নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 4 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • মারুফুর রহমান খান
  • নরমপন্থী
  • সলিম সাহা
  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • নীল মুহাম্মদ জা...
  • ইতাম পরদেশী
  • মুহম্মদ ইকরামুল হক
  • রাজন আলী
  • প্রশান্ত ভৌমিক
  • শঙ্খচূড় ইমাম
  • ডার্ক টু লাইট
  • সৌম্যজিৎ দত্ত
  • হিমু মিয়া
  • এস এম শাওন

আপনি এখানে

ধর্ম-অধর্ম

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (২৪) হুমকি ও ভীতি প্রদর্শন!


বর্তমান 'কুরআনের' পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনায় আমরা জানতে পারি, স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার সুদীর্ঘ ২৩ বছরের নবী জীবনে 'আল্লাহর নামে' অবিশ্বাসীদের উদ্দেশে যে সর্বমোট ৬২৩৬টি বানী বর্ষণ করেছিলেন, তার কমপক্ষে ৫২১টি শুধুই হুমকি, শাসানী, ভীতি-প্রদর্শন, অসম্মান, দোষারোপ ও সম্পর্কচ্ছেদের আদেশ সম্পর্কিত! এ ছাড়াও আছে তার ত্রাস, হত্যা, হামলার আদেশ সংক্রান্ত কমপক্ষে আরও ১৫১টি বানী। মোট ৬৭২টি আয়াত! যা সমগ্র কুরানের মোট আয়াত সংখ্যার ১০.৭৮ শতাংশ! [1]

বুদ্ধি হওয়ার পর থেকে আর রোজা থাকি নি


মুমিন - আপনারা নাস্তিকরা যে রোজা না রেখে নিজেদের খুব বুদ্ধিমান মনে করেন, আপনারা কি জানেন রোজা রাখা কতো উপকারী? বুদ্ধিমান হলে অবশ্যই সেটা জানতেন।

আমি - তাই? দারুণ তো। যাইহোক, আমি স্বাস্থ্য সচেতন মানুষ না। রোজা উপকারী না অপকারী এসব হিসেব করে রোজা না রাখার সিদ্ধান্ত নেই নি। রোজা রাখার নিয়ম পড়লেই বুঝা যায়, রোজা রাখা কেন অর্থহীন।

- হা হা আল্লাহ্‌র নির্ধারিত নিয়ম আপনাদের পছন্দ হবে কেন, আপনারা তো শয়তানের নিয়মে চলতে চান!

কোরান যে কোন ভাবেই সৃষ্টিকর্তার কিতাব হতে পারে না , তার সহিহ প্রমান


মূর্খ বা মডারেট বা উগ্র পন্থি সব মুসলমানই দাবী করে , মুহাম্মদের কাছে যে আল্লাহর বানী নাজিল হয়েছিল , তার সবই আছে বর্তমান কোরানে। গত ১৪০০ বছর ধরে তার কোন পরিবর্তন , সংশোধন বা কোন আয়াত বাদ পড়ে নাই। কিন্তু তাদের দাবীটা কি সত্য ? এ বিষয়ে প্রকৃত ঘটনা ও তথ্য কি বলে ? এই দাবীটা তারা করে কোরানেরই দাবী অনুযায়ী- যেমন কোরান বলছে -

মুহাম্মদের পুত্রবধু বিয়ের কথা নামাজে ৫ বার বললে আমার কি লাভ ?


নামাজ পড়ার সময় কোরানের আয়াত পড়তে হয় বাধ্যতামূলকভাবে। কেউ সেই আয়াতগুলোকে নিজ মাতৃভাষায় বলে না , বলে আরবীতে যার অর্থ ৯৯% লোকই জানে না। ধরা যাক , কোন লোক আরবী আয়াতের অর্থকে নিজ মাতৃভাষায় বলল, সেই মত অবস্থায় সে যেটা বুঝবে বা জানবে , তাহলে তার কি প্রতিক্রিয়া হবে ? আর তাতে তার লাভটাই কি ? ধরা যাক সুরা আহযাব ৩৩:৩৭ আয়াতটা নামাজে পড়া হলো-

রমজান সংযম, সংগম, নাকি ধর্ষণ আর সংঘর্ষের মাস!?


নারীবাদ আর নাস্তিক্যবাদ চর্চাকারীদের প্রতি প্রতিটি ধর্মপ্রাণ প্রাণীর বিদ্বেষ আছে, আছে অহরহ অভিযোগ৷ মানুষ না বলে প্রাণী কেন বলছি? মানুষ বলতে ইচ্ছে করেনা কারণ আছে তার অনেক৷ যাই হোক, এত অভিযোগের পরও তারা দেখাতে পারেনা কোন এক নাস্তিক কিংবা নারীবাদী কাউকে ধর্ষণ করেছে, করার পর মেরে ফেলেছে৷ কোথাও দেখাতে পারেনা শিশুদের জোর পূর্বক ধর্ষণ করেছে৷ কিন্তু প্রতিদিনের পত্রিকা রমরমা ধর্ম প্রাণীদের অত্যাচারে৷ দেখা যায় মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্রকে বলাৎকার করছে, যৌন হয়রানি করছে, নয়তো শিশুর পেটে শিশু আসার পর প্রমাণ করে দিচ্ছে এ কাজ মাদ্রাসা শিক্ষকের৷ কি করবে শিশুরা!!

ইসলামই মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত তৈরী করে তাদেরকে বর্বর বানায়


ইসলাম নিজেই মুসলমানদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সংঘাত সংঘর্ষ তৈরী করে , তাদেরকে অসভ্য বর্বর বানায়। কিন্তু দুর্ভাগ্য, মুসলমানরা ইমানের আধিক্যে সেটা বুঝতে পারে না। যদি তারা কোরান হাদিস সিরাত তাফসির পড়ত , তাহলে বুঝতে পারত। কিন্তু তারা পণ করেছে , কখনই কোরান হাদিস সিরাত ইত্যাদি নিজের মাতৃভাষায় পড়বে না। কোরান হাদিসের কিছু মাত্র না জেনেই তারা ইসলাম পালনে স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। যাইহোক , এবার দেখা যাক , কিভাবে ইসলাম নিজেই মুসলমানদেরকে অসভ্য ও বর্বর বানায়।

রোযা রাখার কি আসলেই কোন মানে আছে?


ধর্মমতে প্রতিটি মুসলমানের উচিৎ রোযা রাখা। অর্থাৎ সূর্য উঠার পরে থেকে সূর্য অস্ত যাওয়ার আগে পর্যন্ত নিজেকে সকল প্রকার লোভ-ক্ষোভ-লালসা-নেশা-সকল প্রকার ধর্মবিরোধী কাজ থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
কিন্তু আমরা কি সেটা পারছি? দোকানের খোলা খাব দেখলেই আমাদের মুখে পানি চলে আসে, মেয়ে দেখলে অনেকেরই লালসা উপচে পড়ে। কিন্তু তারপরও আমরা নিজেদেরকে রোযাদার দাবী করি। এটা কি হাস্যকর নয়?
আমরা লোভ নিবারনের চেষ্টা করি না, বরং দোকানে পর্দা দেয়ার জন্য পাগল হয়ে যাই। আমরা মেয়েদের প্রতি নিজের লালসার দৃষ্টি না দিয়ে পারি না তাই তাদেরকে পর্দা করতে বলি। আহা আমাদের ধর্ম!!

মুসলিমদের কিছু খুচরো দোষ


অন্য কোনো ধর্মের লোকজন উপাসনা(নামাজ) বা উপবাস(রোজা) ভাঙার জন্যে পাবলিক বাসে, বাস-সুদ্ধ লোকের সময় নষ্ট করে বলে আমার জানা নেই।

যদিও এরা গাড়ির কারো কথা না ভেবেই এই অন্যায় আবদার করে এবং গাড়ির ড্রাইভার অন্যদের অনুমতি না নিয়েই অথবা কখনো কখনো বাধ্য হয়েই গাড়ি থামিয়ে রেখে অন্যদের সময়নষ্ট ও বিরক্তির উদ্রেক করে।অনেকের কাছে ব্যাপারটা অনৈতিক মনে হলেও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারেন না,কেননা এই উন্নতশ্রেণীর দৃশ্যত দ্বিপদ( আচরনে চতুষ্পদ)'দের ধর্মানুনুভূতি অতি মাত্রায় প্রবল এবং তাদের প্রতিরোধ কিংবা প্রতিরোধের ভাষা তাদের ধর্মানুরাগের মতোই প্রবল ও বিকৃত।

পৃষ্ঠাসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

কপিরাইট © ইস্টিশন ব্লগ ® ২০১৮ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর