নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • অনিক চক্রবর্তী
  • অনুভব রিজওয়ান
  • মোমিন মাহদী
  • নাঈম উদ্দীন
  • সাইফ উদ্দীন
  • সংগ্রামী আমি
  • মোঃ নাহিদ হোসোইন
  • পাপেন ত্রিপুরা
  • মোঃ রেফায়েত উল্ল্যাহ
  • রজন্ত মিত্র

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

কুরআন অনলি: (১৭) শয়তানের গডফাদার ও মুহাম্মদের আল্লাহ!


দ্বিতীয় অধ্যায়:"মুহাম্মদের আল্লাহ!"

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার স্ব-রচিত ব্যক্তি-মানস জীবনী গ্রন্থ (Psycho-biography) কুরআনে বার বার ঘোষণা করেছেন যে ধর্মশাস্ত্রের নিকৃষ্টতম চরিত্র 'শয়তান' এর যাবতীয় কর্মকাণ্ডের পেছনের মদদদাতা যিনি, তিনি হলেন এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা স্বয়ং! যে স্রষ্টাকে তিনি 'আল্লাহ' নামে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি আরও দাবী করেছেন যে আল্লাহর অনুমতি ছাড়া শয়তানের কিচ্ছু করার ক্ষমতা নেই ও স্বয়ং আল্লাহ অবিশ্বাসীদের বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট করেন!

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

ইসলাম হলো মিথ্যাবাদীতা বা প্রতারনার ধর্ম


সব ধর্মেই কোন না কোন সময় মিথ্যা কথা বলাটাকে অনুমোদন করে, কিন্তু সেটার সাথে ইসলাম অনুমোদিত মিথ্যা কথা বলার আকাশ পাতাল পার্থক্য বিদ্যমান। অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ধর্ম প্রচারের জন্যে মিথ্যা কথা বলা অনুমোদিত নয় , বরং জীবন রক্ষা , স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক রক্ষা ইত্যাদি ব্যাক্তিগত প্রয়োজনে মিথ্যা বলার অনুমতি বিদ্যমান। কিন্তু ইসলামই একমাত্র ধর্ম যাতে বলা আছে , ইসলাম প্রচারের জন্যেই মিথ্যা কথা বলা যাবে। খোদ ইসলামের ঈশ্বর আল্লাহ নিজেকেই কোরানে বলেছে প্রতারক বা মিথ্যাবাদী। তার অর্থ হলো ইসলামের মূল ভিত্তিটাই হলো মিথ্যা ও মিথ্যাচার।

ধর্মীয় কুযুক্তি


মাঝে মাঝে ধর্মীয় চ্যানেল গুলো দেখি। না আমি ধার্মিক না যে ধর্ম জানার জন্য দেখি। আমি দেখি যে ধর্ম প্রচারকরা কত টুকু অযুক্তিক যুক্তি দিতে পারেন আর মানুষ কিভাবে কুযুক্তি গুলো গ্রহণ করে। ধর্ম প্রচারকরা আজকাল ধর্মকে বিজ্ঞান সম্মত প্রমান করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কে কতটুকু বিজ্ঞান সম্মত প্রমান করতে পারেন তা নিয়া তাদের মাঝে প্রতিযোগিতা চলছে। আর এ কাতারে তাদের প্রধান হাতিয়ার হলো বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। আমরা জানি যে আজ বিজ্ঞান সব রহস্যের সমাধান করতে পারে নাই। বিজ্ঞান আজ অনেক অনেক কিছু জানে না। আর এটাকেই ধর্ম প্রচারক রা তাদের কাজে লাগান। আজ বিবর্তনবাদ যদিও পরিক্ষিত ভাবে প্রমানিত যে প্রকৃতির সবকিছ

হিন্দু কারা? আরব পৌত্তলিক ও সেমিটিক নবীদের সূর্য পুরাণ


আরবরা হিন্দু ছিলো না। হিন্দু কেবল মাত্র সিন্ধু সভ্যতার মানুষজনকে বুঝানো হয়। মুসলমান বর্গিরা আসার পর সিন্ধু সভ্যতার স্থানীয়দের তারা ‘হিন্দু’ নামে ডাকতে থাকে। আজকের ‘হিন্দু ধর্ম’ কিছুতেই ‘হিন্দুদের ধর্ম’ নয়। এটি পৌত্তলিক ধর্ম। তাই আরব পৌত্তলিকদের ধর্ম ভারতবর্ষের পৌত্তলিকদের জ্ঞাতি কিনা তার কিছু পর্যালোচনা দেখা যেতে পারে। যেহেতু শ্রীকৃষ্ণ এবং মুসা নবীর কাহিনীটি হুবহু এক কাজেই গায়ের জোরে নিশ্চয় সব কিছু উড়িয়ে দেয়া যাবে না…।

ধর্মীয় যুক্তির ভুলগুলো


সভ্যতার প্রায় আদিকাল থেকেই একের পর এক ধর্মের উৎপত্তি হয়ে চলেছে। মজার ব্যাপার, এই ধর্ম গুলির আচার আচরণের মধ্যে বিভিন্ন পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও এদের যুক্তিগুলি সেই শুরু থেকে একই রকম রয়ে গেছে, তা সে ধর্মীয় তাত্ত্বিক আলোচনার ক্ষেত্রেই হোক বা কোনো সামাজিক সংস্কারের ইস্যুতে। যে ধরনের যুক্তি কোন হিন্দু ধর্মীয় বই তে পাওয়া যায়, একই ধরনের যুক্তি পাওয়া যায় ইসলাম ও খ্রিস্ট ধর্মীয় গ্রন্থগুলিতে। যুক্তিগুলি যতই ভ্রান্ত হোক না কেন, সাধারণ মানুষের অজ্ঞতা এবং চাতুর্যপূর্ণ পরিবেশনের কারণে সেই আদি কাল থেকেই বেশিরভাগ মানুষকে অল্প বিস্তর প্রভাবিত করে।

মাদ্রাসায় হুজুর দ্বারা সংগঠিত ঘটনা গুলো সমকামীতা নাকি শিশুকামীতা?


সমকামীতা, নাউজুবিল্লাহ। সক্কাল সক্কাল “ইস্টিশন দল” নামক একটা নাস্তিকদের গ্রুপে দেখলাম একভদ্দর লোক একটা লেখা শেয়ার করছেন “ইসলামিক রিসার্স ফাউন্ডেশন” পেইজ লিঙ্ক নামক একটা পেইজ থেকে। একটা শিশুর মস্তছিন্ন দেহ আর আর আলাদা মস্তকের দুটা ছবিও পোষ্টের সাথে শেয়ার করা আছে। ঘটনা আলহামদুলিল্লাহ্ একজন হুজুর ঘটিয়েছেন। তো সেই পোষ্টে বলা হয়েছে হুজুরের অপকর্ম দেখে ফেলেছিলো বলে ছেলেটিকে হত্যা করা হয়েছে। কি অপকর্ম করেছিলো হুজুর? একজনের সাথে যৌনতায় লিপ্ত হয়েছিলো সমলিঙ্গের, যাই হোক সেই পেইজে এটাকে সমকামীতা বলে আখ্যা দেয়া হলেও আমার ঘোর আপত্তি আছে একটা রিসার্স পেইজ পেডোফিলিয়ার বা শিশুকামীতার মতো ইস্যুকে সমকামীতা বলে আখ্যা দেয় কিভাবে!

ধর্মের উৎপত্তি



পৃথিবীতে ধর্মের কি ভাবে শুরু কিংবা উৎপত্তি হয়েছিল তার ব্যাখ্যা ও ইতিহাস বিস্তর।
এনিয়ে শত শত পুস্তক লিখা যাবে।
কিন্তু মূল সত্যকে জানতে হলে থাকতে হবে গভীর ও তীক্ষ্ণ অনুমান।
থাকতে হবে কল্পনার প্রখর শক্তি।
জগদ্বিখ্যাত বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছিলেন { ইমাজিনেশন ইজ মোওর ইমপোরটেন্ট দ্যান নলেইজ } কারণ আজ থেকে হাজার হাজার বৎসর আগে মানুষ যে ‘প্রাকৃতিক পরিবেশে’ বসবাস করতো, সেই পরিবেশটাকে বুঝতে হবে কল্পনা ও অনুমানের কঠিন সত্য দিয়ে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর