নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • মুফতি মাসুদ
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সৈকত সমুদ্র
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

মুক্তচিন্তা

মুক্তচিন্তা

কুরআন অনলি: (১১) নবুয়তের প্রমাণ দাবী - প্রতিক্রিয়া? – দুই


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার সুদীর্ঘ ২৩ বছরের নবী জীবনে তার চারিপাশের মানুষদের উদ্দেশ্যে পূর্ববর্তী নবীদের যে অলৌকিক কিচ্ছা-কাহিনীগুলো প্রচার করতেন, তার সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যখন অবিশ্বাসীরা মুহাম্মদের কাছে তার নবুয়তের প্রমাণ স্বরূপ তাদেরই মত কোন 'অলৌকিকত্ব (মোজেজা)' হাজির করতে বলেছিলেন; তখন তিনি তাদেরকে কীরূপ অপ্রাসঙ্গিক জবাব, অজুহাত, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য, হুমকি-শাসানী ও ভীতি প্রদর্শন করেছিলেন, তার আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।মুহাম্মদের নিজস্ব জবানবন্দির আলোকে আমরা আরও জানতে পারি, অবিশ্বাসীরা মুহাম্মদের কাছে শুধু যে পূর্ববর্তী নবীদেরই অনুরূপ কোন প্রমাণ হাজির করতে বলেছিলেন তাইই

সংক্ষিপ্ত কুরআন - রিভিউ


ইসলাম বিশ্বাসী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতদের অনেকেই যে দাবীটি প্রায়শই করে থাকেন তা হলো, 'ইসলাম খুবই সহজ সরল একটি ধর্ম!' বাস্তবিকই, ইসলাম মূলত: "একটি মাত্র মানুষের" প্রবর্তিত জীবন বিধান, যে মানুষটির নাম মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মুত্তালিব। সুতরাং, সঙ্গত কারণেই ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে মুহাম্মদ-কে জানতেই হবে। এর কোনই বিকল্প নেই। বলা হয়,

"যে মুহাম্মদ-কে জানে সে ইসলাম জানে; যে তাঁকে জানে না, সে ইসলাম জানে না।"

অন্যান্য দেশে নাস্তিকদের অধিকার এবং অবস্থা ১ :পাকিস্তান


বাংলাদেশ পৃথিবীর মাঝে খুদ্র একটা দেশ, এইদেশে ধর্মে অবিশ্বাসীর সংখ্যা বর্তমানে অনেক বেড়েছে, কিছুদিন আগেও সৃষ্টিকর্তা বা ধর্মের বিরুদ্ধে কথা কথা বলার মতো লোক হাতেগোনা মাত্র কয়েকজন ছিলো, কিন্তুু বিগত কয়েক বছরে এই সংখ্যা লক্ষাধিকএ এসে ঠেকেছে, বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের মাঝে নাস্তিকতার প্রবনতা বেশী দেখা যাচ্ছে।
আর এর অনুপ্রেরণা দাতা যারা এই মৌলবাদী দেশে ধর্মের অমানবিকতা সম্নন্ধে লিখে গেছে, ধর্মের গোড়ামি গুলোকে মানুষের সামনে তুলে ধরেছে, তুলে ধরেছে নারীদের অবস্থান সম্নন্ধে ,তারা বারবার প্রশ্নবিদ্ধ করেছে ধর্মীয় উগ্র আয়াত উগ্র চিরাচরিত নিয়ম গুলো ।

আল্লাহ । "সৃষ্টিকর্তা নাকি ক্ষমতালিপ্সু অত্যাচারী যুদ্ধবাজ একনায়ক ?"


আমি কুরআনের কিছু আয়াত উল্লেখ করবো । সেখানে আল্লাহ মুসলিমদের যুদ্ধ করার নির্দেশ দিচ্ছেন, এবং অমুসলিমদের হত্যা করার কথা বলছেন । তা না করলে কি শাস্তি হবে তা বলে মুসলিমদের ভয়ও দেখাচ্ছেন । এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে লোভ দেখিয়ে যুদ্ধ করতে বাধ্য করছেন । এবং বলছেন যা ক্ষয়ক্ষতি হবে তা নাকি উনি উসুল করে দিবেন । তিনি এও বলেছেন, অমুসলিমরা মুসলিমদের শত্রু । তাদের সাথে কোনো প্রকার লেনদেন কিংবা বন্ধু্ত্ব করা যাবে না ।

অর্থ্যাৎ বর্তমান সময়ের যুদ্ধবাজ একনায়কদের সাথে আল্লাহর কোনো পার্থক্যই নেই ।

# সূরা আনফাল

পোপ ফ্রান্সিস চোখে আঙ্গুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে গেলেন ধার্মিক কাকে বলে



আর পোপ ফ্রান্সিস এতোবড় একটি প্রার্থনাসভা করলেন, সেখানে তিনি মানুষকে শুধুই বিশ্বশান্তির বাণী শোনালেন। তিনি কোনো ধর্মের মানুষকে একচুল পরিমাণও আঘাত করেননি। কাউকে গালিও দেননি। কী ভদ্রতা আর সভ্যতার সঙ্গে নিজেদের ধর্ম শান্তিপূর্ণভাবে পালন করে ধর্মপালনের অনন্য ও অসাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেলেন। এদেশের মুসলমান এর থেকে শিক্ষা নিতে পারে।

বাংলাদেশও পাকিস্তান


পাকিস্তান
==============
১৯৩৩ সালে, দি পাকিস্তান ন্যাশনাল মুভমেন্টের ব্যানারে ( The Pakistan National Movement )
হয় এখন নয়তো কখনো না, শিরোনামে একটি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয় যার উপশিরনাম ছিল,
আমার কি চিরদিনের জন্য বাঁচবো না মৃত্যুবরন করবো।
“NOW OR NEVER”
“Are we to live or perish for ever?”

বিয়েই জীবন, বিয়েই মরণ


আজ পর্যন্ত আমার পরিবার আমাকে বিয়ে করার জন্য জোরজবরদস্তি করে নি। কিন্তু আমার আশেপাশের মানুষজন সারাদিন আমাকে বিয়ে করা নিয়ে ঘ্যানঘ্যান করতেই থাকে। তাদের ভাষ্যমতে, বিয়েই হচ্ছে নারী ও পুরুষের জীবনের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। এমন ভাব যেন, বিয়ে ব্যতীত জীবনের কোন মূল্য নেই।

যেখানে ভালোবাসা নেই, সেখানেও বিয়ে মুখ্য। যেখানে প্রেম নেই, সেখানেও বিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যেখানে আস্থা অর্জন করা কষ্টকর, সেখানেও বিয়ে জরুরী। বিয়ে করতেই হবে। বিয়ে না করলে যেন এই সমাজ, রাষ্ট্র, গোবরভরা মস্তিষ্কের কীটপতঙ্গগুলি বুলেট ছুঁড়ে মারবে।

স্বাধীনতাযুদ্ধ নিয়ে পরাজিতের লেখা ইতিহাস, বিজয়ীর লেখা ইতিহাস, নিরপেক্ষ ইতিহাস



গত একমাসে আবার যা যা পড়লাম, তার মধ্যে এ টেল অফ মিলিয়নস, এ স্ট্রেনজার ইন মাই ওউন কান্ট্রি, বিট্রেয়াল অফ ইস্ট পাকিস্তান, এক জেনারেলের নীরব সাক্ষী সহ আরও কিছু বই আছে। জেঃ নিয়াজির বই নিয়ে কিছু বলব না। মিথ্যাচার আর হাওয়ার উপর ভাসা যুদ্ধজয়ের অনেক হাইপোথিসিসের মতও আছে। আমি কেবল ভাবছিলাম, "হাউকাম হি বিকেম এ জেনারেল?" পাকিস্তানী অথরদের বই পড়তে গেলে অবশ্য শুরুতেই সন্দেহ নিয়ে পড়তে থাকি। তাদের বক্তব্যে ধর্মের প্রভাব থাকে, জাত্যাভিমান থাকে, ঘৃণা থাকে। তারা যে পরিসংখ্যান দেয় তাতে মিথ্যা ঢুকায়। যেমন, মেজর জেনারেল খাদিম হুসেন রাজার লেখা এ স্ট্রেনজার ইন মাই ওউন কান্ট্রিতে অনেক অনেক ভুল তথ্য ছিল, অনেক মিথ্যা ছিল, ঘৃণার দৃষ্টিতে দেখা বক্তব্য ছিল। মেঃ জেঃ রাজা, আপনি অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা করেছিলেন রাও ফরমান আলীর সাথে, ভাল কথা। মরবার আগে দিয়ে যে বই লিখেছেন, তাতে তো সত্য তথ্য উপাত্ত থাকা উচিত ছিল, ছিল না? শিক্ষিত ও বুদ্ধিমান মানুষের মিথ্যা ভয়ংকর, এরা সমাজের জন্যও ভাল না। জাতীয় স্বার্থের চেয়ে ব্যক্তিস্বার্থ বড় হলে যে কেউ হয়ে যেতে পারে এক একজন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, যাদের কেউ বিশ্বাস করে না। ৬৯ সালে উনি বঙ্গবন্ধুর আইনসংক্রান্ত টিমে ছিলেন, ২৬শে মার্চ রাতে পাকিস্তানীদের গ্রেফতার করতে চাওয়া ১৫ জনের তালিকায় ছিলেন। এরপর জেঃ জিয়া, জেঃ এরশাদ, এরশাদের ভাঙা অংশ পেরিয়ে বিএনপিতে ছিলেন। এইদেশের একটা মানুষ কি বোঝাতে চায়, নিজে কি চায় সেসব নিয়ে সন্দেহ থাকলে উনার উদাহরণ টানা যেতে পারে।

পৃষ্ঠাসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর