নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • আলমগীর কবির
  • মুন্না সন্দ্বীপী
  • কাজী হাসান
  • আনিসা নাসরীন

নতুন যাত্রী

  • কবির বিটু
  • আলোকিত
  • ঘাস ফড়িং
  • আবীর হাসান
  • অচেনা
  • গণতন্ত্র মুক্তিপাক
  • তাহমিদ
  • সৈয়দ আহাম্মদ উপল
  • আদিত্য বোস
  • মুহম্মদ যিশু ঠাকুর

আপনি এখানে

জাগো কানসাট জাগো


চলুন একটু পেছনে ফিরে যাই.....

নির্দলীয় একটি আন্দোলনে ফিরে চলুন,যে আন্দোলন ছিল কৃষকদের সেই আন্দোলনে। ২০০৬ সালের ৪ মার্চ তৎকালীন ক্ষমতাসীন চারদলীয় জোটকে কাপানো একটি আন্দোলনের সুত্রপাত। ৫ দফা দাবি আদায়ে ২০০৬-এর এইদিনে কানসাট পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয় ঘেরাও করলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয় ২ জন নিরীহ মানুষ। আহত হয় ১০০। ফলে কানসাট ছাড়িয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে শিবগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে। কানসাট হয়ে ওঠে অগ্নিগর্ভ। ৫ দফা রূপ নেয় ১৪ দফায়। জানুযারি থেকে এপ্রিল, পাঁচ মাস কানসাটে দফায় দফায় পুলিশের ধরপাকড়, লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ, গুলিবর্ষণ চলতে থাকে। বিদ্যুৎ আন্দোলনের গ্রাহকসহ সর্বস্তরের নারী-পুরুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে। হরতাল, অবরোধ পালন করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে। আন্দোলনকারীরা পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি (পিলার) ও মহাসড়কের পাশের গাছ কেটে ব্যারিকেড দিলে অচল হয়ে পড়ে দেশের দ্বিতীয় স্থলবন্দর সোনা মসজিদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। শত কোটি টাকা রাজস্ব বঞ্চনার শিকার হয় সরকার। তারপরও তৎকালীন শাসক গোষ্ঠীর দমন-পীড়ন চালিয়ে আন্দোলনকে রুদ্ধ করার চেষ্টা করে। কিন্তু এলাকার মানুষ বেপরোয়া, অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, তৎকালীন চারদলীয় জোট সরকারের পাঁচবারের নির্বাচিত সাংসদ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি শাহজাহান আলী মিয়ার নির্দেশে পুলিশ অত্যাচার, নির্যাতন ও গুলি চালিয়ে ১৭ জনকে হত্যা করে, ঘরবাড়িতে চালায় লুটপাট। পুলিশী নির্যাতনে ঘর ছাড়েন শত শত পরিবার। কানসাট আন্দোলনে ৪ দফায় ৪ জানুয়ারি ২ জন, ২৩ জানুয়ারি ৭ জন, ৬ এপ্রিল ৪ জন এবং ১২ এপ্রিল ৪ জনসহ মোট ১৭ জন নিহত ও আহত হয় কয়েক হাজার নিরীহ মানুষ। আশ্চর্যের বিষয় হলো, কানসাট বিদ্যুৎ আন্দোলনে নিহত ১৭ জনের মধ্যে ১১ জনের বাড়িতেই বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। নিহতরা ছিল নিরীহ জনগণ।
অবশেষে বিদ্যুতের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে সরকারের নতিস্বীকারের মধ্যদিয়ে। চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী ও এমপিরা সমঝোতায় বসেন বিদ্যুৎ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। ২০০৬-এর ১৬ এপ্রিল রাজশাহী সার্কিট হাউসে দু'পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় ১৪ দফা সমঝোতা চুক্তি।

যে রক্তপাত আর আন্দোলনের মাধ্যমে কানসাট পেয়েছিলো বিদ্যুৎ সেই বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র গত ২৮ ফেব্রুয়ারী জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল। আজ কি অবস্থা সেখানে কেউ কি জানি? খোজ নিচ্ছি? মিডিয়াগুলো ব্যস্ত এখন গণজাগরণ নিয়ে দেশ ব্যস্ত রাজাকার,জামাত-শিবির,হরতাল,রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে কিন্তু সেখানকার লোকদের খবর নিচ্ছে কে? কৃষি নির্ভর ঐ এলাকার কি অবস্থায় দিন যাচ্ছে? একটা ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকলে সরকারের জাত খানদান এক করে ফেলি আমরা আর সেখানকার লোকগুলো আজ ১৪ টা দিন বিদ্যুতহীন। সরকারীভাবে বলা হচ্ছে কবে নাগাদ ঠিক হবে তার ঠিক নেই,পুরো অনিশ্চয়তায় ফেলে দেওয়া হলো আমাদের জাতির একটা অংশকে। কিছু বেজন্মা দুষ্কৃতিকারীদের জন্য সকল লোক কষ্ট পাবে তা কেন হবে? একবার কি দেখে নিতে পারি কি ক্ষতি হয়েছে সেখানে?
বিদুৎকেন্দ্র ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় গত চৌদ্দ দিন ধরে কানসাটের দুই হাজার ৩শ' সেচযন্ত্র বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন। প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমির ইরি চাষ চরম অনিশ্চয়তায়। অন্যদিকে বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ২শ' কোটি টাকা। এভাবে বিপর্যয়ের মধ্যে দিশেহারা এলাকার হাজার হাজার কৃষক। সমিতির আবাসিক এলাকায় ৪৮টি পরিবারকে ঘরে আটকে রেখে আগুন লাগিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে। আগুনের ফলে কানসাট বিদ্যুৎকেন্দ্র এখন ধ্বংস স্তূপে পরিণত হয়েছে ক্ষতির মুখে ৪৫ হাজার আবাসিক গ্রাহক। বিদ্যুতের অভাবে ৫০ হাজার একর জমির বোরো আবাদ ধ্বংসের পথে। কানসাটসহ ১৫টি ইউনিয়নের বাসিন্দা অন্ধকারে দিন কাটাচ্ছে।

দয়া করে একবার তাদের মাঝে নিজেদের চিন্তা করুন,একবার ভাবুন কত বেশি ক্ষতিগ্রস্থ আজ ঐ কানসাটবাসী। কে এখন তাদের পাশে দাঁড়াবে? কে জাগাবে সেই কানসাটকে?

জামাতীরা শুধু বিদ্যুৎ কেন্দ্র জ্বালিয়ে ক্ষান্ত হয় নাই তারা সমিতির আবাসিক অফিসে আগুন দিয়েছে এবং সেই আগুনে শুধু ঘর-বাড়িই পোড়ে ছারখার হয় নাই পবিত্র কুরআন শরীফ পুড়ে গেছে,জায়নামায পুড়ে গেছে পুড়েছে আরো কত ধর্মীয় উপকরন। শাহবাগীরা যদি রাজাকারের বিচার চাওয়াতে নাস্তিক হয়, শাহবাগীরা যদি আযানের সময় মাইক বন্ধ না করার দায়ে নাস্তিক হয়, শাহবাগীরা যদি ব্লগার হবার কারণে নাস্তিক হয় তাহলে আজ কুরআন পোড়ানোর দায়ে ঐ জামাত-শিবিরকে কি বলবে ঐ হেফাজতে ইসলাম,খেলাফত মজলিশ সহ অন্যান্য ইসলাম রক্ষাকারী দলগুলো? কি ব্যবস্থা নিবে তাদের জন্য? ইসলাম বাচাতে যদি গণজাগরণ মঞ্চ ঠেকানো হয় হরতাল আর দাঙ্গার মধ্য দিয়ে তাহলে কুরআন পোড়ানোর দায়ে জামাতীদের কি করবেন তারা?

আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা ব্লগার আমরা অনলাইন এক্টিভিস্ট,আমরা কারোই তাবেদারী করি না। আমরা নিজেদের মত প্রতিষ্ঠার লড়াই করি,আমরা সত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই করি, যা বাস্তব তাই বলার চেষ্টা করি। ক্ষমতার লোভ আমাদের নাই,তাই এই মুহুর্তে আহ্বান জানাবো আবারো সেই কানসাটকে জাগিয়ে তুলতে, ঐ কানসাট থেকেই জামাতীদের মৃত্যু কবর রচিত হোক।

জাগো কানসাট জাগো।

জয় বাংলা...

মন্তব্যসমূহ

 

কানসাট বাসীর জন্য আমার দুঃখ হয় !! এই কানসাট বাসী বিদ্যুৎ এর জন্য জীবণ দিয়ে আবার সেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র তারাই ধ্বংস করে........ কবে হবে তাদের বোধদয়....

 
 

এই কানসাট বাসী বিদ্যুৎ এর জন্য জীবণ দিয়ে আবার সেই বিদ্যুৎ কেন্দ্র তারাই ধ্বংস করে........

জামাতীরা পুড়েছে। আপনি পাকি বেজন্মা জামাত আর বাংলাদেশীদের কি এক করতে চাইছেন নাকি?

○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○
জয় বাংলা... জয় বঙ্গবন্ধু...
নিজেই কানা পথ চিনে না,পরকে ডাকে বারংবার।
জামাত-শিবির রাজাকার এই মুহুর্তে বাংলা ছাড়।

 
 

শাহবাগীরা যদি রাজাকারের বিচার চাওয়াতে নাস্তিক হয়, শাহবাগীরা যদি আযানের সময় মাইক বন্ধ না করার দায়ে নাস্তিক হয়, শাহবাগীরা যদি ব্লগার হবার কারণে নাস্তিক হয় তাহলে আজ কুরআন পোড়ানোর দায়ে ঐ জামাত-শিবিরকে কি বলবে ঐ হেফাজতে ইসলাম,খেলাফত মজলিশ সহ অন্যান্য ইসলাম রক্ষাকারী দলগুলো? কি ব্যবস্থা নিবে তাদের জন্য?

কিছুই করবে না। কারণ তারাও জামাত। সমস্যাটা হচ্ছে তোমাদেরই। মানুষের মধ্যে আন্দোলন ছড়ায়া না দিয়ে প্যাকেট করে পকেটে রাখার চেষ্টা করছো। ধরা তো খাবাই।

_______________________________________
চেয়ারম্যান মাওয়ের তিনটি রচনা পড়ুন-
_______________________________________
'জনগণের সেবা করুন'
'যে বোকা বুড়ো পাহাড় সরিয়েছিলেন'
'মানুষের নির্ভুল চিন্তাধারা কোথা থেকে আসে'

 
 

মানুষের মধ্যে আন্দোলন ছড়ায়া না দিয়ে প্যাকেট করে পকেটে রাখার চেষ্টা করছো। ধরা তো খাবাই।

আনিস ভাই আন্দোলন নিয়ে কয়েকটা পোস্ট আমি নিজে দিয়েছি সেখানে পড়ে কেমন লাগলো জানিনা তবে সেখানে যা বোঝানো হয়েছে এবং আন্দোলনে যতবারই মঞ্চে গিয়েছি ততবারই বলেছি এই আন্দোলন জনতার,জনতা যাই চাইবে তাই হবে।
কিন্তু ওল্ড ডুডসরা তো ব্যস্ত ন্যাতা হবার জন্য।

○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○●○
জয় বাংলা... জয় বঙ্গবন্ধু...
নিজেই কানা পথ চিনে না,পরকে ডাকে বারংবার।
জামাত-শিবির রাজাকার এই মুহুর্তে বাংলা ছাড়।

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

জাগবেনা, কানসাটবাসীরা ধর্মান্ধ। ধার্মিক আর ধর্মান্ধ এক বিষয় না। এটা আশাকরি সরকারের ব্লগার নিধন কমিটি বুঝবেন।

 

নতুন কমেন্ট যুক্ত করুন

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

সুমিত চৌধুরী
Offline
Last seen: 2 years 3 weeks ago
Joined: শনিবার, ফেব্রুয়ারী 2, 2013 - 5:05অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর