নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

There is currently 1 user online.

  • নুর নবী দুলাল

নতুন যাত্রী

  • অনিক চক্রবর্তী
  • অনুভব রিজওয়ান
  • মোমিন মাহদী
  • নাঈম উদ্দীন
  • সাইফ উদ্দীন
  • সংগ্রামী আমি
  • মোঃ নাহিদ হোসোইন
  • পাপেন ত্রিপুরা
  • মোঃ রেফায়েত উল্ল্যাহ
  • রজন্ত মিত্র

আপনি এখানে

গোলাপ মাহমুদ এর ব্লগ

কুরআন অনলি: (১৭) শয়তানের গডফাদার ও মুহাম্মদের আল্লাহ!


দ্বিতীয় অধ্যায়:"মুহাম্মদের আল্লাহ!"

স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার স্ব-রচিত ব্যক্তি-মানস জীবনী গ্রন্থ (Psycho-biography) কুরআনে বার বার ঘোষণা করেছেন যে ধর্মশাস্ত্রের নিকৃষ্টতম চরিত্র 'শয়তান' এর যাবতীয় কর্মকাণ্ডের পেছনের মদদদাতা যিনি, তিনি হলেন এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা স্বয়ং! যে স্রষ্টাকে তিনি 'আল্লাহ' নামে আখ্যায়িত করেছিলেন। তিনি আরও দাবী করেছেন যে আল্লাহর অনুমতি ছাড়া শয়তানের কিচ্ছু করার ক্ষমতা নেই ও স্বয়ং আল্লাহ অবিশ্বাসীদের বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট করেন!

মুহাম্মদের ভাষায়: [1] [2]

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (১৬) তাঁরাও ছিলেন 'আল্লাহ' বিশ্বাসী!


অধিকাংশ ইসলাম বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী মানুষের এক সাধারণ ধারনা এই যে, ইহুদী-খৃষ্টান ও মুসলমানরা একই ঈশ্বরে বিশ্বাসী।বিষয়টি সত্য নয়। ইহুদীদের ঈশ্বরের নাম ‘জিহোভা বা ইয়েওয়েহ্‌ (YHWH)’, খৃষ্টানদের ঈশ্বরের নাম ‘ট্রিনিটি (পিতা, পুত্র ও পবিত্র আত্মা)' আর মুসলমানের ঈশ্বরের নাম ‘আল্লাহ’।ইসলাম ধর্মের বহু আনুষ্ঠানিকতা (Rituals) যেমন মুহাম্মদ পূর্ববর্তী অন্যান্য ধর্ম থেকে অনুকরণ করা, তেমনি এই 'আল্লাহ' নামটিও স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কোন মৌলিক আবিষ্কার নয়। মুহাম্মদ তার সৃষ্ট ঈশ্বরের নামটি রেখেছেন তার পরিপার্শ্বিক তৎকালীন আরবদের প্রধান দেবতা বা ঈশ্বরের নামের অনুকরণে।মুহাম্মদের বংশ কুরাইশ

কুরআন অনলি রেফারেন্স: (১৫) মুমিনদের অবিশ্বাস ও নবীর হুশিয়ারি!


ইসলামের ইতিহাসের তৃতীয় খুলাফায়ে রাশেদীন হযরত উসমান ইবনে আফফান (রাঃ) এর শাসনামলে (৬৪৪-৬৫৬ খ্রিস্টাব্দ) সংকলিত বর্তমান কুরআনের প্রথম চ্যাপ্টার-টি হল ‘সুরা ফাতিহা’, যা মূলত: একটি প্রার্থনা বা দোয়া। বিছমিল্লাহ হির-রাহমা-নের-রাহিম ও সুরা ফাতেহা কুরআনেরই অংশ কি না, এ ব্যাপারে সাহাবীরাও একমত ছিলেন না। বিশিষ্ট সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে মাসুদ সুরা ফাতিহাকে কোরানের সুরা হিসেবে কোনোদিনই স্বীকার করেননি। আর প্রবক্তা মুহাম্মদ (আল্লাহ) এটিকে বর্ণনা করেছেন “সাতটি বার বার পঠিতব্য আয়াত” হিসাবে (কুরআন: ১৫:৮৭)। [1] সংকলিত কুরআনের এই প্রার্থনাটির পর সর্বপ্রথম যে বাণী তা হলো হিং-টিং-ছট জাতীয় শব্দ, "আলিফ-লাম-মীম (

কুরআন অনলি: (১৪) মুহাম্মদের চ্যালেঞ্জ ও বিশ্বস্রষ্টা!


অবিশ্বাসীদের যৌক্তিক দাবী ও চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় 'স্রষ্টার' নামে মুহাম্মদ কীরূপে নিজেই নিজের সার্টিফিকেট প্রদান করেছিলেন, আত্মপ্রশংসা করেছিলেন ও যদি তিনি নিজে 'কুরআন' রচনা করতেন তবে স্রষ্টা তাকে যে ভয়ানক শাস্তি দিতো বলে দাবী করেছিলেন, মৃত্যুকালে তার ঠিক অনুরূপ শাস্তিই তিনি কীরূপে ভোগ করেছিলেন; ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে।মুহাম্মদেরই নিজস্ব জবানবন্দি 'কুরআনের' আলোকে আমারা জানতে পারি, অবিশ্বাসীরা যেমন বিভিন্নভাবে মুহাম্মদ-কে তার নবুয়তের প্রমাণ হাজির করার 'চ্যালেঞ্জ' জানিয়েছিলে, ‘স্রষ্টার’ মুখোশে মুহাম্মদ ও তেমনই তাঁদের উদ্দেশ্যে পাল্টা অভিযোগ ও 'চ্যালেঞ্জ' ছুঁড়ে দিয়েছিলেন। স্রষ্

কুরআন অনলি: (১৩) আত্ম-সনদ ও আত্মপ্রশংসা আর অজুহাত!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) যে তার 'আল্লাহর নামে' নিজে নিজেরই বাণী প্রচার করে চলেছেন, এ বিষয়ে অবিশ্বাসীরা ছিলেন নিঃসন্দেহ!কী কারণে তাঁরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিলেন; তাঁদের যুক্তি ও চ্যালেঞ্জর মোকাবিলায় মুহাম্মদ তাঁদের কী জবাব দিয়েছিলেন; কী কারণে 'আইয়্যামে জাহিলিয়াত' তত্বটি ইসলামের ইতিহাসের হাজারও মিথ্যাচারের একটি; ইত্যাদি বিষয়ের আলোচনা গত পর্বে করা হয়েছে।মুহাম্মদের জবানবন্দি কুরআনের আলোকে আমরা আরও জানতে পারি, অবিশ্বাসীদের যুক্তি ও চ্যালেঞ্জের মোকাবেলায় মুহাম্মদ তার 'আল্লাহর' নামে নিজেই নিজের সাফাই গেয়েছিলেন!

কুরআন অনলি: (১২) কাফেরদের যুক্তি ও আইয়ামে জাহেলিয়াত!


মুহাম্মদের সমসাময়িক অবিশ্বাসীরা যখন তাঁদের সম্মুখে স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে তার নবুয়তের প্রমাণ স্বরূপ তারই দাবীকৃত যে কোন একটি প্রমাণ হাজির করতে বলেছিলেন, তখন মুহাম্মদ তাঁদের সঙ্গে কী ধরনের ব্যবহার করেছিলেন তার আলোচনা গত দু'টি পর্বে করা হয়েছে। মুহাম্মদের প্রচারণার শুরু থেকেই অবিশ্বাসীরা সর্বদাই অভিযোগ করেছেন যে, মুহাম্মদ যা কিছু প্রচার করতেন, তা পূর্ববর্তীদের উপকথা বৈ আর কিছুই নয়; যা তাঁরা বহু আগে থেকেই শুনে আসছেন!অন্যদিকে, মুহাম্মদ দাবী করেছেন যে, সম্পূর্ণ কুরআন তার আল্লাহর কাছে লিখিত আছে "সম্মানিত, উচ্চ পবিত্র পত্রসমূহে” (কুরআন: ৮০:১৩-১৫)। তার এই দাবীর সত্যতার প্রমাণস্ব

সংক্ষিপ্ত কুরআন - রিভিউ


ইসলাম বিশ্বাসী পণ্ডিত ও অপণ্ডিতদের অনেকেই যে দাবীটি প্রায়শই করে থাকেন তা হলো, 'ইসলাম খুবই সহজ সরল একটি ধর্ম!' বাস্তবিকই, ইসলাম মূলত: "একটি মাত্র মানুষের" প্রবর্তিত জীবন বিধান, যে মানুষটির নাম মুহাম্মদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মুত্তালিব। সুতরাং, সঙ্গত কারণেই ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝতে হলে মুহাম্মদ-কে জানতেই হবে। এর কোনই বিকল্প নেই। বলা হয়,

"যে মুহাম্মদ-কে জানে সে ইসলাম জানে; যে তাঁকে জানে না, সে ইসলাম জানে না।"

কুরআন অনলি: (১১) নবুয়তের প্রমাণ দাবী - প্রতিক্রিয়া? – দুই


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) তার সুদীর্ঘ ২৩ বছরের নবী জীবনে তার চারিপাশের মানুষদের উদ্দেশ্যে পূর্ববর্তী নবীদের যে অলৌকিক কিচ্ছা-কাহিনীগুলো প্রচার করতেন, তার সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে যখন অবিশ্বাসীরা মুহাম্মদের কাছে তার নবুয়তের প্রমাণ স্বরূপ তাদেরই মত কোন 'অলৌকিকত্ব (মোজেজা)' হাজির করতে বলেছিলেন; তখন তিনি তাদেরকে কীরূপ অপ্রাসঙ্গিক জবাব, অজুহাত, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য, হুমকি-শাসানী ও ভীতি প্রদর্শন করেছিলেন, তার আলোচনা আগের পর্বে করা হয়েছে।মুহাম্মদের নিজস্ব জবানবন্দির আলোকে আমরা আরও জানতে পারি, অবিশ্বাসীরা মুহাম্মদের কাছে শুধু যে পূর্ববর্তী নবীদেরই অনুরূপ কোন প্রমাণ হাজির করতে বলেছিলেন তাইই

কুরআন অনলি: (১০) নবুয়তের প্রমাণ দাবী - প্রতিক্রিয়া? - এক


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সা:) আল্লাহর রেফারেন্সে তার সুদীর্ঘ ২৩ বছরের নবী জীবনে যে ৬২৩৬টি বাক্য বর্ষণ করেছিলেন, তার কমপক্ষে ১২৬০টি শুধুই পুরাকালের উপকথা। অর্থাৎ, 'কুরআনে' মুহাম্মদের প্রতি পাঁচ-টি বাক্যের একটি হলো (২০.২%) শুধুই পুরাকালের নবীদের কিচ্ছা-কাহিনী সম্বন্ধীয়; যার বিস্তারিত আলোচনা 'কুরআনে অবিশ্বাস ও তার কারণ (পর্ব-৮)' পর্বে করা হয়েছে!এই কিচ্ছা-কাহিনীগুলো প্রচারের সময় মুহাম্মদ বারংবার পৌরাণিক নবীদের অলৌকিক কর্মকাণ্ডের ('মোজেজা’) উপাখ্যান অবিশ্বাসীদের স্মরণ করিয়ে দিতেন। অতঃপর দাবী করতেন যে তিনিও তাদের মতই

কুরআন অনলি: (৯) আল্লাহর ‘জিন ও শয়তান’ প্রতিরোধ প্রকল্প!


স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) তার আল্লাহর রেফারেন্সে দাবী করেছেন যে তার আল্লাহ এবাদতের উদ্দেশ্যে মানুষ ছাড়াও 'জ্বিন' নামের আর এক অশরীরী জীবের সৃষ্টি করেছেন (৫১:৫৬), যারা তার কুরআন শ্রবণ করে 'বিস্ময়-বোধ' করেছিল!তিনি আমাদের জানিয়েছেন যে এই জীবেরা পূর্বে আকাশের বিভিন্ন ঘাঁটিতে সংবাদ শোনার জন্য বসে থাকতো। কিন্তু এখন তারা আর সেই কাজটি করতে পারে না এই কারণে যে, সর্বনিম্ন আকাশটি এখন 'কঠোর প্রহরী ও উল্কাপিণ্ড দ্বারা পরিপূর্ণ।' কী কারণে তার সর্বশক্তিমান আল্লাহ এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা-টি চালু করেছেন ও আল্লাহর এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি নস্যাৎ করে যদি কোন “শয়তান” তার অভীষ্ট কার্য সম্পুর্ণ কর

পৃষ্ঠাসমূহ

বোর্ডিং কার্ড

গোলাপ মাহমুদ
গোলাপ মাহমুদ এর ছবি
Offline
Last seen: 3 দিন 8 min ago
Joined: রবিবার, সেপ্টেম্বর 17, 2017 - 5:04পূর্বাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

কু ঝিক ঝিক

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর