নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 6 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • বিকাশ দাস বাপ্পী
  • মুফতি মাসুদ
  • নরসুন্দর মানুষ
  • সৈকত সমুদ্র
  • রাজর্ষি ব্যনার্জী
  • সাইয়িদ রফিকুল হক

নতুন যাত্রী

  • আদি মানব
  • নগরবালক
  • মানিকুজ্জামান
  • একরামুল হক
  • আব্দুর রহমান ইমন
  • ইমরান হোসেন মনা
  • আবু উষা
  • জনৈক জুম্ম
  • ফরিদ আলম
  • নিহত নক্ষত্র

আপনি এখানে

কুরআন অনলি: (৭) মিথ্যাবাদী উন্মাদ বনাম সত্যবাদী মুহাম্মদ - প্রোপাগান্ডার স্বরূপ!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার আল্লাহর রেফারেন্সে 'কুরআনে' বহুবার নিজেই নিজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন যে আল্লাহ তাকে জানিয়েছে যে তিনি হলেন এমন এক ব্যক্তি যিনি, 'মহান চরিত্রের অধিকারী (৬৮:৪); বিশ্বাসভাজন (৮১:২১); বিশ্ববাসীর রহমত (২১:১০৭); সমগ্র মানবজাতির সুসংবাদ দাতা (৩৩:৪৫); উজ্জ্বল প্রদীপ (৩৩:৪৬)'; ইত্যাদি, ইত্যাদি। তিনি আমাদের আরও জানিয়েছেন যে, ‘তাকে অবিশ্বাসী' তার চারিপাশের মানুষরা তাকে জানতেন এক মিথ্যাবাদী, উন্মাদ ও অস্বাভাবিক আচরণকারী (যাদুগ্রস্ত) ব্যক্তি হিসাবে।

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

মিথ্যাবাদী মুহাম্মদ:

২২:৪২-৪৩ (সূরা হাজ্জ্ব)- "তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে তাদের পূর্বে মিথ্যাবাদী বলেছে কওমে নূহ, আদ, সামুদ, ইব্রাহীম ও লূতের সম্প্রদায়ও।"

২৯:১৮ (সূরা আল আনকাবুত) - "তোমরা যদি মিথ্যাবাদী বল, তবে তোমাদের পূর্ববর্তীরাও তো মিথ্যাবাদী বলেছে। স্পষ্টভাবে পয়গাম পৌছে দেয়াই তো রসূলের দায়িত্ব।"

৩৪:৪৩ (সূরা সাবা) - "যখন তাদের কাছে আমার সুস্পষ্ট আয়াত সমূহ তেলাওয়াত করা হয়, তখন তারা বলে, তোমাদের বাপ-দাদারা যার এবাদত করত এ লোকটি যে তা থেকে তোমাদেরকে বাধা দিতে চায়। তারা আরও বলে, এটা মনগড়া মিথ্যা বৈ নয়। আর কাফেরদের কাছে যখন সত্য আগমন করে, তখন তারা বলে, এতো এক সুস্পষ্ট যাদু।"

৩৫:৪ (সূরা ফাতির)- "তারা যদি আপনাকে মিথ্যাবাদী বলে, তবে আপনার পূর্ববর্তী পয়গম্বরগণকেও তো মিথ্যাবাদী বলা হয়েছিল। আল্লাহর প্রতিই যাবতীয় বিষয় প্রত্যাবর্তিত হয়।"

৩৮:৪ (সূরা ছোয়াদ)- "তারা বিস্ময়বোধ করে যে, তাদেরই কাছে তাদের মধ্যে থেকে একজন সতর্ককারী আগমন করেছেন। আর কাফেররা বলে এ-তো এক মিথ্যাচারী যাদুকর।"

উম্মাদ মুহাম্মদ:

১৫:৬ (সূরা হিজর)- "তারা বললঃ হে ঐ ব্যক্তি, যার প্রতি কোরআন নাযিল হয়েছে, আপনি তো একজন উম্মাদ।

২৩:৭০ (সূরা আল মু’মিনূন)- "না তারা বলে যে, তিনি পাগল? বরং তিনি তাদের কাছে সত্য নিয়ে আগমন করেছেন এবং তাদের অধিকাংশ সত্যকে অপছন্দ করে।"

৩৪:৭-৮ - "কাফেররা বলে, --- সে আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা বলে, না হয় সে উম্মাদ এবং যারা পরকালে অবিশ্বাসী, তারা আযাবে ও ঘোর পথভ্রষ্টতায় পতিত আছে।"

৩৭:৩৬ (সূরা আস-সাফফাত)- "বলত, আমরা কি এক উম্মাদ কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব।"

৬৮:৫১ (সূরা আল কলম) - "কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।"

যাদুগ্রস্ত (Bewitched) মুহাম্মদ:

১৭:৪৭ (সূরা বনী ইসরাঈল) - “যখন তারা কান পেতে আপনার কথা শোনে, তখন তারা কেন কান পেতে তা শোনে, তা আমি ভাল জানি এবং এও জানি গোপনে আলোচনাকালে যখন জালেমরা বলে, তোমরা তো এক যাদুগ্রস্ত ব্যক্তির অনুসরণ করছ।”

২৫:৮ (সূরা আল-ফুরকান)- "জালেমরা বলে, তোমরা তো একজন যাদুগ্রস্ত ব্যক্তিরই অনুসরণ করছ।"

>>> কোনও ব্যক্তির স্বঘোষিত আত্ম-প্রশংসা (Self-Certificate) কোনোক্রমেই সেই ব্যক্তির সত্যবাদিতার প্রমাণ হতে পারে না। অন্যদিকে প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতাকে অস্বীকার করার কোনই অবকাশ নেই। প্রবক্তা মুহাম্মদ তার আল্লাহর উদ্ধৃতি দিয়ে কুরানে বহুবার নিজেই নিজের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তার সেই দাবীর যে আদৌ কোন সত্যতা নেই তার উৎকৃষ্ট প্রমাণ হলো ওপরে বর্ণিত মুহাম্মদের নিজেরই জবানবন্দী। শুধু একটি বা দু'টি বাক্য নয়, কুরআনের বহু বাক্যে যে-সত্যটি অত্যন্ত স্পষ্ট, তা হলো মুহাম্মদের পরিপার্শ্বিক প্রায় সমস্ত মানুষই মুহাম্মদকে জানতেন এক মিথ্যাবাদী, উন্মাদ ও অস্বাভাবিক আচরণকারী ব্যক্তি হিসাবে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, মক্কায় মুহাম্মদের ১২-১৩ বছরের (৬১০সাল-৬৩২ সাল) অক্লান্ত প্রচারণার ফসল সমাজের সর্বোচ্চ ১৫০ জন (সঠিক সংখ্যা স্পষ্ট নয়, মতভেদে ১০০-১৫০ জন) অনুসারী। এই অত্যন্ত স্বল্প সংখ্যক অনুসারী ছাড়া তার পরিপার্শ্বের অন্যান্য সবাই ছিলেন অবিশ্বাসী। আর মুহাম্মদেরই ওপরে বর্ণিত জবানবন্দিতে আমরা জানতে পারি, এই অত্যন্ত স্বল্প সংখ্যক অনুসারীরা ছাড়া তার চারিপাশের প্রায় সমস্ত মানুষই তাকে জানতেন এক উন্মাদ ও মিথ্যাবাদী ব্যক্তি হিসাবে। এ ছাড়াও, ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে আদি উৎসের বিশিষ্ট মুসলিম ঐতিহাসিকরা তাদের রচিত নিজ নিজ সিরাত ও হাদিস গ্রন্থে মুহাম্মদের অসংখ্য নৃশংস অমানবিক কর্মকাণ্ডের বিশদ ও প্রাণবন্ত বর্ণনা লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। এমত পরিস্থিতিতে মুহাম্মদের বাণী-কে অভ্রান্ত ও তাকে আল-আমীন (বিশ্বাসী), সত্যবাদী, চরিত্রবান ও রহমতের আধার হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করার উপায় কী?

উপায় মোটামুটি তিনটি:
(১)

হুমকি-ভীতি, নিপীড়ন-নির্যাতন, খুন ও শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সমালোচনাকারীদের কঠোর হস্তে দমন। যাতে বিরুদ্ধবাদীরা কোনোরূপ বিরূপ মন্তব্যের সাহসই না পায়;

(২)

নেতিবাচক তথ্যগুলোকে গোপন অথবা বিভিন্ন কসরতের মাধ্যমে বৈধতা দেয়ার চেষ্টা; ও

(৩)

লাগাতার মগজ ধোলাই (Brainwashing)।

>> শতাব্দীর পর শতাব্দী যাবত এমত পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মিথ্যাকে সত্যের মোড়কে প্রতিষ্ঠিত করা যে সম্ভব, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো ইসলাম। গত ১৪০০ বছর যাবত মুহাম্মদ ও তার অনুসারীরা মুহাম্মদ ও তার মতবাদের সমালোচনাকারীদের অমানুষিক পৈশাচিকতায় দমন করে চলেছেন। সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় পীড়নযন্ত্রের মাধ্যমে অসংখ্য মুক্তমনাদের জর্জরিত করা হয়েছে শারীরিক ও মানসিক আঘাতে। আজকের পরিস্থিতিও যে তার ব্যতিক্রম নয়, তা পৃথিবীবাসী প্রতি নিয়তই প্রত্যক্ষ করছেন!

পৃথিবীর অন্য কোন ধর্মের সাধারণ ধর্মাম্বলীরা ইসলামের মত এত বেশী সময় সাপেক্ষ অত্যাবশ্যকীয় ধর্মীয় অনুশাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট নয়। সময় সর্বদায় সবার জন্য ২৪ ঘণ্টায় দিন-রাত্রি। একজন মানুষের দেহ-মন সুস্থির জন্য প্রতি দিনে কমপক্ষে ছয় থেকে আট ঘণ্টা ঘুম আবশ্যক। আর প্রতি দিনে আরও কমপক্ষে দুই ঘণ্টা দরকার জীবনের অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় কাজে, যেমন: প্রাতঃক্রিয়াদি, খাওয়া, গোসল, ব্রাশ ইত্যাদি (Activities of Daily Living)।[3] অর্থাৎ মুসলিম-অমুসলিম সবাই প্রতি দিন সর্বোচ্চ ১৬ ঘণ্টা সময় পাবেন তাদের ব্যবহারিক কাজে। ইসলাম বিশ্বাসীদের অত্যাবশ্যকীয়ভাবে (ফরজ) প্রতি দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায, প্রতি বছর এক মাস রোজা ও তার সাথে আরও আনুষঙ্গিক অনুশাসন (তারাবী নামাজ, ইফতার, ইত্যাদি) পালন করতে হয়। প্রতি ওয়াক্ত নামাজে যদি গড়ে কম পক্ষে ৩০ মিনিট সময়ও ব্যয় করা হয় তবে একজন মুসলমান তার প্রাত্যহিক ১৬ ঘণ্টা লভ্য সময়ের ২-৩ ঘন্টা ব্যয় করেন শুধুমাত্র নামাজেই। প্রত্যুষে ঘুম থেকে উঠার সময় থেকে (ফজর নামাজ) শুরু করে রাতে ঘুমোতে যাবার পূর্ব পর্যন্ত (এশার নামাজ) প্রতিদিন কমপক্ষে পাঁচবার ইসলাম বিশ্বাসীদের মস্তিষ্কে মুহাম্মদের গুণকীর্তন ও আদেশ নিষেধের বানী স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয় মুয়াজ্জিনের উচ্চকণ্ঠ আজান, পরিবার সদস্য ও পরিপার্শ্বের অন্যান্য মুসলমানদের মাধ্যমে। ১৬ ঘণ্টায় ৫ বার! অর্থাৎ, গড়ে প্রতি ৩ ঘণ্টায় একবার! জন্ম থকে মৃত্যু পর্যন্ত!

এ ছাড়াও আছে মসজিদের ইমাম সাহেবের বক্তৃতা; ওয়াজ-মাহফিলের বয়ান; প্রতিটি টিভি চ্যানেলে উল্লেখ যোগ্য সময় নিয়ে ইসলামী অনুষ্ঠান-বক্তৃতা-বিবৃতি; দৈনিক খবরের কাগজে ধর্মীয় কলাম; ইন্টারনেটের বিভিন্ন ইসলামী ব্লগ, ইত্যাদি বিভিন্ন মাধ্যমে মুহাম্মদের গুণকীর্তন ও ইসলামের আদর্শের জয়গান। তার উপর আছে প্রতি ছয় দিন পর পর এক বিশেষ দিন! প্রতি শুক্রবারে জুমার বিশেষ নামাজ-বক্তৃতা-বিবৃতির মাধ্যমে পৃথিবীর প্রত্যেকটি ইসলাম বিশ্বাসীর মস্তিষ্কে মুহাম্মদ ও তাঁর প্রচারিত মতবাদের গুণকীর্তন। আরও আছে প্রতি এগার মাস পর পর একাধারে দীর্ঘ এক মাস ব্যাপী 'রমজান' এর বিশেষ ইসলামী অনুশীলন। যে মাসে দিবারাত্র বিভিন্ন উপায়ে ইসলামের পথে আহ্বানের মাধ্যমে পৃথিবীর প্রত্যেকটি ইসলাম বিশ্বাসীর মস্তিষ্কে মুহাম্মদের গুণকীর্তন ও আদেশ নিষেধের বাণী স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। ফলশ্রুতিতে, পৃথিবীর প্রায় সকল ইসলাম বিশ্বাসীর চেতন ও অবচেতন মস্তিষ্কের সবটা জুড়েই বাসা বাঁধে বেহেস্তের প্রলোভন ও দোযখের অসীম শাস্তির ভয় ও কবর আযাবের বিভীষিকাময় চিত্র! তাদের ধ্যান-মন-প্রাণের সবটা জুড়েই থাকে মুহাম্মদের বাণী ও অনুশাসন চিন্তা।

মুহাম্মদের যাবতীয় উদ্ভট ও অবৈজ্ঞানিক কল্প-কাহিনী, নির্জলা মিথ্যা আত্ম-প্রশংসা, অমুসলিমদের প্রতি তার যাবতীয় ঘৃণা-হিংসা-ত্রাস-অমানবিক বিধান, ইত্যাদি যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বৈধতা দেবার প্রয়োজনেই মুহাম্মদ অনুসারী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতরা গত ১৪০০বছর যাবত এ সমস্ত উপায়গুলো অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সঙ্গে অনুশীলন করে আসছেন। ফলে তাদের মগজ ধোলাই অন্যান্য ধর্মের মানুষের তুলনায় হয় অধিকতর নিশ্চিত (Guaranteed), তীব্রতর ও সুদূর প্রসারী! মুহাম্মদের জালে তারা হোন অষ্টে-পৃষ্টে বন্দী! মুক্ত চিন্তার পথ হয় চিরতরে রুদ্ধ! মুক্ত মানুষের অবস্থান থেকে তারা পরিণত হন দাসে! পরম তৃপ্তিতে! একান্ত আজ্ঞাবহ মুহাম্মদের দাস! আবদ-মুহাম্মদ।

মুহাম্মদের জীবনী নিয়ে হাজার ও মিথ্যাচার ও অতিকথা (Myth) সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। এই মিথ্যাচারের কারণ বুঝতে হলে আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে ইসলামের মৌলিক শিক্ষায়। ইসলামের প্রাথমিক সংজ্ঞা অনুযায়ী মুহাম্মদের (আল্লাহ) বশ্যতা স্বীকার ও সর্বাবস্থায় তার প্রশংসা করতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে। বাকস্বাধীনতা ও মুক্তচিন্তার সুযোগ সম্পূর্ণরূপে রহিত! ফলস্বরূপ, সত্যকে মিথ্যার বেড়াজালে বন্দী করার প্রয়োজনেই সৃষ্টি করা হয়েছে মুহাম্মদের জীবনী নিয়ে হাজারও মিথ্যাচার! ইসলামের ইতিহাসে হাজারো মিথ্যাচারের বেসাতী! মুহাম্মদ ও তার বাণীকে “অভ্রান্ত" প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজনেই ইসলাম বিশ্বাসীদের তা করতে হয়েছে অতীতে, করতে হচ্ছে বর্তমানে ও তা তাদের করতে হবে ভবিষ্যতে!

মুহাম্মদ ছিলেন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত পিতৃ-মাতৃ স্নেহবঞ্চিত ৭ম শতাব্দীর এক আরব বেদুইন। পৃথিবীর যাবতীয় মানুষের মতই ছিল তার আশা-আকাঙ্ক্ষা, লোভ-লালসা, ভুল-ভ্রান্তি, ভাল-মন্দ, মানবিক ও অমানবিক ইত্যাদি যাবতীয় দোষ-গুণ ও দুঃখ-শোকের জীবন! পৃথিবীর সকল মানুষের মত তিনিও ছিলেন চিন্তা-চেতনা-কর্মে তাঁর স্থান ও কালের সীমাবদ্ধতায়। এই চরম সত্যটিকে যারাই অস্বীকার করে মুহাম্মদের যাবতীয় বাণী ও কর্মের বৈধতা দেবার জন্য "ঐশী" শক্তির দ্বারস্থ হবেন, তাদেরকেই ঘুরপাক খেতে হবে 'মুহাম্মদ <>আল্লাহ<> মুহাম্মদ<>আল্লাহ>' চক্রের গোলক ধাঁধায়।

মিথ্যাবাদী ও বিশ্বাসী দু'টি সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী চরিত্র। মিথ্যাবাদী তাকেই বলা হয়, যাকে বিশ্বাস করা যায় না। ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য দলিল হলো মুহাম্মদের জবানবন্দি ‘কুরআন’। আর এই ‘কুরআনেরই’ আলোকে আমরা নির্দ্বিধায় বলতে পারি, “মুহাম্মদের আল-আমীন উপাধিটি ইসলামের হাজারও মিথ্যাচারের একটি!”

(চলবে)

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা:
[1] কুরআনেরই উদ্ধৃতি ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ কর্তৃক বিতরণকৃত তরজমা থেকে নেয়া। অনুবাদে ত্রুটি-বিচ্যুতির দায় অনুবাদকারীর।
http://www.quraanshareef.org/
[2] কুরানের ছয়জন বিশিষ্ট ইংরেজি অনুবাদকারীর ও চৌত্রিশ-টি ভাষায় পাশাপাশি অনুবাদ: https://quran.com/
[3] Activities of daily living (ADL)
http://en.wikipedia.org/wiki/Activities_of_daily_living

Comments

সুবর্ণ জলের মাছ এর ছবি
 

পড়লাম

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

গোলাপ মাহমুদ
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 15 ঘন্টা 29 min ago
Joined: রবিবার, সেপ্টেম্বর 17, 2017 - 5:04পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর