নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    There is currently 1 user online.

    • ইউসুফ শেখ

    নতুন যাত্রী

    • সুশান্ত কুমার
    • আলমামুন শাওন
    • সমুদ্র শাঁচি
    • অরুপ কুমার দেবনাথ
    • তাপস ভৌমিক
    • ইউসুফ শেখ
    • আনোয়ার আলী
    • সৌগত চর্বাক
    • সৌগত চার্বাক
    • মোঃ আব্দুল বারিক

    আমেরিকা এবং গং সিরিয়াতে কী উদ্ধার করলো মিসাইল মেরে?



    মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করা নিয়ে অনেক কথা চলছে। বর্তমান বিশ্বে আমেরিকার চেয়ে রাশিয়ান মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেমগুলা বেশি কার্যকর ও আধুনিক। আবার এসব সিস্টেম খুবই ব্যয়বহুল। আমার ধারণা, রাশিয়া কিছু মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করেছিল, আর বাকীগুলো এমনিতেই করেনি। মিসাইল ইন্টারসেপ্ট করতেও মিসাইল লাগে, যার একেকট্র মূল্য কোটিকোটি টাকা। শখানেক মিসাইলে যে স্থাপনা ধ্বংস হব, তা ঠেকানোর চেয়ে ওগুলো ধ্বংস হতে দিয়ে আবার গড়ে ফেলা কম খরচের ব্যাপার। পরাশক্তিরা এই গ্যাস হামলার হুমকি পাল্টা হুমকির ও মিসাইল স্ট্রাইক পরবর্তী হিসেব নিকেশে নো উইন সিচুয়েশনে আছে। পশ্চিমারা মুখ রক্ষা করলো কিছু উধার না করেই, আর রাশিয়া মিসাইল হামলা প্রতিহত করবার জন্য সেভাবে কিছু না করেই বাগাড়ম্বর করলো। তাদেরও তেমন লাভ হয়নি, ক্ষতিও না। আসাদ সরকারের সর্বাত্মক বিজয়ের চেয়েও সিরিয়াতে তাদের অবস্থান বেশি জরুরী। সেটা তারা নিশ্চিত করবেই।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কী দোষ ?


    বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেইসবুক , টুইটার , ইউটিউব বহুল ব্যাবহারিত। এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ব্যবহারকারীরা খুব সহজে এ সকল যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে মনের ভাব আদান -প্রদান করতে পারে। এ বাণিজ্যিক দুনিয়ায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো ব্যবসা বিস্তার ও উন্নয়নে অপরিসীম অবদান রাখছে। বলার অপেক্ষা রাখেনা , সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রাজনীতি , অর্থনীতি , ধর্ম ও সংকৃতির অপব্যাবহার রোধে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছে।

    প্রতিষ্ঠানিক শিশু নির্যাতন বন্ধ হবে না ?


    শুধু একটু ভাবুন আমাদের শিক্ষাপদ্ধতি, পাঠদান পদ্ধতি সরকার পরিবর্তন করছেন, যুগউপোযোগী করে গোড়ে তোলার চেষ্টা করছেন রাত দিন, কিন্তু এর সুফল কখনো কি আসবে যদি শিক্ষার্থীদের মননের মাঝে শিক্ষা গেঁথে না দেয়া যায়? ভয় নিয়ে কখনো শেখা যায় না, শিক্ষা আমরা লাভ করি নির্মল মানসিকতায় থেকে। আমাকে আমার এক স্যার সব সময় তিরস্কার করতো, কারন আমার সমাজের পড়া মুখস্ত না থাকলেও গান কবিতা ঠিকই মুখস্ত থাকতো, থাকবে না কেন বলুন তো? ওটা আমি বিনোদনের মাধ্যমে গ্রহন করছে, গান কবিতার না শিখার জন্য আমার কোনো শাস্তির ব্যবস্থা নেই, কোনো হুমকি নেই পাশ ফেইলের, ওটা আমার বিনোদনের জায়গা। একটু ভাবুন পাঠ্যসূচি ভূক্ত এইসব পড়া কেন আমরা ধারণ করতে পারছি না, কারন ভয় আছে, শাস্তি আছে, পাশ-ফেইল আছে। বিশ্বাস করুন শুধু মাত্র শিক্ষার্থীদের উপর যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবারের মানসিক চাপটা সরিয়ে দেয়া যায়, যদি শিক্ষাকে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা যায়, তবে দেশে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা বাড়বে।

    বাংলাদেশে মালাউন রবীন্দ্রনাথ ও রবীনিন্দা


    বিশ্বে যখন রবীর চর্চার বাতাস বয়,
    বাংলাদেশে মগজের তখন পতন হয়৷

    বাংলা মেইল ৭১ এর একটা লেখা পড়লাম৷ খুব ভালো করে মগজ ধোলাই চলছে৷ প্রায় ১২ হাজার ভিউ ছিল লেখাটির আর অহরহ মন্তব্য৷ মন্তব্যের অবস্থা দেখে বুঝলাম এদেশের মগজগুলো কতল হয়েছে সাম্প্রদায়িকতা আর ধর্মের তরবারিতে, যেখানে মশির চেয়ে ঐশী বড়৷

    বাংলা মেইল ৭১ লিখেছেন-
    >
    “মূর্খের দেশে আবার কিসের বিশ্ববিদ্যালয়, তারাতো ঠিকমতো কথাই বলতে জানেনা! – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    <

    গল্পঃ বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে


    হয়ত কোন একদিন অনলাইনে নয় রাস্তায় আগুন জ্বলবে।
    হয়ত সেদিনের পর আর কোন ধর্ষক থাকবে না।
    হয়ত সেদিনের পর আর কোন ধর্ষিতা থাকবে না।
    হয়ত সেদিনের পর আর কোন মেয়ে আক্ষেপের ক্ষোভে বলবেনা,
    “তুই শালাও সেদিন চুপ ছিলি।”
    আমি অপেক্ষায় আছি সেই মাহেন্দ্রক্ষণের।

    ঢাকা নিঃস্ববিদ্যালয়,,,


    খুব জানতে ইচ্ছে করে-
    এখন প্রধানমন্ত্রীর রাতের ঘুম হয় কি না ? নাকি লন্ডন টাইমের ভেরিয়েশান বলে ঘুম আসতে দেরি হইছে!

    না মানে,ওনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন- "সাধারন ছাত্রীদের চিন্তায় ওনার রাত্রে ঘুম আসে নি, সারাক্ষণ চিন্তায় থাকতেন,ছাত্রীদের কোন বিপদ আপদ হয় কি না।"

    সুফিয়া কামাল হল থেকে রাতের বেলা ছাত্রীদের বের করে দিচ্ছে। এতে কোন ছাত্রীর কোন রকম ক্ষতি হলে এর দায়ভার কে নিবে?
    কারা/কাদের নির্দেশে রাতের বেলা ওদের বের করে দিচ্ছে?

    বাজি !


    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর