ফলে আজ সকালে বিষাক্ত ক্যামিকেল প্রয়োগ করেছে। এই অবস্থায় আপনি যখন আপনার বন্ধুকে সতর্ক করতে চাইবেন, তখন ঠোঁটদুটি বন্ধ রেখে আপনি কি ইশারায় সতর্ক করবেন?

অবশ্যই না। ধর্মগ্রন্থে আমরা দেখি, স্বয়ং ঈশ্বর অ্যাডাম কে সতর্ক করছেন শব্দ-শক্তিকে ব্যবহার করে:

ধন্যি বাংলাদশের অভাগা ধন্যরাম!


(কত কিছুইতো ভাইরাল করেন আপনারা, ধন্যরামের খুনিদের শাস্তির জন্য এ পোস্টটা না হয় ভাইরাল করেন)
ধন্যচন্দ্র রায়, ডাক নাম ধন্যরাম দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বিরলি গ্রামের মৃত নন্দি চন্দ্র রায়ের ১৬ বছরের একমাত্র সন্তান।

হতদরিদ্র ধন্যরামের ক্ষেতে প্রভাশালী শাহাজানের গরু ঢুকে ক্ষেত নস্ট করে। ধন্যরামের মা পারনি বালা গরুটাকে আটকে রাখে। খবর শুনে শাহজানের দলবল এসে হামলা চালায় পারনি বালার ওপর।

ভারতের সবখানে আজ সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, অসহিঞ্চুতা!


ভারতবর্ষ থেকে বেরিয়ে আসা দেশগুলো কতটা অসাম্প্রদায়িক আচরণ করবে তা অনেকখানি নির্ভর করে ভারত কেমন আচরণ করছে তার ওপর। ভারতের আচরণ পরিমাপ করতে হবে দুইভাবে− জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। অর্থাৎ সে তার নিজ দেশের অপেক্ষাকৃত দুর্বল জনগণের সাথে কেমন আচরণ করছে এবং দেশ হিসেবে যারা ছোট তাদের সাথে বড় দেশ হিসেবে ভারতের আচরণ কী এবং কেমন।

ধমীয় ফ্যানাটিসিজম


ধমীয় ফ্যানাটিসিজমের সাধারণ অর্থ হ’ল- ধর্মচর্চায় ও জীবনযাপনে অবাস্তব, স্বপ্নপ্রাপ্ত, অলীক, অন্ধবিশ্বাস ও অলৌকিকতার ওপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীলতা ।

সুদূর অতীতে যুগ যুগ ধরে ধর্মপ্রাণ মানুষেরা যখন প্রকৃতি ও মানব-সৃষ্ট দুর্বিপাক-দুর্যোগের মধ্যে পতিত হয়ে আশু ধ্বংস ও বিপর্যয়ের মধ্যে পতিত হয়েছে এবং সংকট উত্তরণের পথ খুঁজে পেতে ব্যর্থ হয়েছে, তখন তারা মনস্তাত্ত্বিকভাবে স্বপ্নপ্রাপ্ত উপদেশ-নির্দেশ এবং অলৌকিক শক্তির আশ্রয় গ্ৰহণ করেছে।

সত্যি ভূতের গল্প


প্রথমেই বলে নিচ্ছি, দুর্বল হার্টের কেউ এই লেখাটা পড়বেন না।
বাগেরহাট যাচ্ছি। সুন্দরবনের পাশে একটি গ্রাম। গ্রামের নাম রসুল পুর। সকাল ১০ টায় বাসে উঠলাম। রাস্তায় তিন বার বাস নষ্ট হলো। বিকেলে পৌঁছানোর কথা ছিল রায়েন্দা। আমি পৌছালাম রাত ৩ টায়। পনের বছর আগের কথা। তখন রাস্তা ঘাট খুব উন্নত ছিল না। প্রচন্ড শীত। বাস থেকে নেমে আমি কাঁপছি। চারপাশে ঘুট ঘুট অন্ধকার। আমার সাথে যে ক'জন মাস থেকে নেমেছিল তারা কে কোথায় চলে গেল। ঈদের ছুটিতে বন্ধুর গ্রামের বাড়ি যাচ্ছি। তখন মোবাইল ছিল না। গত পাঁচ বছর ধরে যাব যাব করছিলাম, যাওয়া আর হয়নি।

গণমাধ্যমকর্মীদের হাতে নেয়ার অপচেষ্টা বিএনপির


বিএনপির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের দলীয় কাজে ব্যবহার করার অপচেষ্টা নতুন ঘটনা নয়। বিগত দিনগুলোতে বিএনপি নেত্রীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা এই ধরনের ন্যাক্কারজনক অপচেষ্টা করে ব্যার্থ হয়েছে। এবছর বিএনপির পক্ষ থেকে বাদামি রঙের খামে গণমাধ্যমকর্মীদের ঈদ শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠানোর কথা বলা হলেও এ নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিভ্রান্তির মধ্যে পড়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরাও। এধরণের শুভেচ্ছা পাঠানোর বিষয় বিএনপির সিনিয়র দায়িত্বশীল নেতারা ইতমধ্যে অস্বীকার করে আসছেন। এমনকি বেগম খালেদা জিয়ার নামে পল্টন কার্যালয় থেকে শুভেচ্ছাসহ লাখ লাখ টাকা বিতরণ করা হলেও

সোভিয়েত ইউনিয়ন, আমলাতন্ত্র ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং একজন আলেক্সান্দ্রা কলনতাই


সোভিয়েত ইউনিয়ন, এক হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নের নাম। আমরা যারা ৯০ এর দশকে বাম রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছি তাদের প্রায় সবাইকে সেই স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার খেসারত হিসেবে কিছু কথা অবধারিতভাবেই শুনতে হত। “সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙল কেন?”, “সমাজতন্ত্রের দিন শেষ”, “সমাজতন্ত্র একটা ব্যর্থ সমাজব্যবস্থা” ইত্যাদি ইত্যাদি। নেতাদের কাছ থেকে শিখে গিয়ে যে যেভাবে পারি সেভাবে বুঝাতে চেষ্টা করেছি লোকজনকে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হতে হত বলাই বাহুল্য। তখন আমাদের আবেগি কচি মন হয়তো নেতাদের সেইসব কথা বার্তায় বুঝ মেনে যেত কিন্তু এখন বয়স যত বাড়ছে, পেছনের দিকে নিরাসক্ত দৃষ্টিতে তাকানোর চেষ্টা করছি, ততই কেন জানি সেইসব কথা গুলোতে আর

আগে ছিল ঈদ আর এখন ঈদের নামে শুধুই ফ্যাশন কিংবা অভিনয়


টাকালোভী-সম্পদশালী-সম্পদলুটপাটকারী ও নষ্টচরিত্রের এই ধনিকশ্রেণীটি এখন বিদেশে গিয়ে ঈদ করছে। আসলে, এটি ঈদ নয়—এটি হলো তাদের ঈদের নামে ভণ্ডামি আর ফুর্তি! এরা সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, মালয়েশিয়া থেকে শুরু করে ইউরোপের অনেক দেশের হোটেলে সময় কাটাচ্ছে—আর সেখানে মদ ও মেয়েমানুষ নিয়ে ফুর্তি করছে। ঈদ এখন এদের কাছে ফ্যাশন মাত্র। আর এই অমানুষের দলের কাছে দেশের সাধারণ ও গরিব মানুষের স্থান কোথায়?

ভার্জিনিয়া উলফের 'নিজের একটি কামরা'


ব্রিটিশ আধুনিকতাবাদের এবং সেইসঙ্গে অন্যতম নারীবাদী লেখক ভার্জিনিয়া উলফ (১৮৪২-১৯৪১)। তারই একটি তৎকালীন সমাজ বিশ্লেষণধর্মী বই ‘নিজের একটি কামরা (A Room of One’s Own)’। নারী মুক্তিতে বিশ্বাসী মানুষদের অবশ্য পাঠ্য এই বইটি।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর